eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৭৫৬

‘মহাত্মা’ কোন সমাস ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহুব্রিহী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>

<p>‘মহাত্মা’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>মহান আত্মা যার</strong>। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>

<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদটি কোনো ব্যক্তি বা বিশেষ কাউকে (যেমন—মহাপুরুষ) নির্দেশ করছে।</li>
<li>এখানে ‘মহান’ বা ‘আত্মা’—কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই শব্দ দুটি মিলে অন্য একটি অর্থ বা ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ দিয়ে অন্য কাউকে বা কোনো বিশেষ গুণসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, তখনই সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।</p>
১৭৫৭

‘জজসাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
ব্যাখ্যা:
<p>‘জজসাহেব’ শব্দটি <strong>কর্মধারয়</strong> সমাসের উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির ব্যাসবাক্য খেয়াল করি।</p>

<ul>
<li>এর ব্যাসবাক্য হলো: <strong>যিনি জজ তিনিই সাহেব</strong>।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে অন্য কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণের তুলনা বা অভিন্নতা বোঝায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ‘জজ’ এবং ‘সাহেব’ একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে, অর্থাৎ বিশেষ্যের সাথে বিশেষ্যের অভিন্নতা প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দুটি গুণ বা পরিচয় একই সাথে প্রকাশ পায় এবং তাদের মধ্যে অভিন্নতা থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
১৭৫৮

‘টাকায় টাকা আনে’ - এ বাক্যে ‘টাকায়’ পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
করণকারকে ৭মী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণকারকে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>কারক চেনার উপায়:</strong> কোনো কাজ যার মাধ্যমে বা যে উপায়ে সম্পন্ন হয়, তাকেই করণ কারক বলে। এখানে 'টাকা' হলো টাকা আনার মাধ্যম বা উপায়। তাই এটি করণ কারক।</li>
<li><strong>বিভক্তি চেনার উপায়:</strong> শব্দের শেষে 'য়' বা 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে সেটি সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়। 'টাকা' শব্দের সাথে 'য়' যুক্ত হয়ে 'টাকায়' হয়েছে, তাই এটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, টাকা দিয়ে টাকা আসে বা টাকার মাধ্যমে টাকা অর্জিত হয়, তাই এটি করণকারকে ৭মী বিভক্তি।</p>
১৭৫৯

রাজিব বাংলা ব্যাকরণে ভালো, এটি কোন কারক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণ কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষতা, যোগ্যতা বা পারদর্শিতা বোঝায়, তখন সেটি সবসময় অধিকরণ কারক হয়।</li>
<li>এখানে রাজিবের 'বাংলা ব্যাকরণ' বিষয়ে পারদর্শিতা বা দক্ষতা প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণ শাস্ত্র বা কোনো বিষয়ের ওপর দখল থাকলে তাকে ব্যাকরণসম্মত ভাষায় <strong>অধিকরণ কারক</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুতে ভালো বা দক্ষ হওয়া বোঝালেই চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগিয়ে দেবেন!</p>
১৭৬০

এবার একটি গান হোক- এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্যের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাববাচ্যের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠনটা দেখি।</p>

<ul>
<li>ভাববাচ্যে সাধারণত কর্তার চেয়ে কাজের বা ভাবের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।</li>
<li>এখানে 'এবার একটি গান হোক' বাক্যটিতে কোনো নির্দিষ্ট কর্তা নেই, বরং একটি কাজের প্রস্তাব বা অনুজ্ঞার প্রকাশ ঘটছে।</li>
<li>যখন বাক্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবটি প্রধান হয়ে ওঠে, তখন সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>ভাববাচ্য</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে কর্তা গৌণ এবং ক্রিয়ার ভাবটাই মুখ্য, সেখানেই ভাববাচ্য হয়।</p>
১৭৬১

যে বাচ্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে তাকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মকর্তৃবাচ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো বাক্যে কর্মপদটিই কর্তার মতো আচরণ করে, অর্থাৎ কর্মই বাক্যের প্রধান হয়ে ওঠে, তখন তাকে <strong>কর্মকর্তৃবাচ্য</strong> বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে আলাদা করে কোনো কর্তা থাকে না, বরং কর্মপদটিই যেন নিজেই কাজ করছে এমন মনে হয়।</li>
<li>যেমন: 'সুতা ছিঁড়ে গেল' বা 'বইটি ছাপা হয়েছে'। এখানে 'সুতা' বা 'বই' কর্ম হওয়া সত্ত্বেও বাক্যে কর্তার মতো কাজ করছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই দেখবেন কর্মপদটিই বাক্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে, চোখ বন্ধ করে তাকে <strong>কর্মকর্তৃবাচ্য</strong> হিসেবে চিহ্নিত করবেন।</p>
১৭৬২

‘পাপে বিরত থাকো’ - কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
১৭৬৩

‘পাপে বিরত থাকো’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারকে ৭মী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, ভীত বা বিরত থাকা বোঝায়, তখন সেটি অপাদান কারক হয়। এখানে 'পাপ' থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি অপাদান।</li>
<li><strong>৭মী বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা ৭মী বিভক্তি হয়। এখানে 'পাপ' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'পাপে' হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু থেকে দূরে থাকা বা বিরত থাকাই হলো অপাদান, আর শেষে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।</p>
১৭৬৪

জ্ঞানে বিমল আনন্দ হয়।’ কোন কারক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
করণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের সময় খেয়াল করতে হয় ক্রিয়াটি কীভাবে বা কী উপায়ে সম্পন্ন হচ্ছে।</li>
<li>এখানে 'জ্ঞানে' শব্দটি দ্বারা আনন্দ হওয়ার মাধ্যম বা উপায়কে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু জ্ঞান আনন্দ লাভের মাধ্যম বা উপকরণ হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি করণ কারক।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু করার উপায় বা মাধ্যম বোঝালে তা সবসময় <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
</ul>
১৭৬৫

‘ডাক্তার ডাক’ - কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকেই কর্ম কারক বলে। এখানে 'ডাক্তার'কে ডাকার কথা বলা হয়েছে, তাই 'ডাক্তার' হলো কর্ম।</li>
<li>শব্দটির শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, য়) যুক্ত নেই। যখন কোনো শব্দের সাথে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তি চিহ্ন থাকে না, তখন তাকে <strong>শূন্য বিভক্তি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যাকে ডাকা হচ্ছে বা যাকে উদ্দেশ্য করে কাজ করা হচ্ছে, সেই কর্মটি এখানে বিভক্তিহীন অবস্থায় আছে। তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।</li>
</ul>
১৭৬৬

‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’ -এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূণ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ম কারকে শূণ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘ঔষধ’ শব্দটি কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ এখানে ঔষধ দেওয়ার কাজটি করা হচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেটিই কর্ম কারক। এখানে ‘কী দিব’—এই প্রশ্নের উত্তরে ‘ঔষধ’ আসছে, তাই এটি কর্ম কারক।</li>
<li>শব্দটির শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, য়) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূণ্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্ম কারক। এখানে ঔষধ দেওয়ার কাজটি সরাসরি কর্মের ওপর পড়ছে বলেই এটি কর্ম কারকে শূণ্য বিভক্তি।</p>
১৭৬৭

শুধুমাত্র কোন বাচ্যে অ প্রত্যয় যুক্ত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্যে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাববাচ্যে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভাববাচ্যের গঠনশৈলী অন্যান্য বাচ্যের চেয়ে আলাদা।</p>

<ul>
<li>ভাববাচ্যে ক্রিয়াপদ সাধারণত নামপুরুষ ও একবচনের হয়।</li>
<li>এই বাচ্যে ক্রিয়ার সাথে প্রায়ই <strong>'অ'</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য তৈরি হয়।</li>
<li>যেমন: 'আমার যাওয়া হলো না'—এখানে 'যাওয়া' শব্দটি মূলত 'যা' ধাতুর সাথে <strong>'অ'</strong> প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন বাক্যে কর্তার চেয়ে কাজের ভাব বা ক্রিয়ার অর্থই প্রধান হয়ে ওঠে, তখনই আমরা ভাববাচ্যে <strong>'অ'</strong> প্রত্যয়ের ব্যবহার দেখতে পাই।</p>
১৭৬৮

‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছি’ - এই বাক্যে ‘বুলবুলিত ‘ কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্তায় সপ্তমী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তায় সপ্তমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ধান খাওয়ার কাজটি কে করছে? উত্তর হলো ‘বুলবুলি’।</li>
<li>যেহেতু বুলবুলি কাজটি নিজে সম্পন্ন করছে, তাই এটি <strong>কর্তৃকারক</strong>।</li>
<li>শব্দটির শেষে ‘-এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে (বুলবুলি + এ = বুলবুলিতে)। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, অ, এ, য়—এই বিভক্তিগুলো <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কর্তা নিজে কাজ করছে এবং শেষে ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি <strong>কর্তায় সপ্তমী</strong>।</p>
১৭৬৯

অর্থ অনর্থ ঘটায়। এর কারক ও বিভক্তি কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্তায় শূন্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তায় শূন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে 'অর্থ' শব্দটি কাজটি করছে, অর্থাৎ অর্থ নিজেই অনর্থ ঘটানোর কাজটি সম্পন্ন করছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে কর্তা নিজে কাজ করে, সে হলো <strong>কর্তৃকারক</strong>।</li>
<li>শব্দটির শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে) যুক্ত নেই। যখন কোনো শব্দের শেষে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তি চিহ্ন থাকে না, তখন তাকে <strong>শূন্য বিভক্তি</strong> ধরা হয়।</li>
<li>তাই পুরো বিষয়টি দাঁড়াচ্ছে: <strong>অর্থ (কর্তা) + শূন্য (বিভক্তি)</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এখানে 'অর্থ' হলো কর্তা এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি।</p>
১৭৭০

‘কবির কাজ হচ্ছে কাব্য সৃষ্টি করা’- এখানে ‘কাব্য’ এর কারক বিভক্তি কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মে শূন্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মে শূন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘কাব্য’ পদটি কর্ম হিসেবে কাজ করছে, কারণ কবি কী সৃষ্টি করছেন? উত্তর হলো—‘কাব্য’।</li>
<li>ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক।</li>
<li>‘কাব্য’ শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, তে) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কর্তা যা সৃষ্টি করছেন বা যা নিয়ে কাজ করছেন, সেটিই কর্ম। আর যেহেতু এখানে কোনো বাড়তি বিভক্তি নেই, তাই এটি <strong>কর্মে শূন্য</strong> বিভক্তি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।