<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কণ্ঠধ্বনি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্গের প্রথম পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণের স্থানের ওপর ভিত্তি করে নামকরণ করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>ক-বর্গের অন্তর্গত বর্ণগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণ করার সময় আমাদের জিহ্বার গোড়া বা পেছনের অংশ আলজিহ্বার কাছাকাছি তালুর কোমল অংশে স্পর্শ করে।</li>
<li>এই স্থানটিকে ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>কণ্ঠ</strong>।</li>
<li>তাই ক থেকে ঙ পর্যন্ত এই পাঁচটি বর্ণকে একত্রে <strong>কণ্ঠধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ধ্বনিগুলো সরাসরি কণ্ঠনালির কাছাকাছি থেকে উচ্চারিত হয়, সেগুলোই কণ্ঠধ্বনি।</p>
<p>‘উপকণ্ঠ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>কণ্ঠের সমীপে</strong>। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘উপ’ অব্যয়টি সাধারণত ‘সমীপ’ বা ‘নিকট’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে ‘উপ’ যুক্ত থাকে এবং সেটি কোনো কিছুর নিকটবর্তী বা সমীপে বোঝায়, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় শেষে ‘সমীপে’ শব্দটি যোগ করতে হয়।</li>
<li>যেমন: কণ্ঠের নিকট বা কণ্ঠের কাছে বোঝাতে আমরা বলি ‘কণ্ঠের সমীপে’, যা সংক্ষেপে হয় <strong>উপকণ্ঠ</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ‘উপ’ = সমীপে, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলেই যেকোনো শব্দের সমাস নির্ণয় করা অনেক সহজ হয়ে যায়।</p>
১৮৪৮
কোন সম্রাট তার শাসনামালা ব্রাহ্মী লিপিতে উৎকীর্ণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আশোক</strong>। সম্রাট অশোকের শাসনামলে ব্রাহ্মী লিপির ব্যাপক ব্যবহার এবং জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সম্রাট অশোক তার সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পাথরের স্তম্ভ এবং শিলালিপিতে রাজকীয় আদেশ বা অনুশাসন খোদাই করে রাখতেন।</li>
<li>সাধারণ মানুষের কাছে নিজের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি সেই সময়ের প্রচলিত ভাষা ও লিপি হিসেবে <strong>ব্রাহ্মী লিপি</strong> বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>ইতিহাসবিদরা অশোকের শিলালিপিগুলো বিশ্লেষণ করেই প্রাচীন ভারতের এই লিপি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি তথ্য জানতে পেরেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অশোকই ছিলেন প্রথম শাসক যিনি তার জনকল্যাণমূলক বার্তাগুলো সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য ব্রাহ্মী লিপিতে পাথরের গায়ে স্থায়ীভাবে লিখে রেখেছিলেন।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম জীবনী কাব্য হিসেবে <strong>শ্রী চৈতন্যভাগবত</strong>-কে গণ্য করা হয়। বৃন্দাবন দাসের লেখা এই মহাকাব্যটি শ্রীচৈতন্যের জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শ্রী চৈতন্যভাগবত</strong> হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনীমূলক কাব্য।</li>
<li>এটি চৈতন্যদেবের অলৌকিক লীলা ও জীবনের নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের দিক থেকে এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনীগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>শব্দটির অর্থ বুঝতে খুব সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'মনোরম' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মন' + 'রম' থেকে, যার অর্থ যা মনকে আনন্দ দেয় বা যা দেখতে খুব সুন্দর।</li>
<li>'রমণীয়' শব্দটির অর্থও ঠিক একই—যা রমণ বা উপভোগ করার মতো সুন্দর।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো দৃশ্য বা পরিবেশ যখন আমাদের মনকে তৃপ্তি দেয়, তখনই আমরা সেটিকে 'মনোরম' বা 'রমণীয়' বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে <strong>রমণীয়</strong> একদম সঠিক পছন্দ।</p>
<p>‘সৌম’ শব্দটির অর্থ হলো শান্ত, নম্র বা ভদ্র স্বভাবের কেউ। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>‘উগ্র’</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সৌম:</strong> যার আচরণ খুব শান্ত ও স্নিগ্ধ।</li>
<li><strong>উগ্র:</strong> যার আচরণে তীব্রতা, রাগ বা রুক্ষতা প্রকাশ পায়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখনই কোনো শান্ত বা নম্র স্বভাবের মানুষের বিপরীত কিছু বোঝাতে চাইব, তখন আমরা ‘উগ্র’ শব্দটি ব্যবহার করব। এটি শব্দার্থের দিক থেকে সরাসরি বিপরীত অর্থ বহন করে।</p>
<p>‘কটাক্ষ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>কট্ + অক্ষ</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি শব্দ। এখানে সন্ধিটি যেভাবে কাজ করেছে:</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে থাকা <strong>কট্</strong> অংশের শেষে একটি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে।</li>
<li>এর সাথে যখন <strong>অক্ষ</strong> যুক্ত হয়, তখন সন্ধির নিয়মে এটি মিলে গিয়ে ‘কটাক্ষ’ রূপ নেয়।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে <strong>কট্</strong> এবং <strong>অক্ষ</strong> মিলে যুক্তাক্ষর তৈরি করে শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, এই সন্ধিটি সরাসরি <strong>কট্ + অক্ষ</strong> হিসেবেই মনে রাখা সবচেয়ে সুবিধাজনক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাল স্রোত</strong>। রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো উপমেয় (যাকে তুলনা করা হচ্ছে) এবং উপমানের (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে) মধ্যে অভেদ কল্পনা করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>এখানে 'কাল' বা সময়কে একটি 'স্রোত' হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।</li>
<li>সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙলে দাঁড়ায়: <strong>কাল রূপ স্রোত = কালস্রোত</strong>।</li>
<li>যখন কোনো কিছুর সাথে তুলনা না করে সরাসরি তাকেই অন্য কিছু হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তখনই সেটি রূপক কর্মধারয় হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে তুলনাটি 'মতো' বা 'ন্যায়' না হয়ে সরাসরি 'রূপ' বা 'অভেদ' বোঝায়, সেটিই রূপক কর্মধারয়। তাই কালস্রোত শব্দটি এই নিয়মের একদম সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>আবুল কালাম শামসুদ্দীনের লেখা প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>দৃষ্টিকোণ</strong>। সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত আবুল কালাম শামসুদ্দীন তাঁর লেখনীতে সমাজ ও সমসাময়িক বিষয়গুলোকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>দৃষ্টিকোণ</strong> তাঁর অন্যতম প্রধান প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>তিনি মূলত তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণধর্মী রচনার জন্য পরিচিত, যা এই বইটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর সাহিত্যকর্ম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>আনন্দের প্রাচুর্য</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চাঁদ যেমন স্নিগ্ধতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক, তেমনি যখন অনেক প্রিয় মানুষ বা আনন্দময় কোনো পরিবেশ একসাথে জড়ো হয়, তখন সেখানে খুশির জোয়ার বয়ে যায়।</li>
<li>এই আনন্দ যখন অনেক বেশি বা প্রাচুর্যপূর্ণ হয়, তখনই তাকে আমরা ‘চাঁদের হাট’ বলে থাকি।</li>
<li>অর্থাৎ, কোনো মিলনমেলায় যখন আনন্দের আতিশয্য বা প্রাচুর্য দেখা দেয়, সেই পরিস্থিতি বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>পূর্ববঙ্গ গীতিকার অন্যতম প্রধান পালা হলো <strong>ভেলুয়া</strong>। দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এই গীতিকাগুলো মূলত বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পূর্ববঙ্গ গীতিকার প্রধান পালাগুলোর মধ্যে রয়েছে মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ান ভাবনা এবং <strong>ভেলুয়া</strong>।</li>
<li>এই পালাগুলো মূলত চট্টগ্রামের অঞ্চলভিত্তিক লোকগাঁথা ও করুণ রসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই নামগুলো বারবার পড়ে রাখলে খুব সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ, যা মূলত দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ভাঙলে আমরা পাই <strong>ক</strong> এবং <strong>ষ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'ক্ষ' বর্ণটি তৈরি হয়: $ক + ষ = ক্ষ$</li>
<li>উচ্চারণের সময় খেয়াল করলে দেখবেন, এখানে 'ক' ধ্বনির সাথে মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ রূপ তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক+ষ</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এই দুটি বর্ণই একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে 'ক্ষ' তৈরি করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক, খ, গ সবগুলোই</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় স্বামী বা পতি বোঝাতে এই শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>কান্ত:</strong> এটি স্বামী বা প্রিয়তম বোঝাতে ব্যবহৃত একটি সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li><strong>দয়িত:</strong> যার প্রতি ভালোবাসা বা অনুরাগ আছে, অর্থাৎ স্বামী বা প্রিয়জনকে দয়িত বলা হয়।</li>
<li><strong>নাথ:</strong> প্রভু বা রক্ষক অর্থে স্বামীকেও নাথ বলা হয়ে থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি শব্দই স্বামী শব্দের প্রচলিত প্রতিশব্দ, তাই সঠিক উত্তরটি হবে সবগুলোই।</p>
<p>অনুসর্গ ব্যবহারের নিয়মটি বেশ সহজ। বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ সাধারণত শব্দের পরে বসে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে। এর সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ সঠিক</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রাতিপদিকের পরে:</strong> অনুসর্গ সবসময় কোনো শব্দের মূল রূপ বা প্রাতিপদিকের ঠিক পরেই বসে। যেমন— 'বইটি টেবিলের <strong>উপরে</strong> আছে', এখানে 'উপরে' একটি অনুসর্গ যা 'টেবিল' প্রাতিপদিকের পরে বসেছে।</li>
<li><strong>বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে:</strong> অনেক সময় শব্দের সাথে 'কে' বা 'র' বিভক্তি যুক্ত থাকে, আর অনুসর্গ সেই বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরেই বসে। যেমন— 'আমার <strong>জন্য</strong>', এখানে 'আমার' শব্দটিতে 'র' বিভক্তি আছে এবং এর পরেই 'জন্য' অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনুসর্গ একা বসে না; এটি সবসময় কোনো না কোনো শব্দের পরে বসে সেই শব্দের সাথে বাক্যের অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করে দেয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।