eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৮৬১

'গরু আকাশে উড়ছে' বাক্যটিতে কিসের অভাব রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যোগ্যতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। কারণটি বেশ সহজ—একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তার অর্থগত মিল বা সামঞ্জস্য থাকা।</p>

<ul>
<li>বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে অর্থের সংগতি এবং ভাব প্রকাশের সক্ষমতাকে বলা হয় <strong>যোগ্যতা</strong>।</li>
<li>বাস্তব জগতে গরু আকাশে উড়তে পারে না, তাই এই বাক্যটির কোনো বাস্তব ভিত্তি বা অর্থ নেই।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটি বাস্তবসম্মত নয়, তাই এর <strong>যোগ্যতা</strong> গুণের অভাব রয়েছে।</li>
</ul>
১৮৬২

প্রত্যয় শব্দের কোথায় বসে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতুর মূল অংশের সাথে নতুন অর্থ তৈরি করতে যা যুক্ত হয়, তাকেই প্রত্যয় বলে।</li>
<li>উপসর্গ যেমন শব্দের <strong>পূর্বে</strong> বসে, ঠিক তেমনি প্রত্যয় সবসময় শব্দের বা ধাতুর <strong>পরে</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: চল্ + অন্ত = চলন্ত। এখানে 'অন্ত' অংশটি মূল শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করাই প্রত্যয়ের কাজ।</p>
১৮৬৩

Ad-hoc এর অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ উভয়ই</strong>।</p>

<p>সহজ কথায়, <strong>Ad-hoc</strong> শব্দটির ব্যবহারিক অর্থ হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য সাময়িকভাবে তৈরি কোনো ব্যবস্থা। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>তদর্থক:</strong> বাংলা পরিভাষায় 'তদর্থক' শব্দটির অর্থই হলো কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ উদ্দেশ্যের জন্য গঠিত।</li>
<li><strong>অস্থায়ী:</strong> যেহেতু এই ব্যবস্থাটি কোনো স্থায়ী নিয়ম নয়, বরং বিশেষ প্রয়োজনে সাময়িকভাবে করা হয়, তাই একে 'অস্থায়ী' হিসেবেও অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, প্রেক্ষাপট অনুযায়ী Ad-hoc বলতে আমরা একই সাথে বিশেষ উদ্দেশ্যমূলক (তদর্থক) এবং সাময়িক (অস্থায়ী) বিষয়টিকে বুঝি। তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে উভয় অপশনই গ্রহণযোগ্য।</p>
১৮৬৪

‘উপযুক্ত মিলন’ বোঝাতে নিচের কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ উভয়ই</strong>। কারণ ‘মণিকাঞ্চন যোগ’ এবং ‘সোনার সোহাগা’—এই দুটি বাগধারাই চমৎকার বা উপযুক্ত মিলনের অর্থ প্রকাশ করে।</p>

<ul>
<li><strong>মণিকাঞ্চন যোগ:</strong> মণি এবং কাঞ্চন (সোনা) যেমন একে অপরের পরিপূরক ও মূল্যবান, তেমনি কোনো উপযুক্ত বা সুন্দর মিলন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>সোনার সোহাগা:</strong> সোহাগা হলো সোনা ঝালাই করার উপাদান। তাই সোনার সাথে সোহাগার মিলন যেমন নিখুঁত ও উপযুক্ত, তেমনি কোনো ভালো জিনিসের সাথে আরও ভালো কিছুর সংযোগকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, দুটি বাগধারাই যখন একই অর্থ বহন করে, তখন আমাদের সঠিক উত্তর হিসেবে <strong>ক ও খ উভয়ই</strong> বেছে নিতে হয়।</p>
১৮৬৫

ডি এল রায়ের সামাজিক নাটক নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুর্গাদাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দুর্গাদাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ডি এল রায়ের নাট্যসাহিত্যের ধরন অনুযায়ী নাটকগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।</p>

<ul>
<li><strong>দুর্গাদাস</strong> মূলত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ডি এল রায় তাঁর ঐতিহাসিক নাটকগুলোর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পরপারে</strong> এবং <strong>বঙ্গনারী</strong> নাটক দুটি তাঁর সামাজিক নাটকের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটি সামাজিক নাটক নয় এমনটি জানতে চেয়েছে, তাই ঐতিহাসিক ঘরানার নাটক হিসেবে <strong>দুর্গাদাস</strong>-ই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ডি এল রায়ের সামাজিক নাটকের তালিকায় <strong>দুর্গাদাস</strong> পড়ে না, এটি তাঁর ঐতিহাসিক নাটকের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।</p>
১৮৬৬

অনুসর্গের কাজ কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিভক্তিরূপে বসে পদের অর্থ সুস্পষ্ট করা
ব্যাখ্যা:
<p>অনুসর্গের মূল কাজ হলো বাক্যের মধ্যে শব্দের সাথে বসে তার অর্থকে আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করে তোলা। এটি অনেকটা বিভক্তির মতোই কাজ করে, তাই একে অনেক সময় 'বিভক্তির কাজ' হিসেবেও দেখা হয়।</p>

<p>সহজ কথায় এর কাজগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অর্থ স্পষ্ট করা:</strong> বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে এটি পদের কারক বা অর্থকে পরিষ্কার করে।</li>
<li><strong>বিভক্তির বিকল্প:</strong> অনেক ক্ষেত্রে বিভক্তি সরাসরি যুক্ত না হয়ে অনুসর্গ আলাদাভাবে বসে বিভক্তির মতোই কাজ সম্পন্ন করে।</li>
<li><strong>সম্পর্ক তৈরি:</strong> বাক্যের অন্যান্য পদের সাথে মূল পদের একটি যৌক্তিক সম্পর্ক স্থাপন করতে এটি সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>তাই, অনুসর্গ বাক্যে বিভক্তির মতো কাজ করে পদের অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট করার দায়িত্ব পালন করে।</p>
১৮৬৭

সারমর্ম বা সারাংশ লেখার সময় সর্বাগ্রে কোন বিষয়টি উপলদ্ধি করতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মূল বক্তব্য
ব্যাখ্যা:
<p>সারমর্ম বা সারাংশ লেখার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো <strong>মূল বক্তব্য</strong>। কারণ, একটি বড় অনুচ্ছেদ বা কবিতার মূল নির্যাসটুকু খুঁজে বের করাই হলো এর প্রধান কাজ।</p>

<p>সহজ কথায়, সারমর্ম লেখার সময় নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়:</p>

<ul>
<li>পুরো রচনার মূল ভাব বা কেন্দ্রীয় বিষয়টি আগে চিহ্নিত করতে হয়।</li>
<li>অপ্রয়োজনীয় উদাহরণ, অলঙ্কার বা বর্ণনামূলক অংশগুলো বাদ দিতে হয়।</li>
<li>মূল কথাটিকে নিজের ভাষায় সংক্ষেপে ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হয়।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, মূল বক্তব্যটি ধরতে পারলে পুরো রচনার সারমর্ম তৈরি করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যায়।</p>
১৮৬৮

কোন কীর্তনটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ</strong>, অর্থাৎ ঝাড়খণ্ডী এবং মান্দারী—এই দুটি কীর্তনই বর্তমানে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কীর্তনের অনেকগুলো শৈলী বা ঘরানা থাকলেও সময়ের বিবর্তনে কিছু ধারা হারিয়ে গেছে।</li>
<li><strong>ঝাড়খণ্ডী</strong> এবং <strong>মান্দারী</strong> কীর্তন মূলত লোকজ ধারার সাথে মিশে ছিল, যা আধুনিক সময়ে আর চর্চায় নেই।</li>
<li>তাই ঐতিহাসিকভাবে এই দুটি কীর্তনই এখন বিলুপ্ত ধারার অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
১৮৬৯

‘ক্ষ’ যুক্তক্ষরটি কোন কোন অক্ষরের যুক্তরূপ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক + ষ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>‘ক্ষ’</strong> একটি যুক্তবর্ণ, যা মূলত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ভাঙলে আমরা পাই <strong>ক</strong> এবং <strong>ষ</strong>।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম বর্ণ: <strong>ক</strong></li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণ: <strong>ষ</strong> (মূর্ধন্য-ষ)</li>
<li>অর্থাৎ, $ক + ষ = ক্ষ$</li>
</ul>

<p>আমাদের উচ্চারণে অনেক সময় এটি 'খ'-এর মতো শোনালেও, ব্যাকরণগতভাবে এটি সবসময়ই <strong>ক</strong> এবং <strong>ষ</strong>-এর মিলন। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক + ষ</strong>।</p>
১৮৭০

‘তীক্ষ্ম’ শব্দের যুক্তব্যঞ্জনের সঠিক বিশ্লেষণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক + ষ + ম
ব্যাখ্যা:
<p>‘তীক্ষ্ম’ শব্দটির মধ্যে যে যুক্তবর্ণটি রয়েছে তা হলো <strong>ক্ষ্ম</strong>। এটি বিশ্লেষণ করলে আমরা তিনটি বর্ণ পাই। সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>প্রথমে আসে ব্যঞ্জনবর্ণ <strong>ক</strong>।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয় মূর্ধন্য-ষ (<strong>ষ</strong>)।</li>
<li>সবশেষে নিচে থাকা ম-ফলা বা <strong>ম</strong> যুক্ত হয়।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, গাণিতিক বা বর্ণানুক্রমিক রূপটি হলো: <strong>ক + ষ + ম</strong>। এই তিনটি বর্ণ মিলে তৈরি হয় <strong>ক্ষ্ম</strong>, যা ‘তীক্ষ্ম’ শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক + ষ + ম</strong>।</p>
১৮৭১

‘ক্ষ’ যুক্তাক্ষরটি কোন কোন অক্ষরের যুক্তরূপ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক + ষ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>‘ক্ষ’</strong> একটি যুক্তবর্ণ, যা মূলত দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ভাঙলে আমরা পাই:</p>

<ul>
<li>প্রথম বর্ণ: <strong>ক</strong></li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণ: <strong>ষ</strong> (মূর্ধন্য-ষ)</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, <strong>ক + ষ = ক্ষ</strong>। উচ্চারণ এবং গঠনের দিক থেকে এটি একটি বিশেষ যুক্তবর্ণ, যা মনে রাখা খুব সহজ। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক + ষ</strong>।</p>
১৮৭২

দ্বিজেন্দ্রল্লা রায় প্রধানত-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাট্যকার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাট্যকার</strong>।</p>

<p>দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মূলত তার কালজয়ী সব নাটকের জন্য বিখ্যাত। যদিও তিনি অনেক চমৎকার গান লিখেছেন এবং কবিতা চর্চাও করেছেন, কিন্তু বাংলা নাট্যসাহিত্যে তার অবদান সবচেয়ে বেশি। তার লেখা কিছু বিখ্যাত নাটক হলো:</p>

<ul>
<li><strong>শাহজাহান</strong></li>
<li><strong>চন্দ্রগুপ্ত</strong></li>
<li><strong>প্রতাপাদিত্য</strong></li>
</ul>

<p>মূলত ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক নাটকের রচয়িতা হিসেবেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন, তাই তাকে প্রধানত একজন নাট্যকার হিসেবেই চেনা হয়।</p>
১৮৭৩

কোনটি মূল ধ্বনি নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঔ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঔ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় যে ধ্বনিগুলোকে আর ভাঙা যায় না, সেগুলোকে বলা হয় মৌলিক স্বরধ্বনি।</li>
<li>বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ঔ</strong> একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর। এটি উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি মিলে তৈরি হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>ঔ</strong> ধ্বনিটি তৈরি হয় $ও + ই$ এর সমন্বয়ে। যেহেতু এটি অন্য ধ্বনির মিশ্রণে গঠিত, তাই একে মৌলিক ধ্বনি বলা যায় না।</li>
</ul>
১৮৭৪

স্বরধ্বনি নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঋ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঋ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি।</li>
<li>আমরা জানি, স্বরবর্ণগুলো হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।</li>
<li>তবে ধ্বনিতত্ত্বের বিচারে <strong>ঋ</strong>-কে স্বরধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয় না।</li>
<li>এর কারণ হলো, উচ্চারণের সময় <strong>ঋ</strong>-এর উচ্চারণ অনেকটা ব্যঞ্জনবর্ণ 'র' এবং স্বরবর্ণ 'ই'-এর মিশ্রণে তৈরি হয়। তাই ভাষাবিজ্ঞানীরা একে স্বরধ্বনি না বলে একটি বিশেষ ধ্বনি হিসেবে বিবেচনা করেন।</li>
</ul>
১৮৭৫

উচ্চারণ বৈশিষ্ট্যানুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোকে প্রথমত কোন দুভাগে ভাগ করা হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঘোষধ্বনি ও অঘোষধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীর কম্পনের ওপর ভিত্তি করে স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঘোষধ্বনি ও অঘোষধ্বনি</strong>। বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অঘোষধ্বনি:</strong> যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী খুব একটা কাঁপে না, সেগুলো অঘোষ। প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো হলো অঘোষধ্বনি।</li>
<li><strong>ঘোষধ্বনি:</strong> যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশ জোরে কাঁপে, সেগুলো ঘোষ। প্রতিটি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণগুলো হলো ঘোষধ্বনি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, স্বরতন্ত্রীর কম্পন কম হলে অঘোষ আর কম্পন বেশি হলে ঘোষ—এই সাধারণ পার্থক্যটুকুই স্পর্শ ব্যঞ্জনের বিভাজনের মূল ভিত্তি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।