eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২২৬

উইলিয়াম কেরি রচিত A Grammer of the Bengali Language গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮০১ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০১ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে যোগদানের পরপরই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেন।</p>

<ul>
<li>উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন।</li>
<li>ঠিক সেই বছরেই তার বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>A Grammar of the Bengali Language</strong> প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি ছিল বাংলা ভাষার ওপর লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ বই, যা শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৮০১ সালটি বাংলা গদ্য ও ব্যাকরণের ইতিহাসের জন্য একটি মাইলফলক, আর এই বছরেই বইটি আলোর মুখ দেখে।</p>
২২৭

পর্তুগীজ ভাষার রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ "Vogabolario em idioma Bengalla, e potuguez dividido em duas parts" কে রচনা করেন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মনোএল দ্য আস্সুস্পাসাঁও
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনোএল দ্য আস্সুস্পাসাঁও</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দকোষ নিয়ে কাজ করেছিলেন।</p>

<ul>
<li>পর্তুগিজ মিশনারি <strong>মনোএল দ্য আস্সুস্পাসাঁও</strong> ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে এই বইটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বইটির নাম ছিল <strong>"Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez"</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা ভাষার ওপর লেখা প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ও অভিধান হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চার ইতিহাসে তাঁর নামই সবার আগে আসে, তাই এই প্রশ্নের উত্তরটি মনে রাখা বেশ সহজ!</p>
২২৮

মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও ঢাকার ভাওয়ালে থাকাকালীন প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন কবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৭৩৪ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৩৪ সালে</strong>। পর্তুগিজ মিশনারি মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও যখন ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন, তখন তিনি বাংলা ভাষার ওপর প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম ছিল <strong>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</strong>।</li>
<li>এটি মূলত পর্তুগিজ ভাষায় লেখা হয়েছিল, যা বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।</li>
<li>সময়কালটি ছিল <strong>১৭৩৪ সাল</strong>, যা বাংলা গদ্য ও ব্যাকরণ চর্চার শুরুর দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।</li>
</ul>
২২৯

'ব্যাকরণ' কোন ভাষার শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণ শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>

<p>সহজ কিছু তথ্য মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ শব্দটি সংস্কৃত <strong>'বি + আ + কৃ + অন'</strong> ধাতু ও প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এটি সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে, তাই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় একে <strong>তৎসম শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সংস্কৃত শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনশৈলী, যা সাধারণত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনেই তৈরি হয়।</li>
</ul>
২৩০

ব্যাকরণের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচিত হয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
<p>ব্যাকরণের উচ্চতর পর্যায়ে আলোচিত হয় <strong>অর্থতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ব্যাকরণের প্রাথমিক বা মৌলিক পর্যায়ে সাধারণত ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li>যখন আমরা শব্দের গভীর অর্থ, অর্থের পরিবর্তন বা বাক্যের ভাবার্থ নিয়ে উচ্চতর গবেষণামূলক আলোচনা করি, তখন সেটি <strong>অর্থতত্ত্বের</strong> অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভাষার গঠনগত দিকগুলো আগে আসে, আর ভাষার অর্থের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণগুলো আসে উচ্চতর পর্যায়ে।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণের উচ্চতর আলোচনার প্রধান ক্ষেত্র হলো অর্থতত্ত্ব।</p>
২৩১

'লিঙ্গ', 'কারক', 'সমাস', 'ধাতু' ইত্যাদি ব্যাকারণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। ব্যাকরণের এই অংশটি মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের ভেতরের পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>শব্দের গঠন:</strong> 'লিঙ্গ', 'কারক', 'সমাস' বা 'ধাতু'—এগুলো সবই শব্দের রূপ পরিবর্তনের সাথে সরাসরি যুক্ত।</li>
<li><strong>রূপতত্ত্বের কাজ:</strong> যখনই কোনো শব্দ কীভাবে তৈরি হলো বা তার রূপ কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে (যেমন: কারক বিভক্তি বা সমাসবদ্ধ পদ), তখন সেটি রূপতত্ত্বের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ধ্বনিতত্ত্ব শুধু ধ্বনি বা উচ্চারণ নিয়ে কাজ করে, আর বাক্যতত্ত্ব কাজ করে বাক্য গঠন নিয়ে। কিন্তু শব্দের ভেতরের কারিগরি বিষয়গুলো (লিঙ্গ, বচন, কারক, সমাস) সব রূপতত্ত্বের আওতাভুক্ত।</li>
</ul>

<p>তাই সংক্ষেপে মনে রাখবেন, শব্দের রূপ বা গঠন সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা মানেই তা <strong>রূপতত্ত্ব</strong>।</p>
২৩২

‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। এটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই বইটি মূলত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে লেখা, যা উপন্যাসের কাঠামোর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' আসবে, সরাসরি <strong>উপন্যাস</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটি কোনো ছোটগল্প বা নাটক নয়।</li>
</ul>
২৩৩

‘ধান-কন্যা’র লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল-আজাদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘ধান-কন্যা’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>আলাউদ্দিন আল-আজাদ</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আলাউদ্দিন আল-আজাদ মূলত গ্রামীণ জীবন ও কৃষিজীবী মানুষের সংগ্রাম নিয়ে লিখতে পছন্দ করতেন।</li>
<li>‘ধান-কন্যা’ নামটির মধ্যেই গ্রামীণ আবহ ও ফসলের ঘ্রাণ পাওয়া যায়, যা তাঁর লেখনশৈলীর একটি বড় বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর এই বিখ্যাত উপন্যাসটির নাম লেখকের নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
</ul>
২৩৪

শহীদ মিনার সম্পর্কে লেখা কবিতা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা:
<p>শহীদ মিনার নিয়ে লেখা বিখ্যাত কবিতা <strong>‘স্মৃতিস্তম্ভ’</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবিতার নাম: <strong>স্মৃতিস্তম্ভ</strong></li>
<li>কবি: <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong></li>
<li>প্রেক্ষাপট: ভাষা আন্দোলন ও শহীদ মিনারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
২৩৫

‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>। সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি উপন্যাস হলো ‘ক্ষুধা ও আশা’।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আলাউদ্দিন আল আজাদ মূলত তার বাস্তবধর্মী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসটি ১৯৫২ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত, যেখানে তৎকালীন সমাজের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই এবং স্বপ্নকে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
২৩৬

বাংলা সিনেমা ‘বসুন্ধরা’ নির্মিত হয়েছিল আলাউদ্দিন আল আজাদের কোন উপন্যাস অবলম্বনে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সিনেমা ‘বসুন্ধরা’ নির্মিত হয়েছিল প্রখ্যাত লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’</strong> অবলম্বনে। এই সিনেমাটি ১৯৭৭ সালে মুক্তি পায় এবং বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> আলাউদ্দিন আল আজাদ।</li>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> তেইশ নম্বর তৈলচিত্র।</li>
<li><strong>সিনেমা:</strong> বসুন্ধরা (পরিচালক সুভাষ দত্ত)।</li>
</ul>

<p>আলাউদ্দিন আল আজাদের এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে রূপদানের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>তেইশ নম্বর তৈলচিত্র</strong>।</p>
২৩৭

‘স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো’- কবিতাংশটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত কবিতাংশটি তাঁর লেখা <strong>'স্মৃতির মিনার'</strong> নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি অত্যন্ত আবেগঘন এবং অনুপ্রেরণামূলক। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>স্মৃতির মিনার</strong>।</li>
<li>কবি: <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>।</li>
<li>মূলভাব: ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই লাইনটি আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার নাম একসাথে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
২৩৮

‘নরকের লাল গোলাপ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আলাউদ্দিন আল আজাদ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি। তাঁর লেখা অন্যতম জনপ্রিয় ও আলোচিত উপন্যাস হলো <strong>'নরকের লাল গোলাপ'</strong>। এটি মূলত আমাদের সমাজ ও জীবনের নানা জটিলতাকে কেন্দ্র করে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li>লেখক: <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong></li>
<li>গ্রন্থের নাম: <strong>নরকের লাল গোলাপ</strong></li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো, আলাউদ্দিন আল আজাদের নামটির সাথে এই বইয়ের নামটি বারবার মিলিয়ে পড়া, এতে খুব দ্রুত বিষয়টি মাথায় গেঁথে যাবে।</p>
২৩৯

ড. আলাউদ্দীন আল আজাদ রচিত কোন উপন্যাসটি উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ণফুলি</strong>। ড. আলাউদ্দীন আল আজাদের এই উপন্যাসটি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, তাদের সংগ্রাম এবং প্রকৃতির সাথে তাদের নিবিড় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কর্ণফুলি</strong> নদীটি পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত, যা উপজাতীয় জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</li>
<li>উপন্যাসটির পটভূমি সাজানো হয়েছে ওই অঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সংস্কৃতির আলোকে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখার জন্য <strong>কর্ণফুলি নদী = উপজাতীয় জীবন</strong>—এই সহজ সূত্রটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
২৪০

‘আরেক ফাল্গুন’- এর লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হান</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত কালজয়ী এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ। জহির রায়হান মূলত তার প্রগতিশীল চিন্তা এবং ভাষা আন্দোলনের প্রতি গভীর মমত্ববোধ থেকেই এই অসাধারণ সৃষ্টিটি উপহার দিয়েছেন।</p>

<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> ‘আরেক ফাল্গুন’</li>
<li><strong>লেখক:</strong> জহির রায়হান</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...