eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৫৬

সূর্যগ্রহণ গল্পটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হান</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জহির রায়হান মূলত তার কালজয়ী চলচ্চিত্র এবং রাজনৈতিক সচেতনতামূলক রচনার জন্য পরিচিত হলেও, তিনি বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু চমৎকার ছোটগল্প উপহার দিয়েছেন। 'সূর্যগ্রহণ' তার লেখা অন্যতম একটি জনপ্রিয় গল্প।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> জহির রায়হান।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> জহির রায়হানের সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'সূর্যগ্রহণ' একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
২৫৭

নিচের কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিষ্কৃতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষ্কৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ জহির রায়হানের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এই উপন্যাসটি নেই।</p>

<ul>
<li><strong>নিষ্কৃতি</strong> মূলত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।</li>
<li>অন্যদিকে, 'কয়েকটি মৃত্যু', 'শেষ বিকেলের মেয়ে' এবং 'তৃষ্ণা'—এই তিনটিই জহির রায়হানের নিজস্ব সৃষ্টি।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন এলে মনে রাখবেন, জহির রায়হানের নামের সাথে শরৎচন্দ্রের এই কালজয়ী উপন্যাসটিকে গুলিয়ে ফেলার কোনো সুযোগ নেই।</p>
২৫৮

জহির রায়হান রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবন থেকে নেয়া</strong>। বিষয়টি গুলিয়ে ফেলার কোনো কারণ নেই, কারণ জহির রায়হানের সাথে এই নামটির সম্পর্ক একটু ভিন্ন।</p>

<ul>
<li><strong>জীবন থেকে নেয়া</strong> মূলত জহির রায়হানের পরিচালিত একটি কালজয়ী চলচ্চিত্র, কোনো গ্রন্থ বা উপন্যাস নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>স্টপ জেনোসাইড</em>, <em>শেষ বিকেলের মেয়ে</em> এবং <em>কয়েকটি মৃত্যু</em>—এই সবগুলোই জহির রায়হানের লেখা বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চলচ্চিত্র আর সাহিত্যকর্মের পার্থক্যের কারণেই এখানে <strong>জীবন থেকে নেয়া</strong> সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।</p>
২৫৯

‘বচন’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্বে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের এই অংশে মূলত শব্দের গঠন ও রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p>

<p>কেন এটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, তা নিচে দেখে নিন:</p>

<ul>
<li><strong>রূপতত্ত্ব (Morphology):</strong> এই শাখায় শব্দ ও শব্দের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বচন হলো শব্দের এমন একটি রূপ যা দিয়ে সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পায়।</li>
<li>যেহেতু বচন শব্দের সাথে বিভক্তি বা প্রত্যয় যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: ছাত্র + রা = ছাত্ররা), তাই এটি সরাসরি শব্দের রূপ পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বা রূপ পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ই ব্যাকরণের <strong>রূপতত্ত্বের</strong> অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
২৬০

কোনটি সঠিক ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভাষার ব্যাকরণ নির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দিষ্ট ভাষার ব্যাকরণ নির্দিষ্ট</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—প্রতিটি ভাষার নিজস্ব কিছু নিয়ম বা কাঠামো থাকে, যা অন্য ভাষা থেকে আলাদা।</p>

<ul>
<li>পৃথিবীর প্রতিটি ভাষার গঠনশৈলী, শব্দভাণ্ডার এবং বাক্য তৈরির নিয়ম ভিন্ন।</li>
<li>একটি ভাষার ব্যাকরণ দিয়ে অন্য ভাষার শুদ্ধাশুদ্ধি বিচার করা সম্ভব নয়।</li>
<li>তাই ব্যাকরণ সবসময় সেই নির্দিষ্ট ভাষার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ যেমন বাংলার জন্য প্রযোজ্য, ইংরেজি বা অন্য ভাষার ক্ষেত্রে তা খাটে না। তাই প্রতিটি ভাষার ব্যাকরণ তার নিজস্ব গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ বা নির্দিষ্ট।</p>
২৬১

'যে শাস্ত্র পড়িলে ভাষা শুদ্ধরূপে লিখিতে,পড়িতে ও বলিতে পারা যায় তাকে ব্যাকরণ বলে।' এ সংজ্ঞাটি কার ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর</strong>। ব্যাকরণ নিয়ে অনেক ভাষাবিদ অনেক সংজ্ঞা দিয়েছেন, তবে এই নির্দিষ্ট সংজ্ঞাটি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর দেওয়া।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ হলো ভাষার সংবিধান বা নিয়মাবলি।</li>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, যে শাস্ত্রের মাধ্যমে আমরা ভাষাকে শুদ্ধভাবে লিখতে, পড়তে ও বলতে শিখি, সেটাই ব্যাকরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই সংজ্ঞাটি হুবহু তুলে দেওয়া হয়, তাই এটি মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
২৬২

ব্যাকরণকে বলা হয় ভাষার -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংবিধান</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি দেশের রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যেমন সংবিধানের প্রয়োজন হয়, তেমনি একটি ভাষাকে শুদ্ধভাবে লিখতে, পড়তে ও বলতে যে নিয়মকানুন বা বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়, তাকেই ব্যাকরণ বলা হয়।</p>

<ul>
<li>ভাষার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যাকরণ ঠিক সংবিধানের মতোই কাজ করে।</li>
<li>এটি ভাষার গঠনশৈলী ও ব্যবহারের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>সংবিধান যেমন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, ব্যাকরণও তেমনি ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিয়ম বা বিধিবদ্ধ রূপ।</li>
</ul>
২৬৩

প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>পর্তুগিজ পাদ্রি <strong>মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁ</strong> ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায় এই ব্যাকরণটি রচনা করেন।</li>
<li>এটিই বাংলা ভাষার ওপর লেখা প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ।</li>
<li>বইটির পুরো নাম ছিল <em>'Vocabulario em idioma bengalla, e portuguez'</em>, যার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় 'বাংলা ও পর্তুগিজ ভাষার শব্দকোষ ও ব্যাকরণ'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পর্তুগিজদের বাংলা শেখার সুবিধার্থেই এই বইটি লেখা হয়েছিল, তাই এর নামটিও পর্তুগিজ ভাষায় রাখা হয়েছে।</p>
২৬৪

উইলিয়াম কেরি রচিত ব্যাকরণের নাম কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
A Grammar of the Bengal Language A Grammar of the Bengal Language
ব্যাখ্যা:
<p>উইলিয়াম কেরি রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম হলো <strong>A Grammar of the Bengal Language</strong>।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, বাংলা ভাষার ওপর দখল আনার জন্য তিনি এই বইটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি বাংলা ভাষার ওপর লেখা অন্যতম প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ, যা তৎকালীন সময়ে বাংলা গদ্যের বিকাশে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, তিনি যেহেতু বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লিখেছিলেন, তাই নামের শুরুতে <strong>A Grammar of the Bengal Language</strong> অংশটুকু থাকাই স্বাভাবিক।</li>
</ul>
২৬৫

'ব্যাকরণ মঞ্জরী' গ্রন্থটি কে রচনা করেন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. মুহাম্মদ এনামুল হক</strong>।</p>

<p>বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাচর্চার ক্ষেত্রে ড. মুহাম্মদ এনামুল হক একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর রচিত <strong>'ব্যাকরণ মঞ্জরী'</strong> বইটি মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাকরণের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে।</p>

<ul>
<li>বইটি মূলত বাংলা ভাষার ব্যাকরণিক নিয়মাবলিকে সহজবোধ্য করার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>শিক্ষাজীবনে ব্যাকরণের মৌলিক ধারণাগুলো পরিষ্কার করার জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় পাঠ্যবই হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সুবিধার্থে মাথায় রাখুন, ব্যাকরণের এই চমৎকার বইটি ড. মুহাম্মদ এনামুল হকেরই অমর সৃষ্টি।</p>
২৬৬

নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত 'A Grammer of the Bengali Language' গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1778
ব্যাখ্যা:
<p>নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের লেখা <strong>'A Grammar of the Bengali Language'</strong> বইটি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই বইটি প্রকাশের সঠিক সালটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বইটি প্রকাশিত হয়েছিল <strong>১৭৭৮</strong> সালে।</li>
<li>এটি হুগলি থেকে চার্লস উইলকিন্সের ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর, কারণ এই বইটির মাধ্যমেই প্রথম বাংলা হরফ বা টাইপ ব্যবহারের সূচনা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৭৭৮ সালটি বাংলা ব্যাকরণ এবং মুদ্রণ শিল্পের জন্য একটি স্মরণীয় বছর। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৭৮</strong>।</p>
২৬৭

বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম প্রকাশিত হয় কোথা থেকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লিসবন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ <strong>'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'</strong>-এর রচয়িতা ছিলেন ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও। এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী <strong>লিসবন</strong> থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>

<ul>
<li>বইটির লেখক ছিলেন একজন পর্তুগিজ পাদ্রি।</li>
<li>পর্তুগিজ ভাষায় লেখা এই ব্যাকরণটি মূলত পর্তুগিজদের বাংলা ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>যেহেতু লেখক পর্তুগিজ ছিলেন, তাই মুদ্রণ ও প্রকাশনার কাজটি তাঁর নিজ দেশ লিসবন থেকেই সম্পন্ন হয়।</li>
</ul>
২৬৮

বাঙ্গালিদের মধ্যে প্রথম কে ইংরেজি ভাষায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় <strong>'Bengali Grammar in the English Language'</strong> নামে একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাঙালি, যিনি ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে বাংলা ব্যাকরণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর এই কাজের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজিভাষী পাঠকদের কাছে বাংলা ভাষাকে সহজবোধ্য করে তোলা।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চায় রাজা রামমোহন রায়ের এই অবদানটি ইতিহাসের পাতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
২৬৯

'A Grammar of the Bengali Language' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কোথা থেকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হুগলী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুগলী</strong>। এই বিখ্যাত গ্রন্থটি ১৮৭৮ সালে হুগলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন জন বিমস (John Beames)।</li>
<li>উনিশ শতকের শেষের দিকে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নিয়ে গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র ছিল হুগলী।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে এই বইটি প্রকাশের স্থান হিসেবে <strong>হুগলী</strong> নামটিই স্বীকৃত।</li>
</ul>
২৭০

বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ' গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই ব্যাকরণগ্রন্থটির নামেই এর উত্তর লুকিয়ে আছে।</p>

<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম হলো <strong>'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ'</strong>।</li>
<li>নামের শেষ অংশটি খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে, এটি পর্তুগীজ ভাষায় রচিত।</li>
<li>পর্তুগীজ ধর্মযাজক <strong>মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁও</strong> ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে এটি প্রকাশ করেছিলেন।</li>
<li>মূলত পর্তুগীজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যেই তিনি পর্তুগীজ ভাষায় এই ব্যাকরণটি লিখেছিলেন।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...