eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৮৬

বাংলা ভাষার সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক কাঠামো। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সাধুরীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ সবসময় পূর্ণাঙ্গ থাকে।</li>
<li>যেমন, চলিত ভাষায় আমরা বলি 'করছে', কিন্তু সাধুরীতিতে এটি হয় <strong>'করিতেছে'</strong>।</li>
<li>আবার, চলিত ভাষায় 'সে' বা 'তারা' ব্যবহার করলেও সাধুরীতিতে সর্বনামের রূপ হয় <strong>'তাহারা'</strong> বা <strong>'তিনি'</strong>।</li>
</ul>

<p>মূলত, ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের এই সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘ রূপই সাধুরীতিকে চলিত ভাষা থেকে আলাদা করে তোলে। তাই এই গঠন পদ্ধতিটিই সাধুরীতির সবচেয়ে বড় পরিচয়।</p>
২৮৭

কোন ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য প্রকাশ পায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু ভাষায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু ভাষায়</strong>। এর কারণ হলো সাধু ভাষার গঠনশৈলী বেশ সুশৃঙ্খল এবং এর শব্দভাণ্ডার তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুল।</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে, যা লেখাকে একটি বিশেষ গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য দান করে।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবেই বাংলা সাহিত্যের গুরুগম্ভীর বিষয়বস্তু, প্রবন্ধ বা উচ্চাঙ্গের রচনায় এই ভাষার ব্যবহার বেশি দেখা যায়।</li>
<li>এর ব্যাকরণগত কাঠামো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সাহিত্যের ভাবকে অনেক বেশি মার্জিত ও গম্ভীরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে।</li>
</ul>
২৮৮

নিচের কোন বাক্যটি চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চলতি ভাষা কৃত্রিম ও অপরিবর্তনীয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>চলতি ভাষা কৃত্রিম ও অপরিবর্তনীয়</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে বুঝে নিন:</p>

<ul>
<li><strong>পরিবর্তনশীলতা:</strong> চলিত ভাষা কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে থাকে না। সময়ের সাথে সাথে মানুষের মুখের ভাষার পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলিত ভাষাও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত হয়। তাই একে 'অপরিবর্তনীয়' বলা একদমই ভুল।</li>
<li><strong>স্বাভাবিকতা:</strong> চলিত ভাষা মানুষের দৈনন্দিন কথাবার্তার স্বাভাবিক রূপ থেকে গড়ে উঠেছে। এটি কোনো কৃত্রিম নিয়ম বা ল্যাবরেটরিতে তৈরি ভাষা নয়, বরং এটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সাবলীল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষা সবসময় জীবন্ত এবং সময়ের সাথে বদলায়, তাই এটি কৃত্রিম বা অপরিবর্তনীয় হওয়ার প্রশ্নই আসে না।</p>
২৮৯

‘উহা’ কোন রীতির শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদের রূপ দেখে সহজেই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য বোঝা যায়।</li>
<li>‘উহা’ শব্দটি সাধু রীতির সর্বনাম। এর চলিত রূপ হলো <strong>‘ওটা’</strong>।</li>
<li>সাধু রীতিতে সাধারণত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে, যেমন— ‘উহা’, ‘তাহারা’, ‘করিয়াছে’। অন্যদিকে চলিত রীতিতে এগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে ‘ওটা’, ‘তারা’, ‘করেছে’ রূপ ধারণ করে।</li>
</ul>

<p>তাই যেখানেই ‘উহা’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>সাধু রীতির</strong> শব্দ।</p>
২৯০

‘বন্য’ শব্দটির চলিত রূপ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুনো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বুনো</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্যের ক্ষেত্রে অনেক সময় শব্দের গঠন বদলে যায়।</p>

<ul>
<li>‘বন্য’ শব্দটি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা সাধু ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর চলিত রূপ বা কথ্য ভাষায় আমরা সাধারণত ‘বুনো’ শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>যেমন: ‘বন্য প্রাণী’ না বলে আমরা সচরাচর ‘বুনো প্রাণী’ বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের উচ্চারণ ও ব্যবহারের সাবলীলতা বজায় রাখতেই ‘বন্য’-এর চলিত রূপ হিসেবে <strong>বুনো</strong>-কে গ্রহণ করা হয়েছে।</p>
২৯১

‘তিনি হাঁটিতে হাঁটিতে ভাবিতেছিলেন, শুধুমাত্র মণিষী-বাক্যেই তো জীবম্মৃত যুবসমাজের কল্যাণ বহিয়া আনিতে যথেষ্ট নহে।’ চলিত রীতিতে লেখা বাক্যটিতে ভুলের সংখ্যা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাত</strong>। চলিত রীতিতে বাক্যটি শুদ্ধ করতে হলে আমাদের সাতটি জায়গায় পরিবর্তন করতে হবে। চলুন দেখে নিই কোথায় কোথায় ভুল আছে:</p>

<ul>
<li><strong>হাঁটিতে</strong> → হাঁটতে (চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়)</li>
<li><strong>হাঁটিতে</strong> → হাঁটতে (দ্বিতীয়বার একই ভুল)</li>
<li><strong>ভাবিতেছিলেন</strong> → ভাবছিলেন</li>
<li><strong>মণিষী</strong> → মনীষী (বানান ভুল)</li>
<li><strong>বাক্যেই</strong> → বাক্যে (অতিরিক্ত 'ই' বিভক্তি)</li>
<li><strong>বহিয়া</strong> → বয়ে</li>
<li><strong>আনিতে</strong> → আনতে</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, বাক্যটিকে চলিত রীতির আদর্শ রূপ দিতে গেলে মোট <strong>সাতটি</strong> শব্দ পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হয়। তাই সঠিক উত্তর সাত।</p>
২৯২

সংস্কৃত ভাষা থেকে কোন ভাষার উৎপত্তি হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুটোই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ দুটোই</strong>। কারণটা খুব সহজ, ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বাংলা এবং হিন্দি—উভয় ভাষাই ইন্দো-আর্য ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, যা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে আধুনিক ভারতীয় ভাষাগুলোর জন্ম হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো মাগধী প্রাকৃত, যা সরাসরি সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত।</li>
<li>একইভাবে, হিন্দি ভাষার মূল ভিত্তিও হলো শৌরসেনী প্রাকৃত, যা সংস্কৃত থেকেই এসেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সংস্কৃতকে আধুনিক অনেক ভারতীয় ভাষার জননী বলা হয়, তাই বাংলা এবং হিন্দি—উভয় ভাষাই সংস্কৃত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।</p>
২৯৩

‘পার হইয়া’- এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তরিত করলে কি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পার হয়ে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পার হয়ে</strong>। সাধু থেকে চলিত রূপান্তরের সময় ক্রিয়াপদের বিভক্তি ও গঠনের পরিবর্তন ঘটে।</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদটি হলো 'হইয়া', যার চলিত রূপ হলো 'হয়ে'।</li>
<li>তাই 'পার হইয়া' শব্দটিকে চলিত রীতিতে লিখলে হয় 'পার হয়ে'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধু ভাষার 'ইয়া' বিভক্তি চলিত ভাষায় এসে সাধারণত 'এ' বা 'য়ে' তে রূপান্তরিত হয়। তাই এখানে মূল শব্দ 'পার' ঠিক রেখে 'হইয়া' এর পরিবর্তে 'হয়ে' বসিয়ে দিলেই সঠিক চলিত রূপটি পাওয়া যায়।</p>
২৯৪

সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া ও সর্বনাম</strong>। বাংলা ভাষার এই দুটি পদ সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য তৈরি করে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়ার রূপ হয় দীর্ঘ (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়ে যায় (যেমন: করছি, চলল)।</li>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধু ভাষায় সর্বনামের রূপ থাকে গুরুগম্ভীর (যেমন: তাহার, কাহারা), যা চলিত ভাষায় ছোট হয়ে দাঁড়ায় (যেমন: তার, কারা)।</li>
</ul>

<p>মূলত এই দুটি পদের রূপ পরিবর্তনের কারণেই সাধু ও চলিত ভাষার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য ধরা পড়ে। তাই ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
২৯৫

‘জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার প্রহারে দিগ্ধিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে সে ঊধ্বৃশ্বাসে ছুটতে লাগিল’- সাধু ভাষায় লিখিত বাক্যটিতে ভুলের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>। বাক্যটিতে সাধু ভাষার নিয়ম অনুযায়ী তিনটি ভুল রয়েছে, যা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>জ্যেষ্ঠ:</strong> এখানে বানানটি সঠিক থাকলেও সাধু ভাষায় সাধারণত 'জ্যেষ্ঠ' এর পরিবর্তে 'বড়' বা চলিত রীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, তবে মূল ভুলগুলো হলো ক্রিয়াপদের রূপ ও বানানে।</li>
<li><strong>দিগ্ধিদিক:</strong> এটি একটি বানান ভুল। সঠিক শব্দটি হবে <strong>দিগ্বিদিক</strong>।</li>
<li><strong>ঊধ্বৃশ্বাসে:</strong> এটিও একটি বানান ভুল। সঠিক বানানটি হবে <strong>ঊর্ধ্বশ্বাসে</strong>।</li>
<li><strong>ছুটতে লাগিল:</strong> সাধু ভাষায় 'ছুটিতে লাগিল' হওয়া উচিত ছিল। এখানে 'ছুটতে' শব্দটি চলিত রীতির।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, <strong>দিগ্ধিদিক</strong>, <strong>ঊধ্বৃশ্বাসে</strong> এবং <strong>ছুটতে</strong>—এই তিনটি স্থানেই সাধু ভাষার ব্যাকরণগত ও বানানগত ভুল রয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো তিন।</p>
২৯৬

‘অতঃপর বিভ্রান্তমুক্ত হয়ে রোগগ্রস্ত পিতা পুত্র সম্বন্ধে যা জানিতেন সবই খুলে বলিলেন।’-এ সাধু ভাষার বাক্যটিতে ভুলের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চার</strong>। বাক্যটিতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত গুরুচণ্ডালী দোষের কারণে মোট চারটি ভুল রয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক ভুলগুলো কোথায়:</p>

<ul>
<li><strong>অতঃপর:</strong> এটি সাধু ভাষার শব্দ, কিন্তু বাক্যের পরবর্তী অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</li>
<li><strong>বিভ্রান্তমুক্ত:</strong> এটি চলিত ভাষার শব্দ, যা সাধু রীতির সাথে বেমানান।</li>
<li><strong>হইয়া:</strong> সাধু রীতিতে 'হইয়া' হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখানে 'হয়ে' ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li><strong>জানিতেন:</strong> এটি সাধু রূপ হলেও বাক্যের সামগ্রিক কাঠামোর সাথে এটি মিশ্রণ দোষ তৈরি করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণে এখানে সর্বমোট <strong>৪টি</strong> অসংগতি বা ভুল পাওয়া যায়।</p>
২৯৭

বাংলা ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মত হচ্ছে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে ভাষাবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত থাকলেও, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে <strong>গৌড়ীয় অপভ্রংশ</strong> থেকে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো গৌড়ীয় প্রাকৃত বা গৌড়ীয় অপভ্রংশ।</li>
<li>তিনি ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
<li>তাই যখনই শহীদুল্লাহর মতের কথা আসবে, সরাসরি <strong>গৌড়ীয় অপভ্রংশ</strong>-কে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নেবেন।</li>
</ul>
২৯৮

মানুষের মুখে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনি সমষ্টিকে বলে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য মুখ দিয়ে যেসব অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারণ করে, তাকেই মূলত ভাষা বলা হয়।</li>
<li>ভাষার মূল ভিত্তি হলো <strong>ধ্বনি</strong>, আর এই ধ্বনি যখন অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখনই তা ভাষার রূপ নেয়।</li>
<li>সহজ কথায়, মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত অর্থপূর্ণ ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ।</li>
</ul>
২৯৯

নিচের কোন ভাষাটি বাংলার সমগোত্রভুক্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মংখেময়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মংখেময়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। ভাষাতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, বাংলা ভাষা মূলত <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> বা <strong>অস্ট্রো-এশীয়</strong> ভাষাগোষ্ঠীর সাথে সম্পর্কিত।</p>

<ul>
<li>ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলা ভাষার আদি উৎস এবং গঠনশৈলীর সাথে <strong>মংখেময়</strong> (Mon-Khmer) ভাষাগোষ্ঠীর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।</li>
<li>মংখেময় হলো অস্ট্রো-এশীয় ভাষাপরিবারের একটি প্রধান শাখা, যা বাংলা ভাষার বিবর্তনে এবং শব্দভাণ্ডারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (আরবি, ফারসি, হিব্রু) মূলত সেমিটিক বা ইন্দো-ইরানীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলা ভাষার মূল গোত্রের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে বাংলা ভাষার সাথে মংখেময় ভাষার একটি ঐতিহাসিক ও গঠনগত যোগসূত্র বিদ্যমান।</p>
৩০০

কোনটি চলিত রূপ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তুলো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুলো</strong>। বাংলা ভাষায় শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে চলিত রীতিতে আমরা সাধারণত যে বানানটি বেশি ব্যবহার করি, সেটিই হলো চলিত রূপ।</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষায় আমরা যেটিকে 'তুলা' বলি, চলিত ভাষায় তার উচ্চারণ ও বানানগত রূপটি হলো 'তুলো'।</li>
<li>আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তা এবং আধুনিক সাহিত্যে 'তুলো' শব্দটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের উচ্চারণের স্বাভাবিক পরিবর্তনের মাধ্যমেই 'তুলা' থেকে 'তুলো' রূপটি তৈরি হয়েছে, যা এখন চলিত ভাষার মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...