<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু রীতি</strong>। এর কারণ হলো সাধু রীতি সবসময় ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নিয়মকানুন মেনে চলে।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>নিয়মানুবর্তিতা:</strong> সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি ব্যাকরণের কঠিন নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li><strong>স্থায়িত্ব:</strong> এই রীতিটি যেহেতু ব্যাকরণের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এর রূপ সহজে পরিবর্তিত হয় না।</li>
<li><strong>পার্থক্য:</strong> অন্যদিকে, চলিত বা আঞ্চলিক রীতি সময়ের সাথে সাথে বা স্থানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু সাধু রীতিতে ব্যাকরণের নিয়মই প্রধান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ভাষারীতি ব্যাকরণের নিয়মকে একদম অক্ষরে অক্ষরে পালন করে, সেটিই হলো সাধু রীতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাকৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারাটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে উদ্ভূত।</li>
<li>এই আর্য ভাষার বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বাংলা এসেছে। বিবর্তনের এই ধারায় পর্যায়গুলো হলো: বৈদিক → সংস্কৃত → পালি → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলা ভাষার সরাসরি পূর্বসূরি বা জননী হলো <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রাকৃত ভাষার বিভিন্ন রূপ থেকেই কালক্রমে আমাদের আজকের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হবে প্রাকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর প্রধান ভাষা পরিবারগুলোর মধ্যে <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> হলো সবচেয়ে বড় এবং বিস্তৃত একটি শাখা।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে, যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত এবং পরবর্তীতে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে আজকের আধুনিক বাংলায় রূপ নিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, আমাদের বাংলা ভাষার মূল শিকড় বা উৎস হলো এই <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> ভাষা পরিবার।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে <strong>সপ্তম শতাব্দী</strong>-কে ধরা হয়। এর পেছনে সহজ যুক্তি হলো:</p>
<ul>
<li>ভাষাবিদদের মতে, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
<li>খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীর দিকেই এই বিবর্তন প্রক্রিয়াটি একটি স্বতন্ত্র রূপ নিতে শুরু করে।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা যায়, এই সময় থেকেই বাংলা ভাষার আদি রূপটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে চর্যাপদ রচনার মাধ্যমে পূর্ণতা পায়।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ভাষার সূচনালগ্ন বা উৎপত্তিকাল হিসেবে <strong>সপ্তম শতাব্দী</strong>-ই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সময়কাল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকেই মূলত <strong>উপভাষা</strong> বা Dialect বলা হয়।</li>
<li>একটি বড় ভৌগোলিক এলাকার ভাষার মধ্যে যখন আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বা নিজস্ব ঢং তৈরি হয়, তখন তাকে উপভাষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী ভাষার যে আঞ্চলিক রূপ বা বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, সেটিই উপভাষা।</li>
</ul>
৩২১
কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু ভাষা</strong>। এর কারণ হলো সাধু ভাষার ব্যাকরণগত কাঠামো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং নিয়মনিষ্ঠ।</p>
<ul>
<li><strong>সুনিয়ন্ত্রিত পদবিন্যাস:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় অপরিবর্তিত ও সুনির্দিষ্ট থাকে, যা একে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো দেয়।</li>
<li><strong>ব্যাকরণগত কঠোরতা:</strong> এই রীতিতে ব্যাকরণের নিয়মগুলো খুব কড়াকড়িভাবে মেনে চলা হয়, তাই এর পদবিন্যাস কখনোই এলোমেলো হয় না।</li>
<li><strong>স্থায়িত্ব:</strong> সাধু ভাষা যেহেতু অপরিবর্তনশীল, তাই এর বাক্য গঠনের নিয়মগুলো যুগ যুগ ধরে একই রকম রয়ে গেছে, যা একে একটি নির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত রূপ দান করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২টি</strong>। আমাদের মনের ভাব বা ভাষা প্রকাশের মাধ্যম মূলত দুটি। বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>মৌখিক মাধ্যম:</strong> আমরা যখন মুখে কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করি।</li>
<li><strong>লিখিত মাধ্যম:</strong> আমরা যখন লিখে বা কোনো চিহ্নের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য হয় মুখ ব্যবহার করে, না হয় কলম বা লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করে। তাই ভাষা প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হিসেবে আমরা এই <strong>২টি</strong> পদ্ধতিকেই গণ্য করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জোসনা</strong>। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য বোঝার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো শব্দের গঠন ও উচ্চারণ খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>সাধু ভাষায় শব্দের রূপ কিছুটা দীর্ঘ এবং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি থাকে।</li>
<li><strong>জোসনা</strong> শব্দটি সাধু রীতির একটি বিশেষ রূপ, যা চলিত ভাষায় সাধারণত 'জোছনা' বা 'জ্যোৎস্না' হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাধু রীতিতে শব্দের বানানে ও উচ্চারণে গাম্ভীর্য বজায় থাকে, যা এই শব্দটির ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো আমরা সাধারণত সাহিত্যের প্রাচীন বা গম্ভীর বর্ণনায় দেখি এবং যেগুলোর উচ্চারণ কিছুটা দীর্ঘ হয়, সেগুলোই সাধু রীতির শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রীতির মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। কিন্তু অব্যয় পদগুলো উভয় রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> পদের কোনো রূপান্তর হয় না, তাই এটি সাধু বা চলিত উভয় ক্ষেত্রেই একই থাকে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'কিন্তু'—এই শব্দগুলো আপনি সাধু বা চলিত যেকোনো রীতির বাক্যেই ব্যবহার করুন না কেন, এদের চেহারা সবসময় একই থাকে।</li>
<li>অন্যান্য পদ যেমন ক্রিয়া বা সর্বনামের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতির রূপ আলাদা হয়, কিন্তু অব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন নেই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শুকনো</strong>। কারণ চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সাধারণত সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়।</p>
<ul>
<li>চলিত রীতিতে আমরা কথা বলার সময় যে শব্দগুলো ব্যবহার করি, <strong>শুকনো</strong> তার একটি আদর্শ উদাহরণ।</li>
<li>অন্যদিকে, 'পড়িল' বা 'সহিত' শব্দগুলো সাধু রীতির অন্তর্ভুক্ত, যা বর্তমানে লেখার ক্ষেত্রে কিছুটা গুরুগম্ভীর বা পুরনো ধাঁচের মনে হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন কথোপকথনের সাথে মিলে যায়, সেগুলোই চলিত রীতির শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু রীতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সাধু রীতি</strong> হলো ভাষার এমন একটি রূপ যা কেবল বইপত্র বা দাপ্তরিক নথিপত্রে লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় বা আড্ডায় কখনোই সাধু ভাষায় কথা বলি না, তাই এটি মৌখিক বা কথ্য রূপ নয়।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে এই রীতিটি বেশ সুনির্ধারিত ও গুরুগম্ভীর, যা কেবল লিখিত রূপেই সীমাবদ্ধ থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ভাষা আমরা লিখি কিন্তু মুখে বলি না, সেটাই হলো সাধু রীতি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সাধুরীতিতে সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— 'তাহার', 'করিয়াছে', 'মস্তিস্ক'।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অব্যয়</strong> পদগুলো অপরিবর্তনীয়। এগুলো বাক্যে যেভাবে থাকে, সাধু বা চলিত উভয় রীতিতেই এদের রূপ একই থাকে।</li>
<li>যেহেতু অব্যয়ের কোনো রূপান্তর বা দীর্ঘরূপ হওয়ার সুযোগ নেই, তাই ব্যাকরণগতভাবে এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বচনজনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বৃক্ষ' শব্দটির বহুবচন বোঝাতে 'বৃক্ষসমূহ' বা 'বৃক্ষরাজি' ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'মালা' শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর সারিবদ্ধ বা গুচ্ছ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'বৃক্ষ' শব্দের সাথে যুক্ত করলে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।</li>
<li>যেহেতু 'বৃক্ষ' নিজেই একটি বিশেষ্য এবং 'মালা' দিয়েও বহুবচন বা সমষ্টি বোঝানো হচ্ছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বচনের ভুল রয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের সাথে ভুল বহুবচনবাচক শব্দ যুক্ত করার কারণেই এটি <strong>বচনজনিত</strong> অশুদ্ধি হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৩৩০
'অজ্ঞান' কে 'অজ্ঞানতা' শব্দের দ্বারা প্রকাশ যে ধরনের অপপ্রয়োগ--
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্যজনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>'অজ্ঞান' নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো যার জ্ঞান নেই বা মূর্খতা।</li>
<li>যখন আমরা এর সাথে 'তা' প্রত্যয় যোগ করে 'অজ্ঞানতা' লিখি, তখন শব্দের শেষে অতিরিক্ত একটি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে একটি শব্দ দিয়েই পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায়, সেখানে অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় যোগ করাকে <strong>বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'অজ্ঞান' থাকলেই আর বাড়তি 'তা' যোগ করার প্রয়োজন পড়ে না, তাই এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।