eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩১৬

বাংলা ভাষায় কোন রীতি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের অনুসারী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু রীতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু রীতি</strong>। এর কারণ হলো সাধু রীতি সবসময় ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নিয়মকানুন মেনে চলে।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>নিয়মানুবর্তিতা:</strong> সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি ব্যাকরণের কঠিন নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li><strong>স্থায়িত্ব:</strong> এই রীতিটি যেহেতু ব্যাকরণের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এর রূপ সহজে পরিবর্তিত হয় না।</li>
<li><strong>পার্থক্য:</strong> অন্যদিকে, চলিত বা আঞ্চলিক রীতি সময়ের সাথে সাথে বা স্থানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু সাধু রীতিতে ব্যাকরণের নিয়মই প্রধান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে ভাষারীতি ব্যাকরণের নিয়মকে একদম অক্ষরে অক্ষরে পালন করে, সেটিই হলো সাধু রীতি।</p>
৩১৭

ভাষার কোন রূপ থেকে বাংলা ভাষার জন্ম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাকৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারাটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে উদ্ভূত।</li>
<li>এই আর্য ভাষার বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বাংলা এসেছে। বিবর্তনের এই ধারায় পর্যায়গুলো হলো: বৈদিক → সংস্কৃত → পালি → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলা ভাষার সরাসরি পূর্বসূরি বা জননী হলো <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, প্রাকৃত ভাষার বিভিন্ন রূপ থেকেই কালক্রমে আমাদের আজকের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হবে প্রাকৃত।</p>
৩১৮

বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষার অন্তর্গত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইন্দো- ইউরোপীয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>পৃথিবীর প্রধান ভাষা পরিবারগুলোর মধ্যে <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> হলো সবচেয়ে বড় এবং বিস্তৃত একটি শাখা।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে, যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে সংস্কৃত এবং পরবর্তীতে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে আজকের আধুনিক বাংলায় রূপ নিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, আমাদের বাংলা ভাষার মূল শিকড় বা উৎস হলো এই <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> ভাষা পরিবার।</li>
</ul>
৩১৯

বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সপ্তম শতাব্দী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে <strong>সপ্তম শতাব্দী</strong>-কে ধরা হয়। এর পেছনে সহজ যুক্তি হলো:</p>

<ul>
<li>ভাষাবিদদের মতে, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
<li>খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীর দিকেই এই বিবর্তন প্রক্রিয়াটি একটি স্বতন্ত্র রূপ নিতে শুরু করে।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা যায়, এই সময় থেকেই বাংলা ভাষার আদি রূপটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে চর্যাপদ রচনার মাধ্যমে পূর্ণতা পায়।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা ভাষার সূচনালগ্ন বা উৎপত্তিকাল হিসেবে <strong>সপ্তম শতাব্দী</strong>-ই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সময়কাল।</p>
৩২০

আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকেই মূলত <strong>উপভাষা</strong> বা Dialect বলা হয়।</li>
<li>একটি বড় ভৌগোলিক এলাকার ভাষার মধ্যে যখন আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বা নিজস্ব ঢং তৈরি হয়, তখন তাকে উপভাষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী ভাষার যে আঞ্চলিক রূপ বা বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, সেটিই উপভাষা।</li>
</ul>
৩২১

কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু ভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু ভাষা</strong>। এর কারণ হলো সাধু ভাষার ব্যাকরণগত কাঠামো অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং নিয়মনিষ্ঠ।</p>

<ul>
<li><strong>সুনিয়ন্ত্রিত পদবিন্যাস:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় অপরিবর্তিত ও সুনির্দিষ্ট থাকে, যা একে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো দেয়।</li>
<li><strong>ব্যাকরণগত কঠোরতা:</strong> এই রীতিতে ব্যাকরণের নিয়মগুলো খুব কড়াকড়িভাবে মেনে চলা হয়, তাই এর পদবিন্যাস কখনোই এলোমেলো হয় না।</li>
<li><strong>স্থায়িত্ব:</strong> সাধু ভাষা যেহেতু অপরিবর্তনশীল, তাই এর বাক্য গঠনের নিয়মগুলো যুগ যুগ ধরে একই রকম রয়ে গেছে, যা একে একটি নির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত রূপ দান করেছে।</li>
</ul>
৩২২

ভাষা প্রকাশের মাধ্যম কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২টি</strong>। আমাদের মনের ভাব বা ভাষা প্রকাশের মাধ্যম মূলত দুটি। বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>মৌখিক মাধ্যম:</strong> আমরা যখন মুখে কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করি।</li>
<li><strong>লিখিত মাধ্যম:</strong> আমরা যখন লিখে বা কোনো চিহ্নের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য হয় মুখ ব্যবহার করে, না হয় কলম বা লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করে। তাই ভাষা প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হিসেবে আমরা এই <strong>২টি</strong> পদ্ধতিকেই গণ্য করি।</p>
৩২৩

কোনটি সাধুরীতির শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জোসনা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জোসনা</strong>। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য বোঝার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো শব্দের গঠন ও উচ্চারণ খেয়াল করা।</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষায় শব্দের রূপ কিছুটা দীর্ঘ এবং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের কাছাকাছি থাকে।</li>
<li><strong>জোসনা</strong> শব্দটি সাধু রীতির একটি বিশেষ রূপ, যা চলিত ভাষায় সাধারণত 'জোছনা' বা 'জ্যোৎস্না' হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাধু রীতিতে শব্দের বানানে ও উচ্চারণে গাম্ভীর্য বজায় থাকে, যা এই শব্দটির ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো আমরা সাধারণত সাহিত্যের প্রাচীন বা গম্ভীর বর্ণনায় দেখি এবং যেগুলোর উচ্চারণ কিছুটা দীর্ঘ হয়, সেগুলোই সাধু রীতির শব্দ।</p>
৩২৪

সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রীতির মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। কিন্তু অব্যয় পদগুলো উভয় রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> পদের কোনো রূপান্তর হয় না, তাই এটি সাধু বা চলিত উভয় ক্ষেত্রেই একই থাকে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'কিন্তু'—এই শব্দগুলো আপনি সাধু বা চলিত যেকোনো রীতির বাক্যেই ব্যবহার করুন না কেন, এদের চেহারা সবসময় একই থাকে।</li>
<li>অন্যান্য পদ যেমন ক্রিয়া বা সর্বনামের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতির রূপ আলাদা হয়, কিন্তু অব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন নেই।</li>
</ul>
৩২৫

নিচের কোনটি চলিত রীতির শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শুকনো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শুকনো</strong>। কারণ চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সাধারণত সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়।</p>

<ul>
<li>চলিত রীতিতে আমরা কথা বলার সময় যে শব্দগুলো ব্যবহার করি, <strong>শুকনো</strong> তার একটি আদর্শ উদাহরণ।</li>
<li>অন্যদিকে, 'পড়িল' বা 'সহিত' শব্দগুলো সাধু রীতির অন্তর্ভুক্ত, যা বর্তমানে লেখার ক্ষেত্রে কিছুটা গুরুগম্ভীর বা পুরনো ধাঁচের মনে হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন কথোপকথনের সাথে মিলে যায়, সেগুলোই চলিত রীতির শব্দ।</li>
</ul>
৩২৬

ভাষার কোন রীতি কেবলমাত্র লেখ্যরূপে ব্যবহৃত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু রীতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু রীতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>সাধু রীতি</strong> হলো ভাষার এমন একটি রূপ যা কেবল বইপত্র বা দাপ্তরিক নথিপত্রে লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় বা আড্ডায় কখনোই সাধু ভাষায় কথা বলি না, তাই এটি মৌখিক বা কথ্য রূপ নয়।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে এই রীতিটি বেশ সুনির্ধারিত ও গুরুগম্ভীর, যা কেবল লিখিত রূপেই সীমাবদ্ধ থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে ভাষা আমরা লিখি কিন্তু মুখে বলি না, সেটাই হলো সাধু রীতি।</p>
৩২৭

সাধুরীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরূপ হয় না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সাধুরীতিতে সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— 'তাহার', 'করিয়াছে', 'মস্তিস্ক'।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অব্যয়</strong> পদগুলো অপরিবর্তনীয়। এগুলো বাক্যে যেভাবে থাকে, সাধু বা চলিত উভয় রীতিতেই এদের রূপ একই থাকে।</li>
<li>যেহেতু অব্যয়ের কোনো রূপান্তর বা দীর্ঘরূপ হওয়ার সুযোগ নেই, তাই ব্যাকরণগতভাবে এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৩২৮

সাধুভাষা পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
৩২৯

'বৃক্ষমালা' যে কারণে অশুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বচনজনিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বচনজনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বৃক্ষ' শব্দটির বহুবচন বোঝাতে 'বৃক্ষসমূহ' বা 'বৃক্ষরাজি' ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'মালা' শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর সারিবদ্ধ বা গুচ্ছ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'বৃক্ষ' শব্দের সাথে যুক্ত করলে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।</li>
<li>যেহেতু 'বৃক্ষ' নিজেই একটি বিশেষ্য এবং 'মালা' দিয়েও বহুবচন বা সমষ্টি বোঝানো হচ্ছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বচনের ভুল রয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের সাথে ভুল বহুবচনবাচক শব্দ যুক্ত করার কারণেই এটি <strong>বচনজনিত</strong> অশুদ্ধি হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৩৩০

'অজ্ঞান' কে 'অজ্ঞানতা' শব্দের দ্বারা প্রকাশ যে ধরনের অপপ্রয়োগ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাহুল্যজনিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্যজনিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>'অজ্ঞান' নিজেই একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো যার জ্ঞান নেই বা মূর্খতা।</li>
<li>যখন আমরা এর সাথে 'তা' প্রত্যয় যোগ করে 'অজ্ঞানতা' লিখি, তখন শব্দের শেষে অতিরিক্ত একটি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে একটি শব্দ দিয়েই পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায়, সেখানে অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় যোগ করাকে <strong>বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'অজ্ঞান' থাকলেই আর বাড়তি 'তা' যোগ করার প্রয়োজন পড়ে না, তাই এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...