eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৪৭৫ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩৩১

'বিচিত চিন্তা' কৃতি-লেখক আহমেদ শরীফের শ্রেষ্ঠ কৃতী এখানে কি ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পদের
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদের</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে 'কৃতী' শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>'কৃতী' শব্দের অর্থ হলো গুণী বা সফল ব্যক্তি, কিন্তু এখানে লেখকের 'কাজ' বা 'রচনাসমগ্র' বোঝাতে 'কৃতি' শব্দটি ব্যবহার করা উচিত ছিল।</li>
<li>শব্দ চয়নে এই ভুলটি মূলত একটি <strong>পদগত অপপ্রয়োগ</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক প্রয়োগ না থাকায় এখানে পদের ভুল ঘটেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের অর্থের সাথে বাক্যের সামঞ্জস্য না থাকায় এটি পদের অপপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৩৩২

'আপনার একান্ত বাধ্যগত' এখানে 'বাধ্যগত' যে কারনে অশুদ্ধ----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শব্দের গঠনগত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শব্দের গঠনগত</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'বাধ্য' শব্দটি নিজেই একটি বিশেষণ, যার অর্থ হলো যে বশ্যতা স্বীকার করে।</li>
<li>এর সাথে পুনরায় 'গত' প্রত্যয় যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই।</li>
<li>'বাধ্য' শব্দের সাথে 'গত' যুক্ত করলে শব্দের গঠনগত ভুল তৈরি হয়, কারণ এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।</li>
<li>তাই শুদ্ধ রূপটি হবে কেবল 'আপনার একান্ত বাধ্য'।</li>
</ul>
৩৩৩

'অত্র অফিসের সবাই আজ উপস্থিত' বাক্যে 'অত্র' শব্দটি যে কারণে অশুদ্ধ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শব্দ প্রয়োগজনিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শব্দ প্রয়োগজনিত</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, <strong>'অত্র'</strong> শব্দটি সাধারণত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা মূলত 'এই' বা 'এখানে' অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>কিন্তু আধুনিক বাংলা ভাষায় 'অফিস' বা 'স্থান' বোঝাতে 'অত্র' শব্দের ব্যবহার অনেকটা বাহুল্য বা অপ্রাসঙ্গিক।</li>
<li>প্রমিত বাংলা রীতিতে 'অত্র' শব্দের পরিবর্তে <strong>'এই'</strong> ব্যবহার করাই অধিকতর শুদ্ধ ও মার্জিত।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা হয়নি, তাই এটি একটি <strong>শব্দ প্রয়োগজনিত</strong> ভুল।</li>
</ul>
৩৩৪

প্রত্যেক ভাষারই মৌলিক অংশ কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা:
<p>ভাষার মৌলিক অংশ মূলত <strong>চারটি</strong>। যেকোনো ভাষার মূল ভিত্তি বা কাঠামো তৈরি হয় এই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে। বিষয়টিকে সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>

<ul>
<li><strong>ধ্বনি (Sound):</strong> ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, যা আমরা উচ্চারণ করি।</li>
<li><strong>শব্দ (Word):</strong> ধ্বনির সমষ্টি, যার একটি নির্দিষ্ট অর্থ থাকে।</li>
<li><strong>বাক্য (Sentence):</strong> শব্দের সমষ্টি, যা মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>অর্থ (Meaning):</strong> ভাষার প্রাণ, কারণ অর্থ ছাড়া কোনো শব্দ বা বাক্যের অস্তিত্ব নেই।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, ধ্বনি থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য এবং সবকিছুর পেছনে থাকে অর্থ—এই চারটি উপাদান মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ ভাষা গঠিত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চারটি</strong>।</p>
৩৩৫

সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা:
<p>সাধু ভাষায় <strong>তৎসম</strong> শব্দের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষা মূলত সংস্কৃত শব্দভাণ্ডারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।</li>
<li>গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং মার্জিত রূপ বজায় রাখার জন্য সাধু ভাষায় এই তৎসম শব্দের ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধু ভাষার ব্যাকরণগত কাঠামো এবং শব্দচয়ন সংস্কৃতের অনুসারী হওয়ায় এতে তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে।</p>
৩৩৬

সাধুরীতি ও চলিতরীতির পার্থক্য কোন পদে বেশি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা:
<p>সাধুরীতি ও চলিতরীতির মূল পার্থক্য মূলত <strong>ক্রিয়া ও সর্বনাম</strong> পদের রূপের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> সাধুরীতিতে ক্রিয়ার রূপ দীর্ঘ হয় (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিতরীতিতে তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়ে যায় (যেমন: করছি, চলল)।</li>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধুরীতিতে সর্বনামের রূপ হয় গুরুগম্ভীর (যেমন: তাহার, কাহারা), যা চলিতরীতিতে পরিবর্তিত হয়ে হয় তার, কারা।</li>
</ul>

<p>এই দুই ধরনের পদের পরিবর্তনের কারণেই সাধু ও চলিতরীতির মধ্যে পার্থক্য এত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই এই দুটি পদই হলো পার্থক্যের প্রধান জায়গা।</p>
৩৩৭

সাধুও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপেব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। এর কারণটা খুব সহজ।</p>

<p>বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রীতির মধ্যে মূল পার্থক্য থাকে সাধারণত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপের ক্ষেত্রে। কিন্তু অব্যয় পদগুলো এমন একটি শব্দশ্রেণি যা বাক্যের গঠন বা রূপ পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সাধু বা চলিত যে রীতিই হোক না কেন, অব্যয় পদগুলো সব সময় একই থাকে।</p>

<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> যেমন: 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'কিন্তু'—এগুলো সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই হুবহু একইভাবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এগুলোর কোনো বচন বা লিঙ্গভেদে রূপান্তর হয় না, তাই এগুলোকে 'অব্যয়' বা অপরিবর্তনীয় শব্দ বলা হয়।</li>
</ul>
৩৩৮

'বন্য' শব্দের চলিত রূপ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুনো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বুনো</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চলিত ভাষায় শব্দের রূপ পরিবর্তনের সময় আমরা সাধারণত শব্দের শেষে একটি 'ও' কার যুক্ত করে সেটিকে আরও শ্রুতিমধুর ও সহজবোধ্য করে তুলি।</p>

<ul>
<li>'বন্য' শব্দটি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা সাধু ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>চলিত রীতিতে এই শব্দের উচ্চারণ ও গঠন সহজ করতে 'বন্য' থেকে পরিবর্তিত হয়ে <strong>বুনো</strong> রূপটি এসেছে।</li>
<li>ভাষার স্বাভাবিক পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের শেষে এমন স্বরবর্ণের যোগ হওয়া চলিত ভাষার একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৩৩৯

একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না করে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়, তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অসমীকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অসমীকরণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন দুটি একই স্বরধ্বনি পাশাপাশি থাকে, তখন তাদের মধ্যে একটি স্বরধ্বনি পরিবর্তন করে বা মাঝখানে অন্য কোনো স্বরধ্বনি এনে উচ্চারণ সহজ করা হয়।</li>
<li>যেমন: <strong>ধপ + ধপ = ধপা-ধপ</strong>। এখানে 'ধপ' শব্দটির পুনরাবৃত্তি হওয়ার সময় মাঝখানে একটি 'আ' স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না ঘটিয়ে সেগুলোকে আলাদা বা অসম করা হচ্ছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে <strong>অসমীকরণ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৩৪০

পূর্বধ্বনির প্রভাবে পরবর্তি ধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রগত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রগত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>প্রগত</strong> সমীভবন।</li>
<li>সহজ কথায়, আগের ধ্বনিটি তার শক্তি বা প্রভাব পরের ধ্বনির ওপর প্রয়োগ করে তাকে নিজের মতো করে নেয়।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ: 'পক্ব' শব্দটি উচ্চারণের সময় 'পক্ব' (পক-প) হয়ে যায়। এখানে আগের 'ক' ধ্বনিটি পরের 'ব' ধ্বনিকে প্রভাবিত করে 'প' তে রূপান্তর করেছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, প্রভাব যখন সামনের দিকে এগিয়ে যায়, তখনই সেটি <strong>প্রগত</strong>।</p>
৩৪১

আশু>আউশ- এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন নিয়মের উদাহরন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপিনিহিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>অপিনিহিতি</strong> মানে হলো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার আগের ব্যঞ্জনবর্ণের আগে উচ্চারিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ ছিল <strong>আশু</strong>।</li>
<li>শব্দটিতে 'শ'-এর সাথে থাকা 'উ' কারটি 'শ'-এর আগে চলে এসে <strong>আউশ</strong> হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, ব্যঞ্জনবর্ণের আগে স্বরবর্ণের এই আগাম উচ্চারণই হলো অপিনিহিতি।</li>
</ul>
৩৪২

পরের 'ই' কার ও 'উ' কার আগেই উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপিনিহিত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>শব্দের মধ্যে থাকা 'ই' কার বা 'উ' কার যদি তার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়, তবে তাকেই অপিনিহিতি বলে।</li>
<li>যেমন: 'আজি' শব্দটিতে 'ই' কারটি 'জ'-এর পরে আছে, কিন্তু উচ্চারণের সময় যদি এটি 'আইজ' হয়ে যায়, তবে সেটিই অপিনিহিতি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শেষের 'ই' বা 'উ' যদি আগে চলে আসে, তবেই এই নিয়মটি কাজ করে।</li>
</ul>
৩৪৩

ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরন কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিশাচ-> পিচাশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিশাচ -> পিচাশ</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong> বলতে বোঝায় শব্দের ভেতরকার দুটি ধ্বনি বা বর্ণের একে অপরের সাথে জায়গা অদলবদল করা।</li>
<li>এখানে 'পিশাচ' শব্দটিতে 'শ' এবং 'চ'-এর অবস্থান পরিবর্তন হয়ে 'পিচাশ' হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, যখন কোনো শব্দের ভেতরকার ধ্বনিগুলো নিজেদের স্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ নেয়, তখনই তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের বর্ণগুলো যখন নিজেদের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, সেটাই ধ্বনি বিপর্যয়। তাই <strong>পিশাচ -> পিচাশ</strong> এই নিয়মের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</p>
৩৪৪

বাকস > বাসক হওয়ার রীতিকে বলা হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন কোনো শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখন তাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'বাকস' শব্দটিতে 'ক' এবং 'স'-এর অবস্থান ছিল যথাক্রমে ২য় ও ৩য় স্থানে।</li>
<li>পরিবর্তিত রূপ 'বাসক'-এ তারা নিজেদের জায়গা পরিবর্তন করে ফেলেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, যখনই শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলো স্থান পরিবর্তন করে নতুন রূপ নেয়, তখনই সেটি <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong> হয়।</li>
</ul>
৩৪৫

লাফ > ফাল কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের ভেতর দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি নিজেদের স্থান অদলবদল করে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</li>
<li>এখানে 'লাফ' শব্দটিতে 'ল' এবং 'ফ' তাদের জায়গা পরিবর্তন করে 'ফাল' হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর ধ্বনির এই উলটপালট হওয়াটাই হলো ধ্বনি বিপর্যয়ের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...