<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় অন্যোন্য সমীভবন।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে কোনো একটি ধ্বনি অন্যটির ওপর প্রভাব ফেলে না, বরং দুটি ধ্বনিই একে অপরের দিকে এগিয়ে এসে একে অপরকে প্রভাবিত করে।</li>
<li>যেমন: 'সংস্কৃত' শব্দ থেকে 'সচ্ছ' হওয়ার প্রক্রিয়াটি খেয়াল করলে দেখবেন, এখানে 'স' এবং 'চ' উভয় ধ্বনিই পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ ট্রিক হলো—যদি দেখেন দুটি ধ্বনিই সমানভাবে বদলে গিয়ে একে অপরের সাথে মিলে যাচ্ছে, তবে চোখ বন্ধ করে একে <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong> হিসেবে চিহ্নিত করবেন।</p>
৩৬২
অপিনিহিত শব্দ পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গিয়ে তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটায় তাকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনি বা ই-কার/উ-কার আগে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে আমরা বলি <strong>অপিনিহিতি</strong>।</li>
<li>এই অপিনিহিতি যখন পরবর্তী স্বরধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>অপিনিহিতি</strong> থেকে যখন শব্দ আরও সংকুচিত বা পরিবর্তিত হয়ে প্রমিত রূপ পায়, তখনই অভিশ্রুতির সৃষ্টি হয়।</li>
<li>যেমন: 'করিয়া' শব্দটিতে 'ই' আগে চলে এসে হয় 'কইরা' (অপিনিহিতি), আর এই 'কইরা' যখন পরিবর্তিত হয়ে হয় 'করে', তখন সেটিই হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
</ul>
৩৬৩
শব্দের মধ্যে দুই বা ততোধিক ধ্বনির মধ্যে কোন ধ্বনি অপর ধ্বনির সঙ্গে মিল রেখেউচ্চারণরণ করা হলে তাকে কি বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসঙ্গতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায় বা তার সাথে মিল তৈরি করে, তখন তাকেই <strong>স্বরসঙ্গতি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরে স্বরধ্বনির পারস্পরিক এই প্রভাব বা মিলই হলো স্বরসঙ্গতি।</li>
<li>যেমন: 'বিলাতি' থেকে 'বিলিতি'—এখানে 'আ' ধ্বনিটি 'ই' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ই' হয়েছে, যা স্বরসঙ্গতির একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৬৪
শব্দের আদিতে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকরে সাধারণউচ্চারণরণের সময় তার পূর্বে একটি স্বরের আগমন ঘটলে তাকে কি বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে, তখন উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা তার আগে একটি বাড়তি স্বরধ্বনি যোগ করি।</li>
<li>যেমন: 'স্কুল' শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় 'ইস্কুল' বলে ফেলি। এখানে শব্দের শুরুতে একটি 'ই' স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে স্বরের এই আগমনকেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>স্বরাগম</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, উচ্চারণের সময় বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে শব্দকে সহজ করার প্রক্রিয়াটিই হলো স্বরাগম।</p>
<p>সমীভবন মানে হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কান্না > কাঁদনা</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে 'দ' এবং 'ন' যুক্ত হয়ে 'ন্ন' তৈরি করেছে।</li>
<li>মূল শব্দ 'কাঁদনা'-তে 'দ' ও 'ন' আলাদা ছিল, কিন্তু উচ্চারণের সুবিধার জন্য 'দ' ধ্বনিটি 'ন'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, একটি ধ্বনি অন্যটির মতো হয়ে গিয়ে শব্দটিকে সহজ করেছে, যা সমীভবনের মূল নিয়ম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি মিলে একই রকম হয়ে যায়, তখনই তাকে সমীভবন বলে।</p>
৩৬৬
দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</li>
<li>সহজ উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'বাক্স' শব্দটিকে অনেকে উচ্চারণের সময় 'বাস্ক' বলে ফেলে। এখানে 'ক' এবং 'স' নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে।</li>
<li>একইভাবে 'পিশাচ' থেকে 'পিচাশ' বা 'রক্সা' থেকে 'রক্ষা'—এগুলো সবই ধ্বনি বিপর্যয়ের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর ব্যঞ্জনধ্বনির এই <strong>স্থান পরিবর্তনই</strong> হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মগোজ</strong>। বাংলা বানানে অনেক সময় শব্দের উচ্চারণে কিছুটা ভিন্নতা আসে, যা আমাদের খেয়াল রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলায় অনেক শব্দের শেষে 'জ' বা 'স' থাকলে উচ্চারণের সময় একটি বাড়তি 'ও' কার যোগ হয়।</li>
<li>'মগজ' শব্দটি যখন আমরা উচ্চারণ করি, তখন এর শেষে একটি হালকা 'ও' ধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনা যায়।</li>
<li>এই নিয়ম অনুযায়ী, 'মগজ'-এর সঠিক উচ্চারণ হবে <strong>মগোজ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে থাকা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে উচ্চারণের সময় যে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়, তা-ই এখানে 'ও' কার হিসেবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বপ্ন-স্বপন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরভক্তি</strong> বা <strong>বিপ্রকর্ষ</strong> হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝে একটি স্বরধ্বনি নিয়ে আসা হয়।</li>
<li>এখানে 'স্বপ্ন' শব্দটিতে 'প' ও 'ন' যুক্ত অবস্থায় আছে। উচ্চারণের সময় আমরা যখন একে 'স্বপন' বলি, তখন মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'অ' ধ্বনি চলে আসে।</li>
<li>সহজ কথায়, যুক্তবর্ণ ভেঙে মাঝখানে স্বরধ্বনি ঢোকানোই হলো স্বরভক্তি। তাই 'স্বপ্ন' থেকে 'স্বপন' হওয়াটা এই নিয়মের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লিখক > লেখক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরসঙ্গতি</strong> হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শব্দের একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'লিখক' শব্দে 'ই' কার ছিল, যা পরের 'অ' কারের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'এ' কারে রূপ নিয়েছে। অর্থাৎ, <strong>লিখক > লেখক</strong> হওয়ার সময় স্বরধ্বনির এই পরিবর্তনই হলো স্বরসঙ্গতির উদাহরণ।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনিগুলো একে অপরের প্রভাবে যখন বদলে গিয়ে কাছাকাছি বা একই রকম হয়ে যায়, তখনই তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আজি > আইজ</strong>। অপিনিহিতি বিষয়টি বোঝা খুবই সহজ। যখন কোনো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার তার আগের ব্যঞ্জনবর্ণের আগে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে অপিনিহিতি বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে মূল শব্দ ছিল <strong>আজি</strong>।</li>
<li>উচ্চারণের সময় শেষের 'ই' কারটি 'জ'-এর আগে চলে এসেছে, ফলে শব্দটি হয়ে গেছে <strong>আইজ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরকার 'ই' বা 'উ' আগে চলে আসাই হলো অপিনিহিতি।</li>
</ul>
৩৭১
পরের ই-কার ও উ-কার আগেই উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের মধ্যে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় অপনিহিতি বলে।</li>
<li>যেমন: 'আজি' শব্দটিতে 'ই' কারটি জ-এর পরে আছে, কিন্তু উচ্চারণের সময় এটি আগে চলে এসে হয়ে যায় 'আইজ'।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শেষের 'ই' বা 'উ' কার যখন শব্দের মাঝখানে বা আগে চলে আসে, তখনই সেটি অপনিহিতি হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
৩৭২
একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না করে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অসমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি সমবর্ণ বা একই জাতীয় ধ্বনির মাঝখানে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি চলে আসে, তখন তাকে অসমীভবন বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দে একই স্বরের পুনরাবৃত্তি এড়াতে আমরা মাঝখানে অন্য একটি স্বরধ্বনি ঢুকিয়ে দেই।</li>
<li>যেমন: <strong>'তিলক'</strong> থেকে <strong>'তিলিক'</strong>। এখানে 'তিলক' শব্দের 'ি' কারের পুনরাবৃত্তি এড়াতে মাঝখানে বাড়তি একটি 'ি' ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখন দুটি একই ধ্বনির মাঝখানে অন্য কোনো স্বরধ্বনি এসে তাদের আলাদা করে দেয়, তখনই সেটি <strong>অসমীভবন</strong> হয়ে যায়।</p>
<p>বাংলা স্বরধ্বনিতে হ্রস্ব স্বরের সংখ্যা হলো <strong>৪ টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। যে স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণ করতে তুলনামূলক কম সময় লাগে, সেগুলোকে হ্রস্ব স্বর বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তাড়নজাত ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় <strong>ড়</strong> এবং <strong>ঢ়</strong> উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার ডগাটি দন্তমূলের ওপর একবার আঘাত করে বা দ্রুত ঝাপটা দিয়ে নিচে নেমে আসে।</li>
<li>এই যে জিহ্বার 'তাড়না' বা 'ঝাপটা' খাওয়ার প্রক্রিয়া, এর কারণেই এই দুটি বর্ণকে ব্যাকরণে <strong>তাড়নজাত ধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, জিহ্বা যখন দ্রুত কোনো স্থান স্পর্শ করে নিচে পড়ে যায়, তখনই তাড়নজাত ধ্বনি তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখনই তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</p>
<ul>
<li>শব্দটিতে লক্ষ্য করো, <strong>'ক'</strong> এবং <strong>'শ'</strong> নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।</li>
<li>মূল শব্দ: রিকশা (এখানে 'ক' আগে, 'শ' পরে)।</li>
<li>পরিবর্তিত রূপ: রিশকা (এখানে 'শ' আগে চলে এসেছে, 'ক' পরে গেছে)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর ধ্বনির এই উলটপালট বা জায়গা বদলই হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।