eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩৬১

যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্যোন্য সমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় অন্যোন্য সমীভবন।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে কোনো একটি ধ্বনি অন্যটির ওপর প্রভাব ফেলে না, বরং দুটি ধ্বনিই একে অপরের দিকে এগিয়ে এসে একে অপরকে প্রভাবিত করে।</li>
<li>যেমন: 'সংস্কৃত' শব্দ থেকে 'সচ্ছ' হওয়ার প্রক্রিয়াটি খেয়াল করলে দেখবেন, এখানে 'স' এবং 'চ' উভয় ধ্বনিই পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ ট্রিক হলো—যদি দেখেন দুটি ধ্বনিই সমানভাবে বদলে গিয়ে একে অপরের সাথে মিলে যাচ্ছে, তবে চোখ বন্ধ করে একে <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong> হিসেবে চিহ্নিত করবেন।</p>
৩৬২

অপিনিহিত শব্দ পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গিয়ে তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটায় তাকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনি বা ই-কার/উ-কার আগে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে আমরা বলি <strong>অপিনিহিতি</strong>।</li>
<li>এই অপিনিহিতি যখন পরবর্তী স্বরধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>অপিনিহিতি</strong> থেকে যখন শব্দ আরও সংকুচিত বা পরিবর্তিত হয়ে প্রমিত রূপ পায়, তখনই অভিশ্রুতির সৃষ্টি হয়।</li>
<li>যেমন: 'করিয়া' শব্দটিতে 'ই' আগে চলে এসে হয় 'কইরা' (অপিনিহিতি), আর এই 'কইরা' যখন পরিবর্তিত হয়ে হয় 'করে', তখন সেটিই হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
</ul>
৩৬৩

শব্দের মধ্যে দুই বা ততোধিক ধ্বনির মধ্যে কোন ধ্বনি অপর ধ্বনির সঙ্গে মিল রেখেউচ্চারণরণ করা হলে তাকে কি বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসঙ্গতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায় বা তার সাথে মিল তৈরি করে, তখন তাকেই <strong>স্বরসঙ্গতি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরে স্বরধ্বনির পারস্পরিক এই প্রভাব বা মিলই হলো স্বরসঙ্গতি।</li>
<li>যেমন: 'বিলাতি' থেকে 'বিলিতি'—এখানে 'আ' ধ্বনিটি 'ই' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ই' হয়েছে, যা স্বরসঙ্গতির একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৬৪

শব্দের আদিতে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকরে সাধারণউচ্চারণরণের সময় তার পূর্বে একটি স্বরের আগমন ঘটলে তাকে কি বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরাগম
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে, তখন উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা তার আগে একটি বাড়তি স্বরধ্বনি যোগ করি।</li>
<li>যেমন: 'স্কুল' শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় 'ইস্কুল' বলে ফেলি। এখানে শব্দের শুরুতে একটি 'ই' স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে স্বরের এই আগমনকেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>স্বরাগম</strong>।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, উচ্চারণের সময় বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে শব্দকে সহজ করার প্রক্রিয়াটিই হলো স্বরাগম।</p>
৩৬৫

সমীভবনের উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কান্না > কাঁদনা
ব্যাখ্যা:
<p>সমীভবন মানে হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কান্না > কাঁদনা</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>এখানে 'দ' এবং 'ন' যুক্ত হয়ে 'ন্ন' তৈরি করেছে।</li>
<li>মূল শব্দ 'কাঁদনা'-তে 'দ' ও 'ন' আলাদা ছিল, কিন্তু উচ্চারণের সুবিধার জন্য 'দ' ধ্বনিটি 'ন'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, একটি ধ্বনি অন্যটির মতো হয়ে গিয়ে শব্দটিকে সহজ করেছে, যা সমীভবনের মূল নিয়ম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি মিলে একই রকম হয়ে যায়, তখনই তাকে সমীভবন বলে।</p>
৩৬৬

দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</li>
<li>সহজ উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'বাক্স' শব্দটিকে অনেকে উচ্চারণের সময় 'বাস্ক' বলে ফেলে। এখানে 'ক' এবং 'স' নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে।</li>
<li>একইভাবে 'পিশাচ' থেকে 'পিচাশ' বা 'রক্‌সা' থেকে 'রক্ষা'—এগুলো সবই ধ্বনি বিপর্যয়ের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর ব্যঞ্জনধ্বনির এই <strong>স্থান পরিবর্তনই</strong> হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
৩৬৭

'মগজ' শব্দের উচ্চারণ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মগোজ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মগোজ</strong>। বাংলা বানানে অনেক সময় শব্দের উচ্চারণে কিছুটা ভিন্নতা আসে, যা আমাদের খেয়াল রাখতে হয়।</p>

<ul>
<li>বাংলায় অনেক শব্দের শেষে 'জ' বা 'স' থাকলে উচ্চারণের সময় একটি বাড়তি 'ও' কার যোগ হয়।</li>
<li>'মগজ' শব্দটি যখন আমরা উচ্চারণ করি, তখন এর শেষে একটি হালকা 'ও' ধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনা যায়।</li>
<li>এই নিয়ম অনুযায়ী, 'মগজ'-এর সঠিক উচ্চারণ হবে <strong>মগোজ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে থাকা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে উচ্চারণের সময় যে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়, তা-ই এখানে 'ও' কার হিসেবে ফুটে উঠেছে।</p>
৩৬৮

কোনটি স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বপ্ন-স্বপন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বপ্ন-স্বপন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরভক্তি</strong> বা <strong>বিপ্রকর্ষ</strong> হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝে একটি স্বরধ্বনি নিয়ে আসা হয়।</li>
<li>এখানে 'স্বপ্ন' শব্দটিতে 'প' ও 'ন' যুক্ত অবস্থায় আছে। উচ্চারণের সময় আমরা যখন একে 'স্বপন' বলি, তখন মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'অ' ধ্বনি চলে আসে।</li>
<li>সহজ কথায়, যুক্তবর্ণ ভেঙে মাঝখানে স্বরধ্বনি ঢোকানোই হলো স্বরভক্তি। তাই 'স্বপ্ন' থেকে 'স্বপন' হওয়াটা এই নিয়মের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৬৯

কোনটি স্বরসঙ্গতি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লিখক > লেখক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লিখক > লেখক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরসঙ্গতি</strong> হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শব্দের একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'লিখক' শব্দে 'ই' কার ছিল, যা পরের 'অ' কারের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'এ' কারে রূপ নিয়েছে। অর্থাৎ, <strong>লিখক > লেখক</strong> হওয়ার সময় স্বরধ্বনির এই পরিবর্তনই হলো স্বরসঙ্গতির উদাহরণ।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনিগুলো একে অপরের প্রভাবে যখন বদলে গিয়ে কাছাকাছি বা একই রকম হয়ে যায়, তখনই তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।</li>
</ul>
৩৭০

কোনটি অপিনিহিতির উদাহারণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আজি > আইজ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আজি > আইজ</strong>। অপিনিহিতি বিষয়টি বোঝা খুবই সহজ। যখন কোনো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার তার আগের ব্যঞ্জনবর্ণের আগে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে অপিনিহিতি বলে।</p>

<ul>
<li>এখানে মূল শব্দ ছিল <strong>আজি</strong>।</li>
<li>উচ্চারণের সময় শেষের 'ই' কারটি 'জ'-এর আগে চলে এসেছে, ফলে শব্দটি হয়ে গেছে <strong>আইজ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরকার 'ই' বা 'উ' আগে চলে আসাই হলো অপিনিহিতি।</li>
</ul>
৩৭১

পরের ই-কার ও উ-কার আগেই উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপনিহিতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>শব্দের মধ্যে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় অপনিহিতি বলে।</li>
<li>যেমন: 'আজি' শব্দটিতে 'ই' কারটি জ-এর পরে আছে, কিন্তু উচ্চারণের সময় এটি আগে চলে এসে হয়ে যায় 'আইজ'।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শেষের 'ই' বা 'উ' কার যখন শব্দের মাঝখানে বা আগে চলে আসে, তখনই সেটি অপনিহিতি হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
৩৭২

একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না করে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অসমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অসমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>যখন দুটি সমবর্ণ বা একই জাতীয় ধ্বনির মাঝখানে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি চলে আসে, তখন তাকে অসমীভবন বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দে একই স্বরের পুনরাবৃত্তি এড়াতে আমরা মাঝখানে অন্য একটি স্বরধ্বনি ঢুকিয়ে দেই।</li>
<li>যেমন: <strong>'তিলক'</strong> থেকে <strong>'তিলিক'</strong>। এখানে 'তিলক' শব্দের 'ি' কারের পুনরাবৃত্তি এড়াতে মাঝখানে বাড়তি একটি 'ি' ধ্বনি যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, যখন দুটি একই ধ্বনির মাঝখানে অন্য কোনো স্বরধ্বনি এসে তাদের আলাদা করে দেয়, তখনই সেটি <strong>অসমীভবন</strong> হয়ে যায়।</p>
৩৭৩

বাংলা স্বরধ্বনিতে হ্রস্ব স্বরের সংখ্যা কয়টি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা স্বরধ্বনিতে হ্রস্ব স্বরের সংখ্যা হলো <strong>৪ টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। যে স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণ করতে তুলনামূলক কম সময় লাগে, সেগুলোকে হ্রস্ব স্বর বলা হয়।</p>

<p>বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্ব স্বরগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>অ</li>
<li>ই</li>
<li>উ</li>
<li>ঋ</li>
</ul>

<p>এই চারটি বর্ণ উচ্চারণের সময় আমাদের কণ্ঠনালিতে খুব কম সময় ব্যয় হয়, তাই এগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় হ্রস্ব স্বর বলা হয়।</p>
৩৭৪

ড় ও ঢ় ধ্বনিকে কি বাল হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তাড়নজাত ধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তাড়নজাত ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় <strong>ড়</strong> এবং <strong>ঢ়</strong> উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার ডগাটি দন্তমূলের ওপর একবার আঘাত করে বা দ্রুত ঝাপটা দিয়ে নিচে নেমে আসে।</li>
<li>এই যে জিহ্বার 'তাড়না' বা 'ঝাপটা' খাওয়ার প্রক্রিয়া, এর কারণেই এই দুটি বর্ণকে ব্যাকরণে <strong>তাড়নজাত ধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, জিহ্বা যখন দ্রুত কোনো স্থান স্পর্শ করে নিচে পড়ে যায়, তখনই তাড়নজাত ধ্বনি তৈরি হয়।</li>
</ul>
৩৭৫

রিকশা > রিশকা, বাসক এগুলো কিসের উদাহারণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি বিপর্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখনই তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</p>

<ul>
<li>শব্দটিতে লক্ষ্য করো, <strong>'ক'</strong> এবং <strong>'শ'</strong> নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।</li>
<li>মূল শব্দ: রিকশা (এখানে 'ক' আগে, 'শ' পরে)।</li>
<li>পরিবর্তিত রূপ: রিশকা (এখানে 'শ' আগে চলে এসেছে, 'ক' পরে গেছে)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতর ধ্বনির এই উলটপালট বা জায়গা বদলই হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...