eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৭৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩৭৬

অপিনিহিতি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে সে অনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটায় তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' ধ্বনি আগে উচ্চারিত হয়, তাকে আমরা বলি অপিনিহিতি।</li>
<li>আর যখন সেই অপিনিহিতির ফলে সৃষ্ট ধ্বনিগুলো পরবর্তী স্বরধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, অপিনিহিতি যখন আরও পরিপক্ক বা পরিবর্তিত হয়ে উচ্চারণে সহজ হয়ে আসে, সেটাই অভিশ্রুতি।</li>
</ul>

<p>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'করিয়া' শব্দটিতে অপিনিহিতি ঘটলে হয় 'কইরা', আর এই 'কইরা' যখন পরিবর্তিত হয়ে 'করে' রূপ নেয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিই হলো অভিশ্রুতি।</p>
৩৭৭

র-কারের বিলোপ ঘটেছে কোনটিতে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
করতে > কত্তে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করতে > কত্তে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>

<ul>
<li>শব্দের মাঝখানে থাকা <strong>'র'</strong>-কার যখন উচ্চারণের সুবিধার্থে বা দ্রুত বলার সময় লোপ পায়, তখন তাকে র-কারের বিলোপ বলা হয়।</li>
<li>এখানে <strong>'করতে'</strong> শব্দটিতে 'র' বর্ণটি স্পষ্ট আছে, কিন্তু কথ্য ভাষায় দ্রুত বলার সময় এটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>'কত্তে'</strong> রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে 'র' বর্ণটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে পরের ব্যঞ্জনবর্ণটি দ্বিত্ব বা ডাবল হয়ে গেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উচ্চারণের সময় শব্দের ভেতর থেকে 'র' হারিয়ে যাওয়াই হলো র-কারের বিলোপ।</p>
৩৭৮

বলিব > বইলব > বলব -কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানের 'ই' বা 'উ' কার আগে চলে আসে (অপিনিহিতি), এবং তার প্রভাবে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে, তখন তাকে অভিশ্রুতি বলে।</li>
<li>এখানে 'বলিব' শব্দ থেকে 'বইলব' হয়েছে অপিনিহিতির কারণে। এরপর 'বইলব' থেকে 'বলব' হওয়ার সময় মাঝখানের 'ই' কারটি লুপ্ত হয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে শব্দটিকে সংকুচিত করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ উচ্চারণের সময় দ্রুত বা সংকুচিত হয়ে যায়, তখন সেটিই অভিশ্রুতি।</li>
</ul>
৩৭৯

শরীর > শরীল কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দে একই ধ্বনি পরপর দুবার থাকে, তখন সেই ধ্বনিগুলোর একটি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপ নেয়।</li>
<li>এখানে 'শরীর' শব্দটিতে দুটি 'র' ধ্বনি পাশাপাশি আছে। উচ্চারণের সুবিধার জন্য একটি 'র' পরিবর্তিত হয়ে 'ল' হয়ে গেছে, ফলে শব্দটি হয়েছে 'শরীল'।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন ঘটিয়ে ভিন্ন বর্ণে রূপান্তর হওয়ার এই প্রক্রিয়াটিই হলো <strong>বিষমীভবন</strong>।</li>
</ul>
৩৮০

স্পর্ধা > আস্পর্ধা কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরাগম
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে নতুন কোনো স্বরধ্বনির আগমন ঘটা।</li>
<li>মূল শব্দ 'স্পর্ধা'-এর শুরুতে একটি অতিরিক্ত 'আ' ধ্বনি যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে 'আস্পর্ধা'।</li>
<li>যেহেতু উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের শুরুতে একটি স্বরধ্বনি বাড়তি যোগ হয়েছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে বলা হয় <strong>আদি স্বরাগম</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়া মানেই হলো স্বরাগম।</p>
৩৮১

টপ টপ > টপাটপ কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে বা একই রকম হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন বলে।</li>
<li>এখানে 'টপ' ও 'টপ' শব্দ দুটি মিলে যখন 'টপাটপ' তৈরি হচ্ছে, তখন মাঝখানের ধ্বনিগুলোর প্রভাবে উচ্চারণে এক ধরনের মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি আলাদা ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে বদলে গিয়ে একই রূপ ধারণ করে, তখনই আমরা তাকে সমীভবন বলি।</li>
</ul>
৩৮২

তর্ক > তক্ক কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
র-কারের লোপ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>র-কারের লোপ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>শব্দটি লক্ষ্য করলে দেখবেন, মূল শব্দ 'তর্ক'-এ একটি 'র' (রেফ) আছে।</li>
<li>পরবর্তী রূপ 'তক্ক'-তে সেই 'র' বা রেফটি আর নেই।</li>
<li>যখন কোনো শব্দ থেকে 'র' বা রেফ হারিয়ে যায় এবং তার পরিবর্তে পরের ব্যঞ্জনবর্ণটি দ্বিত্ব বা দুইবার উচ্চারিত হয়, তখন তাকে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>র-কারের লোপ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'তর্ক' থেকে 'তক্ক' হওয়ার সময় 'র' লোপ পেয়ে পরের 'ক' বর্ণটি দুইবার উচ্চারিত হচ্ছে, তাই এটি র-কারের লোপের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
৩৮৩

শ্লোক > শোলক কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরভক্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরভক্তি</strong> বা বিপ্রকর্ষের মূল কাজ হলো যুক্তব্যঞ্জনকে ভেঙে মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি নিয়ে আসা।</li>
<li>শব্দটিতে লক্ষ্য করুন, 'শ্লোক' শব্দে 'শ্ল' একটি যুক্তবর্ণ। উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা যখন একে ভেঙে 'শোলক' বলছি, তখন 'শ' ও 'ল'-এর মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'ও' কার বা স্বরধ্বনি চলে আসছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যুক্তবর্ণের মাঝখানে স্বরধ্বনি ঢুকিয়ে উচ্চারণ সহজ করার এই প্রক্রিয়াটিই হলো স্বরভক্তি।</li>
</ul>
৩৮৪

হুক্কা > হুকো কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসঙ্গতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>স্বরসঙ্গতি মানে হলো একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন হওয়া।</li>
<li>এখানে 'হুক্কা' শব্দটির শেষ স্বর 'আ' পরিবর্তিত হয়ে 'ও' হয়েছে, কারণ আগের স্বর 'উ'-এর প্রভাবে শব্দটি উচ্চারণের সময় সহজ হয়ে গেছে।</li>
<li>যখন শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বর পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন তাকে আমরা স্বরসঙ্গতি বলি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের স্বরগুলো যখন একে অপরের প্রভাবে বদলে গিয়ে উচ্চারণে সামঞ্জস্য তৈরি করে, সেটাই স্বরসঙ্গতি।</p>
৩৮৫

কোনগুলো আদি স্বরাগমের উদাহারণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী > ইস্ত্রী, স্কুল > ইস্কুল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ত্রী > ইস্ত্রী, স্কুল > ইস্কুল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনি বা 'ই' বা 'উ' কারের আগমন।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা অনেক সময় শব্দের শুরুতে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি যোগ করে ফেলি।</li>
<li>যেমন, 'স্ত্রী' শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে শুরুতে একটি 'ই' যোগ হয়ে সেটি হয়ে যায় 'ইস্ত্রী'। একইভাবে 'স্কুল' হয়ে যায় 'ইস্কুল'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে নতুন রূপ তৈরি হওয়াই হলো আদি স্বরাগম।</p>
৩৮৬

ক্লেশ > কিলেশ, প্রীতি > পিরিতি, গ্লাস > গেলাস এগুলো কিসের উদাহারণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্বরাগমের
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যস্বরাগমের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য বাড়তি একটি স্বরধ্বনি চলে আসে, তাকেই বলা হয় <strong>মধ্যস্বরাগম</strong>।</li>
<li>উদাহরণগুলো খেয়াল করো:
<ul>
<li>ক্লেশ (একাক্ষর) থেকে কিলেশ (দ্ব্যক্ষর)</li>
<li>প্রীতি থেকে পিরিতি</li>
<li>গ্লাস থেকে গেলাস</li>
</ul>
</li>
<li>এখানে মূল শব্দের মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'ই' বা 'এ' ধ্বনি ঢুকে পড়েছে। যেহেতু এই বাড়তি স্বরধ্বনিটি শব্দের মাঝখানে যুক্ত হয়েছে, তাই এটি মধ্যস্বরাগমের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৮৭

কোনগুলো চলিত বাংলায় স্বরসঙ্গতি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গিলা > গেলা, মিঠা > মিঠে
ব্যাখ্যা:
<p>চলিত বাংলায় স্বরসঙ্গতি বলতে বোঝায় শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন হওয়া। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গিলা > গেলা</strong> এবং <strong>মিঠা > মিঠে</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>

<ul>
<li><strong>গিলা > গেলা:</strong> এখানে 'ই' কারের প্রভাবে পরের 'আ' কার পরিবর্তিত হয়ে 'এ' কারে রূপ নিয়েছে।</li>
<li><strong>মিঠা > মিঠে:</strong> একইভাবে 'ই' কারের প্রভাবে 'আ' কার পরিবর্তিত হয়ে 'এ' কারে পরিণত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, যখন শব্দের ভেতরের একটি স্বরধ্বনি অন্যটির প্রভাবে বদলে গিয়ে উচ্চারণে সহজ ও সাবলীল হয়ে ওঠে, তখনই তাকে আমরা স্বরসঙ্গতি বলি।</p>
৩৮৮

কোন কোন সময় উচ্চারণের সুবিধাত্রে শব্দান্তে স্বরধ্বনি, তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্তস্বরাগম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তস্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, চলো দেখে নিই কেন:</p>

<ul>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য যখন কোনো শব্দের শেষে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি আসে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অন্তস্বরাগম</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শেষে যখন কোনো নতুন স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে উচ্চারণকে সহজ করে তোলে, তখনই এই প্রক্রিয়াটি ঘটে।</li>
<li>যেমন: 'বেঞ্চ' শব্দটিকে উচ্চারণের সুবিধার্থে অনেকে 'বেঞ্চি' বলে থাকেন। এখানে মূল শব্দের শেষে একটি 'ই' কার যুক্ত হয়েছে, যা অন্তস্বরাগমের একটি দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন ঘটলেই সেটি <strong>অন্তস্বরাগম</strong>।</p>
৩৮৯

কোনটি অন্তস্বরাগমের উদাহারণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেঞ্চি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেঞ্চি</strong>। কারণটা খুব সহজ, শব্দের শুরুতে বা মাঝে যখন বাড়তি কোনো স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে উচ্চারণ সহজ করা হয়, তাকেই অন্তস্বরাগম বলে।</p>

<ul>
<li>মূল ইংরেজি শব্দ ছিল <strong>Bench</strong> (বেঞ্চ)।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার্থে আমরা শেষে একটি অতিরিক্ত <strong>'ই'</strong> কার যোগ করে একে <strong>'বেঞ্চি'</strong> বানিয়ে ফেলেছি।</li>
<li>শব্দের শেষে স্বরধ্বনি আসার কারণেই এটি অন্তস্বরাগমের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৯০

ব্যঞ্জন বিকৃতির উদাহারণ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কবাট > কপাট
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবাট > কপাট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>ব্যঞ্জন বিকৃতি</strong> বলতে বোঝায় শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ পরিবর্তিত হয়ে অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের রূপ নিলে।</li>
<li>এখানে 'কবাট' শব্দটির 'ব' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে 'প' ধ্বনিতে পরিণত হয়েছে (কবাট > কপাট)।</li>
<li>যেহেতু একটি ব্যঞ্জনবর্ণ বদলে অন্য একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এসেছে, তাই এটি ব্যঞ্জন বিকৃতির একটি নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে নতুন রূপ পায়, তখনই তাকে আমরা ব্যঞ্জন বিকৃতি বলি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...