<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' ধ্বনি আগে উচ্চারিত হয়, তাকে আমরা বলি অপিনিহিতি।</li>
<li>আর যখন সেই অপিনিহিতির ফলে সৃষ্ট ধ্বনিগুলো পরবর্তী স্বরধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>অভিশ্রুতি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, অপিনিহিতি যখন আরও পরিপক্ক বা পরিবর্তিত হয়ে উচ্চারণে সহজ হয়ে আসে, সেটাই অভিশ্রুতি।</li>
</ul>
<p>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'করিয়া' শব্দটিতে অপিনিহিতি ঘটলে হয় 'কইরা', আর এই 'কইরা' যখন পরিবর্তিত হয়ে 'করে' রূপ নেয়, তখন সেই প্রক্রিয়াটিই হলো অভিশ্রুতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করতে > কত্তে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের মাঝখানে থাকা <strong>'র'</strong>-কার যখন উচ্চারণের সুবিধার্থে বা দ্রুত বলার সময় লোপ পায়, তখন তাকে র-কারের বিলোপ বলা হয়।</li>
<li>এখানে <strong>'করতে'</strong> শব্দটিতে 'র' বর্ণটি স্পষ্ট আছে, কিন্তু কথ্য ভাষায় দ্রুত বলার সময় এটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>'কত্তে'</strong> রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে 'র' বর্ণটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে পরের ব্যঞ্জনবর্ণটি দ্বিত্ব বা ডাবল হয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উচ্চারণের সময় শব্দের ভেতর থেকে 'র' হারিয়ে যাওয়াই হলো র-কারের বিলোপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানের 'ই' বা 'উ' কার আগে চলে আসে (অপিনিহিতি), এবং তার প্রভাবে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে, তখন তাকে অভিশ্রুতি বলে।</li>
<li>এখানে 'বলিব' শব্দ থেকে 'বইলব' হয়েছে অপিনিহিতির কারণে। এরপর 'বইলব' থেকে 'বলব' হওয়ার সময় মাঝখানের 'ই' কারটি লুপ্ত হয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে শব্দটিকে সংকুচিত করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ উচ্চারণের সময় দ্রুত বা সংকুচিত হয়ে যায়, তখন সেটিই অভিশ্রুতি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দে একই ধ্বনি পরপর দুবার থাকে, তখন সেই ধ্বনিগুলোর একটি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপ নেয়।</li>
<li>এখানে 'শরীর' শব্দটিতে দুটি 'র' ধ্বনি পাশাপাশি আছে। উচ্চারণের সুবিধার জন্য একটি 'র' পরিবর্তিত হয়ে 'ল' হয়ে গেছে, ফলে শব্দটি হয়েছে 'শরীল'।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন ঘটিয়ে ভিন্ন বর্ণে রূপান্তর হওয়ার এই প্রক্রিয়াটিই হলো <strong>বিষমীভবন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে নতুন কোনো স্বরধ্বনির আগমন ঘটা।</li>
<li>মূল শব্দ 'স্পর্ধা'-এর শুরুতে একটি অতিরিক্ত 'আ' ধ্বনি যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে 'আস্পর্ধা'।</li>
<li>যেহেতু উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের শুরুতে একটি স্বরধ্বনি বাড়তি যোগ হয়েছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে বলা হয় <strong>আদি স্বরাগম</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়া মানেই হলো স্বরাগম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে বা একই রকম হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন বলে।</li>
<li>এখানে 'টপ' ও 'টপ' শব্দ দুটি মিলে যখন 'টপাটপ' তৈরি হচ্ছে, তখন মাঝখানের ধ্বনিগুলোর প্রভাবে উচ্চারণে এক ধরনের মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি আলাদা ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে বদলে গিয়ে একই রূপ ধারণ করে, তখনই আমরা তাকে সমীভবন বলি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>র-কারের লোপ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>শব্দটি লক্ষ্য করলে দেখবেন, মূল শব্দ 'তর্ক'-এ একটি 'র' (রেফ) আছে।</li>
<li>পরবর্তী রূপ 'তক্ক'-তে সেই 'র' বা রেফটি আর নেই।</li>
<li>যখন কোনো শব্দ থেকে 'র' বা রেফ হারিয়ে যায় এবং তার পরিবর্তে পরের ব্যঞ্জনবর্ণটি দ্বিত্ব বা দুইবার উচ্চারিত হয়, তখন তাকে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>র-কারের লোপ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'তর্ক' থেকে 'তক্ক' হওয়ার সময় 'র' লোপ পেয়ে পরের 'ক' বর্ণটি দুইবার উচ্চারিত হচ্ছে, তাই এটি র-কারের লোপের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরভক্তি</strong> বা বিপ্রকর্ষের মূল কাজ হলো যুক্তব্যঞ্জনকে ভেঙে মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি নিয়ে আসা।</li>
<li>শব্দটিতে লক্ষ্য করুন, 'শ্লোক' শব্দে 'শ্ল' একটি যুক্তবর্ণ। উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা যখন একে ভেঙে 'শোলক' বলছি, তখন 'শ' ও 'ল'-এর মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'ও' কার বা স্বরধ্বনি চলে আসছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যুক্তবর্ণের মাঝখানে স্বরধ্বনি ঢুকিয়ে উচ্চারণ সহজ করার এই প্রক্রিয়াটিই হলো স্বরভক্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসঙ্গতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>স্বরসঙ্গতি মানে হলো একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন হওয়া।</li>
<li>এখানে 'হুক্কা' শব্দটির শেষ স্বর 'আ' পরিবর্তিত হয়ে 'ও' হয়েছে, কারণ আগের স্বর 'উ'-এর প্রভাবে শব্দটি উচ্চারণের সময় সহজ হয়ে গেছে।</li>
<li>যখন শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বর পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন তাকে আমরা স্বরসঙ্গতি বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের স্বরগুলো যখন একে অপরের প্রভাবে বদলে গিয়ে উচ্চারণে সামঞ্জস্য তৈরি করে, সেটাই স্বরসঙ্গতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ত্রী > ইস্ত্রী, স্কুল > ইস্কুল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনি বা 'ই' বা 'উ' কারের আগমন।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা অনেক সময় শব্দের শুরুতে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি যোগ করে ফেলি।</li>
<li>যেমন, 'স্ত্রী' শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে শুরুতে একটি 'ই' যোগ হয়ে সেটি হয়ে যায় 'ইস্ত্রী'। একইভাবে 'স্কুল' হয়ে যায় 'ইস্কুল'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে নতুন রূপ তৈরি হওয়াই হলো আদি স্বরাগম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যস্বরাগমের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখানে উচ্চারণের সুবিধার জন্য বাড়তি একটি স্বরধ্বনি চলে আসে, তাকেই বলা হয় <strong>মধ্যস্বরাগম</strong>।</li>
<li>উদাহরণগুলো খেয়াল করো:
<ul>
<li>ক্লেশ (একাক্ষর) থেকে কিলেশ (দ্ব্যক্ষর)</li>
<li>প্রীতি থেকে পিরিতি</li>
<li>গ্লাস থেকে গেলাস</li>
</ul>
</li>
<li>এখানে মূল শব্দের মাঝখানে একটি অতিরিক্ত 'ই' বা 'এ' ধ্বনি ঢুকে পড়েছে। যেহেতু এই বাড়তি স্বরধ্বনিটি শব্দের মাঝখানে যুক্ত হয়েছে, তাই এটি মধ্যস্বরাগমের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>চলিত বাংলায় স্বরসঙ্গতি বলতে বোঝায় শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন হওয়া। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গিলা > গেলা</strong> এবং <strong>মিঠা > মিঠে</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তস্বরাগম</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, চলো দেখে নিই কেন:</p>
<ul>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য যখন কোনো শব্দের শেষে বাড়তি একটি স্বরধ্বনি আসে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অন্তস্বরাগম</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শেষে যখন কোনো নতুন স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে উচ্চারণকে সহজ করে তোলে, তখনই এই প্রক্রিয়াটি ঘটে।</li>
<li>যেমন: 'বেঞ্চ' শব্দটিকে উচ্চারণের সুবিধার্থে অনেকে 'বেঞ্চি' বলে থাকেন। এখানে মূল শব্দের শেষে একটি 'ই' কার যুক্ত হয়েছে, যা অন্তস্বরাগমের একটি দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন ঘটলেই সেটি <strong>অন্তস্বরাগম</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেঞ্চি</strong>। কারণটা খুব সহজ, শব্দের শুরুতে বা মাঝে যখন বাড়তি কোনো স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে উচ্চারণ সহজ করা হয়, তাকেই অন্তস্বরাগম বলে।</p>
<ul>
<li>মূল ইংরেজি শব্দ ছিল <strong>Bench</strong> (বেঞ্চ)।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার্থে আমরা শেষে একটি অতিরিক্ত <strong>'ই'</strong> কার যোগ করে একে <strong>'বেঞ্চি'</strong> বানিয়ে ফেলেছি।</li>
<li>শব্দের শেষে স্বরধ্বনি আসার কারণেই এটি অন্তস্বরাগমের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবাট > কপাট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যঞ্জন বিকৃতি</strong> বলতে বোঝায় শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ পরিবর্তিত হয়ে অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের রূপ নিলে।</li>
<li>এখানে 'কবাট' শব্দটির 'ব' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে 'প' ধ্বনিতে পরিণত হয়েছে (কবাট > কপাট)।</li>
<li>যেহেতু একটি ব্যঞ্জনবর্ণ বদলে অন্য একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এসেছে, তাই এটি ব্যঞ্জন বিকৃতির একটি নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে নতুন রূপ পায়, তখনই তাকে আমরা ব্যঞ্জন বিকৃতি বলি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।