<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু সাজা</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় 'হাত ধুয়ে বসা' একটি খুব পরিচিত প্রবাদ বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হাত ধোয়া হলেও, রূপক অর্থে এটি দিয়ে বোঝানো হয় বাহ্যিক পবিত্রতা বা ধার্মিকতার ভান করা, অর্থাৎ ভেতরে যেমনই হোক বাইরে একদম <strong>সাধু সাজা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিচিত্র</strong>।</p>
<p>ইংরেজি শব্দ <strong>Blue print</strong>-এর সঠিক পারিভাষিক বা বাংলা রূপ হলো 'প্রতিচিত্র' বা নকশা, যা সাধারণত কোনো পরিকল্পনা বা ভবনের রূপরেখা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশান্তর</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যে সমাসে সমাসমান পদগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ না বুঝে অন্য একটি নতুন বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায় এবং এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না (বা অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করতে হয়), তাকে <strong>নিত্য সমাস</strong> বলে।</p>
<ul>
<li>'দেশান্তর' শব্দটির অর্থ হলো 'অন্য দেশ'।</li>
<li>এটি ব্যাসবাক্য ছাড়াই কেবল 'অন্য' বা বিশেষ অর্থে নিত্যকাল ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—পঞ্চনদ (দ্বিগু), বেয়াদব (বহুব্রীহি) এবং ভালোমন্দ (দ্বন্দ্ব সমাস) এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুসংস্কারাচ্ছন্ন</strong>।</p>
<p>ইংরেজি 'Superstition' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। আর এর আদলে গঠিত 'Superstitions' (কুসংস্কারাচ্ছন্ন) শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা সমাজকে অবৈজ্ঞানিক ও অন্ধ বিশ্বাসের বশবর্তী অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে মানানসই অর্থ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২</strong>।</p>
<p>বাংলা নিয়মানুযায়ী, তারিখ লেখার সময় বারের নাম বা মাসের নামের পর কমা (,) বসাতে হয়, যেমন: '২৬ মার্চ, ১৯৯১'। কিন্তু সালের আগের অংশে কমা ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। তাই '২১ ফেব্রুয়ারি' এর পর কোনো কমা হবে না। সঠিক নিয়মটি হলো: 'ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রদ্ধাস্পদাসু</strong>। চিঠি বা পত্রালাপের ক্ষেত্রে প্রাপক যদি নারী হন এবং তিনি বয়সে বা মর্যাদায় বড় বা শ্রদ্ধেয় হন, তবে তাঁর নামের সাথে উপযুক্ত সম্বোধন হিসেবে <strong>'শ্রদ্ধাস্পদাসু'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি নারীবাচক সম্বোধন পদ, যা শ্রদ্ধেয়া নারীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে চিঠিপত্রে নিয়ম করে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পোর্তুগিজ</strong>। কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বেশ কিছু বিদেশি শব্দ পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এর মধ্যে 'পেয়ারা' একটি অন্যতম পরিচিত শব্দ। এছাড়া আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা—এসব শব্দও পর্তুগিজ ভাষা থেকেই আমাদের ভাষায় যুক্ত হয়েছে।</p>
৪৩৮৯
বাংলা ব্যাকরণ কোন পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উভয় লিঙ্গ</strong>। কারণ 'আমি' সর্বনাম পদটি বক্তাকে নির্দেশ করে, যা নারী বা পুরুষ উভয় পক্ষ থেকেই ব্যবহৃত হতে পারে। অর্থাৎ, একজন ছেলে বা মেয়ে উভয়েই নিজেদের বোঝাতে 'আমি' শব্দটি ব্যবহার করেন, তাই এটি উভয় লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ধিষ্ণু</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'ক্ষীয়মাণ' মানে হলো যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বা ক্ষয় পাচ্ছে। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো <strong>'বর্ধিষ্ণু'</strong>, যার অর্থ যা দিনে দিনে বাড়ছে বা বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৈয়াকরণ</strong>।</p>
<p>পাণিণি ছিলেন প্রাচীন ভারতের একজন বিশ্ববিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ। তিনি সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণকে নিয়মবদ্ধ করার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তাঁর লেখা বিখ্যাত ব্যাকরণগ্রন্থ <strong>'অষ্টাধ্যায়ী'</strong> প্রাচীন linguistic বা ভাষা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে আজও সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১২ টি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদ চিহ্নের প্রবর্তন করেন। বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং বিরতি বোঝাতে এগুলো ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>কমা (,)</li>
<li>সেমিকোলন (;)</li>
<li>দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।)</li>
<li>প্রশ্নচিহ্ন (?)</li>
<li>বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!)</li>
<li>কোলন (:)</li>
<li>ড্যাশ (—)</li>
<li>হাইফেন (-)</li>
<li>সেমিকোলন ও কোলন মিলিয়ে আরও বিভিন্ন চিহ্নসহ মোট ১২ টি যতি চিহ্ন রয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: √মুচ + ক্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘মুক্ত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘মুচ’ ধাতুর সঙ্গে ‘ক্ত’ প্রত্যয় যোগে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘চ’ স্থানে ‘ক’ এবং ‘ত’ এর প্রভাবে এই পরিবর্তন সাধিত হয়। তাই কৃৎপ্রত্যয় সাধিত এই শব্দটির সঠিক বিশ্লেষণ হলো:</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সন্ধি</strong> মানেই হলো মিলন। ব্যাকরণের ভাষায়, পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।</li>
<li>যেমন: হিম + আলয় = হিমালয় (এখানে অ এবং আ মিলে 'আ' কার হয়েছে)।</li>
<li>সহজ কথায়, দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য পাশাপাশি দুটি ধ্বনি একত্রিত হয়ে যাওয়ার নামই হলো সন্ধি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।