<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'জুতো' শব্দটি হলো কথ্য বা চলিত রীতির শব্দ। এর সাধু রূপটি হলো 'জুতী' বা 'উপানহ', যা আমরা সাধারণ কথাবার্তায় ব্যবহার করি না বললেই চলে। দৈনন্দিন ব্যবহারে সহজ ও সাবলীল হওয়ায় 'জুতো' শব্দটি চলিত রীতির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের সময় জিবের ডগা উপরের সারির দাঁতের অগ্রভাগ বা গোড়াকে স্পর্শ করে যে ধ্বনিগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়।</p>
<ul>
<li>'ত' বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ত, থ, দ, ধ, ন) মূলত দন্ত্য ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।</li>
<li>সহজে মনে রাখার উপায়: মুখের ভেতর জিভ দাঁতে লেগে যে ধ্বনি তৈরি করে, সেটাই দন্ত্য ধ্বনি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>।</p>
<p>খুব সহজ করে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন, বাংলা লিরিক বা গীতিকবিতার ক্ষেত্রে বিহারীলাল চক্রবর্তীর অবদান সবচেয়ে বেশি। রোমান্টিক ভাবধারার প্রবর্তন ও গীতি কবিতার ভূবনে ভোরের সূচনার মতো তার আগমন ঘটেছিল বলেই তাকে বাংলা সাহিত্যের <strong>'ভোরের পাখি'</strong> বলা হয়। রবীন্দ্রপূর্ব যুগে তিনিই প্রথম বাংলা কবিতায় স্বকীয়তার ছাপ রেখেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুরঙ্গ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>তুরঙ্গ</strong> শব্দের অর্থ হলো ঘোড়া বা অশ্ব।</li>
<li>অন্যদিকে, ভূজঙ্গ মানে সাপ, কুরঙ্গ মানে হরিণ এবং বিহঙ্গ মানে পাখি।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করতে কেবল ঘোড়ার প্রচলিত সমার্থক শব্দগুলো মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজীমিয়া</strong>।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেন তার বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন লেখালেখির জন্য <strong>গাজীমিয়া</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। এই ছদ্মনামে তিনি সে and যুগের সমাজের নানা অসংগতি খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ো ধরনের চুরি</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় কিছু বাগধারা তাদের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং চমৎকার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশ করে। ‘পুকুর চুরি’ বলতে কোনো সাধারণ চুরি বা পকেটমারিকে বোঝায় না; বরং এটি দিয়ে কোনো বিশাল বা বড়ো আকারের দুর্নীতি, আত্মসাৎ কিংবা বড়ো ধরনের চুরিকেই বোঝানো হয়ে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংলাপে</strong>।</p>
<p>কারন নাটক বা গল্পের চরিত্রগুলোর কথোপকথন বা সংলাপ লেখার সময় বক্তার ঠিক আগের বা মুখের কথাটি নিখুঁতভাবে তুলে ধরতে উদ্ধৃতি চিহ্ন (" ") ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি কারো বক্তব্য প্রকাশ করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগধারা</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>শব্দ বা শব্দসমষ্টি যখন সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুন্দর ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে <strong>বাগধারা</strong> বলে।</li>
<li>'ইঁদুর কপালে' কথাটির সাধারণ অর্থ ইঁদুরের মতো কপাল না হলেও, এর বিশেষ অর্থ হলো 'মন্দভাগ্য' বা 'অভাগ্য'।</li>
<li>তাই এটি একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অবিনশ্বর</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, যার স্বভাব নষ্ট হয় না বা যা কখনো নষ্ট বা ধ্বংস হয় না, তাকে এক কথায় <strong>অবিনশ্বর</strong> বলা হয়। 'নশ্বর' অর্থ যা ধ্বংসশীল, আর 'অবিনশ্বর' তার ঠিক বিপরীত অর্থাৎ যা অবিনাশী বা নষ্ট হয় না।</p>
৪৩৬২
দোষী ছাত্রটিকে জরিমানা করা হয়েছে।- এখানে ‘ছাত্রটিকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মকারকে দ্বিতীয়া</strong>।</p>
<p>বাক্যটি ভালো করে লক্ষ করলে দেখবে, কাকে জরিমানা করা হয়েছে? উত্তর আসে ‘ছাত্রটিকে’।</p>
<ul>
<li><strong>কর্মকারক চেনার সহজ উপায়:</strong> বাক্যের ক্রিয়াকে ‘কাকে’ বা ‘কী’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই কর্মকারক। এখানে ‘ছাত্রটিকে’ হলো কর্মপদ।</li>
<div>
<li><strong>বিভক্তি চেনার উপায়:</strong> ‘ছাত্রটিকে’ শব্দের শেষে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, যা দ্বিতীয়া বিভক্তির রূপ। তাই এটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>। সমাস নির্ণয়ের শর্টকাট কৌশল হলো শব্দের বিভক্তি বা সম্পর্ক খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>‘ধানের ক্ষেত’ কথাটিকে ভেঙে আমরা পাই — ধানের ক্ষেত (ধানের ক্ষেতের সাথে সম্পর্কিত)।</li>
<li>এখানে প্রথম পদে ‘এর’ (ষষ্ঠী বিভক্তি) লুকিয়ে আছে।</li>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পায়, তাকে <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হর্ষ</strong>।</p>
<p>‘শোক’ শব্দটির অর্থ হলো গভীর দুঃখ, বেদনা বা বিলাপ। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে <strong>‘হর্ষ’</strong> শব্দটি, যার অর্থ আনন্দ, খুশি বা উল্লাস। তাই শোকের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে হর্ষ-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জন সন্ধি</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>সন্ধি বিচ্ছেদ করলে দেখা যায়, এখানে প্রথম শব্দটির শেষে খণ্ড-ত ($ৎ$) রয়েছে এবং পরের শব্দের শুরুতে ব্লো-অক্ষর বা তালব্য-শ ($শ$) আছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ মিলে যে সন্ধি হয়, তাকেই ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।</li>
<li>এখানে 'উৎ' (ব্যঞ্জনান্ত শব্দ) এবং 'শ্বাস'-এর মিলনে 'ৎ' বদলে 'চ' এবং 'শ' বদলে 'ছ' হয়ে **উচ্ছ্বাস** তৈরি হয়েছে, যা ব্যঞ্জন সন্ধির স্পষ্ট নিয়ম।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।