<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১ বলার দ্বিগুণ সময়</strong>। বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে বাক্যকে সঠিকভাবে পড়ার জন্য।</p>
<ul>
<li>কমা ( , ) ব্যবহার করলে থামতে হয় এক বলার সময় বা খুব অল্প সময়।</li>
<li>আর সেমিকোলন ( ; ) হলো কমার চেয়ে একটু বেশি বিরতির জায়গা, তাই এটি ব্যবহারের সময় <strong>১ বলার দ্বিগুণ সময়</strong> বা কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগরূঢ়</strong> শব্দ।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো— যে সমস্ত শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে তার সাধারণ অর্থের পরিবর্তে একটি বিশেষ বা আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন— 'সুহৃদ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'সুহৃদয় যার'। এর সাধারণ অর্থ ভালো হৃদয় হলেও, এটি বিশেষ অর্থে <strong>'বন্ধু'</strong> বোঝায়। তাই এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক বাক্য</strong>।</p>
<p>বাক্যটি চেনার উপায় খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাক্যের মাঝে <strong>'কিন্তু'</strong> অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যে বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ’তিনি সৎ’ এবং ’তিনি কৃপণ’—এই দুটি স্বাধীন বাক্যকে 'কিন্তু' দিয়ে এক করা হয়েছে, তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাশচারী</strong>।</p>
<p>শব্দটির বিশ্লেষণ করলে এর অর্থ খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'খে' শব্দের অর্থ হলো আকাশ।</li>
<li>'চর' শব্দের অর্থ হলো যে চরে বা বিচরণ করে।</li>
</ul>
<p>তাই যে প্রাণী বা বস্তু আকাশে বিচরণ করে, তাকে এক কথায় <strong>‘খেচর’</strong> বলা হয়। যেমন—পাখি হলো খেচর প্রাণী।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সতীন</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না। এগুলোকে নিত্য নারীবাচক শব্দ বলা হয়। 'সতীন' তেমনই একটি শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। অন্যদিকে, শিক্ষিকা বা ধাত্রীর পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>।</p>
<p>‘ফুড কনফারেন্স’ হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ব্যঙ্গসাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদের একটি অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক গল্প। আমাদের সমাজব্যবস্থা ও রাজনীতির নানা অসঙ্গতি নিয়ে লেখা এই ব্যঙ্গরচনাটি পাঠকদের মাঝে দারুণভাবে সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রিকা</strong>। কারণ 'কালি ও কলম' হলো বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকা, যা লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করতে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে প্রত্যয় মূলত দুই প্রকার। যথা:</p>
<ul>
<li><strong>কৃত প্রত্যয়:</strong> ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।</li>
<li><strong>তদ্ধিত প্রত্যয়:</strong> নামবাচক শব্দের (প্রাতিপদিক) সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই এই দুই ভাগে ভাগ করে প্রত্যয় মনে রাখা যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছোটোগল্প</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে অন্যান্য শাখা যেমন—মহাকাব্য, নাটক বা উপন্যাস অনেক প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যে <strong>ছোটোগল্প</strong>-এর সার্থক বিকাশ ঘটে, যা আধুনিক যুগের সবথেকে নবীন এবং গতিশীল সংযোজন। তাই এটিকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাপকের ঠিকানা</strong>। চিঠি বা যেকোনো আনুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণের সময় খামের ওপর বা চিঠির মূল অংশে যার কাছে চিঠিটি পাঠানো হচ্ছে, তার নাম ও ঠিকানা পরিষ্কারভাবে লেখাটাই হলো শিরোনামের মূল বা প্রধান অংশ। সঠিক জায়গায় চিঠি পৌঁছানোর জন্য এটি সবচেয়ে জরুরি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গিন্নী</strong>। কারণ, সংস্কৃত শব্দ যখন প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা তদ্ভব-ঘেঁষা শব্দ বলা হয়। যেমন—সংস্কৃত 'গৃহিণী' শব্দটি প্রাকৃতের হাত ধরে পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে 'গিণ्হী' এবং পরে সহজ হয়ে বাংলায় <strong>গিন্নী</strong> রূপ ধারণ করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনঃ + তাপ</strong>। কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এর পরে যদি ত, থ বা স থাকে, তবে বিসর্গটি স-এ রূপান্তরিত হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>মনঃ + তাপ = মনস্তাপ</li>
<li>বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ = বয়সজ্যেষ্ঠ</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার বুদ্ধি হলো—বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এর স্থানে একটি 'ত' বা 'স' এর ছোঁয়া পেলেই সেখানে বিসর্গটি রেখে ভেঙে দিলেই সন্ধিবিচ্ছেদ একদম সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিরশ্ছেদ</strong>। কারণ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো শিরঃ + ছেদ। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর 'চ' বা 'ছ' থাকলে বিসর্গের জায়গায় তালব্য শ (শ) হয়। তাই 'শিরঃ + ছেদ' মিলে তৈরি হয় <strong>শিরশ্ছেদ</strong>, যা বানান ও ব্যাকরণের বিচারে সম্পূর্ণ সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$\sqrt{\text{শ্রু}} + \text{অন}$</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার টেকনিক:</p>
<ul>
<li>'শ্রবণ' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো <strong>$\sqrt{\text{শ্রু}}$</strong> (যার অর্থ শোনা)।</li>
<li>এর সাথে ভাববাচে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়।</li>
<li>তাই সঠিক ভাঙানি হলো: $\sqrt{\text{শ্রু}} + \text{অন} = \text{শ্রবণ}$।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।