<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক বাক্য</strong>। কারণ, এই বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য (তার বয়স বেড়েছে এবং বুদ্ধি বাড়েনি) 'কিন্তু' অব্যয় দিয়ে একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য 'এবং', 'কিংবা', 'অথচ', 'কিন্তু', 'নতুবা' ইত্যাদি অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে, সেটাই <strong>যৌগিক বাক্য</strong>।</li>
</ul>
৪৩৩৮
জল পড়ে, পাতা নড়ে – নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কর্তায় শূন্য</strong>। কারণ বাক্যটিতে 'জল' নিজে নিজেই পড়ার কাজটি করছে।</p>
<p>সহজ ভাষায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যের মূল কাজ বা ক্রিয়া হলো 'পড়ে'।</li>
<li>'কী পড়ে?' — প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'জল'। অর্থাৎ, যে কাজটি করে সেই হলো কর্তা।</li>
<li>'জল' শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি (যেমন: এ, তে, রে) যুক্ত নেই, তাই এটি শূন্য (০) বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>সব মিলিয়ে এটি হলো <strong>কর্তায় শূন্য</strong> বিভক্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুক্ত</strong>। কথাটির মানে হলো যা মুখে বলা হয়নি বা অব্যক্ত রয়ে গেছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছু না বলে প্রকাশ করা বা যা বলা হয়নি, তাকে এক কথায় খুব সুন্দরভাবে <strong>অনুক্ত</strong> বলা হয়।</p>
৪৩৪০
‘অন্ধজনে দেহ আলো।’- বাক্যে ‘অন্ধজনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সম্পূর্ণভাবে</strong>।</p>
<p>ইংরেজি বর্ণমালার শুরু হলো <strong>'A'</strong> দিয়ে এবং শেষ হলো <strong>'Z'</strong> দিয়ে। ঠিক একইভাবে, কোনো বিষয়ের একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বা আদ্যোপান্ত বোঝাতেই মূলত <strong>'A to Z'</strong> বা আগাগোড়া ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, কোনো কিছু আংশিক নয়, বরং পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে বোঝাতেই এই প্রবাদপ্রতিম কথাটি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবের ওপর</strong>।</p>
<p>যেকোনো রচনার অনুবাদ করার সময় মূল লেখার শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে তার ভেতরের অন্তর্নিহিত ভাব বা অর্থ ফুটিয়ে তোলাটাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। মূল রচনার মেজাজ, লেখকের উদ্দেশ্য এবং ভাব ঠিক না থাকলে অনুবাদ প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তাই একটি সুন্দর ও সার্থক অনুবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে তার <strong>ভাবের ওপর</strong>।</p>
৪৩৪৩
সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বলে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগ্বিধি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তাদের সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে, সম্পূর্ণ আলাদা এবং বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>বাগ্বিধি</strong> বা বাগধারা বলা হয়। যেমন—'ডুমুরের ফুল' বললেই আমরা বুঝি দুর্লভ বস্তু, যা আভিধানিক অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপকর্ষ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'উৎকর্ষ' শব্দের অর্থ হলো ভালো অবস্থা, উন্নতি বা উৎকর্ষ সাধন। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো 'অপকর্ষ', যার অর্থ অবনতি বা খারাপ অবস্থা। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ মনে রাখার সময় শব্দের গঠন ও অর্থের মিল বুঝতে পারলে উত্তর করা একদম পানিভাত হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভূপতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, ‘জলধি’, ‘পাথার’ এবং ‘অর্ণব’—এই তিনটি শব্দই সমুদ্র বা সাগরের সমার্থক শব্দ। অন্যদিকে, <strong>‘ভূপতি’</strong> শব্দের অর্থ হলো পৃথিবীর পতি বা রাজা। তাই এটি কোনোভাবেই সাগরের সমার্থক হতে পারে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৩টি</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং বিরতি বোঝাতে মোট ১৩টি যতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় এসব যতি চিহ্নের প্রবর্তন ও সার্থক ব্যবহার করেন।</p>
<ul>
<li>কমা (,)</li>
<li>সেমিকোলন (;)</li>
<li>দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।)</li>
<li>প্রশ্নচিহ্ন (?)</li>
<li>বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!)</li>
<li>কোলন (:)</li>
<li>ড্যাশ (-)</li>
<li>হাইফেন (-)</li>
<li>ব্র্যাকেট বা বন্ধনীচিহ্ন ((), {}, [])</li>
<li>উদ্ধৃতিচিহ্ন (“ ”)</li>
<li>বিন্দু (.)</li>
<li>ব্লেক ডট বা ইলেক (')</li>
<li>ব্যাসার্থক বা বিকল্প চিহ্ন (/)</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিরাজ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দ আছে যেগুলো নিত্য-পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ। অর্থাৎ, এগুলোর কোনো আলাদা বা নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। 'কবিরাজ' তেমনি একটি বিশেষ শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয় না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মত + ঐক্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারite নিচের নিয়মটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দের মাঝে যদি 'ঐ-কার' ($\text{ঐ}$) বা 'ঔ-কার' থাকে, তবে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত প্রথম শব্দের শেষে 'অ' বা 'আ' এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে 'এ' বা 'ঐ' থাকে।</li>
<li>এই নিয়م অনুযায়ী, <strong>মত</strong> (যার শেষে 'অ' আছে) এর সাথে <strong>ঐক্য</strong> যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>মতৈক্য</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পথের রাজা</strong>। এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার নিয়ম:</p>
<ul>
<li>বড় বা প্রধান কোনো পথ বোঝাতে তৎপুরুষ সমাসে এই নিয়মটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>যেমন— সমস্তপদ <strong>‘রাজপথ’</strong>-কে ভাঙলে এর প্রধান অর্থ দাঁড়ায় মূল <strong>‘পথের রাজা’</strong>।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।