<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইসলাম খান</strong>।</p>
<p>মোগল সুবাদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত করার পর ঢাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করেন। এই সময় তার নামানুসারেই বিখ্যাত 'ধোলাইখাল' খনন করা হয়, যা তৎকালীন সময়ে ঢাকার নৌরুট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্লাটিনাম</strong>। এর কারণ হলো প্লাটিনাম পৃথিবীর অন্যতম বিরল এবং দুষ্প্রাপ্য একটি ধাতু। স্বর্ণ বা রূপার তুলনায় এর প্রাকৃতিক মজুদ প্রকৃতিতে অনেক কম এবং উত্তোলন করাও বেশ কঠিন। এছাড়া এর স্থায়িত্ব, উজ্জ্বলতা এবং শিল্প ক্ষেত্রে ব্যাপক চাহিদার কারণে বিশ্ববাজারে এর আর্থিক মূল্য সবসময় স্বর্ণের চেয়েও বেশি হয়ে থাকে।</p>
৪৬৩৮
একজন মাঝি দাঁড় বেয়ে 15 কি. মি. যেতে এবং সেখান থেকে ফিরে আসতে 4 ঘণ্টা সময় লাগে। সে স্রোতের অনুকূলে যতক্ষণে 5 কি. মি. যায়, স্রোতের প্রতিকূলে ততক্ষণে 3 কি. মি. যায়। স্রোতের বেগ কত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৈদিক ভাষা</strong>। কারণ, আমাদের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে। এই প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম রূপটিই হলো বৈদিক ভাষা, যার হাত ধরেই পরবর্তীতে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে আজকের আধুনিক বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।</p>
৪৬৪০
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম বা প্রথম নিদর্শন হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত এই কাব্যটিকেই প্রামাণ্য বলে ধরা হয়। পুঁথি আবিষ্কারের ইতিহাস এবং ভাষার প্রাচীনতার বিচারে এটিই মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সাধুরীতি</strong>।</p>
<p>এর কারণ খুব সহজ—</p>
<ul>
<li><strong>সাধুরীতি</strong> হলো বাংলা ভাষার তুলনামূলক প্রাচীন ও পরিশীলিত রূপ।</li>
<li>এই রীতিতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার অনেক বেশি থাকে এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ একটু গুরুগম্ভীর হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, চলিতরীতিতে তুলনামূলক সহজ, প্রচলিত ও তদ্ভব শব্দের প্রাধান্য দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ—বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্ক ও বীরবল ছদ্মনামের লেখক প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকা সম্পাদনা করেন। এই পত্রিকাটি বাংলা গদ্য সাহিত্যকে সাধু ভাষা থেকে মুক্ত করে চলিত ভাষায় রূপ দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল হলো— আমাদের দৈনন্দিন ধর্মীয় ও দাপ্তরিক অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ঠিক তেমনি লেখালেখির অতি পরিচিত উপকরণ <strong>‘কলম’</strong> শব্দটি আরবি ‘কলাম’ (قلم) শব্দ থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। তাই এটি একটি খাঁটি আরবি শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>।</p>
<p>আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে এমন কিছু বিদেশি শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন সময়ে বাংলায় মিশে গেছে। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা এমন একটি অতি পরিচিত শব্দ হলো <strong>পাউরুটি</strong>। তাই এই ধরনের শব্দের ক্ষেত্রে একটু মনে রাখলেই সহজে সঠিক উত্তর দাগানো সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিরোভাব</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো— 'আবির্ভাব' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া, সৃষ্টি হওয়া বা আগমন ঘটা। অন্যদিকে, এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দটি হলো 'তিরোভাব', যার অর্থ হলো মিলিয়ে যাওয়া, অদৃশ্য হওয়া বা অন্তধান হওয়া। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে তিরোভাব-ই একদম সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধাঙ্গিনী</strong>। খুব সহজ কথায়, 'জায়া' শব্দের অর্থ হলো পত্নী, স্ত্রী বা জীবনসঙ্গিনী। বাংলা ব্যাকরণে এবং অভিধানে 'জায়া' শব্দের অন্যতম প্রচলিত ও নিখুঁত সমার্থক শব্দ হলো <strong>অর্ধাঙ্গিনী</strong>। অন্যদিকে কন্যা, নন্দিনী বা ভাগনী সম্পূর্ণ আলাদা সম্পর্কের অর্থ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া একদম সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>। যখন আমরা কাউকে ডেকে কথা বলি বা কোনো কিছু সম্বোধন করি, ঠিক তার পরেই সামান্য থামা বা বিরতি বোঝাতে কমা (<strong>,</strong>) চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।</p>
<p>যেমন: "রানা, এদিকে এসো" কিংবা "ওহে ভাই, শোনো আমার কথা।"— এখানে সম্বোধন পদের পর নিয়ম অনুযায়ী কমা বসানো হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: বি+অর্থ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়মের মাধ্যমে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সন্ধি করার সময় যদি প্রথম শব্দের শেষে ই-কার ($ি$) বা ঈ-কার ($ী$) থাকে এবং পরের শব্দের শুরুতে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই-কার বা ঈ-কার বদলে জ-ফলা ($্য$) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>বি + অর্থ</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>ব্যর্থ</strong>। এখানে 'বি'-এর ই-কারটি পরবর্তীতে 'অ'-এর সাথে মিলে জ-ফলা রূপ ধারণ করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৫০ টি</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ হলো ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৩৯টি। এই ৫০টি বর্ণ মিলেই আমাদের সুন্দর বাংলা ভাষা গঠিত হয়েছে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।