<p>বটতলার পুথিঁ বলতে মূলত <strong>দোভাষী ভাষায় রচিত পুথিঁ সাহিত্যকে</strong> বোঝায়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের দিকে কলকাতার বটতলা এলাকা থেকে সস্তা ও জনপ্রিয় কিছু বই ছাপা হতো।</li>
<li>এই বইগুলোতে বাংলা, আরবি ও ফারসি শব্দের মিশ্রণে এক বিশেষ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হতো, যাকে আমরা <strong>দোভাষী বাংলা</strong> বলি।</li>
<li>সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করার জন্য এই পুথিঁগুলো সহজবোধ্য ও ছন্দময় ভাষায় লেখা হতো, যা তৎকালীন সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
<p>তাই সংক্ষেপে, বটতলার ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত দোভাষী ভাষার এই সাহিত্যই ইতিহাসে 'বটতলার পুথিঁ' নামে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার</strong>। বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৮০২ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে তিনি <strong>'বত্রিশ সিংহাসন'</strong> গ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি মূলত সংস্কৃত 'সিংহাসন দ্বাত্রিংশৎ' অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদমূলক গ্রন্থ।</li>
<li>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার তাঁর প্রাঞ্জল ও সাবলীল গদ্যরীতির জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মনে রাখলেই হবে যে, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারই ছিলেন 'বত্রিশ সিংহাসন'-এর মূল রচয়িতা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা গদ্যের বিকাশে তার অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<ul>
<li>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে <strong>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার</strong> ছিলেন অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।</li>
<li>তার লেখা <strong>'বত্রিশ সিংহাসন'</strong> বইটি ১৮০২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি মূলত সংস্কৃত 'সিংহাসন দ্বাত্রিংশৎ' গ্রন্থের অবলম্বনে রচিত একটি জনপ্রিয় আখ্যানমূলক গ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের আদি যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সাহিত্যকর্মটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বনফুল</strong>। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় লেখক, যিনি মূলত <strong>বনফুল</strong> ছদ্মনামেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের নামের প্রথম অংশ 'ব' এবং 'ল' দিয়ে শুরু, যা তাঁর ছদ্মনাম <strong>বনফুল</strong>-এর সাথে বেশ চমৎকারভাবে মিলে যায়।</li>
<li>তিনি তাঁর ছোটগল্প এবং উপন্যাসে এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করে প্রচুর কালজয়ী সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন, তাই সাহিত্যিক মহলে তাঁর এই নামটিই মূল পরিচয়ের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তত্ত্ব সাহিত্য</strong>। বাউল গানকে তত্ত্ব সাহিত্য বলার কারণ হলো এর মূল ভিত্তি বা বিষয়বস্তু। বাউলরা তাদের গানের মাধ্যমে মানুষের দেহ, মন এবং সৃষ্টিকর্তার সাথে আত্মার সম্পর্ক নিয়ে গভীর আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক তত্ত্ব প্রচার করেন।</p>
<ul>
<li>বাউল গানে সরাসরি কোনো জাগতিক বিষয় নয়, বরং <strong>'দেহতত্ত্ব'</strong> বা <strong>'ভাবতত্ত্ব'</strong> প্রাধান্য পায়।</li>
<li>এই গানে রূপক বা সাংকেতিক ভাষার আড়ালে জীবনের গভীর সত্য ও দর্শনের কথা বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু গানগুলো মূলত আধ্যাত্মিক তত্ত্ব বা দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত, তাই সাহিত্যিক বিচারে একে <strong>তত্ত্ব সাহিত্য</strong> হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>বাউল সম্রাট হিসেবে পরিচিত হলেন <strong>লালন শাহ</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>লালন শাহ ছিলেন বাংলা বাউল গানের প্রধান পুরুষ এবং আধ্যাত্মিক সাধক।</li>
<li>তিনি হাজার হাজার বাউল গান রচনা করেছেন, যা আজও আমাদের লোকসংস্কৃতির মূল ভিত্তি হিসেবে টিকে আছে।</li>
<li>তার দর্শন ও গানের গভীরতা তাকে বাউল সম্প্রদায়ের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, তাই তাকেই বাউল সম্রাট উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছিয়াত্তরের মন্বন্তর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সনের সাথে <strong>৫৯৩</strong> যোগ করলে ইংরেজি সাল পাওয়া যায়।</li>
<li>হিসাবটি হলো: $1176 + 593 = 1769$।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে ১৭৬৯-১৭৭০ সালে বাংলায় যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তা বাংলা ১১৭৬ সনে সংঘটিত হওয়ায় ইতিহাসে এটি <strong>ছিয়াত্তরের মন্বন্তর</strong> নামে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সনের শেষ দুই ডিজিট '৭৬' থেকেই এই ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষের নামকরণ করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক হিসেবে আমরা <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>-কে চিনি। এর কারণ হলো, তিনি বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ধারাকে একটি সুশৃঙ্খল ও শিল্পসম্মত রূপ দিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong> প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাসের সূচনা করেন।</li>
<li>তার লেখনীতেই বাংলা উপন্যাস কেবল গল্প বলার মাধ্যম না হয়ে চরিত্র চিত্রণ, সমাজ বিশ্লেষণ এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা পায়।</li>
<li>বাংলা গদ্যের আধুনিকায়ন এবং উপন্যাসের গঠনশৈলীকে তিনি বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাই তাকেই আধুনিক উপন্যাসের জনক বলা হয়।</li>
</ul>
৫০৯৫
বাংলা উপন্যাস সহিত্যে ‘মজিদ' চরিত্রটি কোন উপন্যাসিকের সৃষ্টি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'লালসালু'</strong>-এর প্রধান চরিত্র হলো মজিদ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু' (১৯৪৮ সালে প্রকাশিত)।</li>
<li><strong>চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:</strong> মজিদ চরিত্রটি মূলত ধর্মকে পুঁজি করে ভণ্ডামি এবং গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কারের এক অনন্য প্রতীক।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় মজিদ চরিত্রটি এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সৃষ্টি, যা আজও পাঠকদের ভাবিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মজিদ মানেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখনীতে ফুটে ওঠা এক জটিল ও প্রভাবশালী চরিত্র।</p>
<p>বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>১৯৫৫</strong> সালে। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষার মর্যাদা ও চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।</li>
<li>এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ঠিক তিন বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৯৫৫</strong> সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৫৫ খ্রিঃ</strong>।</p>
৫০৯৭
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম-
<p>বাংলা একাডেমির ‘আঞ্চলিক অভিধান’ সম্পাদনার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মূল কৃতিত্ব হলো <strong>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>-এর।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার গবেষণায় এবং অভিধান প্রণয়নে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান অতুলনীয়।</li>
<li>তিনি বাংলা ভাষার বিভিন্ন আঞ্চলিক রূপ ও উপভাষার তথ্য সংগ্রহ করে এই বিশাল কর্মযজ্ঞটি সম্পন্ন করেছিলেন।</li>
<li>তার এই অসাধারণ উদ্যোগের ফলেই বাংলা ভাষার আঞ্চলিক শব্দভাণ্ডার আজ সংরক্ষিত এবং গবেষণার উপযোগী হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</p>
<p>বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণীত হয় <strong>১৯৯২</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই নিয়মটি বাংলা ভাষার বানানকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমির বানান উপ-কমিটি দীর্ঘ গবেষণার পর ১৯৯২ সালে প্রথম এই প্রমিত নিয়মাবলী প্রকাশ করে।</li>
<li>পরবর্তীতে এই নিয়মগুলোই বাংলা ভাষার শুদ্ধ বানান চর্চায় সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি অভিন্ন রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই <strong>১৯৯২</strong> সালে এই নিয়মটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।