<p>প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>“আলালের ঘরের দুলাল”</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এর সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৫৮ সালে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ ধাপটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে <em>মাসিক পত্রিকা</em>-তে প্রকাশিত হওয়া শুরু হয়েছিল ১৮৫৪ সালে।</li>
<li>এর ঠিক চার বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৮৫৮ সালে</strong> এটি প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৮৫৪ সালে শুরু আর <strong>১৮৫৮ সালে</strong> বই হিসেবে প্রকাশ — এই সালটি মনে রাখলেই আপনার আর ভুল হবে না!</p>
<p>প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম হলো <strong>শেখ আজিজুর রহমান</strong>। তিনি মূলত তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'শওকত ওসমান' নামেই বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রকৃত নাম:</strong> শেখ আজিজুর রহমান।</li>
<li><strong>সাহিত্যিক নাম:</strong> শওকত ওসমান।</li>
</ul>
<p>তিনি ১৯১৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে স্থায়ী হন। তার এই ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যে এতটাই জনপ্রিয় যে, তার আসল নাম অনেকেরই অজানা থেকে যায়। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা বেশ জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রীতদাসের হাসি</strong>। শওকত ওসমানের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মূলত একটি প্রতীকী বা রূপকধর্মী রচনা।</p>
<p>কেন এটি প্রতীকধর্মী, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটিতে তৎকালীন আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে একজন অত্যাচারী বাদশাহর চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>এখানে 'ক্রীতদাস' এবং তার 'হাসি'র আড়ালে সাধারণ মানুষের অবদমিত ক্ষোভ ও প্রতিবাদের প্রতীকী রূপ ফুটে উঠেছে।</li>
<li>লেখক সরাসরি রাজনৈতিক সমালোচনা না করে রূপকের আশ্রয় নিয়েছেন বলেই এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতীকধর্মী উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম ‘থিসরাস’ বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলনের কৃতিত্ব হলো <strong>অশোক মুখোপাধ্যায়</strong>-এর। তিনি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও গবেষণামূলক কাজের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এই অভাবটি পূরণ করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় শব্দভাণ্ডারকে সাজিয়ে গুছিয়ে সমার্থক শব্দ হিসেবে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে <strong>অশোক মুখোপাধ্যায়</strong>-এর সংকলনটিই পথিকৃৎ।</li>
<li>তাঁর এই অসাধারণ কাজটি বাংলা অভিধানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর লেখা <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫) উপন্যাসটিই প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তাঁর হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের আধুনিক ও সার্থক রূপটি প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
</ul>
<p>বাংলা গদ্যের ইতিহাসে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-কে প্রথম প্রকৃত সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য ছিল কেবল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম, কিন্তু তিনি এতে প্রথম <strong>শৈল্পিক রূপ</strong> ও ছন্দ নিয়ে আসেন।</li>
<li>তিনি বাংলা ভাষার বাক্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও বিন্যাস ঘটিয়ে গদ্যকে পড়ার উপযোগী এবং শ্রুতিমধুর করে তোলেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong> ও <strong>'শকুন্তলা'</strong> বাংলা গদ্যের শৈল্পিক উৎকর্ষের প্রথম সার্থক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে কাঠখোট্টা রূপ থেকে বের করে সাহিত্যের মর্যাদা দেওয়ার কাজটি তিনিই প্রথম সফলভাবে করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তনে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহারের পক্ষে এটি ছিল একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক বিখ্যাত লেখা এই পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল, যা একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনন্য করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রমথ চৌধুরী ও <strong>সবুজপত্র</strong>—এই নাম দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখলেই পরীক্ষায় আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম হলো <strong>বীরবল</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি মূলত 'বীরবল' ছদ্মনামেই তার বিখ্যাত প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্মগুলো লিখে গেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে <strong>চলিত রীতির</strong> প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকার নাম ছিল <strong>'সবুজপত্র'</strong>, যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে তার তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত গদ্যশৈলী তুলে ধরেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরবল</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরী অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>'সবুজপত্র'</strong>-এ এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে তাঁর গদ্যশৈলী এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কারণে তিনি 'বীরবল' নামেই বেশি পরিচিত হয়ে ওঠেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তনে তাঁর এই ছদ্মনাম ও লেখনী এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরবল</strong>। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি মূলত তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজপত্র'-এ এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল <strong>বীরবল</strong>।</li>
<li>তাঁর এই ছদ্মনামে লেখা প্রবন্ধগুলো বাংলা সাহিত্যে 'বীরবলের হালখাতা' নামে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>সহজ কথায়, প্রমথ চৌধুরী মানেই বাংলা সাহিত্যে <strong>বীরবল</strong>, যা তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও রসবোধের পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকেই প্রথম বাঙালি মুসলমান কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি তার বিখ্যাত কাব্য <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকদের মতে, তিনিই প্রথম মুসলিম কবি যিনি বাংলা ভাষায় কাব্যচর্চা শুরু করেছিলেন।</li>
<li>তার সময়কাল ছিল আনুমানিক ১৪শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ১৫শ শতাব্দীর শুরুর দিক।</li>
</ul>
<p>তাই প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবির নাম বললে চোখ বন্ধ করে <strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>সাত সাগরের মাঝি</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মূলত ইসলামী নবজাগরণের চেতনায় সমৃদ্ধ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কবির কবিখ্যাতির প্রধান ভিত্তি।</li>
<li>এতে সমুদ্রের প্রতীকী ব্যবহার এবং মুসলিম ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের সুর ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট ও সনেটগুচ্ছের সার্থক ব্যবহারের জন্য এটি বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নামটি একদম মুখস্থ রাখা জরুরি, কারণ ফররুখ আহমদ বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>সাত সাগরের মাঝি</strong>-র নামটাই আসে।</p>
<p>ফররুখ আহমেদের কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>মুহূর্তের কবিতা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ফররুখ আহমেদের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<ul>
<li>ফররুখ আহমদ মূলত তার কাব্যশৈলী এবং ইসলামী ভাবধারার কবিতার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'সাত সাগরের মাঝি' ও 'সিরাজাম মুনীরা'।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই <strong>মুহূর্তের কবিতা</strong> নামটি মাথায় রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফররুখ আহমেদের কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন হলো এই <strong>মুহূর্তের কবিতা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০০ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি আধুনিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>লর্ড ওয়েলেসলি কলকাতায় এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।</li>
<li>প্রতিষ্ঠার সঠিক সময়কাল হলো <strong>১০ জুলাই, ১৮০০ সাল</strong>।</li>
<li>বাংলা গদ্যচর্চা এবং প্রাচ্য ভাষা শিক্ষার প্রসারে এই কলেজটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঊনবিংশ শতাব্দীর একদম শুরুতে অর্থাৎ <strong>১৮০০</strong> সালেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।</p>
<p>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল <strong>১৮০০</strong> সালে। এটি মূলত লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের ভেতরে স্থাপন করা হয়েছিল।</p>
<ul>
<li>প্রতিষ্ঠার সাল: <strong>১৮০০</strong></li>
<li>প্রতিষ্ঠাতা: লর্ড ওয়েলেসলি</li>
<li>উদ্দেশ্য: ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, ১৮০০ সালটি মনে রাখলেই হবে। এই কলেজটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে এবং পাঠ্যপুস্তক তৈরির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।