<p>বাংলা সাহিত্যের ‘যুগ সন্ধিক্ষণের’ কবি বলা হয় <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের অবসান এবং আধুনিক যুগের সূচনালগ্নে তিনি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন।</li>
<li>তার কবিতায় একদিকে যেমন মধ্যযুগের দেব-দেবী বিষয়ক আখ্যানের প্রভাব ছিল, অন্যদিকে আধুনিক যুগের নাগরিক সচেতনতা ও সমসাময়িক সমাজচিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এই দুই যুগের বৈশিষ্ট্যের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ তার লেখায় পাওয়া যায় বলেই তাকে যুগ সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিনি পুরোনো ধারার শেষ প্রতিনিধি এবং নতুন ধারার প্রথম পথপ্রদর্শক।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আদি কবি হলেন <strong>লুইপা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অধিকাংশ ভাষাবিদ ও গবেষক চর্যাপদের পদকর্তাদের তালিকার একদম শুরুতে লুইপার নাম উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>চর্যাপদের মোট ২৩ জন পদকর্তার মধ্যে লুইপা ছিলেন অন্যতম এবং তাকেই ঐতিহাসিকভাবে প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</li>
<li>তার রচিত পদগুলো চর্যাপদের তালিকার ১ নম্বর পদ হিসেবে স্থান পেয়েছে, যা তার আদি কবি হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার লেখা, তাই তাকেই বাংলা সাহিত্যের আদি কবি বলা হয়।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল</strong> পর্যন্ত সময়কালকে 'অন্ধকার যুগ' বলা হয়। এর পেছনের কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>এই দেড়শো বছর সময়ে বাংলা ভাষায় তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বা নিদর্শন পাওয়া যায়নি।</li>
<li>ঐতিহাসিকদের মতে, বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলার কারণে সাহিত্যচর্চা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।</li>
<li>ঐ সময়কার কোনো লিখিত দলিল বা পুঁথি না পাওয়ায় গবেষকরা এই সময়টাকে সাহিত্যের 'অন্ধকার যুগ' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের খরা বা শূন্যতার কারণেই এই নির্দিষ্ট সময়সীমাটি ইতিহাসে অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিত।</p>
৫২০৯
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিশিষ্ট পত্রিকা ‘কল্লোল’ কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯২৩ সালে</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘কল্লোল’ পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার নতুন ধারা তৈরি করেছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯২৩ সালের মে মাসে</strong>।</li>
<li>এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে ‘কল্লোল যুগ’ বা আধুনিক ধারার সূচনা হয়, যা তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজ ও সাহিত্যিকদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের আদি কবি হলেন <strong>লুইপা</strong>। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, আর এই চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপাকেই সর্বসম্মতভাবে আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার লেখা।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অধিকাংশ ভাষাবিদ ও গবেষক লুইপাকেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।</li>
<li>তার রচিত পদের সংখ্যা ছিল মোট ২ টি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় চোখ বন্ধ করে <strong>লুইপা</strong> দাগিয়ে দিলেই আপনার উত্তরটি একদম সঠিক হবে!</p>
চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
<p>বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা হলো <strong>ছোটগল্প</strong>। এর কারণ হলো, সাহিত্যের অন্যান্য শাখা যেমন কবিতা, নাটক বা মহাকাব্য অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ছিল, কিন্তু ছোটগল্পের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে তুলনামূলকভাবে অনেক পরে।</p>
<ul>
<li><strong>সাহিত্যের বিবর্তন:</strong> প্রাচীন ও মধ্যযুগে কবিতা বা নাটকের ব্যাপক চর্চা থাকলেও ছোটগল্পের মতো সুসংগঠিত আধুনিক রূপটি উনিশ শতকের আগে সেভাবে দেখা যায়নি।</li>
<li><strong>আধুনিকতার ছোঁয়া:</strong> ছোটগল্প মূলত আধুনিক জীবনের দ্রুততা এবং মানুষের জীবনের খণ্ডচিত্রকে ফুটিয়ে তোলার জন্য তৈরি হয়েছে, যা সাহিত্যের অন্যান্য শাখার তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক ও সমসাময়িক।</li>
<li><strong>রবীন্দ্রনাথের অবদান:</strong> বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের সার্থক ও আধুনিক রূপটি মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই পূর্ণতা পায়, যা একে সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
৫২১৩
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong>। এটি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর এই গ্রন্থটি মূলত দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে তিনি এখানে অত্যন্ত চমৎকার ও তথ্যবহুল আলোচনা করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—শহীদুল্লাহ স্যারের ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক কাজের একটি বড় পরিচয় বহন করে এই <strong>'বাংলা সাহিত্যের কথা'</strong> বইটি।</li>
</ul>
৫২১৪
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে লেখা প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটি হলো <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'</strong>। এটি রচনা করেছেন <strong>দীনেশ চন্দ্র সেন</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে দীনেশ চন্দ্র সেনের অবদান সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>১৮৯৬ সালে প্রকাশিত তার এই গ্রন্থটিই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ধারায় প্রথম মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তাই যখনই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের কথা আসবে, দীনেশ চন্দ্র সেনের নামটাই সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লাল নীল দীপাবলি</strong>। হুমায়ূন আজাদের লেখা এই চমৎকার বইটি মূলত আমাদের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি শিশুকিশোর উপযোগী গ্রন্থ।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলা সাহিত্যের বিবর্তন ও ইতিহাস।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রাচীন যুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত সাহিত্যের ধারাগুলো তুলে ধরেছেন।</li>
<li>শিশুকিশোরদের উপযোগী করে লেখা হওয়ায় এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজপাঠ্য বই হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৫২১৬
বাংলা সাহিত্যের চলিত রীতির প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে কোন পত্রিকা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও একে জনপ্রিয় করার পেছনে এই পত্রিকাটির অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রমথ চৌধুরী:</strong> ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় 'সবুজপত্র' প্রকাশিত হয়। তিনি ছিলেন বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রধান প্রবক্তা।</li>
<li><strong>ভাষার বিপ্লব:</strong> সেই সময়ে সাধু ভাষার জটিলতা কাটিয়ে সহজ ও সাবলীল চলিত ভাষাকে সাহিত্যের মূলধারায় প্রতিষ্ঠিত করতে এই পত্রিকা সাহসী ভূমিকা নেয়।</li>
<li><strong>সবুজ পত্রের প্রভাব:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে চলিত ভাষায় প্রচুর সাহিত্য রচনা করেন, যা বাংলা ভাষাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষার আধুনিক রূপায়ণে <strong>সবুজপত্র</strong> ছিল একটি মাইলফলক।</p>
৫২১৭
বাংলা সাহিত্যের ধারায় প্রথম সার্থক উপন্যাস হচ্ছে -
<p>বাংলা সাহিত্যের ধারায় প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরেই বাংলা উপন্যাসের সার্থক যাত্রা শুরু হয়। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও আধুনিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর আগে বাংলা ভাষায় গদ্যের চর্চা থাকলেও, উপন্যাসের যে সুনির্দিষ্ট কাঠামো বা গঠনশৈলী প্রয়োজন, তা প্রথম সফলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বইটিতে।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিকতা ও ঐতিহাসিক পটভূমির এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তী সময়ের লেখকদের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong> একটি নতুন যুগের সূচনা করেছিল, তাই এটিই প্রথম সার্থক উপন্যাস।</p>
৫২১৮
বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠকের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ।
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কাল বিভাজন অনুযায়ী প্রাচীন যুগ হলো <strong>৬৫০ থেকে ১২০০</strong> সাল পর্যন্ত। এই সময়কালটি মূলত চর্যাপদ রচনার সময়কাল হিসেবে পরিচিত। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সময়সীমা ধরা হয় <strong>$650$</strong> খ্রিস্টাব্দ থেকে <strong>$1200$</strong> খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।</li>
<li>এই দীর্ঘ সময়কালটি মূলত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন বা চর্যাপদের বিকাশের সময়।</li>
<li>ইতিহাসবিদদের মতে, ১২০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে তুর্কি আক্রমণের মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে এবং মধ্যযুগের সূচনা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৬৫০-১২০০</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও আধুনিক উপন্যাস হলো <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। ১৮৬৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এটি রচনা করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong> একটি মাইলফলক।</li>
<li>এর আগে বাংলা ভাষায় কোনো পূর্ণাঙ্গ আধুনিক উপন্যাসের কাঠামো দেখা যায়নি।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারা প্রবর্তন করেন, তাই একেই প্রথম আধুনিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ধারায় <strong>দীনেশচন্দ্র সেন</strong>-এর নাম সবার আগে আসে। তিনি ১৯১১ সালে <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'</strong> নামে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের গবেষণায় পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'</strong> গ্রন্থটিই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে চোখ বন্ধ করে <strong>দীনেশচন্দ্র সেন</strong>-কে বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।