<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বাংলাদেশের লোকসাহিত্য নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম। কেন তাকে লোকসাহিত্যের সংগ্রাহক বলা হয়, তা নিচের পয়েন্টগুলো থেকে সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>তিনি দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাম-বাংলার আনাচে-কানাচে ঘুরে লোকগান, ছড়া ও লোককথা সংগ্রহ করেছেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত সংকলনগ্রন্থ <strong>'হারামণি'</strong> বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।</li>
<li>লোকসংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং একে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তার অবদান অতুলনীয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকঐতিহ্যকে বইয়ের পাতায় অমর করে রাখার কারণেই তিনি লোকসাহিত্য-সংগ্রাহক হিসেবে সবার কাছে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিরীশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একজন অনন্য ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li>গিরীশচন্দ্র সেন ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তিনি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য ছিলেন এবং তাঁর এই অনুবাদটি বাংলা ভাষায় কুরআনকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় কুরআনের অনুবাদ করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যে টি. এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক হলেন <strong>বিষ্ণু দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিষ্ণু দে ছিলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরোধা এবং তিনি পাশ্চাত্য সাহিত্যের আধুনিক ধারার সাথে বাংলা কবিতার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li>টি. এস. এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' (The Waste Land)-এর ভাবধারা ও আঙ্গিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থকভাবে নিয়ে আসেন তিনি।</li>
<li>তার অনুবাদগুলো কেবল ভাষান্তর ছিল না, বরং এলিয়টের আধুনিক চেতনাকে বাংলা ভাষার ছন্দে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই আধুনিক বাংলা কবিতার প্রেক্ষাপটে এলিয়টের প্রভাব ও অনুবাদের কথা উঠলেই <strong>বিষ্ণু দে</strong>-র নাম সবার আগে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাশীরাম দাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মহাভারতের অনুবাদক হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে <strong>কাশীরাম দাস</strong> তাঁর সুললিত পয়ার ছন্দে মহাভারত অনুবাদ করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌরাণিক কাহিনীগুলো সহজবোধ্য করে তুলেছিলেন।</li>
<li>তাঁর এই অনুবাদটি আজও <strong>'কাশীদাসী মহাভারত'</strong> নামে আমাদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো খেয়াল করলে দেখবেন, কৃত্তিবাস ওঝা মূলত রামায়ণের অনুবাদের জন্য বিখ্যাত, তাই এই কনফিউশন হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
৫২৫৫
বাংলার চাষীদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার নিয়ে রচিত নাটক কোনটি?
<p>বাংলার চাষীদের ওপর ইংরেজ নীলকর সাহেবদের অমানবিক অত্যাচারের চিত্র ফুটে উঠেছে <strong>নীলদর্পণ</strong> নাটকে। এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>দীনবন্ধু মিত্র</strong>।</li>
<li>এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো নীল চাষ করতে বাধ্য করা এবং চাষীদের ওপর চালানো ইংরেজদের নির্মম নির্যাতন।</li>
<li>বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, যা তৎকালীন সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
</ul>
<p>বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার রচয়িতা হলেন <strong>কবি জসীমউদদীন</strong>। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি, যা পল্লী কবি জসীমউদদীনের অমর কীর্তি হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>কবিতাটি ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’-এর অন্তর্ভুক্ত একটি কালজয়ী কবিতা।</li>
<li>গ্রামীণ জীবনের শোক, আবেগ এবং মানবিক সম্পর্কের নিখুঁত চিত্রায়নই এই কবিতাকে বাংলা সাহিত্যে চিরস্থায়ী আসন দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায়, গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবনের কথা যিনি সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, সেই <strong>পল্লী কবি জসীমউদদীনই</strong> এই কবিতার স্রষ্টা।</p>
<p>বিজ্ঞান বিষয়ক প্রথম বাঙালি লেখক হলেন <strong>অক্ষয়কুমার দত্ত</strong>। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চাকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন বাংলায় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি খুব একটা হতো না, তখন অক্ষয়কুমার দত্ত তাঁর <strong>'পদার্থবিদ্যা'</strong> ও <strong>'বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার'</strong> বইগুলোর মাধ্যমে বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ বাংলায় তুলে ধরেন।</li>
<li>তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানকে একটি সুশৃঙ্খল রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তাই তাঁকে বাংলা বিজ্ঞান সাহিত্যের পথিকৃৎ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলার</strong>। বিদ্যাপতিকে মূলত মিথিলার কবি হিসেবেই চেনা হয়, কারণ তিনি মিথিলা অঞ্চলের রাজা শিবসিংহের রাজসভার কবি ছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতিকে বলা হয় <strong>'মৈথিল কোকিল'</strong>।</li>
<li>তার জন্মস্থান এবং কর্মজীবন—দুটোই মিথিলা কেন্দ্রিক।</li>
<li>তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদাবলি লিখে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতি মানেই মিথিলার গৌরবময় এক অধ্যায়।</p>
<p>বিদ্যাপতি মূলত <strong>মৈথিলী</strong> ভাষায় তার বিখ্যাত পদাবলি রচনা করেছিলেন। যদিও তিনি সংস্কৃত ভাষায় অনেক পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ লিখেছিলেন, কিন্তু কবি হিসেবে তিনি অমর হয়ে আছেন তার মৈথিলী ভাষার পদের জন্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতিকে বলা হয় <strong>'মৈথিল কোকিল'</strong>।</li>
<li>তার রচিত পদাবলিগুলো মূলত মৈথিলী ও ব্রজবুলি ভাষার মিশ্রণে তৈরি, যা তৎকালীন সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে তার পদ রচনার প্রধান ভাষা হিসেবে <strong>মৈথিলী</strong>-কেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৈথিলি</strong>। বিদ্যাপতিকে মূলত মৈথিলি ভাষার কবি হিসেবেই চেনা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন, আর সেই অঞ্চলের প্রধান ভাষা হলো মৈথিলি।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'পদাবলী'</strong> মূলত মৈথিলি ভাষাতেই রচিত।</li>
<li>যদিও তিনি সংস্কৃত ও অবহট্ঠ ভাষায় অনেক সাহিত্য রচনা করেছেন, কিন্তু কবি হিসেবে তার মূল পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা মৈথিলি ভাষায় রচিত পদগুলোর জন্যই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মৈথিলি ভাষায় তার অসাধারণ লেখনীর কারণেই তাকে <strong>'মৈথিল কোকিল'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯২১ সন</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতাটি নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, তবে বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত হয়।</li>
<li>এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের জানুয়ারি মাসে 'বিজলী' পত্রিকায়।</li>
<li>তবে সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এর সৃষ্টির মূল সময়কাল হিসেবে <strong>১৯২১ সন</strong>-কেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯২১ সালের শেষ দিকে এটি লেখা হয়েছিল বলেই এটি সেই সময়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর দেওয়ার সময় ১৯২১ সন বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’</strong>। এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত, যেখানে বিধবা নারীর মনের জটিল অনুভূতি ও টানাপোড়েনকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিনোদিনী একজন বিধবা, যার জীবনের একাকীত্ব, প্রেম এবং সামাজিক বিধিনিষেধের লড়াই এই গল্পের মূল ভিত্তি।</li>
<li><strong>কেন এটি অনন্য:</strong> রবীন্দ্রনাথ এখানে প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে বিধবা নারীর মনস্তত্ত্বকে অত্যন্ত সাহসের সাথে উপস্থাপন করেছেন, যা সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে ছিল একেবারেই নতুন।</li>
</ul>
<p>বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের পথিকৃৎ হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। তিনি বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খল ও পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্য বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন করেন।</p>
<ul>
<li>১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong>-তে তিনি প্রথম বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের তেমন কোনো নিয়ম ছিল না, যার ফলে দীর্ঘ বাক্য পড়তে বেশ কষ্ট হতো।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ও প্রশ্নবোধক চিহ্নের ব্যবহার বাংলা গদ্যে নিয়ে আসেন, যা আজও আমাদের লেখার মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
৫২৬৫
বিশ্বকবি তাঁর কোন কবিতাটি উৎসর্গ করেছিলেন বিদ্রোহী কবিকে?
<p>বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর <strong>'বসন্ত'</strong> গীতিনাট্যটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। এর পেছনের গল্পটা বেশ চমৎকার:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ যখন 'বসন্ত' নাটকটি লিখছিলেন, তখন নজরুল ইসলাম কারাগারে বন্দি ছিলেন।</li>
<li>নজরুলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সম্মান জানাতেই কবি এই বিশেষ সৃষ্টিটি তাঁকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দুই কবির বন্ধুত্বের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে আজও সমাদৃত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।