<p>মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটির মূল পটভূমি হলো <strong>৫২-এর ভাষা আন্দোলন</strong>। এই নাটকটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>মুনীর চৌধুরী যখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন, তখন মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি এই নাটকটি লিখেছিলেন।</li>
<li>নাটকটির প্রেক্ষাপট হলো ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়।</li>
<li>ভাষা শহীদদের স্মৃতি এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবেই এই নাটকটি রচিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতাই এই নাটকের মূল প্রাণ। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৫২-এর ভাষা আন্দোলন</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন</strong>। মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নাটকটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির মর্মান্তিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের দমন-পীড়ন এবং ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রতীকী ভাষা আন্দোলনের নাটক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় যখনই ‘কবর’ নাটক দেখবেন, সরাসরি <strong>বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন</strong> দাগিয়ে দেবেন। বিষয়টি একদম পরিষ্কার!</p>
<p>মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটি মূলত ১৯৫২ সালের <strong>ভাষা আন্দোলনকে</strong> কেন্দ্র করে লেখা। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক যা সরাসরি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।</p>
<p>নাটকটির পেছনের মূল বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li>নাটকটিতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের দমন-পীড়নের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই, এই নাটকের মূল প্রেক্ষাপট হিসেবে <strong>ভাষা আন্দোলন</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
<p>মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের সঠিক প্রেক্ষাপট হলো <strong>ভাষা আন্দোলন</strong>। এই নাটকটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর পটভূমিতে এই নাটকটি রচিত।</li>
<li>মুনীর চৌধুরী যখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন তিনি এই নাটকটি লিখেছিলেন।</li>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির সেই ঐতিহাসিক ঘটনার রেশ ধরেই এই কালজয়ী নাটকটি লেখা হয়েছে, যা আমাদের জাতীয় চেতনার এক অনন্য দলিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুবাদ</strong>। কারণ মুনীর চৌধুরীর ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ কোনো মৌলিক নাটক নয়, এটি বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক 'দ্য টেমিং অব দ্য শ্রু' (The Taming of the Shrew)-এর বাংলা রূপান্তর বা অনুবাদ।</p>
<ul>
<li>মূল লেখক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র।</li>
<li>মূল নাটকের নাম: The Taming of the Shrew।</li>
<li>মুনীর চৌধুরীর কাজ: তিনি এই নাটকটিকে বাংলা ভাষায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে অনুবাদ ও রূপান্তর করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শেক্সপিয়রের ইংরেজি নাটককে বাংলায় রূপান্তর করার কারণেই এটি একটি অনুবাদ সাহিত্য হিসেবে পরিচিত।</p>
৫৩৭৭
মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ কোন শ্রেণির রচনা?
<p>মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটি মূলত একটি <strong>ঐতিহাসিক</strong> ধারার রচনা। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই নাটকের মূল প্রেক্ষাপট হলো ১৭৬১ সালের ঐতিহাসিক <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ</strong>।</li>
<li>নাটকটিতে আহমদ শাহ আবদালি এবং মারাঠাদের মধ্যকার যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>ইতিহাসের বাস্তব ঘটনাকে ভিত্তি করে লেখক এখানে যুদ্ধের পরিণতির পাশাপাশি মানুষের আবেগ ও দর্শনের সংঘাত দেখিয়েছেন, তাই এটি একটি সার্থক ঐতিহাসিক নাটক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>। উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে বাঙালি মুসলিম নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে তিনি যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তার কারণেই তাকে 'নারী জাগরণের অগ্রদূত' বা 'নারী জাগরণের কবি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শিক্ষা ও মুক্তি:</strong> বেগম রোকেয়া তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ভেঙে নারীদের পর্দার আড়াল থেকে বের করে এনে শিক্ষার পথে নিয়ে আসেন।</li>
<li><strong>সাহিত্যকর্ম:</strong> তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'সুলতানার স্বপ্ন' (Sultana's Dream) নারী জাগরণের এক অনন্য দলিল, যা তাকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেছে।</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> তার পুরো জীবনের মূল দর্শনই ছিল নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা, যা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফররুখ আহমদ</strong>। তাকে কেন মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়, তার কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফররুখ আহমদ তার কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্যের গৌরবময় ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তার লেখায় ইসলামী পুনর্জাগরণ এবং মুসলিম সমাজের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মুসলিম জাগরণের এই অনন্য ধারার নেতৃত্ব দেওয়ার কারণেই তাকে <strong>মুসলিম রেনেসাঁর কবি</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <em>সাত সাগরের মাঝি</em> পড়লেই বোঝা যায়, কেন তিনি এই বিশেষণে ভূষিত হয়েছেন।</p>
<p>‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>১৯ জানুয়ারি ১৯২৬</strong> সালে। ঢাকার বুদ্ধিজীবী মহলে মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী মননশীলতা তৈরির লক্ষ্যে এই সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠার তারিখ:</strong> ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৬।</li>
<li><strong>মূল উদ্যোক্তা:</strong> আবুল হুসেন এবং কাজী আবদুল ওদুদ।</li>
<li><strong>মূলমন্ত্র:</strong> ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।</li>
</ul>
<p>এই সংগঠনটি তৎকালীন সময়ে ‘শিখা’ নামক পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল, যা আজও আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২৬ সালে ঢাকায় <strong>মুসলিম সাহিত্য সমাজ</strong> প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা এবং কুসংস্কার দূর করা।</li>
<li>তাদের এই আদর্শ প্রচারের জন্য ১৯২৭ সালে <strong>'শিখা'</strong> নামে একটি বার্ষিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল <strong>"জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব"</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই মুসলিম সাহিত্য সমাজের চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ডের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে <strong>শিখা</strong> পত্রিকাটিকে গণ্য করা হয়।</p>
৫৩৮৪
মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
<p>মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের লেখা বিখ্যাত এই বইটির নাম হলো <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব</strong>। বাংলা ভাষার ধ্বনি নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর দুটি অংশ: প্রথমত এটি <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান</strong> নিয়ে আলোচনা করে এবং দ্বিতীয়ত এটি বিশেষভাবে <strong>বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের</strong> ওপর আলোকপাত করে।</li>
<li>মুহম্মদ আবদুল হাই ছিলেন বাংলা ভাষার ধ্বনি ও উচ্চারণ নিয়ে কাজ করা অন্যতম প্রধান ভাষাবিদ, তাই তার এই বইটি বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্বের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, একটি সমাজের মানুষের জীবনধারা, বিশ্বাস, আচার-আচরণ এবং তাদের চিন্তাভাবনার সমষ্টিই হলো সংস্কৃতি।</p>
<ul>
<li>মূল্যবোধ মূলত আমাদের ভেতর থেকে আসে, যা আমাদের চারপাশের পরিবেশ ও সমাজ থেকে আমরা শিখি।</li>
<li>সংস্কৃতি হলো সেই ভিত্তি বা কাঠামো, যার ওপর দাঁড়িয়ে মানুষ তার ভালো-মন্দের বিচার করে।</li>
<li>সহজ কথায়, আমাদের মূল্যবোধগুলো কীভাবে কাজ করবে বা আমরা কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেব, তা নির্ধারণ করে আমাদের নিজস্ব <strong>সংস্কৃতি</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই বলা যায়, সংস্কৃতিই হলো মূল্যবোধের মূল চালিকা শক্তি, যা আমাদের আচরণের দিকনির্দেশনা দেয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।