<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জেলেদের জীবনাচরণ</strong>। কারণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কালজয়ী উপন্যাসের মূল উপজীব্যই হলো পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনসংগ্রাম।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের একজন জেলে, যে তার পরিবার ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে বেঁচে থাকে।</li>
<li>গল্পের পরতে পরতে জেলেদের অভাব, দারিদ্র্য, কুসংস্কার এবং প্রকৃতির সাথে তাদের টিকে থাকার অদম্য ইচ্ছার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে জেলেদের যে নিজস্ব সমাজ ও সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে তা তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কেবল মাঝিদের গল্প নয়, বরং জেলেদের সামগ্রিক জীবনযাত্রার এক বাস্তব দলিল।</p>
৫৩২৭
মানুষের ভাষাকে ‘সাধু ভাষা’ হিসেবে প্রমথ অভিহিত করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা গদ্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান অনস্বীকার্য এবং তিনিই প্রথম বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘সাধু ভাষা’ হিসেবে পরিচিতি পায়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম বাংলা ভাষাকে ব্যাকরণসম্মত ও মার্জিত করার উদ্যোগ নেন।</li>
<li>তার এই মার্জিত গদ্যরীতিই পরবর্তীতে সাধু ভাষার ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
৫৩২৮
মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’ কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ?
<p>এই বিখ্যাত কাব্যাংশটির রচয়িতা হলেন <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। তাঁর কবিতার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো প্রকৃতির সাথে মানুষের জীবনের এক গভীর ও চিরন্তন সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রায়ই মৃত্যু, সময় এবং মানুষের অস্তিত্বের ধারাবাহিকতা নিয়ে গভীর দার্শনিক চিন্তা ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’—এই লাইনটি তাঁর অনন্য কাব্যশৈলীর একটি চমৎকার উদাহরণ, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের কর্ম ও অস্তিত্ব তার মৃত্যুর পরেও পৃথিবীতে রয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকাটির প্রকাশকাল হলো <strong>১৯২৭</strong> সাল। এটি বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম।</p>
<ul>
<li>মোহাম্মদী পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক <strong>মোহাম্মদ আকরাম খাঁ</strong>।</li>
<li>বাংলা ভাষা ও মুসলিম রেনেসাঁয় এই পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।</li>
<li>পত্রিকাটি মূলত ১৯২৭ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, ১৯২৭ সালটি মাসিক মোহাম্মদীর যাত্রার শুরুর বছর হিসেবে মাথায় গেঁথে নিন।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম হলো <strong>বিষাদসিন্ধু</strong>। এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের নাম শুনলেই আমাদের মাথায় সবার আগে আসে <strong>বিষাদসিন্ধু</strong>-এর কথা।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—মহাশ্মশান লিখেছেন কায়কোবাদ, ভ্রান্তিবিলাস ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের এবং কথোপকথন উইলিয়াম কেরি রচিত।</li>
</ul>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো <strong>উদাসীন পথিকের মনের কথা</strong>। এটি মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস, যেখানে তৎকালীন গ্রামবাংলার কৃষকদের ওপর নীলকর সাহেবদের অমানবিক নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৯০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>মূল বিষয়বস্তু:</strong> নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী নাম, যা বাংলা সাহিত্যে নীল বিদ্রোহের দলিল হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong> হলো মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</li>
<li>তিনি মূলত তাঁর শক্তিশালী গদ্যশৈলী এবং সামাজিক সমালোচনামূলক রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস <strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>-এর পাশাপাশি এই গ্রন্থটিও তাঁর অনন্য রচনার স্বাক্ষর বহন করে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে <strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong> নামটি একবার ভালো করে দেখে নিলে আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম <strong>বিষাদসিন্ধু</strong> হলো একটি বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস। এই গ্রন্থটি মূলত কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের বিয়োগান্তক পরিণতির করুণ কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদসিন্ধু</strong> নামটি থেকেই বোঝা যায় এটি গভীর শোক ও বিয়োগান্তক ঘটনার আখ্যান।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকৃত, যেখানে করুণ রসের সার্থক প্রকাশ ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী সৃষ্টি <strong>‘বিষাদসিন্ধু’</strong> হলো একটি <strong>উপন্যাস</strong>। অনেকে একে ইতিহাস গ্রন্থ মনে করে ভুল করেন, কিন্তু আসলে এটি ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কাল্পনিক আখ্যান বা উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডিকে কেন্দ্র করে লেখা হলেও এর শৈল্পিক গঠন ও বর্ণনাভঙ্গি সম্পূর্ণভাবে উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর কাহিনি বিন্যাস এবং চরিত্র চিত্রণে লেখক কল্পনা ও আবেগের যে সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন, তা একে ইতিহাস থেকে আলাদা করে উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
৫৩৩৫
মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্থের উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ?
<p>মীর মশাররফ হোসেনের <strong>গো-জীবন</strong> গ্রন্থটির মূল উপজীব্য হলো তৎকালীন হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে গো-কুরবানি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ। লেখক এই রচনার মাধ্যমে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহনশীলতার বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থের প্রেক্ষাপট:</strong> তৎকালীন সমাজে গো-কুরবানিকে কেন্দ্র করে যে সামাজিক অস্থিরতা ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিরসনের উদ্দেশ্যেই তিনি এটি লেখেন।</li>
<li><strong>মূল উদ্দেশ্য:</strong> ধর্মীয় গোঁড়ামি পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক বজায় রাখা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাজ সংস্কারের তাগিদ থেকেই মীর মশাররফ হোসেন এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষাদসিন্ধু</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কালজয়ী একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদসিন্ধু</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে রচিত একটি মহাকাব্যিক গদ্য।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের এই অমর সৃষ্টিটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব।</li>
</ul>
<p>এই বইটি বাংলা সাহিত্যে লেখকের শ্রেষ্ঠ পরিচয় বহন করে, তাই পরীক্ষার জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
<p>মীর মোশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম হলো <strong>গাজী মিয়া</strong>। তিনি তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা <strong>'গাজী মিয়ার বস্তানী'</strong> লেখার সময় এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মোশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল সামাজিক কুসংস্কারের সমালোচনা।</li>
<li>তিনি তাঁর এই বিশেষ ধারার রচনার জন্য <strong>গাজী মিয়া</strong> নামটি বেছে নিয়েছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীমঙ্গল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি মূলত এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থটির জন্যই বিখ্যাত।</p>
<ul>
<li><strong>কবির পরিচয়:</strong> মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে 'কবিকঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থের বৈশিষ্ট্য:</strong> তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি তৎকালীন সমাজচিত্র এবং মানুষের জীবনসংগ্রামের এক অনন্য দলিল।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> যখনই মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর নাম আসবে, তখনই মাথায় রাখবেন তিনি <strong>চণ্ডীমঙ্গল</strong> কাব্যের রচয়িতা, যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের প্রধান ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>জলাঙ্গী</strong> অন্যতম। শওকত ওসমানের লেখা এই উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের সাধারণ মানুষের জীবনের টানাপোড়েন।</li>
<li>শওকত ওসমান তার লেখনীর মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানুষের সংগ্রামের চিত্র এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য লেখক ও বিষয়বস্তুর এই সমন্বয়টি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।