<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলাম মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু চমৎকার উপন্যাসও লিখেছেন। তাঁর লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> অন্যতম। এই উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার পাশাপাশি তাঁর গদ্যেও সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠত।</li>
<li><strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> উপন্যাসে তিনি তৎকালীন সমাজের দারিদ্র্য ও মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইকে খুব নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'মৃত্যুক্ষুধা'র কথা আসবে, সরাসরি কাজী নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের কালজয়ী মহাকাব্য <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ ঘটে।</p>
<ul>
<li>প্রকাশকাল: <strong>১৮৬১</strong> সাল।</li>
<li>মূল বৈশিষ্ট্য: এটি রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে রচিত হলেও এর মূল সুর ও চরিত্র চিত্রণে মধুসূদনের নিজস্ব আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, ১৮৬১ সালটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের শুরুর দিকের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর, যখন এই মহাকাব্যটি বাংলা কাব্যজগতে নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মৈমনসিংহ গীতিকা মূলত বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকগাথা বা লোকসংগীতের সংকলন।</li>
<li>এই অমূল্য লোকসাহিত্যগুলো গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরে সংগ্রহ করেছিলেন <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে সংগৃহীত এই পাণ্ডুলিপিগুলো সম্পাদনা করে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন।</li>
</ul>
<p>তাই সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে-এর নামই প্রধান। পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</p>
৫৩৮৯
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সওগাত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগতে একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li>মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে <strong>সওগাত</strong> পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা শুরু করেন।</li>
<li>এই পত্রিকাটি তৎকালীন মুসলিম সমাজের সাহিত্যচর্চা ও নবজাগরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li>বেগম রোকেয়া, কাজী নজরুল ইসলামসহ অনেক বিখ্যাত লেখকের লেখা এই পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো, যা একে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অতিথি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের ভাষায় এর অর্থ হলো যার আসার কোনো নির্দিষ্ট সময় বা তিথি নেই।</p>
<ul>
<li><strong>অ</strong> মানে নেই।</li>
<li><strong>তিথি</strong> মানে নির্দিষ্ট দিন বা সময়।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো পূর্ব ঘোষণা বা নির্দিষ্ট সময় ছাড়াই বাড়িতে উপস্থিত হন, তাকেই এক কথায় <strong>অতিথি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যার আগমনের কোনো তিথি বা দিনক্ষণ আগে থেকে জানা থাকে না, তিনিই অতিথি।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে</strong> 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি এমন এক সময়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন যখন মধ্যযুগের কাব্যরীতির প্রভাব পুরোপুরি শেষ হয়নি, আবার আধুনিক যুগের নতুন ধারার সূচনাও সবেমাত্র ঘটছে।</li>
<li>মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তিনি দুই যুগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন।</li>
<li>তার কবিতায় একদিকে যেমন প্রাচীন ধারার ছড়া ও শ্লেষের ব্যবহার দেখা যায়, অন্যদিকে সমসাময়িক সমাজ ও দেশপ্রেমের আধুনিক চেতনার প্রতিফলনও স্পষ্ট।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিনি ছিলেন পুরনো ও নতুনের মিলনস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা এক অনন্য কবি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়, কারণ তিনি মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কাব্যশৈলী এবং আধুনিক যুগের বিষয়বস্তু—এই দুইয়ের সংমিশ্রণ তার কবিতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তিনিই প্রথম কবি যিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার সূচনা করেছিলেন, অথচ তার রচনায় পুরনো ধারার প্রভাবও ছিল।</li>
<li>এই দুই যুগের সন্ধিক্ষণে অবস্থান করার কারণেই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৩</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই বছরটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে আছে।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।</li>
<li>এটি ছিল এশিয়ার কোনো লেখকের জন্য প্রথম নোবেল জয়ের গৌরব।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: ১৯১৩ সালের এই অর্জনটি ছিল আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিশ্বমঞ্চে প্রথম বড় স্বীকৃতি।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক সালটি হলো <strong>১৯১৩</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদান কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কাউকে কোনো কিছু নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয়, তখন তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে, বাংলা ভাষায় আলাদা করে 'সম্প্রদান' বলে কিছু নেই।</li>
<li>তাঁর যুক্তি ছিল, যাকে দান করা হচ্ছে, সেও তো একজন ব্যক্তি বা কর্ম। তাই একে আলাদা কারক না বলে সরাসরি <strong>কর্ম কারক</strong> হিসেবে গণ্য করাই বেশি যৌক্তিক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিনি মনে করতেন সম্প্রদান কারক আসলে কর্ম কারকেরই একটি অংশ, তাই ব্যাকরণ থেকে একে আলাদা করার প্রয়োজন নেই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৬ বছর</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকেই তিনি ছোটগল্পের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন মাত্র <strong>১৬ বছর</strong> বয়সী ছিলেন, তখন তার প্রথম ছোটগল্প <strong>'ভিখারিণী'</strong> প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি ১৮৭৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।</li>
<li>খুব অল্প বয়সেই তার এই সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটেছিল, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্পকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</li>
</ul>
৫৩৯৭
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের জন্য এক বিশাল অর্জন ছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।</li>
<li>সালটি হলো <strong>1913</strong>।</li>
</ul>
<p>এই পুরস্কার পাওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল জয়ের গৌরব অর্জন করেন।</p>
৫৩৯৮
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়, কারণ তিনি ছিলেন এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ ট্রিক হলো: ১৯১২ সালে তিনি গীতাঞ্জলি প্রকাশ করেন এবং ঠিক তার পরের বছরই, অর্থাৎ <strong>১৯১৩</strong> সালে তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।</li>
</ul>
৫৪০০
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গীতাঞ্জলি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদের (Song Offerings) জন্যই সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>গীতাঞ্জলি</strong> হলো রবীন্দ্রনাথের সেই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নোবেল বিজয়ী কোনো বই।</li>
<li>সহজ কথায়, বিশ্বসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে এই কাব্যগ্রন্থটিই মূল ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।