<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৩ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য এই সম্মানজনক পুরস্কারটি পেয়েছিলেন।</li>
<li>এটি ছিল এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ের ঘটনা।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই সালটি মনে রাখার জন্য আপনি একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: ১৯১৩ সালটি ছিল তাঁর বিশ্বজয়ের বছর, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।</li>
</ul>
৫৪১৭
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান কোন সালে?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান <strong>১৯১৩</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র (Song Offerings) ইংরেজি অনুবাদের জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন।</li>
<li>এটি ছিল এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ের গৌরবময় ঘটনা।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য সালটি হলো: <strong>১৯১৩</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৩</strong>।</p>
৫৪১৮
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গতিবাদ তত্ত্ব’ প্রকাশিত হয়েছে কোন কাব্যে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বলাকা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>বলাকা</strong> কাব্যটি তার গতিবাদ বা পরিবর্তনশীলতার দর্শনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থের মূল সুরই হলো গতিময়তা।</li>
<li>এই কাব্যের নাম কবিতা ‘বলাকা’-তে কবি দেখিয়েছেন যে, জগত স্থির নয়, বরং প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের দর্শনে এই যে অজানার উদ্দেশ্যে ছুটে চলা বা গতির জয়গান, তা-ই মূলত ‘গতিবাদ তত্ত্ব’ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই গতিবাদ বা গতির কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থটিকে বেছে নেবেন।</p>
৫৪১৯
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলী’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলী’ প্রকাশিত হয় <strong>১৯১০</strong> সালে। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাইলফলক হলো এই কাব্যগ্রন্থটি।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১০</strong> সালে।</li>
<li>এর ঠিক দুই বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৯১২</strong> সালে এর ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ প্রকাশিত হয়, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল বাংলা সংস্করণটি প্রকাশের সালটি হলো <strong>১৯১০</strong>, যা আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর।</p>
৫৪২০
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র -
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোটগল্প ‘নষ্টনীড়’-এর প্রধান নারী চরিত্র হলো <strong>চারুলতা</strong>। গল্পটি মূলত চারুলতার একাকীত্ব, তার মনের জগত এবং তার স্বামীর সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে আবর্তিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন চারুলতা, যার বুদ্ধিমত্তা ও সাহিত্যপ্রীতি তাকে অনন্য করে তুলেছে।</li>
<li>সত্যজিৎ রায় এই গল্পের ওপর ভিত্তি করেই তার বিখ্যাত চলচ্চিত্র <strong>‘চারুলতা’</strong> নির্মাণ করেছিলেন।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে চারুলতার চরিত্রের গভীরতা ও তার মানসিক বিবর্তনই পাঠককে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে।</li>
</ul>
৫৪২১
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>। কারণ ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি কবির অন্তরের এক নতুন জাগরণের বহিঃপ্রকাশ।</p>
<ul>
<li>কবিতায় কবি অনুভব করেছেন যে, তার হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার খুলে গেছে এবং তিনি অজানাকে জানার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন।</li>
<li>এই অজানার পথে যাত্রা মানেই হলো অসীম সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করা।</li>
<li>কবি বুঝতে পেরেছেন, তার সামনে পড়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী, যা বিচিত্র অভিজ্ঞতায় ভরা এবং যেখানে নতুন কিছু সৃষ্টি করার অবারিত সুযোগ রয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবির এই উপলব্ধি তাকে গতানুগতিক গণ্ডি থেকে বের করে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করে, যা একইসাথে রহস্যময় এবং বিপুল সম্ভাবনায় পরিপূর্ণ।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ হলো একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। নাম শুনে অনেকেই একে কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ মনে করে ভুল করেন, কিন্তু এটি আসলে একটি গদ্যধর্মী সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এটি রবীন্দ্রনাথের লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি <strong>মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস</strong>।</li>
<li>বইটির নাম ‘কবিতা’ হলেও এর ভেতরে কোনো পদ্য বা কবিতা নেই, বরং অমিত ও লাবণ্যের সম্পর্কের এক দারুণ গদ্য আখ্যান রয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যিক ধারায় এটি একটি আধুনিক ঘরানার উপন্যাস হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘শেষের কবিতা’ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>উপন্যাস</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত বা ভৌতিক গল্পের কথা বললে সবার আগে মাথায় আসে <strong>ক্ষুধিত পাষাণ</strong>-এর নাম। এই গল্পটি কেন অতিপ্রাকৃত, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>গল্পের মূল পটভূমি হলো একটি পুরনো, পরিত্যক্ত প্রাসাদ, যা নিজেই যেন এক রহস্যময় চরিত্র।</li>
<li>গল্পের নায়ক যখন সেই প্রাসাদে রাত কাটান, তখন তিনি অতীত ও বর্তমানের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ অনুভব করেন।</li>
<li>এখানে কোনো সাধারণ বাস্তব ঘটনা নয়, বরং অতৃপ্ত আত্মার ছায়া এবং সময়ের গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাওয়ার এক গা ছমছমে অনুভূতি ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রহস্য আর অতিপ্রাকৃত ঘটনার নিখুঁত বুননই এই গল্পটিকে রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য গল্প থেকে আলাদা করে তুলেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুধিত পাষাণ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোরা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হলো এটি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>গোরা</strong> উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন সমাজের জাতীয়তাবাদ এবং ধর্মীয় সংকীর্ণতার বিষয়গুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে <em>চোখের বালি</em>, <em>ঘরে বাইরে</em> এবং <em>শেষের কবিতা</em>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ—রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের নামগুলো সাধারণত একটু গভীর ও দার্শনিক ভাবনার হয়, আর <strong>গোরা</strong> সেই তালিকার একদম উপরের দিকে থাকে।</p>
৫৪২৫
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত সালে স্যার (নাইটহুড) উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ব্রিটিশ সরকার <strong>১৯১৫</strong> সালে 'নাইট' বা 'স্যার' উপাধিতে ভূষিত করে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯১৩ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি'-র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।</li>
<li>নোবেল জয়ের ঠিক দুই বছর পরেই, অর্থাৎ <strong>১৯১৫</strong> সালে তাঁকে এই সম্মানজনক উপাধি দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নোবেল পাওয়ার পরবর্তী ধাপ হিসেবেই ১৯১৫ সালটি আমাদের মনে রাখতে হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষের কবিতা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের ধরনগুলো আলাদাভাবে চেনা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>শেষের কবিতা</strong> হলো রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস, যেখানে অমিত ও লাবণ্যের সম্পর্কের গল্প ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাকি অপশনগুলোর মধ্যে <strong>বলাকা</strong> হলো একটি কাব্যগ্রন্থ, <strong>ডাকঘর</strong> একটি নাটক এবং <strong>কালান্তর</strong> হলো প্রবন্ধ সংকলন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ধরণ অনুযায়ী, শুধুমাত্র <strong>শেষের কবিতা</strong>-ই উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো <strong>ভানুসিংহ ঠাকুর</strong>। তিনি খুব অল্প বয়সে কবিতা লেখার সময় এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের নামের সাথে মিল রেখে তিনি নিজের ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>শৈশবে যখন তিনি বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে কবিতা লিখতেন, তখন থেকেই তিনি নিজেকে <strong>ভানুসিংহ</strong> হিসেবে পরিচয় দিতেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক মহলে তার এই ছদ্মনামটিই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো <strong>ভানুসিংহ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কবিগুরু মাত্র ১৬ বছর বয়সে এই ছদ্মনামটি গ্রহণ করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>১৮৭৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় তার লেখা বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে কিছু কবিতা প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তিনি এই কবিতাগুলো <strong>ভানুসিংহ ঠাকুর</strong> ছদ্মনামে লিখেছিলেন, যা পরবর্তীতে 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে এই নামটি বেশ জনপ্রিয় ছিল এবং এটিই তার সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম।</p>
৫৪৩০
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি কোথায় ছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খুলনার দক্ষিণ ডিহি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মায়ের বাপের বাড়ি ছিল খুলনার দক্ষিণ ডিহিতে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা <strong>সারদাসুন্দরী দেবী</strong> ছিলেন দক্ষিণ ডিহির মেয়ে।</li>
<li>পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে এই স্থানটি কবির পূর্বপুরুষের আদিবসতি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>কবির স্ত্রী <strong>মৃণালিনী দেবীও</strong> ছিলেন এই দক্ষিণ ডিহিরই মেয়ে, তাই এই জায়গাটি কবির স্মৃতিবিজড়িত এক অনন্য স্থান।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।