<p>শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা প্রকাশের বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৯৪৯ সালে তার প্রথম কবিতাটি লিখেছিলেন, যা প্রকাশিত হয় <strong>'নতুন কবিতা'</strong> পত্রিকায়।</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানের সাহিত্যিক জীবনের শুরুটা হয় এই পত্রিকার মাধ্যমেই।</li>
<li>তার প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম ছিল <strong>'১৯৪৯'</strong>।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য: শামসুর রাহমান মানেই আধুনিক কবিতার নতুন দিগন্ত, আর তার শুরুটাও হয়েছিল <strong>'নতুন কবিতা'</strong> পত্রিকা দিয়ে।</li>
</ul>
<p>শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>নিরালোকে দিব্যরথ</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানের কাব্যশৈলী ও শব্দচয়নের অনন্য বৈশিষ্ট্য এই বইটিতে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকায় এটি অন্যতম।</li>
<li>তাই কবি শামসুর রাহমানের নাম শুনলেই তার অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থের পাশাপাশি <strong>নিরালোকে দিব্যরথ</strong>-এর নামটিও মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫৪৭৮
শামসুর রাহমান রচিত কোন কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুমি বলেছিলে</strong>। শামসুর রাহমানের এই কবিতাটি সরাসরি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় 'শব্দসৈনিক', যিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষের আবেগ ও লড়াইকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>তুমি বলেছিলে</strong> কবিতাটিতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অস্থিরতা, প্রত্যাশা এবং দেশপ্রেমের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা অন্য কবিতাগুলো থেকে একে আলাদা করে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, শামসুর রাহমানের <strong>বন্দী শিবির থেকে</strong> কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, যার মধ্যে এই কবিতাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধলমেলা</strong>। বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ।</p>
<p>সহজ মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>শাহ আবদুল করিম মূলত ভাটি অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবনবোধ নিয়ে গান ও কবিতা লিখেছেন।</li>
<li>তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে <strong>আফতাব সঙ্গীত</strong>, <strong>গণসঙ্গীত</strong>, <strong>কালনীর ঢেউ</strong> এবং <strong>ভাটির চিঠি</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার রচিত গ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামগুলো বারবার চোখ বুলিয়ে নিলে মনে রাখা সহজ হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইউসুফ জোলেখা</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁর সম্পর্কে মনে রাখার মতো সহজ কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong> ছিলেন সুলতানি আমলের কবি।</li>
<li>তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>ইউসুফ জোলেখা</strong> রচনা করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের এই অমর কাব্যটির রচয়িতা হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নামই সবার আগে আসে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনামগঞ্জ</strong>। বাউল সম্রাট শাহ্ আব্দুল করিমের জন্মস্থান নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই, কারণ তিনি আজীবন সুনামগঞ্জের হাওর-বাওড় আর মাটির গানেই নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শাহ্ আব্দুল করিমকে বলা হয় <strong>'ভাটির পুরুষ'</strong>।</li>
<li>তিনি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার গানের মূল উপজীব্যই ছিল সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও প্রকৃতি।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই শাহ্ আব্দুল করিমের নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>সুনামগঞ্জ</strong> জেলাটিকে মনে রাখবেন।</p>
<p>শূন্যপূরাণ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>রামাই পন্ডিত</strong>। এটি মূলত ধর্মপূজা বা ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত একটি প্রাচীন বাংলা কাব্য।</p>
<ul>
<li>শূন্যপূরাণ ধর্মমঙ্গলের আদি পর্যায় হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>রামাই পন্ডিত এই কাব্যে ধর্মঠাকুরের সৃষ্টিতত্ত্ব ও নানা অলৌকিক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি 'ধর্মপূজা' কেন্দ্রিক সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শূন্যপূরাণ নামটির সাথে রামাই পন্ডিতের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।</p>
<p>বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসকে <strong>মধুর রস</strong> বলা হয়। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বৈষ্ণব দর্শনে ভক্তিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ও শ্রেষ্ঠ স্তর হলো এই মধুর রস।</li>
<li>শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণের মধ্যকার যে গভীর প্রেম ও অনুরাগের সম্পর্ক, তাকেই শাস্ত্রীয় ভাষায় শৃঙ্গার রস বা মধুর রস হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভক্ত যখন নিজেকে রাধার সখী বা অনুগত মনে করে ভগবানের প্রতি গভীর প্রেম নিবেদন করেন, সেই ভক্তিভাবকেই মধুর রস বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বৈষ্ণব পদাবলির মূল উপজীব্য এই মধুর রস বা শৃঙ্গার রসই আধ্যাত্মিক প্রেমের চূড়ান্ত প্রকাশ।</p>
<p>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মোট <strong>১৩টি</strong> খণ্ডে বিভক্ত। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এই গুরুত্বপূর্ণ কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। কাব্যটির খণ্ডগুলো হলো:</p>
<p>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে বড়ায়ি চরিত্রটি মূলত রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী হিসেবে কাজ করে। এই কাব্যের কাহিনীতে বড়ায়ি একজন বয়স্কা নারী, যিনি রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যকার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং তাদের মিলন ঘটাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বড়ায়ি চরিত্রটি কাব্যের মূল কাহিনীর গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।</li>
<li>তিনি রাধাকে কৃষ্ণের কাছে নিয়ে যাওয়া এবং তাদের কথোপকথনে সাহায্য করার মাধ্যমে প্রেমের বার্তাবাহক বা দূতী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।</li>
<li>পুরো কাব্যে তার প্রধান কাজই হলো রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পথ সুগম করা।</li>
</ul>
৫৪৮৬
শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনি কাব্য রচনা করেন -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃন্দাবন দাস</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য জীবনীগ্রন্থ হলো <strong>'শ্রীচৈতন্য ভাগবত'</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বৃন্দাবন দাসকে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনীকারদের মধ্যে 'ব্যাসদেব' বলা হয়।</li>
<li>তার লেখা <strong>'শ্রীচৈতন্য ভাগবত'</strong> গ্রন্থটিই চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনি কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এই গ্রন্থটি রচনার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চৈতন্য-জীবনী ধারার সূচনা হয়েছিল।</li>
</ul>
৫৪৮৭
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি - পঙক্তি দুটি কার রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>ছোটবেলায় আমরা সবাই আমাদের পাঠ্যবইয়ে এই বিখ্যাত ছড়াটি পড়েছি। এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা <strong>'শিশুপাঠ্য শিক্ষাগুরু'</strong> নামক বইয়ের অন্তর্গত। সহজ ও সাবলীল ভাষায় নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য এই ছড়াটি আজও সমান জনপ্রিয়। তাই মনে রাখার জন্য শুধু কবির নামটা মাথায় রাখলেই চলবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শনিবারের চিঠি</strong>। বাংলা সাহিত্য জগতে সজনীকান্ত দাসের নাম এই পত্রিকার সাথেই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<ul>
<li>সজনীকান্ত দাস ১৯২৪ সালে এই ব্যঙ্গাত্মক ও সাহিত্যধর্মী পত্রিকাটি সম্পাদনা শুরু করেন।</li>
<li>তৎকালীন বাংলা সাহিত্যের অনেক প্রখ্যাত লেখক ও কবিদের নিয়ে নানা মজার ছড়া, সমালোচনা ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য এটি দারুণ জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পত্রিকা হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সনেটের সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি</strong>। সনেট মূলত একটি নির্দিষ্ট গঠন মেনে চলে, যেখানে মোট ১৪টি চরণ থাকে। এই ১৪টি চরণকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li><strong>অষ্টক (Octave):</strong> প্রথম ৮টি চরণের অংশ।</li>
<li><strong>ষট্ক (Sestet):</strong> শেষ ৬টি চরণের অংশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবি তার মনের ভাব বা যুক্তিকে এই দুটি অংশের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। প্রথম অংশে ভাবের অবতারণা বা সমস্যার কথা থাকে এবং দ্বিতীয় অংশে সেই ভাবের পরিণতি বা সমাধান ফুটে ওঠে। তাই গঠনগত দিক থেকে সনেটকে সবসময়ই দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত ধরা হয়।</p>
<p>সপ্তদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের প্রধান ও শ্রেষ্ঠ কাব্য হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। এটি মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের ভাবানুবাদ হলেও, আলাওল এতে নিজের কবিত্বশক্তির দারুণ ছাপ রেখেছেন।</p>
<p>কেন এটি তার প্রধান কাজ, তা এক নজরে দেখে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি:</strong> এটি আলাওলের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিস্তৃত পরিসরের কাব্য।</li>
<li><strong>সাহিত্যের মান:</strong> মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আখ্যানকাব্য হিসেবে এর শৈল্পিক উৎকর্ষ ও ভাষার ব্যবহার অতুলনীয়।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আলাওলকে এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে, যার ফলে এটিই তার প্রধান পরিচয় হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।