eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৫৬

বাংলায় নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি কোন Article -এর স্থানীয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
the
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলায় নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক প্রত্যয় যেমন— ‘টা’, ‘টি’, ‘খানা’, ‘খানি’ ইত্যাদি ইংরেজি <strong>Definite Article</strong> বা <strong>the</strong>-এর কাজ করে। যখন আমরা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে চাই, তখন ইংরেজিতে <strong>the</strong> ব্যবহার করা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলায় বিশেষ্যের সাথে যখন ‘টা’ বা ‘টি’ যুক্ত হয়, তখন তা নির্দিষ্ট হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: কলম<strong>টি</strong> (The pen) বা বই<strong>টা</strong> (The book)।</li>
<li>যেহেতু <strong>the</strong> নির্দিষ্ট কোনো কিছুকে নির্দেশ করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৫৫৭

কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
টুকু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>টুকু</strong>। বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে 'টুকু' শব্দটি বেশ চমৎকার, কারণ এটি প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট এবং অনির্দিষ্ট উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হতে পারে।</p>

<ul>
<li><strong>নির্দিষ্ট অর্থে:</strong> যখন আমরা বলি "আমার কাছে থাকা টাকা<strong>টুকু</strong> দাও", তখন এখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li><strong>অনির্দিষ্ট অর্থে:</strong> আবার যখন বলা হয় "এক<strong>টুকু</strong> লবণ দাও", তখন লবণটি ঠিক কতটুকু তা নির্দিষ্ট নয়, বরং সামান্য পরিমাণ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাক্যের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে 'টুকু' কখনো সুনির্দিষ্ট পরিমাণ আবার কখনো সামান্য বা অনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্দেশ করে।</p>
৫৫৮

গোটা দেশটাই ছারখার হয়ে গেছে। - এ বাক্যের পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনির্দিষ্টতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্দিষ্টতা</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>

<p>বাক্যটিতে 'গোটা' শব্দটি ব্যবহার করে পুরো দেশ বা সামগ্রিক অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা কোনো নির্দিষ্ট বা সুনির্দিষ্ট একককে নির্দেশ করছে না। পদাশ্রিত নির্দেশক যখন কোনো বস্তু বা বিষয়ের ব্যাপকতা বা অস্পষ্টতাকে প্রকাশ করে, তখন তাকে অনির্দিষ্টতা হিসেবে ধরা হয়।</p>

<ul>
<li>এখানে 'গোটা' শব্দটি দিয়ে দেশের কোনো নির্দিষ্ট অংশ নয়, বরং পুরো বিষয়টির একটি অনির্দিষ্ট বিশালতাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো নির্দেশক কোনো কিছুকে সুনির্দিষ্ট না করে বরং একটি সাধারণ বা ব্যাপক অর্থে প্রকাশ করে, তখন সেটি অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।</li>
</ul>
৫৫৯

কোন বাক্যে পদাশ্রিত নির্দেশক, নির্দেশক ও অনির্দেশক উভয় অর্থেই প্রযোজ্য ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোটা সাতেক আম আন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোটা সাতেক আম আন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>এখানে <strong>সাতেক</strong> শব্দটি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>এটি দিয়ে নির্দিষ্ট করে সাতটি আম বোঝানো যায় (নির্দেশক অর্থ), আবার সাতের কাছাকাছি বা আনুমানিক কোনো সংখ্যাকেও বোঝানো যায় (অনির্দেশক অর্থ)।</li>
<li>বাক্যটিতে <strong>গোটা</strong> যোগ করে পুরো বিষয়টি এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যা নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট উভয় অর্থেই খাপ খেয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে <strong>-এক</strong> বা <strong>-টেক</strong> যুক্ত হয়, তখন তা প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট উভয় অর্থই প্রকাশ করতে পারে।</p>
৫৬০

সেইটেই ছিল আমার প্রিয় কলম - এ বাক্যের পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনির্দিষ্ট</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>

<p>বাক্যটিতে 'সেইটেই' শব্দটি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট একটি কলমকে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বোঝানো হয়েছে। যখন কোনো পদাশ্রিত নির্দেশক (যেমন: -টা, -টি, -টেই) কোনো বস্তুকে সাধারণ নির্দিষ্টতার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়ে বা বিশেষভাবে চিহ্নিত করে, তখন তাকে <strong>সুনির্দিষ্ট</strong> অর্থে ব্যবহৃত নির্দেশক বলা হয়।</p>

<ul>
<li>'সেই' শব্দটি দিয়ে এমনিতেই একটি কলমকে নির্দেশ করা হচ্ছে।</li>
<li>তার সাথে 'টেই' যুক্ত হয়ে বিষয়টিকে আরও জোরদার বা সুনির্দিষ্ট করে তুলেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এখানে অন্য কোনো কলম নয়, বরং ওই নির্দিষ্ট কলমটিকেই বোঝানো হচ্ছে বলে এটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশক।</p>
৫৬১

বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশকের উদাহরণ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দশ তা কাগজ দাও
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দশ তা কাগজ দাও</strong>। এখানে 'তা' শব্দটি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক বলতে এমন কিছু শব্দ বা প্রত্যয়কে বোঝায় যা বিশেষ্য বা সর্বনামের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে।</li>
<li>এখানে <strong>'তা'</strong> একটি নির্দিষ্ট পরিমাপক বা নির্দেশক হিসেবে কাজ করছে, যা কাগজের পরিমাপকে সুনির্দিষ্ট করে তুলেছে।</li>
<li>সাধারণত 'টা', 'টি', 'খানা', 'খানি', 'গাছি', 'গুচ্ছ', 'তা' ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে বাক্যে নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
৫৬২

শহীদুল্লা কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' গ্রন্থটির মূল উপজীব্য বিষয় কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দরিদ্র গ্রামীণ জীবন
ব্যাখ্যা:
<p>শহীদুল্লা কায়সারের কালজয়ী উপন্যাস 'সারেং বৌ'-এর মূল উপজীব্য বিষয় হলো <strong>দরিদ্র গ্রামীণ জীবন</strong>। এই উপন্যাসে লেখক উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই এবং তাদের অভাব-অনটনের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<ul>
<li>উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'নবিতন' একজন সাধারণ গ্রামীণ নারী, যার জীবন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের দারিদ্র্য ও বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>গল্পের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে গ্রামের মানুষের টিকে থাকার লড়াই, সামাজিক প্রতিকূলতা এবং তাদের জীবনবোধের গভীরতা।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি কেবল একটি কাহিনী নয়, বরং তৎকালীন বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার এক বাস্তব দলিল।</li>
</ul>
৫৬৩

শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'রাজবন্দীর রোজনামচা' কি জাতীয় গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্মৃতিকথা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্মৃতিকথা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>শহীদুল্লাহ কায়সার যখন কারাগারে বন্দী ছিলেন, সেই সময়কার দিনলিপি বা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি এই বইটি লিখেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু এটি লেখকের নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতি থেকে লেখা, তাই সাহিত্যিক বিচারে একে <strong>স্মৃতিকথা</strong> বা ডায়েরি জাতীয় গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের জীবনের কোনো বিশেষ সময়ের ঘটনা যখন লেখক নিজে লিখে রাখেন, সেটাই স্মৃতিকথা।</li>
</ul>
৫৬৪

লিপিমালা গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রামরাম বসু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামরাম বসু</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরুর দিকের ইতিহাস পড়লে আমরা দেখি:</p>

<ul>
<li>১৮০২ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে <strong>রামরাম বসু</strong> এই গ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি পত্রসংকলন বা চিঠিপত্রের বই, যা সেই সময়ে বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের আদি পর্বের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে রামরাম বসুর নামই সবার আগে আসে, আর তাঁর অমর সৃষ্টি হলো এই 'লিপিমালা'।</li>
</ul>
৫৬৫

উইলিয়াম কেরি রচিত ইতিহাসমালা প্রকাশিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1812
ব্যাখ্যা:
<p>উইলিয়াম কেরি রচিত <strong>'ইতিহাসমালা'</strong> গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় <strong>১৮১২</strong> খ্রিস্টাব্দে। এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা গদ্য চর্চায় গতি আসে।</li>
<li>এর ঠিক ১২ বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৮১২</strong> সালে উইলিয়াম কেরি তার এই বিখ্যাত গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বইটি মূলত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সংকলন, যা সেই সময়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>
৫৬৬

উইলিয়াম কেরি রচিত গ্রন্থের নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কথোপকথন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কথোপকথন</strong>।</p>

<p>উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থটি হলো <strong>'কথোপকথন'</strong>। এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো:</p>

<ul>
<li>এটি তৎকালীন সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার এক অনন্য দলিল।</li>
<li>বইটিতে বিভিন্ন পেশার মানুষের কথোপকথনের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজচিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা গদ্যের প্রাথমিক পর্যায়ে এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও মৌলিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৫৬৭

আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়া পদের যে রূপ হয়, তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুজ্ঞা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন আমরা কাউকে কোনো কিছু করতে বলি (আদেশ), কোনো পরামর্শ দিই (উপদেশ), বা কোনো কিছুর জন্য অনুরোধ করি, তখন ক্রিয়াপদের যে বিশেষ রূপটি ব্যবহার করি, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অনুজ্ঞা</strong> বলা হয়।</li>
<li>এটি মূলত <strong>মধ্যম পুরুষের</strong> ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। যেমন: "তুমি কাজটি করো" বা "তুমি এখানে এসো"।</li>
<li>সহজ কথায়, আদেশ বা অনুরোধ বোঝাতে ক্রিয়ার যে পরিবর্তন হয়, সেটাই অনুজ্ঞা।</li>
</ul>
৫৬৮

কোন পুরুশের তুচ্ছার্থক বা ঘনিষ্ঠার্থক সর্বনামের অনুজ্ঞায় কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধ্যম পুরুষে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যম পুরুষে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন আমরা কাউকে ঘনিষ্ঠ বা তুচ্ছ করে সম্বোধন করি (যেমন: তুই), তখন ক্রিয়াপদের রূপটি একদম সাধারণ থাকে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'করা' ক্রিয়াটি মধ্যম পুরুষের তুচ্ছার্থক রূপে হয় 'কর'। এখানে কোনো বাড়তি বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত করার প্রয়োজন পড়ে না।</li>
<li>সহজ কথায়, তুই-এর সাথে ক্রিয়ার রূপটি সবসময় মূল ধাতুর মতোই থাকে, তাই এখানে কোনো বিভক্তি যোগ হয় না।</li>
</ul>
৫৬৯

প্রাচীন বাংলার রীতিতে মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞায় ক্রিয়ার সঙ্গে কি যোগ করার নিয়ম ছিল ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হ
ব্যাখ্যা:
<p>প্রাচীন বাংলার ব্যাকরণিক রীতি অনুযায়ী, মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞায় ক্রিয়াপদের শেষে <strong>'হ'</strong> যোগ করার নিয়ম ছিল। এটি মূলত আদেশ বা অনুরোধ বোঝাতে ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তনের একটি বিশেষ পদ্ধতি।</p>

<ul>
<li>প্রাচীন রীতিতে মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার মূল রূপের সাথে <strong>'হ'</strong> যুক্ত হয়ে অনুজ্ঞাসূচক পদ তৈরি হতো।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'কর' ধাতুর সাথে 'হ' যুক্ত হয়ে তা 'করহ' রূপে ব্যবহৃত হতো, যা বর্তমানের 'করো' বা 'কর' এর প্রাচীন রূপ।</li>
<li>এই নিয়মটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পদাবলি বা প্রাচীন পুঁথিতে প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়।</li>
</ul>
৫৭০

প্রাচীন বাংলা অনুজ্ঞায় ক্রিয়ার শেষে 'হ' বর্তমানে কিসে রুপান্তরিত হয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অ এবং ও
ব্যাখ্যা:
<p>প্রাচীন বাংলা অনুজ্ঞায় ক্রিয়ার শেষে যে 'হ' ব্যবহৃত হতো, আধুনিক বাংলায় তা পরিবর্তিত হয়ে মূলত <strong>'অ'</strong> এবং <strong>'ও'</strong> কারে রূপ নিয়েছে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>প্রাচীন বাংলায় কোনো কাজ করতে বলার সময় ক্রিয়ার শেষে 'হ' যুক্ত থাকতো।</li>
<li>ভাষার বিবর্তনের সাথে সাথে এই 'হ' ধ্বনিটি লোপ পেয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে শব্দের শেষে 'অ' ধ্বনি বা 'ও' কারের সৃষ্টি করেছে।</li>
<li>যেমন: প্রাচীন রূপ 'করহ' থেকে আধুনিক রূপ হয়েছে 'কর' (যেখানে 'অ' ধ্বনি বিদ্যমান) অথবা 'করো' (যেখানে 'ও' কার যুক্ত হয়েছে)।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, ভাষাগত পরিবর্তনের ধারায় এই 'হ' ধ্বনিটিই বর্তমানে <strong>'অ'</strong> এবং <strong>'ও'</strong> হিসেবে আমাদের ভাষায় স্থায়ী হয়েছে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।