<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুরোধ</strong>। কারণ বাক্যটি খুব ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন, এখানে কোনো কঠোর আদেশ বা উপদেশ দেওয়া হচ্ছে না, বরং কাউকে কোনো কাজ করার জন্য বিনয়ের সাথে বলা হচ্ছে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>'করিও'</strong> ক্রিয়াপদটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণত কাউকে কোনো কাজ করার জন্য অনুরোধ বা মিনতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যদি এটি আদেশ হতো, তবে সাধারণত 'করো' বা 'করুন' ব্যবহার করা হতো।</li>
<li>যেহেতু এখানে বক্তা অপর পক্ষকে কাজটি করার জন্য অনুরোধ করছেন, তাই এটি অনুরোধবাচক অনুজ্ঞা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আঁক</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় ধাতুগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে একটি হলো খাঁটি বাংলা ধাতু।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি, বরং বাংলা ভাষার নিজস্ব প্রকৃতি অনুযায়ী তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে খাঁটি বাংলা ধাতু বলে।</li>
<li><strong>আঁক</strong> শব্দটি একটি মৌলিক ধাতু, যা থেকে আঁকা, আঁকি, আঁকেন—এমন বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, অঙ্ক একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই ব্যাকরণগতভাবে <strong>আঁক</strong>-ই হলো খাঁটি বাংলা ধাতুর সঠিক উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুনরাগমন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ফির' ধাতুটি মূলত কোনো কিছু পুনরায় বা আবার ফিরে আসা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় 'ফির' ধাতুর সাথে যখন কোনো শব্দ যুক্ত হয়, তখন তা সাধারণত কোনো কাজ পুনরায় করা বা আগের জায়গায় ফিরে আসার অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন: 'ফিরতি' বা 'ফিরিয়া আসা' শব্দগুলো দিয়ে আমরা সবসময়ই কোনো কিছুর পুনরাবৃত্তি বা পুনরায় ফিরে আসাকেই বুঝি।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে 'ফির' ধাতুর মূল অর্থ হলো কোনো কিছুর <strong>পুনরাগমন</strong> বা পুনরায় আগমন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ ব্যাকরণের এই অংশে শব্দের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ধাতু</strong> হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যা থেকে নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়।</li>
<li>শব্দ বা পদের গঠন, রূপান্তর এবং এর অভ্যন্তরীণ কাঠামো নিয়ে ব্যাকরণের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>রূপতত্ত্ব</strong> (Morphology) বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু ধাতু শব্দের গঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত, তাই এটি রূপতত্ত্বেরই অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বা রূপ পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ই রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</p>
<p>ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে মূলত <strong>২টি</strong> অংশ পাওয়া যায়। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যেকোনো ক্রিয়াপদ গঠিত হয় একটি মূল অংশ এবং তার সাথে যুক্ত বিভক্তি বা প্রত্যয় নিয়ে।</p>
<ul>
<li><strong>ধাতু বা ক্রিয়ামূল:</strong> এটি হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যা ক্রিয়াটির অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: 'কর' বা 'চল'।</li>
<li><strong>ক্রিয়া বিভক্তি:</strong> ধাতুর সাথে যা যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদকে পূর্ণতা দেয়। যেমন: 'কর' + 'ই' = 'করি'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্রিয়াপদকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>ধাতু + ক্রিয়া বিভক্তি = ক্রিয়াপদ</strong>। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>২টি</strong>।</p>
বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষের ক্রিয়ার রূপ লক্ষ্য করা যায়
ব্যাখ্যা:
<p>ধাতু বা ক্রিয়ামূল চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদকে বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষের রূপ দিয়ে পরীক্ষা করা। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li>যেকোনো ক্রিয়াপদকে যদি আমরা তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষে (যেমন: তুই) রূপান্তর করি, তবে যে অংশটি অবশিষ্ট থাকে, সেটিই হলো ধাতু।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'করো' বা 'করছেন' ক্রিয়াপদটিকে তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষে নিলে হয় <strong>'কর'</strong>। এখানে <strong>'কর'</strong>-ই হলো মূল ধাতু।</li>
<li>এই পদ্ধতিতে খুব দ্রুত যেকোনো ক্রিয়াপদ থেকে তার মূল অংশটি আলাদা করা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই, বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষের ক্রিয়ার রূপ লক্ষ্য করাই হলো ধাতু চেনার সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</p>
<p>বাংলা মহাকাব্যের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>উনিশ শতকের জাতীয়তাবোধ</strong>। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকে বাঙালি সমাজে নবজাগরণের ছোঁয়া লাগে, যার ফলে মানুষের মধ্যে নিজের দেশ ও সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে গর্ববোধ তৈরি হয়।</li>
<li>এই জাতীয়তাবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য কবিরা মহাকাব্যের মতো বিশাল ও মহৎ আঙ্গিক বেছে নেন।</li>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের মতো কবিরা পাশ্চাত্য মহাকাব্যের আদলে দেশীয় বীরত্বগাথা ও জাতীয় গৌরবকে মহাকাব্যের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেন, যা সেই সময়ের জাতীয়তাবোধের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিজের জাতিকে বড় করে দেখার এবং ঐতিহ্যের প্রতি গভীর ভালোবাসাই ছিল সেই সময়ে মহাকাব্য রচনার মূল প্রেরণা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মেঘনাদবধ</strong>। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার অমর সৃষ্টি এই মহাকাব্যটি এই ছন্দেই লেখা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> এই ছন্দে কোনো পঙক্তির শেষে মিল থাকে না এবং প্রতিটি পঙক্তি তার আগের বা পরের পঙক্তির ওপর নির্ভর না করে স্বাধীনভাবে শেষ হয়।</li>
<li><strong>বীররস:</strong> মহাকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বীরত্বগাথা। মধুসূদন দত্ত রামায়ণের কাহিনীকে অবলম্বন করে মেঘনাদকে বীর হিসেবে উপস্থাপন করে এই কাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>মধুসূদনের অবদান:</strong> বাংলা কাব্যে সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রয়োগের জন্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</li>
</ul>
৫৯৪
নিচের কোন সাহিত্যিক আততায়ীর হাতে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোমেন চন্দ্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত মেধাবী এবং প্রগতিশীল লেখক ছিলেন।</p>
<ul>
<li>সোমেন চন্দ্র ছিলেন একজন মার্ক্সবাদী লেখক ও সংগঠক।</li>
<li>১৯৪২ সালের ৮ মার্চ ঢাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় আততায়ীদের হাতে তিনি নির্মমভাবে নিহত হন।</li>
<li>তার অকাল মৃত্যু বাংলা সাহিত্যে এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার রাজনৈতিক আদর্শ এবং সাহসিকতার কারণেই তিনি সেই উত্তাল সময়ে আততায়ীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে নবীন বা কণিষ্ঠতম শাখা হলো <strong>ছোটগল্প</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে কবিতা, নাটক বা প্রবন্ধের ইতিহাস অনেক পুরনো হলেও ছোটগল্পের বিকাশ ঘটেছে তুলনামূলকভাবে অনেক পরে।</li>
<li>উনিশ শতকের শেষভাগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্পের প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।</li>
<li>অন্যান্য শাখার তুলনায় এটি আকারে ছোট এবং আধুনিক জীবনের খণ্ডচিত্র তুলে ধরার জন্য এটিই সবচেয়ে আধুনিক ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের বিবর্তনের ধারায় সবশেষে যুক্ত হওয়া এই শাখাটিকেই আমরা কণিষ্ঠতম শাখা হিসেবে গণ্য করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দিঠি</strong>। কারণ 'দিঠি' শব্দের অর্থ হলো দৃষ্টি বা চোখ, যা 'পত্র' শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'পত্র' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পাতা, চিঠি, বা কোনো কিছু লেখার কাগজ।</li>
<li>প্রসঙ্গভেদে এটি চিহ্ন বা স্মারক হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>দিঠি</strong> শব্দটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করে, যার সাথে পত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<p>বাংলা ভাষায় অনেক শব্দই অন্য ভাষা থেকে এসেছে, যাদের আমরা 'আগন্তুক' বা 'বিদেশি' শব্দ বলি। 'চিঠি' শব্দটি মূলত হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'চিঠি' শব্দটি হিন্দি ভাষার একটি প্রচলিত শব্দ।</li>
<li>বাংলায় দৈনন্দিন ব্যবহারের অনেক শব্দই হিন্দি থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে, যার মধ্যে 'চিঠি' অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ মনে রাখতে শব্দের উৎসগুলো ছোট ছোট তালিকায় ভাগ করে বারবার রিভিশন দিলে খুব দ্রুত আয়ত্তে চলে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিঠি</strong>। কারণ শিক্ষার প্রসারে এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে চিঠিপত্র ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষ একে অপরের কাছে জ্ঞান ও তথ্য পৌঁছে দেয়, যা শিক্ষার একটি মৌলিক ভিত্তি।</li>
<li>অন্যান্য মাধ্যমগুলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হলেও, শিক্ষার সাধারণ ও চিরাচরিত বাহন হিসেবে চিঠির গুরুত্ব অনেক আগে থেকেই স্বীকৃত।</li>
<li>সহজ ভাষায় বলতে গেলে, শিক্ষার বার্তা বা জ্ঞান এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে সহজ ও প্রাচীন মাধ্যম হলো এই চিঠি।</li>
</ul>
৫৯৯
কোনটি আবিস্কারের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সবচেয়ে সহজ হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোবাইল ফোন</strong>। কারণ বর্তমান যুগে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে দ্রুত এবং কার্যকর মাধ্যম। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>পোর্টেবিলিটি:</strong> মোবাইল ফোন পকেটে নিয়ে যেকোনো জায়গায় ঘুরে বেড়ানো যায়, ফলে আপনি পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারছেন।</li>
<li><strong>তাৎক্ষণিকতা:</strong> ফ্যাক্স বা ই-মেইলের তুলনায় মোবাইল ফোনে সরাসরি কথা বলা বা মেসেজ পাঠানো অনেক বেশি সহজ ও দ্রুত।</li>
<li><strong>বহুমুখী ব্যবহার:</strong> এখনকার স্মার্টফোন দিয়ে শুধু কথা বলাই নয়, বরং ভিডিও কল, ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মোবাইল ফোন আমাদের হাতের মুঠোয় পুরো পৃথিবীকে এনে দিয়েছে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে করেছে সবচেয়ে সহজ ও গতিশীল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। মূলত পত্র বা চিঠিপত্রকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যক্তিগত পত্র:</strong> যা আমরা বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনকে লিখে থাকি।</li>
<li><strong>ব্যবহারিক বা আনুষ্ঠানিক পত্র:</strong> যা বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ, আবেদনপত্র বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে লেখা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে লেখা চিঠি আর প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে লেখা চিঠির এই দুটি মূল ধরণই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।