<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরালোকে দিব্যরথ</strong>। শামসুর রহমানের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ দীর্ঘ, তবে এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর কাব্যশৈলীতে নাগরিক জীবনের প্রতিফলন স্পষ্ট।</li>
<li><strong>নিরালোকে দিব্যরথ</strong> কাব্যগ্রন্থটি তাঁর কাব্যযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে নির্দেশ করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর প্রধান বইগুলোর নামের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব সহজেই এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: খুকী, রহমত - খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন</strong>। কারণ এই তথ্যটি ভুল।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প <strong>'কাবুলিওয়ালা'</strong>-র প্রধান দুটি চরিত্র হলো রহমত এবং মিনু (যাকে গল্পের শুরুতে খুকী হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে)।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>'খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন'</strong> গল্পটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, যার মূল চরিত্র হলো রায়চরণ।</li>
<li>যেহেতু রহমত এবং খুকী 'কাবুলিওয়ালা' গল্পের চরিত্র, তাই 'খোকা বাবুর প্রত্যাবর্তন'-এর সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের তালিকায় <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>, <strong>লালসালু</strong> এবং <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি উপন্যাসের নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামগুলো একসাথে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দ মঠ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
<ul>
<li><strong>আনন্দ মঠ</strong> উপন্যাসটি লিখেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি মূলত সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>লালসালু</em>, <em>চাঁদের অমাবস্যা</em> এবং <em>কাঁদো নদী কাঁদো</em>—এই তিনটি কালজয়ী উপন্যাসই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নিজস্ব সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে মনে রাখবেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক উপন্যাসের নামই হলো আনন্দ মঠ, যা ওয়ালীউল্লাহর রচনার তালিকায় পড়ে না।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থটির নাম হলো <strong>মরুভাস্কর</strong>। এই বইটিতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবন ও আদর্শ অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনচরিত।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার কৌশল:</strong> 'মরু' মানে মরুভূমি আর 'ভাস্কর' মানে সূর্য। মরুভূমির বুকে যিনি সূর্যের মতো জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন, তিনিই আমাদের প্রিয় নবী (স)। এই উপমা থেকেই বইটি মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মরু ভাস্কর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>মরু ভাস্কর</strong> গ্রন্থটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক <strong>মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী</strong> রচনা করেছেন।</li>
<li>এই বইটিতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর জীবন ও আদর্শ অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর জীবনী নিয়ে লেখা বইগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ণফুলি</strong>। এই উপন্যাসটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>অদ্বৈত মল্লবর্মণ</strong> রচনা করেছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির পটভূমি গড়ে উঠেছে মূলত কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে বাস্তুচ্যুত হওয়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, তাদের বেঁচে থাকার লড়াই এবং প্রকৃতির সাথে তাদের গভীর সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষিকাজ</strong>। খনার বচন মূলত আবহমান বাংলার কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার এক অনন্য দলিল।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>খনার বচনগুলো মূলত কৃষি কাজের সময় নির্ধারণ, শস্য উৎপাদন এবং আবহাওয়া পূর্বাভাস নিয়ে তৈরি।</li>
<li>প্রাচীনকালে কৃষকরা কখন বীজ বপন করবেন বা কখন ফসল কাটবেন, তার নির্দেশনা হিসেবে এই বচনগুলো ব্যবহার করতেন।</li>
<li>এগুলো মূলত কৃষিকাজের সাথে সম্পর্কিত প্রবাদ বা লোকজ্ঞান, যা আজও আমাদের কৃষকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কার্যকর।</li>
</ul>
<p>তাই কৃষিকাজই হলো খনার বচনের মূল উপজীব্য বিষয়।</p>
<p>গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত <strong>নাটগীতি</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যটি মূলত সংলাপধর্মী, যেখানে রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই—এই তিনটি চরিত্রের কথোপকথনের মাধ্যমেই পুরো কাহিনী এগিয়েছে।</li>
<li>এর গঠনশৈলী অনেকটা আধুনিক নাটকের মতো, যেখানে চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সংলাপের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>বড়ু চণ্ডীদাসের এই কাব্যে গীত বা গানের ব্যবহার থাকলেও, এর মূল কাঠামোটি নাট্যধর্মী হওয়ায় সাহিত্য সমালোচকরা একে ‘নাটগীতি’ হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন।</li>
</ul>
<p>গঠনরীতিতে <strong>‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’</strong> কাব্যকে মূলত <strong>নাট্যগীতি</strong> বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই—এই তিনটি চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে।</li>
<li>এখানে কোনো বর্ণনামূলক অংশ নেই, বরং নাটকের মতো চরিত্রগুলোর কথোপকথন বা সংলাপই মূল ভিত্তি।</li>
<li>কাব্যের প্রতিটি পদ বা অংশ গীতধর্মী, যা অভিনয়ের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু এটি সংলাপনির্ভর এবং গীতিধর্মী, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি চমৎকার <strong>নাট্যগীতি</strong>।</p>
৫৬০৭
গতিবাদের প্রভাবে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বলাকা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যসাহিত্যের বিবর্তনে এই কাব্যগ্রন্থটি একটি বিশেষ মাইলফলক।</p>
<p>কেন এটি গতিবাদের প্রভাবপুষ্ট, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থে কবি চঞ্চলতা, গতিশীলতা এবং পরিবর্তনের জয়গান গেয়েছেন।</li>
<li>এখানে তিনি দেখিয়েছেন যে, জগত স্থির নয়, বরং নিরন্তর ছুটে চলাই জীবনের ধর্ম।</li>
<li>এই কাব্যের বিখ্যাত কবিতাগুলোতে তিনি বিশ্বচরাচরের এই গতিময় রূপকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মূলত তৎকালীন সময়ের গতিবাদের দর্শনের সাথে মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্থবিরতাকে ভেঙে অজানার উদ্দেশ্যে ছুটে চলার যে ব্যাকুলতা, তা-ই এই কাব্যগ্রন্থের মূল সুর।</p>
৫৬০৮
গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে.... গানের গীতিকার কে?
<p>এই কালজয়ী গানটির গীতিকার হলেন <strong>শাহ আবদুল করিম</strong>। বাউল সম্রাট হিসেবে পরিচিত এই গুণী শিল্পী তাঁর সহজ-সরল কথার জাদুতে জীবন ও দর্শনের গভীর সব কথা ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>গানটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শাহ আবদুল করিমের গানে সাধারণত গ্রামীণ জীবন ও সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনের প্রতিচ্ছবি থাকে।</li>
<li>'গাড়ি চলে না' গানটিও ঠিক তেমনি একটি রূপকধর্মী গান, যেখানে তিনি মানুষের শরীর বা জীবনকে একটি অচল গাড়ির সাথে তুলনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই গানের কথা শুনবেন, মনে রাখবেন এটি ভাটি অঞ্চলের কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি 'গীতাঞ্জলি' মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গীতাঞ্জলি হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ১৫৭টি কবিতার একটি সংকলন।</li>
<li>১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings'-এর জন্যই তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।</li>
<li>এটি কোনো নাটক, গল্প বা প্রবন্ধ নয়, বরং এটি কবির গভীর আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক অনুভূতির এক কাব্যিক প্রকাশ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ডবলিউ বি. ইয়েটস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের সাফল্যের পেছনে ইয়েটসের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাঁর কবিতার ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন, যা <strong>'Song Offerings'</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>এই অনুবাদের পাণ্ডুলিপিটি দেখার পর বিখ্যাত আইরিশ কবি <strong>ডবলিউ বি. ইয়েটস</strong> এর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর ভূমিকা লিখে দেন।</li>
<li>ইয়েটসের সম্পাদনা এবং ভূমিকার কারণেই বইটি বিশ্বসাহিত্যে দ্রুত পরিচিতি পায় এবং ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।