<p>‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস, যা মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong> তার এই উপন্যাসে ঢাকার পুরান ঢাকার ভাষা ও জীবনযাত্রাকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র <strong>ওসমান</strong>, যার মানসিক টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক সচেতনতা পুরো কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি মূলত ষাটের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাসের নাম:</strong> চিলেকোঠার সেপাই।</li>
<li><strong>লেখক:</strong> আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।</li>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং তৎকালীন ঢাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের টানাপোড়েন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় অনেক সময় নামের বানানে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই মনে রাখবেন—লেখকের নামের সঠিক বানান হলো <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>। এটি তাঁর লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় একটি কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণদাস কবিরাজ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা গ্রন্থগুলোর মধ্যে তাঁর রচিত <strong>‘শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত’</strong> সর্বশ্রেষ্ঠ ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চৈতন্যদেবের জীবনের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক তত্ত্বের সবচেয়ে গভীর বিশ্লেষণ পাওয়া যায় এই গ্রন্থে।</li>
<li>গ্রন্থটি মোট তিনটি খণ্ডে বিভক্ত: আদি, মধ্য ও অন্ত্যলীলা।</li>
<li>এর অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও কাব্যিক শৈলীর কারণে একে চৈতন্য জীবনী সাহিত্যের <strong>‘বাইবেল’</strong> বা শ্রেষ্ঠ আকর গ্রন্থ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃন্দাবন দাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা প্রথম ও অন্যতম প্রধান গ্রন্থ হলো <strong>‘চৈতন্য-ভাগবত’</strong>।</li>
<li>এই অমর গ্রন্থটি রচনা করেন বৃন্দাবন দাস, যাকে শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা বর্ণনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবন ও তাঁর ভক্তিমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়ার জন্য বৃন্দাবন দাসের এই রচনাটিই বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল।</li>
</ul>
<p>‘চোখের বালি’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘চোখের বালি’ অন্যতম, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারার সূচনা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>গল্পটি মূলত বিনোদিনী নামের এক বিধবা নারীর জীবন ও মনস্তত্ত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। ‘চোখের বালি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হলো ‘চোখের বালি’।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি বিনোদিনী, মহেন্দ্র ও আশালতার সম্পর্কের জটিল সমীকরণ খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের কালজয়ী এই সৃষ্টিটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘চোখের বালি’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হলো ‘চোখের বালি’।</li>
<li>এটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি মাইলফলক।</li>
<li>তাই যখনই ‘চোখের বালি’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রাখলেই হবে!</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছন্দের কারুকাজ ও শব্দের চমৎকার ব্যবহারের জন্য তাকেই ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতায় ছন্দের যে বৈচিত্র্য ও ছন্দময় ঝংকার দেখা যায়, তা বাংলা সাহিত্যে বিরল।</li>
<li>তিনি বিদেশি ভাষার অনেক কবিতাকে চমৎকার ছন্দে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, যা তার ছন্দশৈলীর দক্ষতার প্রমাণ দেয়।</li>
<li>তার এই অসাধারণ ছন্দবোধের কারণেই তাকে সাহিত্যে ‘ছন্দের জাদুকর’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা সাহিত্যে ছন্দের কারুকাজ এবং শব্দের ঝংকার তৈরিতে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জুড়ি মেলা ভার। তিনি বাংলা কবিতায় নতুন নতুন ছন্দ ও ছন্দের বৈচিত্র্য নিয়ে এসেছিলেন, যার কারণে তাকে <strong>‘ছন্দের যাদুকর’</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>তার কবিতায় শব্দের ছন্দময় ব্যবহার পাঠককে মুগ্ধ করে।</li>
<li>তিনি বিদেশি ভাষার অনেক ছন্দ বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে প্রয়োগ করেছেন।</li>
<li>বাংলা ছন্দের ওপর তার অসাধারণ দখলই তাকে এই বিশেষ পরিচয়ে পরিচিত করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে 'ছন্দের যাদুকর' বলা হয়। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা কবিতার ছন্দে এক অসাধারণ কারুকার্য ও বৈচিত্র্য নিয়ে এসেছিলেন।</li>
<li>শব্দ চয়ন এবং ছন্দের মিল তৈরিতে তার দক্ষতা ছিল অতুলনীয়, যা অন্য কবিদের থেকে তাকে আলাদা করে তোলে।</li>
<li>তার লেখা কবিতাগুলোতে ছন্দের যে ছন্দময় দোলা ও সাবলীল গতি পাওয়া যায়, তা বাংলা সাহিত্যে বিরল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছন্দের ওপর তার এই জাদুকরী দখলের কারণেই তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাকে ‘ছন্দের যাদুকর’ বলা হয় কারণ তিনি ছন্দের কারুকাজে ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</p>
<ul>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতায় ছন্দের বিচিত্র ও চমৎকার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।</li>
<li>তিনি বিদেশি ভাষার অনেক কবিতাকে বাংলা ছন্দে এমনভাবে অনুবাদ করেছিলেন যে, তা মূল কবিতার মতোই সাবলীল মনে হতো।</li>
<li>শব্দচয়ন এবং ছন্দের জাদুকরী প্রয়োগের কারণেই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আহসান হাবীব</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর কাব্যিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>আহসান হাবীব</strong> মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি।</li>
<li>তাঁর কাব্যশৈলীতে নাগরিক জীবনের যন্ত্রণা ও মধ্যবিত্তের জীবনবোধ খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘ছায়া হরিণ’ ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য আরও কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো ‘অরণ্য নীলিমা’, ‘মেঘ বলে চৈত্রে যাবো’ এবং ‘দুঃশাসনে’।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য কবির নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে কয়েকবার মনে মনে আওড়ালে বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</p>
<p>‘ছায়াহরিণ’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>আহসান হাবীব</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর কাব্যিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> আহসান হাবীব আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থের বৈশিষ্ট্য:</strong> তাঁর কবিতায় নাগরিক জীবনের যন্ত্রণা ও রোমান্টিকতার এক দারুণ সংমিশ্রণ পাওয়া যায়, যা ‘ছায়াহরিণ’ কাব্যগ্রন্থেও ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে চাইলে ‘ছায়াহরিণ’ নামটি তাঁর নামের সাথে মিলিয়ে একটি ছন্দ তৈরি করে নিতে পারেন।</li>
</ul>
৫৬৫৪
‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দিরা দেবী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘ছিন্নপত্র’ বা ‘ছিন্নপত্রাবলী’র অধিকাংশ চিঠিই মূলত তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে উদ্দেশ্য করে লেখা।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন শিলাইদহ বা শাহজাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার কাজে থাকতেন, তখন তাঁর মনের নানা অনুভূতি, প্রকৃতির বর্ণনা এবং সমসাময়িক চিন্তাভাবনাগুলো চিঠির মাধ্যমে ইন্দিরা দেবীকে জানাতেন।</li>
<li>এই চিঠিগুলোই পরবর্তীতে ‘ছিন্নপত্র’ নামে সংকলিত হয়, যা কবির ব্যক্তিগত জীবনের এক অনন্য দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের জগতে এক অনন্য নাম, যিনি তাঁর নিরীক্ষাধর্মী নাটকের জন্য পরিচিত। 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাদৃত নাটক। এই নাটকটি মূলত তাঁর নাট্যশৈলীর এক চমৎকার উদাহরণ, যেখানে তিনি রূপক ও প্রতীকী ভাষার মাধ্যমে সমাজ ও মানুষের জীবনের জটিলতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সেলিম আল দীন।</li>
<li><strong>নাটকের ধরন:</strong> এটি তাঁর অন্যতম আলোচিত ও নিরীক্ষাধর্মী নাটক।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> সেলিম আল দীনের নাটকের নামের ক্ষেত্রে প্রায়ই একটু ভিন্নধর্মী ও কাব্যিক শব্দগুচ্ছ দেখা যায়, যা দেখে সহজেই তাঁর কাজগুলো আলাদা করা যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।