eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৬২৬

চর্যাপদের টীকাকারের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের টীকাকারের নাম হলো <strong>মুনিদত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সংগীত। এই পদগুলোর অর্থ ও গভীর ভাবার্থ সহজভাবে বোঝানোর জন্য সংস্কৃত ভাষায় তিনি একটি টীকা লিখেছিলেন, যার নাম ছিল 'নির্বাণ-কালিকা'।</p>

<ul>
<li>চর্যাপদ আবিষ্কারের পর এর অর্থ উদ্ধার করা বেশ কঠিন ছিল।</li>
<li>মুনিদত্তের লেখা এই টীকাটিই পরবর্তীতে চর্যাপদের পদগুলোর অর্থ বুঝতে গবেষকদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।</li>
<li>তাই চর্যাপদের টীকাকার হিসেবে মুনিদত্তের নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৫৬২৭

চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রবোধচন্দ্র বাগচী
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কারের কৃতিত্ব হলো <strong>প্রবোধচন্দ্র বাগচী</strong>-র। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>প্রবোধচন্দ্র বাগচী নেপালের রাজদরবার এবং তিব্বতি পুঁথিশালায় দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছিলেন।</li>
<li>তিনিই প্রথম তিব্বতি ভাষায় সংরক্ষিত চর্যাপদের অনুবাদ বা 'চর্যাগীতি কোষ' খুঁজে বের করেন।</li>
<li>তাঁর এই আবিষ্কার বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে আরও স্পষ্ট ও সমৃদ্ধ করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের তিব্বতি সংস্করণের সাথে প্রবোধচন্দ্র বাগচীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
৫৬২৮

চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রবোধচন্দ্র বাগচী
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশের কৃতিত্ব মূলত <strong>প্রবোধচন্দ্র বাগচী</strong>-র। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তিব্বতি ভাষায় সংরক্ষিত চর্যাপদের অনুবাদগুলো খুঁজে বের করেন এবং সেগুলোর ওপর বিস্তারিত গবেষণা করেন।</p>

<ul>
<li><strong>প্রবোধচন্দ্র বাগচী</strong> ১৯৩৮ সালে তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদের পুঁথিগুলো নিয়ে কাজ শুরু করেন।</li>
<li>তার এই গবেষণার মাধ্যমেই চর্যাপদের মূল তিব্বতি রূপটি বিশ্ববাসীর সামনে আসে, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বুঝতে আমাদের দারুণ সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের কথা শুনলেই আমাদের মনে রাখতে হবে <strong>প্রবোধচন্দ্র বাগচী</strong>-র নাম, কারণ তিনিই ছিলেন এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রধান গবেষক।</p>
৫৬২৯

চর্যাপদের পদকর্তা কত জন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২৪ জন
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, বর্তমানে স্বীকৃত ও সঠিক উত্তর হলো <strong>২৪ জন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ হিসাবটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে পদকর্তার সংখ্যা ছিল ২৩ জন।</li>
<li>তবে ড. সুকুমার সেনসহ অধিকাংশ গবেষক ও ঐতিহাসিকদের মতে, চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা <strong>২৪ জন</strong>।</li>
<li>যদিও চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা ৪৬টি (সাড়ে ৪৬টি), কিন্তু এই পদগুলো রচনা করেছেন মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্য।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষায় সঠিক উত্তর হিসেবে <strong>২৪ জন</strong>-কেই বেছে নেওয়া সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।</p>
৫৬৩০

চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাহ্নপা
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন <strong>কাহ্নপা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের কবিদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং সক্রিয়।</p>

<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদসংখ্যা ৪৬টি।</li>
<li>এর মধ্যে <strong>কাহ্নপা</strong> একাই রচনা করেছেন মোট ১৩টি পদ।</li>
<li>অন্যান্য কবিদের তুলনায় তাঁর রচনার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়, সাহিত্যিক বিচারে তিনিই শীর্ষে অবস্থান করেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের কবিদের তালিকায় কাহ্নপার নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তরটি আর ভুল হবে না।</p>
৫৬৩১

চর্যাাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপালের রাজগ্রন্থশালা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong> নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>সহজ কথায়, নেপালের রাজকীয় সংগ্রহশালা থেকেই এই অমূল্য সম্পদটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল বলে এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৫৬৩২

চর্যাাপদ কোন ছন্দে লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদ মূলত <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>

<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি অক্ষরের মাত্রা গণনা করা হয়।</li>
<li>এখানে মুক্তদল ১ মাত্রা এবং বদ্ধদল ২ মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>চর্যাপদের পদগুলো পড়ার সময় আমরা একটি নির্দিষ্ট লয় বা তাল অনুভব করি, যা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের পঙক্তিগুলোর গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেখানে মাত্রার হিসাবটি বেশ সুশৃঙ্খল। এই ছন্দবিন্যাসই মূলত মাত্রাবৃত্তের নিয়ম মেনে চলে, তাই একে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আদি নিদর্শন বলা হয়।</p>
৫৬৩৩

‘চাচা কাহিনীর’ লেখক -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা:
<p>‘চাচা কাহিনী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রম্য রচনা, যার লেখক হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলী তার ভ্রমণকাহিনী ও রম্য রচনার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>‘চাচা কাহিনী’ ছাড়াও তার লেখা <strong>‘দেশে বিদেশে’</strong> এবং <strong>‘পঞ্চতন্ত্র’</strong> বইগুলোও বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত।</li>
<li>তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো হাস্যরস এবং চমৎকার বর্ণনাভঙ্গি, যা ‘চাচা কাহিনী’ বইটিতে খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৫৬৩৪

‘চাচা কাহিনীর’ লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা:
<p>‘চাচা কাহিনী’ বইটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি রম্য রচনা।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার রসবোধ এবং ভ্রমণকাহিনি।</li>
<li>‘চাচা কাহিনী’ ছাড়াও তার বিখ্যাত আরও কিছু বই হলো ‘দেশে বিদেশে’ এবং ‘পঞ্চতন্ত্র’।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নাম এবং বইয়ের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
৫৬৩৫

‘চাচা কাহিনীর’ লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
৫৬৩৬

‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক শিক্ষকের নাম -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আরেফ আলী
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস ‘চাঁদের অমাবস্যা’র মূল চরিত্র বা যুবক শিক্ষকের নাম হলো <strong>আরেফ আলী</strong>।</p>

<p>উপন্যাসটি পড়ার সময় এই নামটা মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আরেফ আলী একজন আদর্শবাদী ও বিবেকবান শিক্ষক।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে তার চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং নৈতিক দ্বন্দ্বই পুরো উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
<li>তাই মনে রাখুন: <strong>চাঁদের অমাবস্যা = আরেফ আলী</strong>।</li>
</ul>
৫৬৩৭

‘চাঁদের পাহাড়’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘চাঁদের পাহাড়’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস।</li>
<li>এই কালজয়ী উপন্যাসের লেখক হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</li>
<li>শঙ্কর নামের এক বাঙালি যুবকের আফ্রিকার গহীন অরণ্যে রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প নিয়েই এই উপন্যাসটি রচিত, যা বিভূতিভূষণের লেখনীতে অনন্য রূপ পেয়েছে।</li>
</ul>
৫৬৩৮

‘চিত্তনামা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>‘চিত্তনামা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি মূলত একটি শোকগাথা বা শোকাবহ কাব্যগ্রন্থ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নজরুল এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>নজরুলের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি বিশেষ শোকাবহ সৃষ্টি, যা দেশপ্রেম ও গভীর আবেগের বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
৫৬৩৯

‘চিত্রা’ রবীন্দ্রনাথের একটি -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘চিত্রা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ।</p>

<ul>
<li>‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাই শিলাইদহে অবস্থানকালে রচিত হয়েছে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের কাব্যধারার বিবর্তনে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এটি কোনো উপন্যাস, নাটক বা প্রবন্ধ নয়, বরং এটি কবির এক অনন্য কাব্যিক সৃষ্টি। তাই পরীক্ষার জন্য এটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবেই মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
৫৬৪০

‘চিলেকোঠাই সেপাই’ উপন্যাসের ঔপন্যাসিক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’ মূলত ষাটের দশকের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই অসাধারণ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তার লেখনশৈলী এবং উপন্যাসের চরিত্রায়নের গভীরতা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</p>

<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> চিলেকোঠার সেপাই</li>
<li><strong>লেখক:</strong> আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</li>
<li><strong>মূল প্রেক্ষাপট:</strong> ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই নাম দুটি একসাথে মাথায় গেঁথে নিন, তাহলেই আর ভুল হবে না!</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।