<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শবদাহ</strong>। কারণটি খুব সহজ—বাংলা ব্যাকরণে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটালে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শব</strong> শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li><strong>দাহ</strong> শব্দটিও তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li>যেহেতু দুটি শব্দই একই উৎস থেকে এসেছে, তাই এদের ব্যবহারে কোনো ভাষাগত অসামঞ্জস্য নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একই জাতীয় শব্দের সংমিশ্রণ হওয়ায় <strong>শবদাহ</strong> শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং মার্জিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুকুন্দরাম চক্রবর্তী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর অমর সৃষ্টি <strong>'চণ্ডীমঙ্গল'</strong> কাব্যের জন্য বিখ্যাত।</p>
<ul>
<li>এই কাব্যটি মূলত দুটি প্রধান খণ্ডে বিভক্ত: <strong>আখেটিক খণ্ড</strong> এবং <strong>বণিক খণ্ড</strong>।</li>
<li>কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে <strong>'কবিকঙ্কণ'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা তাঁর কাব্যপ্রতিভার অনন্য স্বীকৃতি।</li>
<li>তাঁর এই কাব্যে তৎকালীন বাংলার সমাজচিত্র, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের এক চমৎকার প্রতিফলন দেখা যায়, যা একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুকুন্দদাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি স্বদেশি আন্দোলনের সময় নিজের লেখা গান গেয়ে মানুষকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করতেন।</p>
<ul>
<li>মুকুন্দদাস মূলত একজন বিখ্যাত চারণকবি ছিলেন, যিনি তাঁর গানের মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেন।</li>
<li>তাঁর এই বিশেষ ধারার গানের কারণেই তাঁকে <strong>'চরণকবি'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li>তিনি কেবল কবিই ছিলেন না, বরং তাঁর গানের সুর ও কথা মানুষের মনে দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়ে দিত।</li>
</ul>
<p>চর্যাপদ আবিষ্কারের সঠিক সাল হলো <strong>১৯০৭</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong> নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই আবিষ্কারের মাধ্যমেই বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শনের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ খুঁজে পাওয়ার বছরটি হলো <strong>১৯০৭</strong>।</p>
<p>চর্যাপদ আবিষ্কারের বিষয়টি বেশ চমকপ্রদ। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে এই অমূল্য পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আবিষ্কারক:</strong> হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।</li>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li><strong>স্থান:</strong> নেপালের রাজ গ্রন্থশালা (Royal Library of Nepal)।</li>
</ul>
<p>মূলত নেপালের রাজকীয় সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত থাকার কারণেই এটি দীর্ঘ সময় ধরে টিকে ছিল এবং পরবর্তীতে আমাদের বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে পরিচিতি পায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদ আবিষ্কারের ইতিহাসটি বেশ চমকপ্রদ:</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে এটি নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগারেই সংরক্ষিত ছিল, যা পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃতি পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নেপালের রাজদরবার থেকেই চর্যাপদ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল বলে এটি আমাদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন <strong>কাহ্নপা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের মোট ৫০টি পদের মধ্যে একাই তিনি ১৩টি পদ রচনা করেছেন।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট পদ সংখ্যা: $50$ টি।</li>
<li>কাহ্নপার রচিত পদের সংখ্যা: $13$ টি।</li>
<li>অন্যান্য কবিদের তুলনায় তাঁর পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়, তিনিই এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে সবচেয়ে বড় অবদানটি তাঁরই, তাই উত্তরটি হবে <strong>কাহ্নপা</strong>।</p>
<p>চর্যাপদে মূলত <strong>বৌদ্ধধর্মের</strong> সহজিয়া মতবাদের কথা ফুটে উঠেছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি ছিল তৎকালীন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন-ভজনের গান।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত <strong>বৌদ্ধ সহজিয়া</strong> সাধকদের রচিত।</li>
<li>এই পদগুলোতে রূপক বা সান্ধ্যভাষার মাধ্যমে বৌদ্ধধর্মের বিভিন্ন তত্ত্ব, যেমন—শূন্যবাদ, নির্বাণ লাভ এবং গুরুবাদের কথা বলা হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, চর্যাপদ হলো বৌদ্ধ ধর্মের সাধন সংগীতের একটি সংকলন।</li>
</ul>
<p>চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন <strong>কাহ্নপা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি চর্যাপদের প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ৪৬টি।</li>
<li>এর মধ্যে <strong>কাহ্নপা</strong> একাই রচনা করেছেন মোট ১৩টি পদ।</li>
<li>অন্যান্য কবিদের তুলনায় তাঁর পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়, তাঁকে চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী কবি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে সবচেয়ে বড় অবদানটি তাঁরই, তাই উত্তরটি হবে কাহ্নপা।</p>
<p>চর্যাপদের আদি কবি হলেন <strong>লুইপা</strong>। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ নিয়ে যখনই প্রশ্ন আসে, তখন লুইপাকেই আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। এর পেছনে সহজ কিছু কারণ রয়েছে:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অধিকাংশ ভাষাবিদ ও গবেষক লুইপাকেই চর্যাপদের প্রাচীনতম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।</li>
<li>চর্যাপদের সংকলিত তালিকার প্রথম পদটি লুইপার রচনা, যা তাকে ঐতিহাসিকভাবে প্রথম স্থান দিয়েছে।</li>
<li>তার রচিত পদগুলো বাংলা ভাষার আদি রূপের সবচেয়ে কাছাকাছি, তাই তাকেই চর্যাপদের আদি কবি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের তালিকার শুরুটা লুইপাকে দিয়েই, তাই মনে রাখা একদম সহজ!</p>
<p>চর্যাপদের কবিদের মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর এর রচয়িতারা ছিলেন মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা</strong>। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের কবিরা সাধারণত নামের শেষে 'পা' যুক্ত করতেন, যা তাদের সিদ্ধাচার্য বা গুরু হওয়ার পরিচয় বহন করে।</li>
<li>লুইপা ছিলেন চর্যাপদের প্রথম কবি এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী একজন সিদ্ধাচার্য।</li>
<li>ভুসুকুপা এবং শবরপা চর্যাপদের পদ রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, তাই তাদের নামগুলোই চর্যাপদের কবি হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নামের শেষে <strong>'পা'</strong> দেখলেই বুঝে নিতে হবে তারা চর্যাপদের কবি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজঘানী বৌদ্ধ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ ধর্মের <strong>সহজিয়া মতবাদের</strong> ওপর ভিত্তি করে রচিত।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য।</li>
<li>তারা তাদের সাধনপদ্ধতি ও দর্শনের প্রচারের জন্য এই পদগুলো লিখেছিলেন, যা <strong>সহজযান</strong> বা <strong>সহজিয়া</strong> মতবাদ নামে পরিচিত।</li>
<li>এই মতবাদের মূল কথা হলো সহজ উপায়ে বা সহজ সাধনার মাধ্যমে পরম সত্য বা নির্বাণ লাভ করা।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদের কবিদের সহজঘানী বা সহজিয়া বৌদ্ধ কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
<p>চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন <strong>কাহুপা</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের মোট ৫০টি পদের মধ্যে কাহুপা একাই রচনা করেছেন ১৩টি পদ।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদসংখ্যা: $50$ টি।</li>
<li>কাহুপার রচিত পদের সংখ্যা: $13$ টি।</li>
<li>অন্যান্য পদকর্তাদের তুলনায় তার রচনার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় তিনি চর্যাপদের প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে কাহুপার অবদান সবচেয়ে বেশি, তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহুপা</strong>।</p>
<p>চর্যাপদের মোট গানের সংখ্যা হলো <strong>৫১টি</strong>। তবে এই বিষয়টি মনে রাখার সময় একটি ছোট তথ্য মাথায় রাখা জরুরি:</p>
<ul>
<li>মূল পুঁথিতে মোট <strong>৪৭টি</strong> পদ পাওয়া গিয়েছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে পণ্ডিতরা হিসাব করে দেখেছেন যে, পুঁথিতে ২৩ নম্বর পদের অর্ধেক অংশ এবং ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদগুলো সম্পূর্ণ পাওয়া যায়নি।</li>
<li>এই হিসাব অনুযায়ী, মূল পুঁথিতে পদ ছিল ৪৬টি এবং বাকি পদগুলো হারিয়ে গেছে বলে ধরে নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে তাত্ত্বিকভাবে চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা ধরা হয় <strong>৫১টি</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় চর্যাপদের মোট গান বা পদসংখ্যা জানতে চাইলে চোখ বন্ধ করে <strong>৫১টি</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন। এটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃত তথ্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।