eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬০১

পত্রের মূল বা আসল অংশ নিচের কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গর্ভাংশ/ পত্রগর্ভ
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠির মূল বা আসল অংশ হলো <strong>গর্ভাংশ বা পত্রগর্ভ</strong>। কারণ, একটি চিঠির প্রধান উদ্দেশ্যই থাকে নিজের মনের ভাব বা তথ্য অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া, আর এই কাজটি চিঠির মূল অংশেই সম্পন্ন হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শিরোনাম ও ঠিকানা:</strong> এগুলো কেবল চিঠির খাম বা ফরম্যাটের অংশ।</li>
<li><strong>সম্ভাষণ:</strong> এটি কেবল সৌজন্যমূলক সম্বোধন।</li>
<li><strong>গর্ভাংশ:</strong> এখানেই আপনি আপনার মূল কথা বা বার্তাটি বিস্তারিত লেখেন, তাই একেই চিঠির প্রাণ বা আসল অংশ বলা হয়।</li>
</ul>
৬০২

সাধারণত পত্রের দুটি অংশ থাকে, এদের নাম কী? অথবা পত্রের প্রধান অংশ দুটো কি কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শিরোনাম ও পত্রগর্ভ
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠিপত্র বা পত্র লিখনশৈলীর নিয়ম অনুযায়ী, একটি আদর্শ পত্রের প্রধান দুটি অংশ থাকে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিরোনাম ও পত্রগর্ভ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>শিরোনাম:</strong> এটি চিঠির একদম উপরের অংশ, যেখানে স্থান ও তারিখ উল্লেখ থাকে। এটি পত্রের পরিচয় বহন করে।</li>
<li><strong>পত্রগর্ভ:</strong> এটি চিঠির মূল অংশ বা মূল বক্তব্য। এখানে প্রেরক তার মনের ভাব বা প্রয়োজনীয় তথ্য বিস্তারিতভাবে লিখে থাকেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চিঠির শুরুর পরিচিতি হলো শিরোনাম আর ভেতরের মূল কথাগুলোই হলো পত্রগর্ভ। এই দুটি অংশ মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ পত্র তৈরি হয়।</p>
৬০৩

পত্রের শিরোনাম কোন অংশকে বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠিপত্রের ক্ষেত্রে <strong>প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা</strong> অংশটিকে মূলত পত্রের শিরোনাম বা শিরোনামা বলা হয়। এটি চিঠির একদম উপরের দিকে থাকে, যা দেখে সহজেই বোঝা যায় চিঠিটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে এবং কার কাছে পৌঁছাবে।</p>

<ul>
<li>চিঠির শুরুতে প্রেরকের নাম ও ঠিকানা থাকে।</li>
<li>তার ঠিক নিচেই বা ডান দিকে প্রাপকের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করা হয়।</li>
<li>এই অংশটিই চিঠির মূল পরিচিতি বহন করে বলে একে শিরোনাম বলা হয়।</li>
</ul>
৬০৪

লেখার ক্রমানুসারে সাধারণত পত্রের কয়টি অংশ থাকে? অথবা ব্যক্তিগত পত্রের সাধারণত কয়টি অংশ থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা:
<p>ব্যক্তিগত বা আনুষ্ঠানিক পত্রের গঠনশৈলী অনুযায়ী সাধারণত <strong>৬ টি</strong> অংশ থাকে। একটি আদর্শ পত্রকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে এই ছয়টি অংশ অপরিহার্য।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য অংশগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্থান ও তারিখ:</strong> পত্র লেখার জায়গা ও সময়।</li>
<li><strong>সম্বোধন:</strong> যাকে লিখছেন তার প্রতি সম্বোধন।</li>
<li><strong>মূল বক্তব্য:</strong> পত্রের প্রধান বিষয়বস্তু বা মূল অংশ।</li>
<li><strong>বিদায় সম্ভাষণ:</strong> পত্র শেষ করার সময় সৌজন্যমূলক বিদায়।</li>
<li><strong>স্বাক্ষর:</strong> প্রেরকের নাম বা স্বাক্ষর।</li>
<li><strong>ঠিকানা:</strong> প্রাপকের নাম ও ঠিকানা সম্বলিত খাম।</li>
</ul>

<p>এই ছয়টি ধাপ অনুসরণ করলে একটি পত্র তার সঠিক কাঠামো পায় এবং পড়তে সুবিধা হয়।</p>
৬০৫

একটি পত্রের জন্য কোনগুলো অপরিহার্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা:
<p>একটি আদর্শ পত্রের পূর্ণাঙ্গ রূপ পেতে হলে এখানে উল্লিখিত প্রতিটি অংশই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>, কারণ একটি চিঠির কাঠামো মূলত এই বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়:</p>

<ul>
<li><strong>সম্বোধন, পত্রগর্ভ ও বিদায় সম্ভাষণ:</strong> এগুলো ছাড়া চিঠির মূল উদ্দেশ্য বা বার্তা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।</li>
<li><strong>প্রেরকের ঠিকানা:</strong> চিঠির উত্তর পাওয়ার জন্য বা প্রেরককে শনাক্ত করার জন্য এটি অপরিহার্য।</li>
<li><strong>প্রেরকের স্বাক্ষর ও শিরোনাম:</strong> স্বাক্ষর চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করে এবং শিরোনাম বা বিষয়বস্তু চিঠির মূল উদ্দেশ্য বুঝতে সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, একটি চিঠির গ্রহণযোগ্যতা এবং স্পষ্টতা বজায় রাখতে এই সবগুলো উপাদানের উপস্থিতি থাকা জরুরি।</p>
৬০৬

পত্র প্রধানত দু প্রকার। যথা--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত পত্র ও ব্যবহারিক পত্র
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠিপত্র বা পত্রের ধরন নিয়ে অনেকেরই কিছুটা দ্বিধা থাকে, কিন্তু বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। পত্রকে মূলত তার ব্যবহারের ক্ষেত্র অনুযায়ী প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>ব্যক্তিগত পত্র:</strong> এটি মূলত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতদের কাছে লেখা হয়, যেখানে মনের ভাব প্রকাশই মূল লক্ষ্য।</li>
<li><strong>ব্যবহারিক পত্র:</strong> এটি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়, যেমন—অফিসের কাজ, আবেদনপত্র বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ।</li>
</ul>

<p>তাই পত্রের এই প্রধান দুটি ভাগ হলো <strong>ব্যক্তিগত পত্র ও ব্যবহারিক পত্র</strong>। এই দুটি মূল ধারার বাইরে বাকি সব ধরনের পত্র এই দুই বিভাগেরই অন্তর্ভুক্ত।</p>
৬০৭

পত্রের প্রধানত কয়টি অংশ থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২ টি</strong>। একটি আদর্শ পত্র বা চিঠির গঠন বিশ্লেষণ করলে আমরা মূলত দুটি প্রধান অংশ দেখতে পাই। বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>পত্রের মূল কাঠামো:</strong> একটি চিঠির প্রধান অংশ দুটি হলো <strong>পত্রের বাইরের অংশ</strong> (যেমন: খাম বা ঠিকানা) এবং <strong>পত্রের ভেতরের অংশ</strong> (যেখানে মূল বক্তব্য বা বার্তা লেখা থাকে)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চিঠির ভেতরের লেখা এবং বাইরের খাম—এই দুই মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ পত্র তৈরি হয়। তাই পত্রের প্রধান অংশ হিসেবে আমরা এই দুটিকেই বিবেচনা করি।</p>
৬০৮

ভাবের আদান-প্রদান ও সংযোগ রক্ষা করে কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ পত্র বা চিঠি হলো যোগাযোগের সবচেয়ে প্রাচীন ও কার্যকর মাধ্যম।</p>

<p>কেন পত্র সঠিক, তা নিচে দেখে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li><strong>যোগাযোগের মাধ্যম:</strong> পত্রের মাধ্যমে আমরা দূর-দূরান্তে থাকা মানুষের সাথে মনের ভাব বিনিময় করতে পারি এবং সংযোগ রক্ষা করা সহজ হয়।</li>
<li><strong>ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহার:</strong> ব্যক্তিগত খবর আদান-প্রদান থেকে শুরু করে দাপ্তরিক কাজ—সবক্ষেত্রেই পত্র একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।</li>
<li><strong>সহজ আদান-প্রদান:</strong> অন্য অপশনগুলো মূলত সাহিত্য বা ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলেও, সরাসরি সংযোগ রক্ষা করার প্রধান হাতিয়ার হলো পত্র।</li>
</ul>
৬০৯

কোন পত্রে কেবল দরকারী কথাবার্তা লিখতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারিক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যবহারিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যবহারিক পত্রের মূল উদ্দেশ্যই হলো নির্দিষ্ট কোনো কাজ বা প্রয়োজনের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা।</p>

<ul>
<li>এই ধরনের পত্রে অপ্রয়োজনীয় বা ব্যক্তিগত আলাপ-আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।</li>
<li>এখানে কেবল কাজের কথা, তথ্য বা দরকারী বিষয়গুলো খুব সংক্ষেপে ও মার্জিত ভাষায় লেখা হয়।</li>
<li>অফিসিয়াল বা দাপ্তরিক প্রয়োজনে এই পত্র ব্যবহার করা হয় বলে এটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও তথ্যবহুল হয়ে থাকে।</li>
</ul>
৬১০

সুলিখিত পত্র অনেক সময় কোন মর্যাদা লাভ করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাহিত্যের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাহিত্যের</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। যখন কোনো পত্র বা চিঠি অত্যন্ত চমৎকার ভাষা, শৈল্পিক প্রকাশভঙ্গি এবং গভীর ভাবনার সংমিশ্রণে লেখা হয়, তখন তা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না।</p>

<ul>
<li>চিঠির ভাষা ও উপস্থাপন যখন মানসম্মত হয়, তখন তা পাঠকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।</li>
<li>এমন সুলিখিত পত্রগুলো সময়ের পরিক্রমায় পাঠকদের কাছে শিল্পকর্মের মর্যাদা পায়।</li>
<li>এ কারণেই বাংলা সাহিত্যে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির পত্রাবলিকে আলাদাভাবে <strong>সাহিত্যের</strong> মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
৬১১

সুলিখিত চিঠি অনেক সময় উন্নত সাহিত্য হিসেবে বিবেচিত হয়- এর উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছিন্নপত্র'
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছিন্নপত্র'</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চিঠিপত্র সাধারণত ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম হলেও, যখন তা উচ্চমানের শিল্পগুণ ও ভাষার কারুকাজে সমৃদ্ধ হয়, তখন তা সাহিত্যের মর্যাদা পায়।</p>

<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভাইঝি ইন্দিরা দেবী ও অন্যান্যদের কাছে যে অসংখ্য চিঠি লিখেছিলেন, তার সংকলনই হলো <strong>'ছিন্নপত্র'</strong>।</li>
<li>এই চিঠিগুলোতে তৎকালীন বাংলার প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা এবং কবির নিজস্ব অনুভূতির যে শৈল্পিক বর্ণনা ফুটে উঠেছে, তা বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।</li>
<li>চিঠির আঙ্গিকে লেখা হলেও এর গভীরতা ও গদ্যশৈলী একে সাধারণ পত্রের গণ্ডি ছাড়িয়ে উন্নত সাহিত্যের পর্যায়ে নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
৬১২

পত্র লেখার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মনের ভাব অপরকে জানানো
ব্যাখ্যা:
<p>পত্র লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের মনের কথা বা ভাব অন্য কারো কাছে পৌঁছে দেওয়া। যখন আমরা সামনাসামনি কথা বলতে পারি না, তখন চিঠির মাধ্যমেই আমাদের চিন্তা, অনুভূতি বা তথ্য অন্যের কাছে কার্যকরভাবে তুলে ধরি।</p>

<p>সহজ কথায়, পত্র যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এর প্রধান কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>যোগাযোগ স্থাপন:</strong> দূরে থাকা প্রিয়জন বা পরিচিতদের সাথে মনের ভাব আদান-প্রদান করা।</li>
<li><strong>তথ্য আদান-প্রদান:</strong> কোনো নির্দিষ্ট বার্তা বা খবর লিখিত আকারে অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া।</li>
<li><strong>স্থায়ী রূপ:</strong> মৌখিক কথার চেয়ে লিখিত পত্র অনেক সময় বেশি নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>

<p>তাই, <strong>মনের ভাব অপরকে জানানোই</strong> হলো পত্র লেখার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।</p>
৬১৩

পত্রের ভাষা কেমন হওয়া প্রয়োজন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সহজ, সরল ও বিষয়ভিত্তিক
ব্যাখ্যা:
<p>একটি ভালো পত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ভাষা। পত্রের ভাষা এমন হওয়া উচিত যাতে প্রাপক খুব সহজেই মূল বিষয়টি বুঝতে পারেন। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজ, সরল ও বিষয়ভিত্তিক</strong>।</p>

<ul>
<li><strong>সহজ ও সরল:</strong> জটিল বা কঠিন শব্দ ব্যবহার করলে পত্রের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাই সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা জরুরি।</li>
<li><strong>বিষয়ভিত্তিক:</strong> পত্রের মূল কথা বা বিষয়বস্তু যেন সরাসরি এবং স্পষ্ট থাকে, যাতে অপ্রাসঙ্গিক কথা এড়িয়ে মূল তথ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া যায়।</li>
</ul>

<p>সংক্ষেপে, পত্রের ভাষা যত সাবলীল হবে, যোগাযোগের কার্যকারিতা তত বাড়বে।</p>
৬১৪

পত্রের ভাষা হবে--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>। একটি আদর্শ পত্র বা চিঠির ভাষা কেমন হওয়া উচিত, তা বুঝতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণার্থ:</strong> চিঠিতে অপ্রয়োজনীয় কথা না লিখে অল্প কথায় মূল বক্তব্য এমনভাবে তুলে ধরতে হয় যাতে পাঠক সহজেই সবটুকু বুঝতে পারেন।</li>
<li><strong>সহজ ও সরল:</strong> জটিল বা কঠিন শব্দ ব্যবহার না করে সহজ ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করলে তা পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।</li>
<li><strong>প্রাঞ্জল অথচ বলিষ্ঠ:</strong> ভাষার সাবলীলতা বা প্রাঞ্জলতা চিঠির মান বাড়ায়, আবার বক্তব্যের দৃঢ়তা বা বলিষ্ঠতা বিষয়টিকে গুরুত্ববহ করে তোলে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, একটি সুন্দর ও কার্যকর পত্রের জন্য এই তিনটি গুণই অপরিহার্য। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো উপরের সবকটি।</p>
৬১৫

পত্রের বিবরণ কেমন হওয়া উচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বয়ংসম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বয়ংসম্পূর্ণ</strong>। একটি ভালো পত্রের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এটি যেন পাঠককে সব তথ্য পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিতে পারে।</p>

<p>কেন এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া জরুরি, তা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্পষ্টতা:</strong> পত্রের উদ্দেশ্য বা বিষয়বস্তু যেন কোনো অস্পষ্টতা ছাড়াই ফুটে ওঠে।</li>
<li><strong>তথ্যনির্ভরতা:</strong> প্রয়োজনীয় সব তথ্য বা রেফারেন্স চিঠিতে থাকলে পাঠককে বারবার প্রশ্ন করতে হয় না।</li>
<li><strong>সময় সাশ্রয়:</strong> চিঠিটি একবার পড়লেই যেন প্রাপক পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন, ফলে বাড়তি যোগাযোগের প্রয়োজন কমে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, একটি আদর্শ পত্র তখনই সার্থক হয় যখন তা কোনো বাড়তি ব্যাখ্যা ছাড়াই নিজের বক্তব্য নিজে প্রকাশ করতে পারে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।