<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাট্যগ্রন্থ</strong>। সৈয়দ শামসুল হক রচিত ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ মূলত একটি ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি রংপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনকে নিয়ে লেখা একটি কালজয়ী <strong>নাটক</strong>।</li>
<li>সাহিত্যিক আঙ্গিকে এটি কাব্যনাট্য হিসেবে পরিচিত হলেও, মূল ধারার বিচারে এটি একটি <strong>নাট্যগ্রন্থ</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই এই প্রশ্নটি আসবে, মনে রাখবেন এটি কোনো উপন্যাস বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী একটি নাটক।</li>
</ul>
<p>সৈয়দ শামসুল হকের লেখা <strong>‘নূরলদীনের সারাজীবন’</strong> নাটকের মূল পটভূমি হলো <strong>রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ</strong>। এই নাটকের প্রেক্ষাপটটি বেশ চমৎকারভাবে সাজানো হয়েছে:</p>
<ul>
<li>নাটকটিতে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে রংপুরের অত্যাচারী ইজারাদার দেবী সিংহের বিরুদ্ধে কৃষকদের যে ঐতিহাসিক সংগ্রাম হয়েছিল, তা তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>নূরলদীন ছিলেন সেই বিদ্রোহের প্রধান নেতা, যিনি সাধারণ কৃষকদের নিয়ে ব্রিটিশ শাসন ও স্থানীয় শোষকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।</li>
<li>মূলত শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই এবং তাদের অদম্য সাহসের গল্পই এই নাটকের প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কেবল একটি নাটক নয়, বরং ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে যাওয়া এক সাহসী কৃষক বিদ্রোহের জীবন্ত দলিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>। ‘নেমিসিস’ মূলত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত ও শক্তিশালী নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই নাটকটি ১৯৪৬ সালের ভয়াবহ 'পঞ্চাশের মন্বন্তর' বা দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক নাটক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের নৈতিক অবক্ষয় এবং দায়বদ্ধতার সংকট, যা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘নেমিসিস’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>নাটক</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’—বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এই উক্তিটি করেছেন <strong>কপালকুণ্ডলা</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’-র শুরুতে সমুদ্রতীরে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে কপালকুণ্ডলা এই কথাটি বলেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের নাম এবং উক্তিটি একই চরিত্রের নামে, তাই এটি মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে নবকুমার যখন সমুদ্রের বালুচরে পথ হারিয়ে দিশেহারা ছিলেন, তখনই কপালকুণ্ডলার কণ্ঠে এই বিখ্যাত সংলাপটি উচ্চারিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসের শুরুতে যখন নবকুমার পথ হারিয়ে বনের মধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, তখন কপালকুণ্ডলা তাকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই সংলাপটি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখনীর এক অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কপালকুণ্ডলা</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের শুরুর দিকেই এই বিখ্যাত সংলাপটি পাওয়া যায়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের নায়ক নবকুমার যখন সমুদ্রতীরে পথ হারিয়ে ফেলেন, তখন কপালকুণ্ডলা তাকে এই কথাটি বলেছিলেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং পরিচিত একটি সংলাপ, যা মূলত কপালকুণ্ডলা চরিত্রের রহস্যময়তা ও ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই সংলাপটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>কপালকুণ্ডলা</strong> উপন্যাসেরই অংশ।</p>
<p>‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন সময়ে এই বইটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল, কারণ এতে বিপ্লবীদের সংগ্রামের কথা সাহসের সাথে তুলে ধরা হয়েছিল।</li>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখনীতে সমাজের নিচুতলার মানুষের কথা এবং দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ খুব চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে, যা এই উপন্যাসেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>ব্রিটিশ শাসনামলে বিপ্লবী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এটি লেখা হয়েছিল।</li>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখনীতে সমাজের নিচুতলার মানুষের কথা এবং দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা এই উপন্যাসেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় এবং আলোচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো <strong>'পথের দাবী'</strong>।</li>
<li>এই উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন সময়ে এই বইটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল, যা একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শরৎচন্দ্রের এই কালজয়ী সৃষ্টিটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> ছিলেন প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্কের এক জাদুকর লেখক।</li>
<li>১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা অপু ও দুর্গার শৈশবকে কেন্দ্র করে লেখা।</li>
<li>সহজ কথায়, গ্রামীণ জীবন এবং প্রকৃতির নিখুঁত বর্ণনা থাকলেই আমাদের মাথায় সবার আগে বিভূতিভূষণের নামটাই আসা উচিত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘পথের পাঁচালী’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>'পদ'</strong> বিষয়টি বোঝা খুবই সহজ। যখন কোনো শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়, তখনই সেটি বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে এবং তাকেই আমরা পদ বলি।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শব্দ বা ধাতু + বিভক্তি = পদ।</strong></li>
<li>বাক্যের প্রতিটি অর্থপূর্ণ শব্দই হলো এক একটি পদ।</li>
<li>বিভক্তি ছাড়া কোনো শব্দ বাক্যে স্বাধীনভাবে তার কাজ সম্পন্ন করতে পারে না।</li>
</ul>
<p>তাই, বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুই হলো পদের মূল ভিত্তি। যেমন: 'বই' একটি শব্দ, কিন্তু এর সাথে 'কে' বিভক্তি যোগ করলে হয় 'বইকে', যা একটি পদ।</p>
<p>'পদাবলি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি মূলত তাঁর কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্যিক জীবনে বিভিন্ন ধারায় কবিতা লিখেছেন, যার মধ্যে 'পদাবলি' একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি বৈষ্ণব পদাবলির ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত, যেখানে তিনি নিজস্ব শৈলী ও ভাষায় ভক্তি ও প্রেমের সুর ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের কাব্যিক দর্শনের গভীরতা ও নান্দনিকতার পরিচয় পাওয়া যায় এই বইটিতে।</li>
</ul>
<p>‘পদাবলি’ সাহিত্যের প্রথম কবি হিসেবে <strong>চণ্ডীদাস</strong>-কে গণ্য করা হয়। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অগ্রপথিক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাসকে বাংলা সাহিত্যের আদি কবিদের একজন মনে করা হয়, যিনি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে পদ রচনা শুরু করেছিলেন।</li>
<li>তার পদাবলিতে সহজ-সরল ভাষায় মানবিক অনুভূতির যে প্রকাশ ঘটেছে, তা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকদের মতে, পদাবলি ধারার সূচনাপর্বে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্য যুগের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের কালবিভাগ অনুযায়ী, <strong>১২০১ থেকে ১৮০০ সাল</strong> পর্যন্ত সময়কালকে মধ্য যুগ বলা হয়।</li>
<li>কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের (১৬০৭–১৬৭৩) একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন।</li>
<li>যেহেতু তিনি এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সাহিত্যচর্চা করেছেন, তাই তাকে নিঃসন্দেহে মধ্য যুগের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আলাওলের সময়কাল অর্থাৎ <strong>সপ্তদশ শতক</strong> মধ্য যুগের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তিনি এই যুগের একজন শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।