<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>মদন মোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি তাঁর বিখ্যাত শিশুশিক্ষা বইয়ের জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। এই ছড়াটি মূলত শিশুদের বর্ণমালা শেখানোর উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল, যা আজও আমাদের সবার কাছে সমান জনপ্রিয়। তাই যখনই 'পাখিসব করে রব' লাইনটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে মদন মোহন তর্কালঙ্কারের নাম মনে রাখবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কাব্যনাট্য। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা সৈয়দ শামসুল হকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখার জন্য ‘পায়ের আওয়াজ’ এবং ‘সৈয়দ শামসুল হক’ এই দুটি শব্দকে একসাথে মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই কালজয়ী কাব্যনাট্যটির রচয়িতা হলেন সৈয়দ শামসুল হক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যনাটক</strong>। সৈয়দ শামসূল হকের লেখা ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি <strong>পদ্য বা ছন্দের আদলে</strong> লেখা নাটক, তাই একে কাব্যনাটক বলা হয়।</li>
<li>নাটকটির সংলাপগুলো গদ্যের মতো না হয়ে কাব্যিক ঢঙে লেখা, যা মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটকে আরও গভীর ও আবেগপূর্ণ করে তুলেছে।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় যখন কোনো নাটকের সংলাপ ছন্দময় বা কাব্যিক হয়, তখন তাকে আমরা কাব্যনাটক হিসেবেই চিনি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিষয়বস্তুর গভীরতা এবং উপস্থাপনার কাব্যিক শৈলীর কারণেই এটি একটি স্বার্থক কাব্যনাটক।</p>
<p>‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্য নাট্যটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় কাব্য নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হককে বলা হয় 'সব্যসাচী লেখক', কারণ তিনি সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় সমান দক্ষ ছিলেন।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটির একটি স্থায়ী সংযোগ মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাটকের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হক একজন কিংবদন্তি। তাঁর লেখা এই কালজয়ী নাটকটি সম্পর্কে কিছু তথ্য মাথায় রাখলে আর ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li><strong>‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’</strong> নাটকটি মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ <strong>কাব্যনাট্য</strong> হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর এই নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানুষের মানসিক অবস্থাকে কাব্যিক ভাষায় অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই নাটকের নাম শুনবেন, সরাসরি সৈয়দ শামসুল হকের কথা মনে করে ফেলবেন!</p>
<p>‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্যনাট্যের মূল বিষয়বস্তু হলো <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong>। সৈয়দ শামসুল হক রচিত এই কালজয়ী নাটকে মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ মুহূর্তের চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নাটকটির প্রেক্ষাপট হলো অবরুদ্ধ বাংলাদেশের গ্রাম।</li>
<li>এখানে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের আগমনের পদধ্বনি বা 'পায়ের আওয়াজ' স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>পুরো নাটকের মূল সুরই আবর্তিত হয়েছে আমাদের মহান <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong> এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্য রচনার ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হক একজন অনন্য নাম। তাঁর বিখ্যাত কিছু কাজের মধ্যে ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ অন্যতম, যা মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কালজয়ী কাব্যনাট্য।</p>
<ul>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> সৈয়দ শামসুল হক।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> কাব্যনাট্য।</li>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জনজীবনের চিত্র।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু লেখকের নাম ও নাটকের নামটি একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কালজয়ী নাটক।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে পরিচিত, যিনি কাব্যনাট্য রচনায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটি একবার মিলিয়ে পড়লেই বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকের নাট্যকার হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই নাটকটি মূলত বাংলাদেশের <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong> ভিত্তিক একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর নিজস্ব কাব্যিক ভাষা ও শৈল্পিক ভঙ্গিমায় এই নাটকে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানবিক সংকট ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘পায়ের আওয়াজ’ শব্দগুচ্ছের সাথে সৈয়দ শামসুল হকের নামটা একবারে মুখস্থ করে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কাব্যনাট্য, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong> বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই নাটকে তিনি অত্যন্ত নিপুণভাবে তৎকালীন পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও মানুষের মানসিক অবস্থা ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার জন্য ‘পায়ের আওয়াজ’ এবং ‘সৈয়দ শামসুল হক’—এই দুটি নাম একসাথে মনে গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্জীব চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ভ্রমণকাহিনীর কথা বললে সঞ্জীব চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম সবার আগে আসে। তাঁর লেখা <strong>'পালামৌ'</strong> ভ্রমণকাহিনীটি বাংলা সাহিত্যের একটি ক্লাসিক বা ধ্রুপদী সৃষ্টি। এটি মূলত ছোটনাগপুর অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার এক চমৎকার বর্ণনা।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সঞ্জীব চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>গ্রন্থের ধরন:</strong> ভ্রমণকাহিনী।</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এটি বাংলা ভাষায় লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণমূলক গদ্য।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নামের বানান এবং বইয়ের নামটা একটু ভালো করে মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস, যার রচয়িতা হলেন <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং মানুষের নিয়তি নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ এবং ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং মানুষের নিয়তি নিয়ে লেখা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের অবচেতন মনের জটিলতা তুলে ধরা।</li>
<li>‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসে শশী ডাক্তারের জীবনের টানাপোড়েন এবং গ্রামের মানুষের জীবনপ্রবাহকে তিনি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি মাইলফলক, যা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>‘পুরোনো বাংলা গদ্য’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আনিসুজ্জামান</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও গদ্যের বিবর্তন নিয়ে গবেষণায় তাঁর কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>ড. আনিসুজ্জামান মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণামূলক কাজের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তাঁর লেখা ‘পুরোনো বাংলা গদ্য’ বইটি বাংলা গদ্যের বিকাশের ধারা বুঝতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মৌলিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, ভাষাতাত্ত্বিক ও গদ্যের ইতিহাস নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মধ্যে আনিসুজ্জামানই এই কালজয়ী গ্রন্থটির লেখক।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।