<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন</strong>। বেগম রোকেয়ার সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘পদ্মরাগ’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। এই উপন্যাসটি মূলত ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে ‘মতিচূর’, ‘সুলতানার স্বপ্ন’ এবং ‘পদ্মরাগ’ অন্যতম।</li>
<li>‘পদ্মরাগ’ উপন্যাসে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক হিসেবে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তরটি খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।</p>
<p>‘পদ্মরাগ’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>বেগম রোকেয়া</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নারী-কেন্দ্রিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বেগম রোকেয়া</strong> মূলত নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর লেখা এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের নারীদের জীবনসংগ্রাম ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার গল্প ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—নারীবাদী চেতনার এই কালজয়ী উপন্যাসের স্রষ্টা তিনিই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু জাফর শামসুদ্দিন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’</strong>-এর রচয়িতা হলেন আবু জাফর শামসুদ্দিন। এটি তার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সৃষ্টি। এই উপন্যাসটি মূলত বাংলাদেশের নদীমাতৃক জীবন ও গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার এক চমৎকার প্রতিফলন।</p>
<p>‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো <strong>কুবের</strong>। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কালজয়ী উপন্যাসে কুবেরকে ঘিরেই পুরো কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের নামেই যেহেতু ‘মাঝি’ শব্দটি আছে, তাই একজন মাঝিকে কেন্দ্র করেই গল্পটি এগিয়েছে।</li>
<li>কুবের একজন জেলে বা মাঝি, যে পদ্মার প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকে।</li>
<li>উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কুবেরের জীবন, তার অভাব-অনটন এবং পদ্মার প্রতি তার টানই মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কুবের চরিত্রটিই এই উপন্যাসের প্রাণ, যে তার কর্ম ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পদ্মার জীবনকে ফুটিয়ে তুলেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘পদ্মানদীর মাঝি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস, যা মূলত জেলে জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।</li>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তার অসাধারণ মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তববাদী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>এই কালজয়ী উপন্যাসটি তিনি ১৯৩৬ সালে রচনা করেন, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘পদ্মানদীর মাঝি’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একটি উপন্যাস</strong>। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত জেলে জীবনের সংগ্রাম ও তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র নিয়ে রচিত একটি কথাসাহিত্য।</li>
<li>সাহিত্যের সংজ্ঞায় যে কোনো দীর্ঘ গদ্য আখ্যান যা জীবনের কোনো বিশেষ দিককে ফুটিয়ে তোলে, তাকেই <strong>উপন্যাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>যদিও এই উপন্যাস অবলম্বনে পরবর্তীতে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে, কিন্তু মূল সৃষ্টি হিসেবে এটি একটি উপন্যাসই।</li>
</ul>
<p>‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল আরাকান রাজসভার আশ্রয়ে থেকে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে আলাওল এটি বাংলায় অনুবাদ ও রূপান্তর করেন।</li>
<li>আলাওলের সাহিত্যিক দক্ষতার কারণেই এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সম্পদ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বেশি পাণ্ডিত্য ও কবিত্বশক্তির পরিচয় দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>আব্দুল ইসহাক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আব্দুল ইসহাক মূলত গ্রামীণ জনপদ ও নদীকেন্দ্রিক জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ নামটি শুনলেই পদ্মাপাড়ের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও প্রকৃতির সাথে তাদের লড়াইয়ের চিত্রটি মাথায় গেঁথে নিন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম ও তাদের বিখ্যাত রচনার তালিকা পড়ার সময় এই নামটিকে পদ্মার সাথে সম্পর্কিত করে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজশেখর বসু</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর ‘পরশুরাম’ নামটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাজশেখর বসুর নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রাজশেখর বসু মূলত তার হাস্যরসাত্মক গল্প এবং ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তিনি তার এই ধরনের মজার ও বুদ্ধিদীপ্ত লেখাগুলো প্রকাশের জন্য <strong>‘পরশুরাম’</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের কাছে তার এই ছদ্মনামটি এতটাই জনপ্রিয় যে, অনেক সময় তার আসল নামের চেয়ে ছদ্মনামটিই বেশি পরিচিতি পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>’পরানের গহীন ভিতর’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও অনন্য কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত কুড়িগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হকের নিজস্ব শৈলী এবং ভাষার ওপর অসাধারণ দখলের কারণেই এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে শুধু কবির নামটির সাথে কাব্যগ্রন্থের নামটি একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। ‘পরানের গহীন ভিতর’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা মূলত আঞ্চলিক ভাষার সার্থক প্রয়োগের জন্য পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর এই কাব্যগ্রন্থে কুড়িগ্রাম অঞ্চলের কথ্য ভাষাকে অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি সনেট সংকলন, যেখানে তিনি গ্রামীণ জীবনের প্রেম ও অনুভূতির গভীরতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন: ‘পরানের গহীন ভিতর’ মানেই সৈয়দ শামসুল হকের নিজস্ব ঘরানার এক অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! জসীমউদদীনকে কেন 'পল্লীকবি' বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>তিনি তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'নকশী কাঁথার মাঠ'</strong> এবং <strong>'সজন বাদিয়ার ঘাট'</strong>-এর মতো সৃষ্টিগুলো পল্লীজীবনের সুখ-দুঃখের কথা বলে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতি ও গ্রামীণ জনপদকে এত আপন করে আর কেউ ফুটিয়ে তুলতে পারেননি, তাই তিনি আমাদের কাছে 'পল্লীকবি' হিসেবেই চিরস্মরণীয়।</li>
</ul>
৫৭৮৮
‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>। ছোটবেলায় আমাদের সবারই পড়া ‘শিশুশিক্ষা’ বইয়ের সেই পরিচিত ছড়াটি তিনি লিখেছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা <strong>'শিশুশিক্ষা'</strong> গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>এই বইয়ের <strong>'প্রাতঃকাল'</strong> নামক ছড়া থেকেই এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে, যা আজও শিশুদের পাঠ্যবইয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালংকার</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মূলত মদনমোহন তর্কালংকারের লেখা <strong>'শিশুশিক্ষা'</strong> নামক বইয়ের একটি ছড়া থেকে নেওয়া হয়েছে। ছোটবেলায় আমরা সবাই পাঠ্যবইয়ে এই ছড়াটি পড়েছি, তাই এটি মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
<ul>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> মদনমোহন তর্কালংকার।</li>
<li><strong>উৎস:</strong> শিশুশিক্ষা (প্রথম ভাগ)।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> ভোরের প্রকৃতি ও পাখির কলকাকলি নিয়ে লেখা এই ছড়াটি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিশুতোষ রচনা।</li>
</ul>
<p>‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল’—এই কালজয়ী পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>মদনমোহন তর্কলংকর</strong>। এটি তাঁর বিখ্যাত শিশুতোষ গ্রন্থ ‘শিশুশিক্ষা’র প্রথম ভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মদনমোহন তর্কলংকর মূলত শিশুদের জন্য সহজ ও শিক্ষণীয় ছড়া বা কবিতা লেখার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তাঁর লেখা ‘পাখি সব করে রব’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রাথমিক পাঠের অন্যতম জনপ্রিয় একটি অংশ।</li>
<li>স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এই কবিতাটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের পাঠ্য ছিল, তাই এটি মনে রাখা খুবই সহজ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।