<p>‘পূজারিণী’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’-র অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনার পাশাপাশি রোমান্টিক ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার কবিতার মধ্যে ‘পূজারিণী’ অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই মনে রাখবেন এটি <strong>অগ্নি-বীণা</strong> কাব্যগ্রন্থের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
<p>‘পূরবী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। ১৯২৫ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন।</li>
<li>‘পূরবী’ নামটি শুনলেই মনে রাখবেন এটি কবির পরিণত বয়সের একটি রোমান্টিক ও প্রকৃতি নির্ভর কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের তালিকায় ‘পূরবী’ সবসময়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের সাথে যুক্ত থাকে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথা বা লোকপালাগুলো সংগ্রহ করার পেছনে মূল কারিগর ছিলেন <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>।</li>
<li>তিনি গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরে সাধারণ মানুষের মুখ থেকে এই অমূল্য সম্পদগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে সংগৃহীত এই পালাগুলো ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের সম্পাদনায় <strong>‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’</strong> নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে-র নামই সবার আগে আসে, কারণ তিনিই মাঠপর্যায়ে কঠোর পরিশ্রম করে এই পালাগুলো উদ্ধার করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্জয় ভট্রাচার্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাময়িক পত্রিকার ইতিহাসে ‘পূর্বাশা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই পত্রিকাটি মূলত সঞ্জয় ভট্রাচার্যের সম্পাদনাতেই প্রকাশিত হতো এবং তাঁর হাত ধরেই এটি তৎকালীন সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি পায়।</p>
<p>‘পোস্টমাস্টার’ ছোটগল্পটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন <strong>‘গল্পগুচ্ছ’</strong>-এর প্রথম গল্পই হলো ‘পোস্টমাস্টার’।</li>
<li>গ্রামীণ জীবনের সহজ-সরল আবেগ এবং মানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের এই গল্পটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>শওকত আলী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি সেন বংশের শেষ সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>শওকত আলীর লেখনীতে তৎকালীন সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার চিত্র চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। শওকত আলীর সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'প্রদোষে প্রাকৃতজন'</strong> একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। এই উপন্যাসটি মূলত সেন বংশের শেষ সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা। পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শওকত আলী</strong> বললেই মাথায় রাখবেন তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে উপন্যাস লিখতে খুব দক্ষ ছিলেন।</li>
<li>তার এই বিখ্যাত উপন্যাসটি সেন আমলের সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা, যা বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' দেখবেন, চোখ বন্ধ করে <strong>শওকত আলী</strong> নামটিকে বেছে নেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাহানারা ইমাম</strong>।</p>
<p>এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘প্রবাসের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি তার পরিবারের সাথে প্রবাস জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> জাহানারা ইমাম।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> স্মৃতিকথা বা ডায়েরি জাতীয় রচনা।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি মূলত তার প্রবাস জীবনের দিনলিপি, যা পাঠককে তার ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই লেখকের নাম এবং বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
৫৮১৫
‘প্রভাত চিন্তা’, ‘নিভৃত চিন্তা’, ‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি প্রন্ধের রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কালীপ্রসন্ন ঘোষ</strong>। এই বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলো মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>কালীপ্রসন্ন ঘোষের লেখাগুলো খেয়াল করলে দেখবেন সবগুলোর শেষে <strong>'চিন্তা'</strong> শব্দটি যুক্ত আছে।</li>
<li>যেমন: 'প্রভাত চিন্তা', 'নিভৃত চিন্তা', 'নিশীথ চিন্তা'—এই নামগুলো দেখলেই সহজেই বোঝা যায় এগুলো তাঁরই সৃষ্টি।</li>
<li>সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম বা রচনার ধরন মনে রাখার জন্য এই ধরনের কি-ওয়ার্ড বা শব্দগুচ্ছ ধরে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে এই ধরনের প্রশ্ন এলে নামের সাথে 'চিন্তা' শব্দটি মিলিয়ে নিলেই উত্তরটি একদম নিশ্চিতভাবে মনে পড়বে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের শোকাবহ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই গ্রন্থটি লিখেছিলেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি শোকগাথা বা শোকমূলক রচনা, যা বিদ্যাসাগরের গদ্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্পের কথা বললে প্রথমেই যে নামগুলো মাথায় আসে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘প্রাগৈতিহাসিক’। এই গল্পটি তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ ‘প্রাগৈতিহাসিক’-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম মূলত মানুষের অবচেতন মন এবং সমাজের বাস্তব চিত্র নিয়ে।</li>
<li>‘প্রাগৈতিহাসিক’ গল্পটি তাঁর সেই শক্তিশালী লেখনীর একটি অনন্য উদাহরণ, যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’—জনপ্রিয় এই গানটির গীতিকার হলেন <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>।</p>
<p>গানটি মূলত লোকজ ধারার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সৃষ্টি। অনেক সময় এই গানটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও, নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী এর রচয়িতা হিসেবে শেখ ওয়াহিদের নামই স্বীকৃত। গানটির সহজ-সরল কথা এবং সুরের মূর্ছনা শ্রোতাদের হৃদয়ে এক গভীর আবেগের জন্ম দেয়, যা একে বাংলা লোকগানের ভাণ্ডারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছুটি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী ছোটগল্পটির মূল চরিত্র হলো ফটিক চক্রবর্তী।</p>
<p>গল্পটি কেন ফটিকের জন্য বিখ্যাত, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>গল্পের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ফটিক নামের এক চঞ্চল কিশোরকে ঘিরে।</li>
<li>গ্রামের দুরন্ত ফটিকের মামাবাড়িতে গিয়ে একাকীত্ব, কষ্ট এবং শেষ পর্যন্ত তার করুণ পরিণতির হৃদয়স্পর্শী চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>গল্পের শেষে ফটিকের শেষ কথা "মা, এখন ছুটি হয়েছে" থেকেই গল্পের নামকরণ করা হয়েছে, যা ফটিকের জীবনের ট্র্যাজেডিকে তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ছাত্র হিসেবে মনে রাখা সহজ যে, ফটিক মানেই রবীন্দ্রনাথের <strong>ছুটি</strong> গল্পের সেই অভিমানী কিশোর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুভাষ মুখোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের <strong>'ফুল ফুটুক'</strong> নামক কবিতার একটি অংশ। কবিতাটি মূলত আশাবাদ এবং জীবনের জয়গান নিয়ে লেখা। সহজ কথায় বলতে গেলে, বসন্ত আসুক বা না আসুক, ফুল ফুটুক বা না ফুটুক—জীবন তার আপন গতিতে চলবে এবং আমাদের মনের ভেতরে বসন্তের আনন্দকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই গভীর ও ইতিবাচক দর্শনের কারণেই লাইনটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।