<p>‘সবকটা জানালা খুলে দাও না’ কালজয়ী গানটির রচয়িতা হলেন <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong>। গানটি মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>গীতিকার:</strong> নজরুল ইসলাম বাবু।</li>
<li><strong>সুরকার:</strong> আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।</li>
<li><strong>মূল গায়ক:</strong> সাবিনা ইয়াসমিন।</li>
</ul>
<p>এই গানটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবেগ ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দলিল হিসেবে আজও সবার হৃদয়ে গেঁথে আছে।</p>
<p>‘সবকটি জানালা খুলে দাও না’ কালজয়ী এই দেশাত্মবোধক গানটির গীতিকার হলেন <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong>। গানটি নিয়ে কিছু মজার তথ্য জেনে রাখা ভালো:</p>
<ul>
<li>গানটির সুরকার ও শিল্পী হলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।</li>
<li>১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এই গানটি নিয়মিত প্রচারিত হতো, যা মুক্তিযোদ্ধাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করত।</li>
<li>গানটির মূল ভাব হলো দেশের প্রতিটি জানালা খুলে দিয়ে স্বাধীনতার আলো ও বাতাসকে বরণ করে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গীতিকার হিসেবে <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong> এই গানে যে আবেগ ও দেশপ্রেম ফুটিয়ে তুলেছেন, তা আজও আমাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে।</p>
<p>‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>হুমায়ুন আজাদ</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় এবং আলোচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>হুমায়ুন আজাদের সাহিত্যকর্মে সমাজ ও রাজনীতির কঠোর সমালোচনা ফুটে ওঠে।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত আশির দশকের অস্থির সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা, যা তাঁর নিজস্ব ধারার কাব্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে শুধু লেখকের নামের সাথে বইটির শিরোনাম মিলিয়ে নিলেই হবে।</li>
</ul>
৬০৪৯
‘সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি চণ্ডীদাস তাঁর বিখ্যাত এই পঙক্তিটির মাধ্যমে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বকে তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের একটি অবিস্মরণীয় দর্শন।</li>
<li>তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, ধর্মের চেয়েও মানুষের মর্যাদা অনেক বেশি।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মানবতাবাদের জয়গান গাইতে গিয়ে তিনি এই অমর উক্তিটি করেছিলেন, যা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাস তাঁর পদাবলিতে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর দর্শনের মূল ভিত্তি। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মানবিকতা:</strong> চণ্ডীদাস মনে করতেন, ধর্মের চেয়েও মানুষের মর্যাদা অনেক বেশি। তাই তিনি মানুষকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li><strong>সহজ দর্শন:</strong> তাঁর এই উক্তিটি মূলত মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক হিসেবে আজও সমাদৃত।</li>
<li><strong>সাহিত্যিক পরিচয়:</strong> বৈষ্ণব পদাবলির এই অমর পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের রচনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানবতাবাদ বা মানুষের জয়গান গাওয়ার ক্ষেত্রে চণ্ডীদাস ছিলেন অগ্রগণ্য।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও পদাবলীতে তিনি বারবার মানুষের মর্যাদাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li>এই অমোঘ পঙক্তিটি তার দর্শনের মূল ভিত্তি, যা আজও বাংলা সাহিত্যে মানবতার শ্রেষ্ঠ বাণী হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের কবি <strong>চণ্ডীদাসের</strong> শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা পদাবলির দর্শনের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।</li>
<li>তিনি তাঁর কাব্যে মানুষের মর্যাদা ও মানবিকতাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li>সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে চণ্ডীদাসকে উত্তর হিসেবে বেছে নিতে পারেন, কারণ এটি তাঁর মানবতাবাদী দর্শনের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
৬০৫৩
'সবার উপরে মানুষ সত্য- তাহার উপরে নাই'- কে বলেছেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্ডীদাস</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চন্ডীদাস তাঁর পদাবলীতে মানবতাকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত এই উক্তিটি মূলত মানুষের মহত্ত্ব এবং সাম্যের জয়গান গায়।</li>
<li>সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই কবি <strong>চন্ডীদাস</strong>-এর নামটা মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
৬০৫৪
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তহার উপরে নাই’ - উক্তিটি কার?
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের লেখা। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, যিনি মানবতাবাদকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন।</li>
<li>তার এই অমর পঙক্তিটি মূলত মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব এবং সাম্যের জয়গান গায়।</li>
<li>সাহিত্য ও সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় এই উক্তিটি প্রায়ই আসে, তাই এটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই মানুষের মর্যাদাকে ধর্মের চেয়ে বড় করে দেখার কথা বলা হয়, সেখানেই চণ্ডীদাসের এই অমোঘ বাণীটি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।</p>
৬০৫৫
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ - কার উক্তি?
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি চণ্ডীদাসের। এর পেছনের মূল বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাস তাঁর কাব্যে মানুষের মহিমাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li>তাঁর মতে, ধর্মের চেয়েও বড় হলো মানুষ এবং মানবিকতা।</li>
<li>এই অমোঘ বাণীর মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছেন যে, পৃথিবীতে মানুষের চেয়ে বড় কোনো সত্য বা পরিচয় আর নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানবতাবাদের জয়গান গাইতে গিয়েই তিনি এই অমর পঙক্তিটি লিখেছিলেন, যা আজও আমাদের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।</p>
৬০৫৬
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ -এই উক্তিটি কার?
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের কবি <strong>চণ্ডীদাসের</strong> লেখা।</li>
<li>তিনি তার পদাবলীতে মানবতাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন।</li>
<li>সাহিত্য বা সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় এই উক্তিটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নামটা একদম মুখস্থ করে রাখা ভালো।</li>
</ul>
<p>‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার সম্পাদক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় করে তোলার পেছনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহারকে প্রতিষ্ঠিত করা ছিল প্রমথ চৌধুরীর প্রধান উদ্দেশ্য।</li>
<li><strong>পরিচিতি:</strong> প্রমথ চৌধুরীকে বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও ডাকা হয়, যা তাঁর রসবোধ ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধির পরিচয় দেয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘সবুজ পত্র’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> নামটিকে বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>‘সবুজ পত্র’ পত্রিকার প্রকাশকাল হলো <strong>১৯১৪</strong> সাল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা, কারণ এর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে চলিত ভাষারীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> প্রমথ চৌধুরী।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে ‘সবুজ পত্র’ গোষ্ঠী বা চলিত ভাষার আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই পত্রিকা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয়ের পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৯১৪</strong> সালে এই যুগান্তকারী পত্রিকাটি আত্মপ্রকাশ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় করার পেছনে এই পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর প্রধান উদ্যোক্তা ও সম্পাদক ছিলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের চলিত রূপকে প্রতিষ্ঠিত করতে এই পত্রিকা একটি বিপ্লব ঘটিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তনে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আর এই পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।</p>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে চলিত ভাষার সাবলীল রূপ দেওয়ার পেছনে প্রমথ চৌধুরীর এই পত্রিকার অবদানই ছিল সবচেয়ে বেশি। তাই সাহিত্যিক আলোচনায় ‘সবুজপত্র’ নামটির সাথে প্রমথ চৌধুরীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।