<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। নাম শুনে অনেকেই হয়তো একে কবিতা মনে করে ভুল করতে পারেন, কিন্তু এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>‘শেষের কবিতা’ নামটি কাব্যিক হলেও এর ভেতরে রয়েছে অমিত ও লাবণ্যের গভীর প্রেমের গল্প।</li>
<li>এটি মূলত একটি রোমান্টিক ঘরানার উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি আসলে একটি <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
৬০১৭
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাসের নাম</strong>। নাম শুনে অনেকেরই মনে হতে পারে এটি হয়তো কোনো কবিতার বই, কিন্তু আসলে বিষয়টি একদমই আলাদা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা <strong>‘শেষের কবিতা’</strong> বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে অমিত ও লাবণ্যর প্রেমকাহিনি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>নামের শেষে ‘কবিতা’ শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>‘শোকার্ত তরবারী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>হাসান হাফিজুর রহমান</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ, যা মূলত ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>হাসান হাফিজুর রহমান</strong> ছিলেন একাধারে কবি, সাংবাদিক এবং সম্পাদক।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনাকে ধারণ করে তিনি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে এটি তার অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী কাজ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির নাম একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</p>
৬০২০
‘শোনো একটি মুজিবের কণ্ঠ থেকে, লক্ষ মুজিবের কণ্ঠ স্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি, আকাশে বাতাসে উঠে রণি’ এই গানটির গীতকার ক?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার</strong>।</p>
<p>এই কালজয়ী গানটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>গানটির গীতিকার হলেন প্রখ্যাত গীতিকার <strong>গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার</strong>।</li>
<li>গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন এবং কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী <strong>অখিলবন্ধু ঘোষ</strong>।</li>
<li>বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় এই গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের এবং সাধারণ মানুষের মনে দারুণ উদ্দীপনা ও সাহস জুগিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপটে রচিত এই অমর সৃষ্টিটির মূল কারিগর হলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।</p>
৬০২১
‘শোনো একটি মুজিবের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’ - গানটির রচয়িতা কে?
<p>‘শোনো একটি মুজিবের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’ কালজয়ী গানটির রচয়িতা হলেন <strong>গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার</strong>।</p>
<p>গানটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।</li>
<li>গৌরিপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা এই অসাধারণ গানটিতে সুর দিয়েছিলেন অংশুমান রায়।</li>
<li>এটি মূলত বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি দেশাত্মবোধক গান।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যকর্মের তালিকায় ‘শ্যামল ছায়া’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। এটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস, যা লেখকের নিজস্ব সাবলীল ও হৃদয়স্পর্শী বর্ণনাভঙ্গিতে লেখা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট: <strong>বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা কাজগুলোর একটি হলো এই ‘শ্যামল ছায়া’। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস, যা মূলত চারটি পর্বে বিভক্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখনীতে সাধারণ মানুষের জীবন ও আবেগ খুব চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শ্রীকান্তের ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে লেখক তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই সৃষ্টিটি শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের ছোঁয়া পাওয়া যায় বলে এটি পাঠকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।</li>
</ul>
৬০২৪
‘শ্রীকৃষ্ণকাীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোয়ালঘর থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বসন্ত রঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়ির <strong>গোয়ালঘর</strong> থেকে এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর ঘটনা, কারণ অবহেলার আড়ালে থাকা এই পুঁথিটিই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন হিসেবে প্রমাণিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোনো রাজদরবার বা মন্দির থেকে নয়, বরং সাধারণ এক গৃহস্থের <strong>গোয়ালঘর</strong> থেকেই পাওয়া গিয়েছিল।</p>
<p>‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পুঁথির ভণিতায় কবির নাম হিসেবে <strong>‘বড়ু চণ্ডীদাস’</strong> উল্লেখ পাওয়া যায়।</li>
<li>এই কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি আখ্যানকাব্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যিক ইতিহাসে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বললেই আমাদের বড়ু চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখতে হবে।</p>
<p>’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি আবিষ্কৃত হয় <strong>১৯০৯</strong> সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।</p>
<ul>
<li>বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>পুঁথিটি আবিষ্কারের পর থেকেই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।</li>
<li>সহজ মনে রাখার উপায়: ১৯০৯ সালটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণের এক অনন্য দলিল।</li>
</ul>
৬০২৭
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন যুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের সময়কালকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ।</li>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকের বা আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর রচনাকাল আনুমানিক চতুর্দশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়, যা স্পষ্টভাবে মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসের কালানুক্রম অনুযায়ী এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>মধ্যযুগের</strong> একটি অমূল্য সম্পদ।</p>
<p>‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য’ এর রচয়িতা হলেন <strong>বড়ু চণ্ডিদাস</strong>। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে।</li>
<li>এই কাব্যের ভণিতায় <strong>‘বড়ু চণ্ডিদাস’</strong> নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই কাব্যের রচয়িতা হিসেবে তাকেই নিশ্চিত করে।</li>
<li>মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি ও সাহিত্যের ইতিহাসে এই নামটি অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য’ এর রচয়িতা হলেন <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পুঁথির ভণিতায় কবি নিজেকে <strong>‘বড়ু চণ্ডীদাস’</strong> হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।</li>
<li>এটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি কাব্য, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ বোঝার জন্য খুবই জরুরি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে এর রচয়িতা হলেন বড়ু চণ্ডীদাস।</p>
৬০৩০
‘ষোল নয়, আমর মাতৃভাষা ষোলশত রূপ’ - কথাটি কে বলেছেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার মর্যাদা ও এর নান্দনিক রূপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুনীর চৌধুরী এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>মুনীর চৌধুরী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ এবং নাট্যকার ছিলেন।</li>
<li>তার লেখনীতে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর মমতা ও বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠত।</li>
<li>এই বিশেষ উক্তিটি মূলত বাংলা ভাষার বিচিত্র রূপ ও এর সমৃদ্ধিকে বোঝাতে তিনি ব্যবহার করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার প্রতি মুনীর চৌধুরীর গভীর অনুরাগ থেকেই এই কালজয়ী উক্তিটির জন্ম।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।