<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৪</strong> সাল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা গদ্যের চলিত রীতিকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করেছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> প্রমথ চৌধুরী।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাস (বৈশাখ, ১৩২১ বঙ্গাব্দ)।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহার সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক বিখ্যাত লেখকের লেখা এখানে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>‘সবুজের অভিযান’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘বলাকা’-র অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো যৌবনের জয়গান এবং নতুনকে বরণ করে নেওয়ার আহ্বান।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থে গতির যে দর্শন ফুটিয়ে তুলেছেন, ‘সবুজের অভিযান’ তারই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের নামটির সাথে কবিতাটির নাম মনে রাখলেই আপনার আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে <strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong>-এর নাম বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সুপরিচিত। ১৯৫৭ সালে তাঁর সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> সমকাল।</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> সিকান্দার আবু জাফর।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> তৎকালীন বাংলা সাহিত্য ও প্রগতিশীল চিন্তাধারাকে এগিয়ে নিতে এই পত্রিকাটি বিশাল ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>সিকান্দার আবু জাফর শুধু একজন সম্পাদকই ছিলেন না, তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার এবং গীতিকার হিসেবেও বাংলা সাহিত্যে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। তাই ‘সমকাল’ পত্রিকার নাম শুনলেই তাঁর কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।</p>
<p>‘সমকাল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম হলো <strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে এই পত্রিকাটি সেই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন—<strong>সমকাল</strong> মানেই <strong>সিকান্দার</strong>, কারণ এই দুই নামের আদ্যক্ষর 'স' দিয়ে শুরু।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong>।</p>
<p>‘সমাচার দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন <strong>জন ক্লার্ক মার্শম্যান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে যখন এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন এর পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন মার্শম্যান।</p>
<p>এটি ছিল বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। ইতিহাসের এই তথ্যটি মনে রাখতে শুধু মনে রাখুন যে, শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানা ও প্রকাশনার কাজে মার্শম্যানের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি, তাই পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বটিও তিনিই পালন করেছিলেন।</p>
<p>‘সংশপ্তক’ উপন্যাসের লেখক হলেন <strong>শহীদুল্লা কায়সার</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস, যা মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>শহীদুল্লা কায়সার</strong> এই উপন্যাসে গ্রামীণ জীবনের সংগ্রাম এবং যুদ্ধের ভয়াবহতাকে খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটি প্রকাশের পর থেকেই পাঠক মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্যের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ—মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কালজয়ী উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ মানেই <strong>শহীদুল্লা কায়সার</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শহীদুল্লাহ কায়সার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘সংশপ্তক’ বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা মূলত শহীদুল্লাহ কায়সারের অনবদ্য সৃষ্টি। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> শহীদুল্লাহ কায়সার।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> এই উপন্যাসে মূলত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>মনে রাখার টিপস:</strong> শহীদুল্লাহ কায়সারের নামের সাথে ‘সংশপ্তক’ শব্দটি একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে, যা বারবার চর্চা করলে সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি মনে রাখতে শহীদুল্লাহ কায়সারের অন্যান্য বিখ্যাত রচনার সাথে এটি মিলিয়ে পড়তে পারেন।</p>
<p>‘সংশপ্তক’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদুল্লা কায়সারের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। এই বইটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ সমাজের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অসাধারণ সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি শহীদুল্লা কায়সারের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি।</li>
<li>উপন্যাসটিতে তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের টানাপোড়েন ও যুদ্ধের প্রভাব দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় এটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ধারার উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘সংশপ্তক’ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>উপন্যাস</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>। এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর তীক্ষ্ণ ও বিশ্লেষণধর্মী রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>এই গ্রন্থটিতে তিনি বাঙালি সংস্কৃতি ও সমাজ নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর অন্যান্য কাজের পাশাপাশি এই প্রবন্ধগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>। এটি তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>‘সাঁঝের মায়া’</strong> সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কালজয়ী।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই কাব্যগ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘সুফিয়া কামাল’ ও ‘সাঁঝের মায়া’ নাম দুটি একসাথে মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী এবং তাঁর রূপকধর্মী শব্দচয়ন বাংলা সাহিত্যে একদম আলাদা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>‘সাতটি তারার তিমির’</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তিনি আধুনিক নাগরিক জীবনের বিষণ্নতা ও একাকীত্বকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যগ্রন্থটির নাম আসে, তাই কবির নাম মনে রাখতে ‘সাতটি তারা’র সাথে জীবনানন্দের কাব্যিক জগতের সংযোগটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। এটি তাঁর অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী এবং তাঁর শব্দচয়নের অনন্যতার কারণেই এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এমন গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি একটি, তাই কবির নাম মনে রাখা জরুরি।</li>
<li>বইটির নাম মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল হতে পারে—জীবনানন্দের কবিতায় প্রায়ই প্রকৃতি ও অন্ধকারের (তিমির) এক অদ্ভুত মায়া থাকে, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>‘সাম্য’ প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি মূলত তার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যেখানে তিনি সাম্য, মানবতা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ছিলেন সাম্য ও বিদ্রোহের কবি।</li>
<li>তার লেখনীতে সবসময়ই শোষিত মানুষের অধিকার এবং সাম্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে।</li>
<li>তাই ‘সাম্য’ শিরোনামের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থটি নজরুলের সৃষ্টি—এই তথ্যটি মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
</ul>
৬০৭৫
‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে’ - গানটির রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে অন্যতম। গানটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>গানটি মূলত কবির <strong>'স্বদেশ'</strong> পর্যায়ের একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>দেশপ্রেমের গভীর অনুভূতি প্রকাশ করতে কবি এই গানটিতে মাটির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।</li>
<li>এর সুর ও কথা আমাদের জাতীয়তাবোধকে গভীরভাবে নাড়া দেয়, যা রবীন্দ্রনাথের লেখনীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।