<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি ফেরদৌসী</strong>। ফারসি সাহিত্যের অমর মহাকাব্য ‘শাহনামা’ রচনার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শাহনামা</strong> হলো পারস্যের রাজাদের ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি বিশাল মহাকাব্য।</li>
<li>এটি লিখতে কবি ফেরদৌসীর প্রায় ৩০ বছর সময় লেগেছিল।</li>
<li>ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে প্রভাবশালী কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফেরদৌসী</strong>। ফারসি সাহিত্যের অমর মহাকাব্য ‘শাহনামা’ মূলত কবি ফেরদৌসীর এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘শাহনামা’ শব্দটি ফারসি ভাষার একটি শব্দ, যার অর্থ ‘রাজাদের ইতিহাস’।</li>
<li>কবি ফেরদৌসী প্রায় ৩০ বছর সময় নিয়ে এই বিশাল মহাকাব্যটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>বিশ্বসাহিত্যে এটি পারস্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘শাহনামা’র নাম শুনবেন, মনে রাখবেন এর রচয়িতা হলেন পারস্যের বিখ্যাত কবি <strong>ফেরদৌসী</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফেরদৌসী</strong>। ‘শাহনামা’ বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা ফারসি ভাষায় রচিত। এই অমর গ্রন্থটি রচনার জন্য কবি ফেরদৌসীকে ‘ফারসি সাহিত্যের জনক’ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> শাহনামা</li>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> আবুল কাশেম ফেরদৌসী</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> প্রাচীন পারস্যের ইতিহাস ও বীরত্বগাথা</li>
</ul>
<p>এটি মূলত পারস্যের রাজাদের ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি বিশাল মহাকাব্য, যা প্রায় ৩০ বছর সময় নিয়ে তিনি সম্পন্ন করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে ‘শিখা’ পত্রিকা প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯২৭ সালে। এই পত্রিকাটির সাথে যুক্ত ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আব্দুল ওদুদ এবং কাজী মোতাহার হোসেনের মতো প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীরা। বাংলা সাহিত্যে মুক্তচিন্তার চর্চা এবং কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই পত্রিকাটি সে সময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাপ্তি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বিখ্যাত ছোটগল্পটির প্রধান চরিত্র হলো মৃন্ময়ী। মৃন্ময়ীর চঞ্চল, দুরন্ত এবং বাঁধনহারা স্বভাবকে বোঝাতেই লেখক তাকে 'ছোটখাট বর্গির উপদ্রব' বলে অভিহিত করেছেন।</p>
<ul>
<li>গল্পের শুরু থেকেই মৃন্ময়ীর দুরন্তপনা এবং তার অসামাজিক কিন্তু প্রাণবন্ত আচরণের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>তার এই চঞ্চলতাকে ফুটিয়ে তুলতে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত নিপুণভাবে এই সংলাপটি ব্যবহার করেছেন, যা মৃন্ময়ীর চরিত্রের মূল বৈশিষ্ট্যকে এক নিমেষেই পাঠকের সামনে স্পষ্ট করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামাই পণ্ডিত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'শূন্যপুরাণ' একটি অনন্য ও প্রাচীন গ্রন্থ। এর সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>রামাই পণ্ডিত</strong> ছিলেন ধর্মপূজা পদ্ধতির প্রবর্তক এবং এই ধারার প্রধান কবি।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘শূন্যপুরাণ’</strong> মূলত ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত একটি গদ্য-পদ্য মিশ্রিত গ্রন্থ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের 'ধর্মমঙ্গল' কাব্যধারার বিকাশে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শূন্যপুরাণ বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে ধর্মঠাকুরের উপাসক ও কবি <strong>রামাই পণ্ডিতের</strong> নাম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘শূন্যপুরাণ’ মূলত মধ্যযুগের ধর্মপূজা কেন্দ্রিক একটি বিশেষ সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এই গ্রন্থের রচয়িতা রামাই পণ্ডিত।</li>
<li>এখানে বৌদ্ধ ধর্মের শূন্যবাদ এবং লৌকিক ধর্মের মিশ্রণে এক অনন্য <strong>ধর্মীয় তত্ত্ব</strong> ও উপাখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>এটি কোনো প্রেমের কাব্য বা জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং তৎকালীন সমাজের ধর্মতত্ত্ব ও লোকবিশ্বাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। নাম শুনে অনেকেই এটাকে কবিতা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু আসলে এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘শেষের কবিতা’ নামটি কাব্যিক হলেও এর ভেতরে অমিত ও লাবণ্যের সম্পর্কের যে গল্প আছে, তা মূলত একটি গদ্যধর্মী আখ্যান।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি আসলে একটি <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘শেষের কবিতা’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি। অনেকে নামের কারণে এটিকে কাব্যগ্রন্থ মনে করে ভুল করেন, কিন্তু এটি আসলে একটি চমৎকার দার্শনিক ও রোমান্টিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>গল্পের প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্যের কথোপকথন এবং তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই পুরো কাহিনীটি আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>বইটির নাম ‘কবিতা’ হলেও এর গঠনশৈলী এবং বিষয়বস্তু পুরোপুরি একটি আধুনিক উপন্যাসের আদলে তৈরি।</li>
</ul>
<p>‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>। নাম শুনে অনেকেই এটাকে কবিতা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু এটি আসলে একটি গীতিধর্মী বা লিরিক্যাল উপন্যাস।</p>
<ul>
<li>এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।</li>
<li>গল্পের ভেতরে অনেক কবিতা থাকলেও, কাঠামোগতভাবে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কবিতার ছন্দে লেখা হলেও এর কাহিনী ও চরিত্র বিন্যাস পুরোপুরি উপন্যাসের আদলে তৈরি। তাই পরীক্ষার জন্য এটি সবসময় <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবেই মনে রাখবেন।</p>
<p>‘শেষের কবিতা’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। অনেকে নামের কারণে একে কাব্যগ্রন্থ মনে করার ভুল করেন, কিন্তু এটি মূলত গদ্যে লেখা একটি রোমান্টিক উপন্যাস।</p>
<ul>
<li>এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।</li>
<li>গল্পের ভেতরে কবিতার ছোঁয়া থাকলেও এর গঠনশৈলী এবং বিষয়বস্তু পুরোপুরি একটি সার্থক <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
<p>‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। নাম শুনে অনেকেরই মনে হতে পারে এটি হয়তো কোনো কবিতার বই, কিন্তু আসলে তা নয়। এটি মূলত একটি রোমান্টিক ঘরানার উপন্যাস, যেখানে অমিত ও লাবণ্যের সম্পর্কের গভীরতা ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি গদ্যে লেখা একটি পূর্ণাঙ্গ <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই নামের বিভ্রান্তিতে না পড়ে মনে রাখবেন এটি একটি <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।