<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ হামজা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেন সৈয়দ হামজা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ হামজা মূলত ফারসি সাহিত্যের অনুবাদ ও অনুসরণের জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'হাতেম তাই'</strong>।</li>
<li>তিনি এই গ্রন্থটি ফারসি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, যা তৎকালীন সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য শুধু এই নামটা মাথায় রাখলেই চলবে—<strong>হাতেম তাই = সৈয়দ হামজা</strong>।</p>
<p>‘হুলিয়া’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী একটি কবিতা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নির্মলেন্দু গুণ মূলত তার প্রতিবাদী এবং দ্রোহের কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘হুলিয়া’ কবিতাটি সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা, যা কবির কাব্যিক সত্তার এক অনন্য পরিচয় বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>‘হুলিয়া’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী একটি কবিতা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নির্মলেন্দু গুণ মূলত তার প্রতিবাদী এবং দ্রোহের কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘হুলিয়া’ কবিতাটি সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা, যেখানে একজন পলাতক বিপ্লবীর মনের অবস্থা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘হুলিয়া’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী একটি কবিতা যা নির্মলেন্দু গুণের কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির প্রেক্ষাপট মূলত সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক সময়।</li>
<li>নির্মলেন্দু গুণের কাব্যশৈলীতে এই কবিতাটি তার নিজস্ব স্বকীয়তায় উজ্জ্বল।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম ও কবিতার নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>পান্না কায়সার</strong>। তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট লেখিকা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পান্না কায়সারের লেখাগুলো সাধারণত মুক্তিযুদ্ধ এবং দেশপ্রেমের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ বইটি তার অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ, যা পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই ধরনের বইয়ের নাম ও লেখকের নাম সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</li>
</ul>
৬১১২
" এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি " এর রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>। তিনি তাঁর 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের 'ছাড়পত্র' কবিতায় এই অমোঘ কথাটি লিখেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় <strong>কিশোর কবি</strong>।</li>
<li>তিনি তাঁর কবিতায় সবসময় নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন।</li>
<li>তাই যখনই কোনো শিশুর বাসযোগ্য পৃথিবীর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যেরই সৃষ্টি।</li>
</ul>
৬১১৩
"___মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকে জাহাজ, অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়ায়ে রয়েছে আজ।" কে মাঝিকে আহ্বান করছেন ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফররুখ আহমদ</strong>। এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি ফররুখ আহমদের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ <strong>'সাত সাগরের মাঝি'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ফররুখ আহমদকে বলা হয় <strong>'মুসলিম রেনেসাঁর কবি'</strong>।</li>
<li>তার কবিতায় সমুদ্র, নাবিক এবং মাঝির রূপক ব্যবহার খুব বেশি দেখা যায়।</li>
<li>'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি তার কাব্যিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, তাই এই ধরনের সামুদ্রিক আবহ বা মাঝিকে নিয়ে লেখা কবিতাগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে ফররুখ আহমদকে বেছে নেওয়া যায়।</li>
</ul>
৬১১৪
“আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে/ কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে” - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>কুসুম কুমারী দাস</strong>। তিনি জীবনানন্দ দাশের মা ছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম <strong>'আদর্শ ছেলে'</strong>।</li>
<li>ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে এই কবিতাটি আমরা সবাই পড়েছি, যা মূলত শিশুদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য লেখা হয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার লাইনগুলো মিলিয়ে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৬১১৫
"আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটির রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল মনসুর আহম্মদ</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আবুল মনসুর আহম্মদ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ব্যঙ্গ রচয়িতা।</p>
<ul>
<li>তার লেখা <strong>'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'</strong> বইটি মূলত আত্মস্মৃতিমূলক একটি কালজয়ী গ্রন্থ।</li>
<li>এই বইটিতে তিনি ব্রিটিশ ভারত থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত রাজনীতির নানা অলিগলি এবং নিজের অভিজ্ঞতার কথা অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট বুঝতে এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬১১৬
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে” লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি তাঁর লেখা <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong> কাব্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন মধ্যযুগের শেষভাগের শ্রেষ্ঠ কবি।</li>
<li>তাঁর অন্নদামঙ্গল কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে এই বরটি চেয়েছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই লাইনটি এতটাই জনপ্রিয় যে, এটি প্রায়ই প্রবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তরটি আপনার মাথায় গেঁথে থাকবে।</p>
৬১১৭
”আঁশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু, আমার ক্ষুধার অন্ন তা’ বলে বন্ধ করোনি প্রভু” - চরণটি জাতীয় কবির কোন কবিতার অংশ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানুষ</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>'মানুষ'</strong> কবিতার একদম শুরুর দিকেই তিনি এই পঙ্ক্তিগুলো ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>কবিতাটি মূলত মানুষের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং স্রষ্টার অসীম দয়ার কথা তুলে ধরে। এখানে কবি স্রষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন যে, দীর্ঘ আশি বছর ধরে তিনি স্রষ্টাকে ডাকেননি বা কোনো প্রার্থনা করেননি, তবুও স্রষ্টা তার অন্ন বা রিজিক বন্ধ করেননি। এই গভীর দার্শনিক উপলব্ধির কারণেই চরণটি 'মানুষ' কবিতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>কবি:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li><strong>কবিতার নাম:</strong> মানুষ।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> স্রষ্টার অসীম ক্ষমা ও মানুষের প্রতি তাঁর অকৃপণ দয়া।</li>
</ul>
<p>”উত্তম পুরুষ” উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>রশীদ করিম</strong>। বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো মধ্যবিত্ত জীবনের জটিলতা ও আত্মবিশ্লেষণ।</li>
<li>রশীদ করিম এই উপন্যাসের জন্য ১৯৬৪ সালে <strong>বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার</strong> লাভ করেন।</li>
<li>তার লেখার ধরণ সাধারণত বাস্তববাদী এবং আধুনিক জীবনবোধের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার একটি মাইলফলক।</p>
৬১১৯
“ওরে বাছা মাতৃকোষে রতনের রাজি, ও ভিখারীদশা তবে কেন তোর আজি ?” কোন কবিতার অংশ ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গ ভাষা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই বিখ্যাত সনেটটিতে কবি আক্ষেপ করে বলেছেন যে, আমাদের মাতৃভাষার ভাণ্ডারে রত্ন বা জ্ঞানের ভাণ্ডার থাকা সত্ত্বেও আমরা কেন ভিখারির মতো অন্য ভাষার দিকে হাত বাড়াই।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু হলো মাতৃভাষার প্রতি অবহেলা এবং এর গৌরব পুনরুদ্ধার।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটিতে 'মাতৃকোষ' এবং 'ভিখারীদশা'র কথা বলা হয়েছে, এটি সরাসরি কবি মধুসূদনের <strong>বঙ্গ ভাষা</strong> কবিতার একটি অংশ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>বঙ্গ ভাষা</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটি এই কবিতারই অন্যতম প্রধান আক্ষেপমূলক পঙ্ক্তি।</li>
</ul>
৬১২০
“কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো - বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগাযোগ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মূলত মানুষের সম্পর্কের জটিলতা এবং মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে লেখা।</p>
<p>এই উদ্ধৃতিটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>যোগাযোগ</strong> উপন্যাসের মূল উপজীব্যই হলো সম্পর্কের গভীরতা এবং ঘটনার পেছনের প্রস্তুতি।</li>
<li>লেখক এখানে বোঝাতে চেয়েছেন যে, কোনো বড় ঘটনার বা সম্পর্কের পেছনে দীর্ঘদিনের নীরব প্রস্তুতি বা 'সলতে পাকানোর' মতো কাজ লুকিয়ে থাকে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের মধ্যে এই ধরনের দার্শনিক ও রূপকধর্মী উক্তিগুলো সাধারণত তার পরিণত বয়সের রচনার বৈশিষ্ট্য, যা <strong>যোগাযোগ</strong> উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাথে দারুণভাবে মিলে যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।