<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাসাহিত্যিক, যিনি তাঁর বাস্তবধর্মী ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলনগুলোর মধ্যে <strong>"মিলির হাতে স্টেনগান"</strong> অন্যতম।</p>
<ul>
<li>এই গল্পটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখতে পারেন, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পের ভাষা ও শৈলী বেশ স্বতন্ত্র, যা খুব সহজেই আলাদা করা যায়।</li>
</ul>
৬১৩৭
“যবে উৎপীড়িতদের ক্রন্দন রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারী খড়ড় কৃপাণ ভীম রণে-ভূমে রণিবেনা।” - এ দুটি লাইন কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার?
<p>এই বিখ্যাত লাইন দুটি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কবিতা <strong>'বিদ্রোহী'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুলের <strong>'বিদ্রোহী'</strong> কবিতাটি মূলত অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে লেখা।</li>
<li>এখানে 'উৎপীড়িতদের ক্রন্দন' এবং 'অত্যাচারীর খড়গ'—এই শব্দগুলো সরাসরি বিদ্রোহ ও বিপ্লবের প্রতীক।</li>
<li>কবিতাটির মূল সুর হলো সকল প্রকার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়, যা এই লাইন দুটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরতচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>"শেষ প্রশ্ন"</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় উপন্যাস। এই উপন্যাসে তিনি তৎকালীন সমাজের প্রথাগত ধ্যান-ধারণার বিরুদ্ধে গিয়ে নারীর ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতার কথা তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র <strong>কমল</strong>, যার মাধ্যমে লেখক প্রথা ভাঙার সাহস দেখিয়েছেন।</li>
<li>এটি শরৎচন্দ্রের জীবনের শেষ দিকে লেখা অন্যতম আলোচিত একটি সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই "শেষ প্রশ্ন" উপন্যাসের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী একটি কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: উপন্যাসের নাম</strong>।</p>
<p>অনেকেই নামের কারণে এটিকে কবিতা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু বিষয়টি আসলে বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>'শেষের কবিতা'</strong> মূলত একটি কালজয়ী রোমান্টিক উপন্যাস।</li>
<li>এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে অমিত ও লাবণ্যের প্রেমকাহিনি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>নামে 'কবিতা' থাকলেও এটি গদ্যে লেখা একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস, তাই পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৬১৪০
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।” এই চরণদ্বয়ের লেখক-
<p>এই বিখ্যাত ছড়াটির লেখক হলেন <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>। এটি তাঁর লেখা 'শিশুশিক্ষা' বইয়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>বাঙালি শিশুদের নৈতিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় এই ছড়াটি দিয়ে।</li>
<li>মদনমোহন তর্কালঙ্কার মূলত শিশুদের জন্য সহজ ও শিক্ষণীয় ছড়া লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তাই যখনই এই পঙক্তিটি দেখবেন, সরাসরি মনে রাখবেন এটি <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কারের</strong> অমর সৃষ্টি।</li>
</ul>
৬১৪১
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি” চরণ দুটির রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>খুবই জনপ্রিয় এই ছড়াটি আমাদের অনেকেরই ছোটবেলার পাঠ্যবইয়ের অংশ ছিল। এটি মূলত তার লেখা <strong>'শিশুশিক্ষা'</strong> নামক বিখ্যাত বই থেকে নেওয়া হয়েছে। এই ছড়াটি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য লেখা হয়েছিল, যা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাই মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন:</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ ফজলল করিমের</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত চরণ দুটি কবি শেখ ফজলল করিমের লেখা 'প্রার্থনা' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত স্রষ্টার কাছে সুন্দর ও কল্যাণময় জীবনের জন্য আকুতি প্রকাশ করে লেখা। মনে রাখার সুবিধার্থে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবি শেখ ফজলল করিম তাঁর সহজ-সরল ও ভক্তিপূর্ণ কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>'সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন'—এই লাইনটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি পঙ্ক্তি যা প্রায়ই বিভিন্ন পাঠ্যবই ও সাহিত্য আলোচনায় পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা সায়েন্স ফিকশন হলো <strong>"সুলতানার স্বপ্ন"</strong> (Sultana's Dream)। এটি ১৯০৫ সালে ইংরেজিতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> বেগম রোকেয়া।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯০৫ সাল।</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এটি নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা বিশ্বের অন্যতম প্রথম সায়েন্স ফিকশন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—নারীর ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক চিন্তাধারার কথা এলেই বেগম রোকেয়ার নাম সবার আগে আসে, আর তাঁর অমর সৃষ্টি হলো এই সুলতানার স্বপ্ন।</p>
৬১৪৪
“স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চাই”- চরণটি কার রচনা?
<p>এই বিখ্যাত চরণটি কবি <strong>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের</strong> লেখা। তিনি তাঁর <strong>'পদ্মিনী উপাখ্যান'</strong> কাব্যে এই অমোঘ পঙক্তিটি ব্যবহার করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যে <strong>দেশপ্রেমমূলক কাব্যের</strong> পথিকৃৎ বলা হয়।</li>
<li>তাঁর এই অমর উক্তিটি পরাধীনতার গ্লানি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>সাহিত্য পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির নাম মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া যায়।</li>
</ul>
৬১৪৫
“হিন্দু না ওরা মুসলিম?—ওই জিজ্ঞাসে কোন্ জন?”- পঙ্ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন্ কবিতার অন্তর্গত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাণ্ডারী হুঁশিয়ার</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কবিতাটি মূলত দেশপ্রেম এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য দলিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল সুর হলো মানুষের পরিচয় ধর্ম দিয়ে নয়, বরং তার কর্ম ও মনুষ্যত্ব দিয়ে বিচার করা।</li>
<li>ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় যখন হিন্দু-মুসলিম বিভেদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল, তখন কবি এই পঙ্ক্তির মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক করেছিলেন।</li>
<li><strong>কাণ্ডারী হুঁশিয়ার</strong> কবিতায় কবি দেশরূপী তরণীর মাঝিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যে মানুষ ধর্মের দোহাই দিয়ে বিভেদ সৃষ্টি করে, তাদের এই সংকীর্ণ প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই লাইনটি দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>কাণ্ডারী হুঁশিয়ার</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
৬১৪৬
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই রচিত হয়েছিল যে উপন্যাস -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাইফেল রোটি আওরাত</strong>। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>আনোয়ার পাশা রচিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>উপন্যাসটি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই রচিত হয়েছিল এবং এটি তৎকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।</li>
<li>লেখক নিজেই যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছিলেন, যার ফলে যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে বসে লেখা এই উপন্যাসটি ইতিহাসের এক অনন্য দলিল হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>১৯৮৫ সালে নাসির উদ্দিন স্বর্ণ পদক পেয়েছিলেন <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>। এই পুরস্কারটি মূলত বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয়।</p>
<ul>
<li><strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong> ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, কবি এবং সাহিত্য সমালোচক।</li>
<li>তার বহুমুখী পাণ্ডিত্য এবং বাংলা সাহিত্যের বিকাশে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, তার দীর্ঘদিনের সাহিত্যিক সাধনা ও সৃজনশীল কাজের মূল্যায়ন হিসেবেই ১৯৮৫ সালে তিনি এই স্বর্ণ পদকটি অর্জন করেন।</li>
</ul>
৬১৪৮
১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গীতিকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>Ballad</strong> মূলত একটি বর্ণনামূলক কবিতা বা গান, যা কোনো কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এই জাতীয় কাহিনীমূলক গান বা গাথাকেই আমরা <strong>গীতিকা</strong> হিসেবে চিনি।</li>
<li>মৈমনসিংহ গীতিকা বা পূর্ববঙ্গ গীতিকার মতো বিখ্যাত সংকলনগুলো এই ধারারই শ্রেষ্ঠ উদাহরণ, যেখানে সুরের মাধ্যমে দীর্ঘ কোনো আখ্যান তুলে ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো লোককাহিনী ছন্দে বা সুরের মাধ্যমে পরিবেশন করা হয়, তখনই তাকে আমরা <strong>গীতিকা</strong> বা Ballad বলে থাকি।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।