<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে <strong>”ছন্দের জাদুকর”</strong> বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা কবিতায় ছন্দের কারুকাজ এবং শব্দের ঝংকার তৈরিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।</li>
<li>বিদেশি ভাষার অনেক কবিতাকে তিনি চমৎকার ছন্দে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করে।</li>
<li>তার কবিতার শব্দচয়ন এবং ছন্দের লয় এতই সাবলীল যে, পাঠক খুব সহজেই তার ছন্দের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে যান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার ছন্দের ওপর তার অসাধারণ দখলই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেছে।</p>
৬১২২
”জালি লাউয়ের ডগার মতোন বাহু দু’খান সরু”- কার সম্বন্ধে বলা হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপাই</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থে রূপাইয়ের শারীরিক গঠনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কবি এই উপমাটি ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতায় রূপাইয়ের সুঠাম ও ছিপছিপে গড়ন বোঝাতে কবি প্রকৃতির উপমা বেছে নিয়েছেন।</li>
<li><strong>জালি লাউয়ের ডগা</strong> যেমন খুব নরম, সরু এবং সতেজ হয়, রূপাইয়ের বাহুর গঠনও ঠিক তেমনই নমনীয় ও সুডৌল ছিল।</li>
<li>এই বিশেষ লাইনটি রূপাইয়ের বীরত্বপূর্ণ ও সুঠাম দেহের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
৬১২৩
“জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। এই বিখ্যাত উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এবং এটি তৎকালীন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র <strong>'শিখা'</strong> পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যার প্রচ্ছদে ছাপা হতো।</p>
<ul>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> বিশের দশকে ঢাকায় গড়ে ওঠা 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' বা 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন'-এর মূল স্লোগান ছিল এটি।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> কুসংস্কার ও গোঁড়ামিমুক্ত মুক্তচিন্তার চর্চাকে উৎসাহিত করতেই তারা এই বাণীটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রসারে এই পত্রিকা ও এর আদর্শ আজও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুশারী</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ মজার এবং ঐতিহাসিক।</p>
<ul>
<li>জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের আদি পুরুষ ছিলেন পঞ্চানন কুশারী।</li>
<li>পঞ্চানন কুশারী যখন কলকাতায় বসতি স্থাপন করেন, তখন স্থানীয়রা তাকে 'ঠাকুর' বলে সম্বোধন করতেন।</li>
<li>সময়ের সাথে সাথে এই 'ঠাকুর' উপাধিটিই তাদের পারিবারিক পদবি হিসেবে স্থায়ী হয়ে যায়, যদিও তাদের আদি পদবি ছিল <strong>কুশারী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বংশানুক্রমিক পদবি হিসেবে তারা কুশারী হলেও, লোকমুখে পরিচিতি পাওয়ার পর থেকেই তারা বিশ্বজুড়ে ঠাকুর পরিবার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঠোঁটের পরশে পান লাল হল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>তাম্বুল</strong> মানে হলো পান এবং <strong>অধর</strong> মানে হলো ঠোঁট।</li>
<li>কবি এখানে রূপক অর্থে বুঝিয়েছেন যে, ঠোঁটের স্পর্শে বা সংস্পর্শে আসার ফলে পানটি লাল রঙ ধারণ করেছে।</li>
<li>পুরো বাক্যটির মূল ভাব হলো, ঠোঁটের লালিমা যখন পানের সাথে মিশে যায়, তখন পানটিও সেই রঙে রাঙা হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঠোঁটের ছোঁয়ায় পানের লাল হয়ে যাওয়ার দৃশ্যটিই এখানে কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
৬১২৬
“তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু”— এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত কবিতাংশটির রচয়িতা হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। তিনি মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের স্বভাব নিয়ে ব্যঙ্গ করতেন।</li>
<li>"তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু"—এই লাইনটির মাধ্যমে তিনি তৎকালীন মানুষের পরনির্ভরশীলতা এবং তোষামোদ করার প্রবণতাকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাঁর রচনার এই ধারালো ও হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিই তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৬১২৭
“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনন্ত প্রেম</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এই বিখ্যাত কবিতাটি মূলত প্রেম ও পুনর্জন্মের এক গভীর অনুভূতির প্রকাশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো আত্মার অমরত্ব এবং ভালোবাসার চিরন্তন রূপ।</li>
<li>যেহেতু এখানে <strong>"জনমে জনমে"</strong> এবং <strong>"যুগে যুগে"</strong> শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি সহজেই বোঝা যায় যে এটি 'অনন্ত প্রেম' কবিতার অংশ।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই পঙক্তিগুলো মূলত ভালোবাসার অসীমতাকে নির্দেশ করে, যা কবিতার শিরোনামের সাথেই পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আবুল ফজল তার জীবনের অভিজ্ঞতা ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য কিছু স্মৃতিকথা ও প্রবন্ধের মধ্যে <strong>“দুর্দিনের দিনলিপি”</strong> অন্যতম। এটি মূলত তার একটি কালজয়ী আত্মস্মৃতিমূলক কাজ, যা পাঠককে সেই সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্বচ্ছ ধারণা দেয়।</p>
<ul>
<li>লেখক: আবুল ফজল</li>
<li>গ্রন্থের ধরন: স্মৃতিগ্রন্থ বা দিনলিপি</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: আবুল ফজলের লেখা মানেই গভীর জীবনবোধ ও বাস্তবতার প্রতিফলন, আর “দুর্দিনের দিনলিপি” নামটি তার সেই স্বভাবজাত লেখনশৈলীরই পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>এই নাটকটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনে রাখার সহজ উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক <strong>কাব্যনাট্য</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কালজয়ী নাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর এই অনন্য সৃষ্টির মাধ্যমে নাটকের ভাষায় কাব্যিক আবহ ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাকে বাংলা নাট্যসাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের আবহ এবং কাব্যিক নাট্যশৈলী দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>-কে মনে রাখবেন!</p>
৬১৩০
“প্রদীপ নিবিয়া গেল” ! -এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গিমচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং নাটকীয় মুহূর্ত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি উপন্যাসের একেবারে শেষ দৃশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কপালকুন্ডলা যখন সমুদ্রতীরে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে পৌঁছায়, তখন লেখক এই রূপক বর্ণনাটি ব্যবহার করেন।</li>
<li>‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’ কথাটি মূলত কপালকুন্ডলার অকাল প্রয়াণ বা মৃত্যুর প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পাঠককে গভীরভাবে আবেগপ্রবণ করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বঙ্কিমচন্দ্রের এই কালজয়ী উপন্যাসের ট্র্যাজিক সমাপ্তি বোঝাতেই এই লাইনটি অমর হয়ে আছে।</p>
<p>এই জনপ্রিয় গানটির গীতিকার হলেন <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>। গানটি মূলত একটি লোকজ ধারার গান, যা তার সহজ-সরল কথা ও সুরের জন্য মানুষের মুখে মুখে ফেরে।</p>
<ul>
<li>গানটির রচয়িতা হিসেবে <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>-এর নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>এটি একটি কালজয়ী লোকগান, যা বিভিন্ন সময় অনেক শিল্পী নতুন করে গাইলেও এর মূল কৃতিত্ব গীতিকার শেখ ওয়াহিদের।</li>
</ul>
<p>“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বিনয় ঘোষ</strong>। তিনি মূলত সমাজবিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বিনয় ঘোষের লেখা এই বইটি উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণ এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা অন্যতম সেরা গবেষণাধর্মী কাজ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা সমাজতাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রে বিনয় ঘোষের নাম এবং তাঁর এই বিখ্যাত বইটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।</li>
</ul>
৬১৩৩
“বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শামসুর রাহমানকে বলা হয় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তাঁর লেখায় বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও হৃদয়ের কথা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>"বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়"</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাজ।</p>
<ul>
<li>কবি শামসুর রাহমানের কাব্যশৈলী ও দেশপ্রেমের গভীরতা এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি তালিকা ছোট করে নোট করে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</li>
</ul>
৬১৩৪
“মধুর চেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি।” কবিতার এই অংশবিশেষের রচয়িতা-
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি মূলত 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত। তার কবিতার ছন্দের কারুকাজ ও শব্দচয়ন অত্যন্ত চমৎকার, যা এই পঙক্তিটিতেও ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম 'আমার দেশ'।</li>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছন্দের জাদুকরী দক্ষতার কারণেই এই পঙক্তিটি আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে সরাসরি <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong> নামটিকে মনে রাখলেই হবে।</li>
</ul>
৬১৩৫
“মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।” -কার উক্তি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেনের</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'গাজী মিয়ার বস্তানী'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। তিনি তার লেখায় সবসময়ই বাংলা ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন। এই উক্তিটি মূলত আমাদের মাতৃভাষার প্রতি দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের গুরুত্বকে মনে করিয়ে দেয়।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন</li>
<li><strong>উৎস:</strong> গাজী মিয়ার বস্তানী</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা করা মানে নিজের অস্তিত্ব ও শিকড়কে অস্বীকার করা।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।