eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬১২১

”ছন্দের জাদুকর” বলা হয় কোন কবিকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে <strong>”ছন্দের জাদুকর”</strong> বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা কবিতায় ছন্দের কারুকাজ এবং শব্দের ঝংকার তৈরিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।</li>
<li>বিদেশি ভাষার অনেক কবিতাকে তিনি চমৎকার ছন্দে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করে।</li>
<li>তার কবিতার শব্দচয়ন এবং ছন্দের লয় এতই সাবলীল যে, পাঠক খুব সহজেই তার ছন্দের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে যান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার ছন্দের ওপর তার অসাধারণ দখলই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেছে।</p>
৬১২২

”জালি লাউয়ের ডগার মতোন বাহু দু’খান সরু”- কার সম্বন্ধে বলা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপাই
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপাই</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থে রূপাইয়ের শারীরিক গঠনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কবি এই উপমাটি ব্যবহার করেছেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতায় রূপাইয়ের সুঠাম ও ছিপছিপে গড়ন বোঝাতে কবি প্রকৃতির উপমা বেছে নিয়েছেন।</li>
<li><strong>জালি লাউয়ের ডগা</strong> যেমন খুব নরম, সরু এবং সতেজ হয়, রূপাইয়ের বাহুর গঠনও ঠিক তেমনই নমনীয় ও সুডৌল ছিল।</li>
<li>এই বিশেষ লাইনটি রূপাইয়ের বীরত্বপূর্ণ ও সুঠাম দেহের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
৬১২৩

“জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”- এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শিখা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। এই বিখ্যাত উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এবং এটি তৎকালীন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র <strong>'শিখা'</strong> পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যার প্রচ্ছদে ছাপা হতো।</p>

<ul>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> বিশের দশকে ঢাকায় গড়ে ওঠা 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' বা 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন'-এর মূল স্লোগান ছিল এটি।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> কুসংস্কার ও গোঁড়ামিমুক্ত মুক্তচিন্তার চর্চাকে উৎসাহিত করতেই তারা এই বাণীটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রসারে এই পত্রিকা ও এর আদর্শ আজও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
</ul>
৬১২৪

”ঠাকুর” পরিবারের আসল পদবি ছিল--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুশারী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুশারী</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ মজার এবং ঐতিহাসিক।</p>

<ul>
<li>জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের আদি পুরুষ ছিলেন পঞ্চানন কুশারী।</li>
<li>পঞ্চানন কুশারী যখন কলকাতায় বসতি স্থাপন করেন, তখন স্থানীয়রা তাকে 'ঠাকুর' বলে সম্বোধন করতেন।</li>
<li>সময়ের সাথে সাথে এই 'ঠাকুর' উপাধিটিই তাদের পারিবারিক পদবি হিসেবে স্থায়ী হয়ে যায়, যদিও তাদের আদি পদবি ছিল <strong>কুশারী</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বংশানুক্রমিক পদবি হিসেবে তারা কুশারী হলেও, লোকমুখে পরিচিতি পাওয়ার পর থেকেই তারা বিশ্বজুড়ে ঠাকুর পরিবার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।</p>
৬১২৫

“তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে।” -অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঠোঁটেন পরশে পান লাল হল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঠোঁটের পরশে পান লাল হল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>এখানে <strong>তাম্বুল</strong> মানে হলো পান এবং <strong>অধর</strong> মানে হলো ঠোঁট।</li>
<li>কবি এখানে রূপক অর্থে বুঝিয়েছেন যে, ঠোঁটের স্পর্শে বা সংস্পর্শে আসার ফলে পানটি লাল রঙ ধারণ করেছে।</li>
<li>পুরো বাক্যটির মূল ভাব হলো, ঠোঁটের লালিমা যখন পানের সাথে মিশে যায়, তখন পানটিও সেই রঙে রাঙা হয়ে ওঠে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ঠোঁটের ছোঁয়ায় পানের লাল হয়ে যাওয়ার দৃশ্যটিই এখানে কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
৬১২৬

“তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু”— এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত কবিতাংশটির রচয়িতা হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। তিনি মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও মানুষের স্বভাব নিয়ে ব্যঙ্গ করতেন।</li>
<li>"তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু"—এই লাইনটির মাধ্যমে তিনি তৎকালীন মানুষের পরনির্ভরশীলতা এবং তোষামোদ করার প্রবণতাকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাঁর রচনার এই ধারালো ও হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিই তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৬১২৭

“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনন্ত প্রেম
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনন্ত প্রেম</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এই বিখ্যাত কবিতাটি মূলত প্রেম ও পুনর্জন্মের এক গভীর অনুভূতির প্রকাশ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো আত্মার অমরত্ব এবং ভালোবাসার চিরন্তন রূপ।</li>
<li>যেহেতু এখানে <strong>"জনমে জনমে"</strong> এবং <strong>"যুগে যুগে"</strong> শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি সহজেই বোঝা যায় যে এটি 'অনন্ত প্রেম' কবিতার অংশ।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই পঙক্তিগুলো মূলত ভালোবাসার অসীমতাকে নির্দেশ করে, যা কবিতার শিরোনামের সাথেই পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
৬১২৮

“দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল ফজল</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আবুল ফজল তার জীবনের অভিজ্ঞতা ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য কিছু স্মৃতিকথা ও প্রবন্ধের মধ্যে <strong>“দুর্দিনের দিনলিপি”</strong> অন্যতম। এটি মূলত তার একটি কালজয়ী আত্মস্মৃতিমূলক কাজ, যা পাঠককে সেই সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্বচ্ছ ধারণা দেয়।</p>

<ul>
<li>লেখক: আবুল ফজল</li>
<li>গ্রন্থের ধরন: স্মৃতিগ্রন্থ বা দিনলিপি</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: আবুল ফজলের লেখা মানেই গভীর জীবনবোধ ও বাস্তবতার প্রতিফলন, আর “দুর্দিনের দিনলিপি” নামটি তার সেই স্বভাবজাত লেখনশৈলীরই পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
৬১২৯

"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়" গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>

<p>এই নাটকটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনে রাখার সহজ উপায়গুলো হলো:</p>

<ul>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক <strong>কাব্যনাট্য</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কালজয়ী নাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর এই অনন্য সৃষ্টির মাধ্যমে নাটকের ভাষায় কাব্যিক আবহ ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাকে বাংলা নাট্যসাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের আবহ এবং কাব্যিক নাট্যশৈলী দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>-কে মনে রাখবেন!</p>
৬১৩০

“প্রদীপ নিবিয়া গেল” ! -এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্গিমচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গিমচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং নাটকীয় মুহূর্ত।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি উপন্যাসের একেবারে শেষ দৃশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কপালকুন্ডলা যখন সমুদ্রতীরে তার জীবনের শেষ মুহূর্তে পৌঁছায়, তখন লেখক এই রূপক বর্ণনাটি ব্যবহার করেন।</li>
<li>‘প্রদীপ নিবিয়া গেল’ কথাটি মূলত কপালকুন্ডলার অকাল প্রয়াণ বা মৃত্যুর প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পাঠককে গভীরভাবে আবেগপ্রবণ করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বঙ্কিমচন্দ্রের এই কালজয়ী উপন্যাসের ট্র্যাজিক সমাপ্তি বোঝাতেই এই লাইনটি অমর হয়ে আছে।</p>
৬১৩১

“প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণ।” -গানটির গীতিকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শেখ ওয়াহিদ
ব্যাখ্যা:
<p>এই জনপ্রিয় গানটির গীতিকার হলেন <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>। গানটি মূলত একটি লোকজ ধারার গান, যা তার সহজ-সরল কথা ও সুরের জন্য মানুষের মুখে মুখে ফেরে।</p>

<ul>
<li>গানটির রচয়িতা হিসেবে <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>-এর নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>এটি একটি কালজয়ী লোকগান, যা বিভিন্ন সময় অনেক শিল্পী নতুন করে গাইলেও এর মূল কৃতিত্ব গীতিকার শেখ ওয়াহিদের।</li>
</ul>
৬১৩২

“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিনয় ঘোষ
ব্যাখ্যা:
<p>“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বিনয় ঘোষ</strong>। তিনি মূলত সমাজবিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদ হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বিনয় ঘোষের লেখা এই বইটি উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণ এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা অন্যতম সেরা গবেষণাধর্মী কাজ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা সমাজতাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রে বিনয় ঘোষের নাম এবং তাঁর এই বিখ্যাত বইটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।</li>
</ul>
৬১৩৩

“বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শামসুর রাহমানকে বলা হয় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তাঁর লেখায় বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও হৃদয়ের কথা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>"বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়"</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাজ।</p>

<ul>
<li>কবি শামসুর রাহমানের কাব্যশৈলী ও দেশপ্রেমের গভীরতা এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি তালিকা ছোট করে নোট করে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</li>
</ul>
৬১৩৪

“মধুর চেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি।” কবিতার এই অংশবিশেষের রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি মূলত 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত। তার কবিতার ছন্দের কারুকাজ ও শব্দচয়ন অত্যন্ত চমৎকার, যা এই পঙক্তিটিতেও ফুটে উঠেছে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম 'আমার দেশ'।</li>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছন্দের জাদুকরী দক্ষতার কারণেই এই পঙক্তিটি আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে সরাসরি <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong> নামটিকে মনে রাখলেই হবে।</li>
</ul>
৬১৩৫

“মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।” -কার উক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেনের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেনের</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'গাজী মিয়ার বস্তানী'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। তিনি তার লেখায় সবসময়ই বাংলা ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন। এই উক্তিটি মূলত আমাদের মাতৃভাষার প্রতি দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের গুরুত্বকে মনে করিয়ে দেয়।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন</li>
<li><strong>উৎস:</strong> গাজী মিয়ার বস্তানী</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা করা মানে নিজের অস্তিত্ব ও শিকড়কে অস্বীকার করা।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।