<p>আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো, তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথমবার একটি সুশৃঙ্খল, মার্জিত এবং শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>ভাষার ছন্দ:</strong> তার আগে বাংলা গদ্য ছিল অনেকটা অগোছালো এবং জটিল। বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li><strong>সহজবোধ্যতা:</strong> তিনি সংস্কৃত শব্দভাণ্ডারকে ব্যবহার করে বাংলা গদ্যকে এমন এক সাবলীল কাঠামো দিয়েছেন, যা সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী হয়ে ওঠে।</li>
<li><strong>সাহিত্যের ভিত্তি:</strong> তার লেখা 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বা 'শকুন্তলা'-র মতো গ্রন্থগুলো বাংলা গদ্যের আধুনিক ধারার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে আজকের এই সুন্দর ও প্রাঞ্জল অবস্থায় নিয়ে আসার পেছনে বিদ্যাসাগরের অবদানই সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>আধুনিক বাংলা গীতি কবিতার উৎস হলো <strong>টপ্পা গান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাংলা গানের বিবর্তনের দিকে তাকাই।</p>
<ul>
<li><strong>টপ্পা গান</strong> মূলত নিধুবাবুর টপ্পা হিসেবে পরিচিত, যা বাংলা গানে নতুন এক আবেগ ও সুরের ধারা নিয়ে আসে।</li>
<li>এই ধারার গানে কথার চেয়ে সুরের কারুকাজ এবং হৃদয়ের গভীর অনুভূতির প্রকাশ বেশি প্রাধান্য পায়।</li>
<li>পরবর্তীতে কবিয়ালদের এই গীতিধর্মী শৈলীই আধুনিক বাংলা গীতি কবিতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, টপ্পা গানের এই গীতিময়তা এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশই আধুনিক বাংলা কবিতার মূল কাঠামো তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে তিনি বাংলা কবিতার প্রথাগত ধারাকে ভেঙে নতুন রূপ দিয়েছিলেন।</li>
<li>তার এই প্রথা ভাঙার সাহস এবং নতুন ধারার সৃষ্টিই তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবির মর্যাদা দিয়েছে।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন, যা তৎকালীন সময়ে ছিল এক বিশাল বৈপ্লবিক পরিবর্তন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার পুরনো কাঠামো ভেঙে আধুনিকতার সূচনা করার কারণেই তাকে এই বিশেষণে ভূষিত করা হয়।</p>
<p>আবু ইসহাকের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>সূর্যদীঘল বাড়ি</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ বিষয় মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট মূলত গ্রামীণ জীবন ও দারিদ্র্য নিয়ে আবর্তিত।</li>
<li>এটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।</li>
<li>আবু ইসহাকের সাহিত্যিক পরিচয়ের প্রধান ভিত্তিই হলো এই <strong>সূর্যদীঘল বাড়ি</strong> উপন্যাসটি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আবু ইসহাক বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে এই উপন্যাসটির নামই আসা উচিত, কারণ এটিই তাঁর সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় কাজ।</p>
<p>আবুল ফজলের <strong>'রেখাচিত্র'</strong> হলো একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে লেখক তার নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা, অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতির কথা খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো লেখক নিজের জীবনের গল্প বা অভিজ্ঞতার কথা বই আকারে লেখেন, তাকেই <strong>আত্মজীবনী</strong> বলা হয়।</li>
<li>আবুল ফজল তার এই গ্রন্থে নিজের জীবনের নানা পর্যায় ও উপলব্ধিকে শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন, তাই এটি আত্মজীবনী ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
৬১৭১
আমার ভাইয়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি বিখ্যাত এ গানটির প্রথম সুরকার কে?
<p>‘আমার ভাইয়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির প্রথম সুরকার হলেন <strong>আলতাব মাহমুদ</strong>। গানটি মূলত আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। শুরুতে এর সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ, তবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এবং পরবর্তী সময়ে এই গানটিকে বর্তমানের কালজয়ী সুরে রূপদান করেন শহীদ সুরকার আলতাব মাহমুদ।</p>
<ul>
<li><strong>গীতিকার:</strong> আব্দুল গাফফার চৌধুরী।</li>
<li><strong>বর্তমান সুরকার:</strong> আলতাব মাহমুদ।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে গাওয়া বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গান।</li>
</ul>
৬১৭২
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে - পঙক্তিটি কার রচনা?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি <strong>ভারতচন্দ্র রায়</strong>-এর লেখা। এটি তার কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong>-এর অন্তর্গত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবি ভারতচন্দ্র রায় ছিলেন মধ্যযুগের শেষ ভাগের শ্রেষ্ঠ কবি।</li>
<li>তার কাব্যে অন্নপূর্ণার কাছে ভক্তের এই প্রার্থনাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'দুধে ভাতে' থাকার আকাঙ্ক্ষা বলতে মূলত অভাবমুক্ত ও সুখী জীবনকে বোঝানো হয়েছে, যা ভারতচন্দ্রের লেখনীতেই অমর হয়ে আছে।</li>
</ul>
৬১৭৩
আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে- এ প্রার্থনাটি করেছে-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরী পাটুনীর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে ঈশ্বরী পাটুনী যখন দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর চাইলেন, তখন তিনি কোনো ধন-সম্পদ বা ঐশ্বর্য চাননি। তিনি চেয়েছিলেন তার সন্তান যেন সবসময় সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকে। সেই বিখ্যাত প্রার্থনাই হলো:</p>
<ul>
<li>"আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।"</li>
</ul>
<p>একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সন্তানের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশই এই লাইনটিকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে। তাই এই মনোবাঞ্ছাটি ঈশ্বরী পাটুনীরই।</p>
৬১৭৫
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ। পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত নজরুল তার লেখায় সবসময়ই অকুতোভয় এবং আপসহীন মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই লাইনটি নজরুলের বিখ্যাত <strong>'বিদ্রোহী'</strong> কবিতার অংশ।</li>
<li>কবিতাটির প্রতিটি ছত্রে কবির যে আত্মমর্যাদাবোধ এবং অসীম সাহসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>'আমি' দিয়ে শুরু হওয়া এমন তেজদীপ্ত পঙ্ক্তিগুলো মূলত নজরুলের বিদ্রোহী সত্তারই পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার অবদান ছিল অপরিসীম, আর এই রাজসভার সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন কবি আলাওল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কাব্যগুলোর জন্ম হয়েছিল।</li>
<li>কবি আলাওল তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>'পদ্মাবতী'</strong> এই রাজসভাতেই রচনা করেন।</li>
<li>মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারায় তাঁর নাম সবার উপরে, তাই আরাকান রাজসভা বললেই আলাওলের নাম সবার আগে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দৌলত কাজী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার কবিদের মধ্যে <strong>দৌলত কাজী</strong> ছিলেন প্রথম এবং অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তিনি আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গ রাজদরবারের আশ্রয়ে থেকে তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'সতী ময়নালোর চন্দ্রানী'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ইতিহাসে তাঁর এই অবদানের কারণেই তাঁকে আরাকান রাজসভার প্রথম কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৬১৭৮
আলাউদ্দিন আল আজাদের ‘ক্ষুধা ও আশা’ কোন জাতীয় গ্রন্থ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>‘ক্ষুধা ও আশা’</strong> একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আলাউদ্দিন আল আজাদ মূলত তার শক্তিশালী কথাসাহিত্যের জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘ক্ষুধা ও আশা’</strong> উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র এবং মানুষের জীবনসংগ্রামের নিখুঁত প্রতিফলন ঘটেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম এবং এই বিখ্যাত উপন্যাসের নামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রোসাঙ্গ</strong> রাজসভা। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর জীবনের দীর্ঘ একটি সময় আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভায় অতিবাহিত করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আলাওল মূলত রোসাঙ্গ রাজসভার রাজকর্মচারী ও কবি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
<li>সেখানকার তৎকালীন মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্য <strong>পদ্মাবতী</strong> রচনা করেন।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে রোসাঙ্গ রাজসভা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চার জন্য সেই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীতিকাব্য</strong>। আলাওলের ‘তোহফা’ মূলত একটি নীতিমূলক গ্রন্থ, যা ফারসি কবি ইউসুফ গদায়ের ‘তুহফা’ অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যটি মূলত <strong>ধর্মীয় ও নৈতিক উপদেশ</strong> প্রদানের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে।</li>
<li>এর বিষয়বস্তু হলো মানুষের জীবন পরিচালনার সঠিক নিয়ম, পরকাল এবং নৈতিক শিক্ষা।</li>
<li>আলাওলের অন্যান্য রোমান্টিক প্রণয়কাব্য থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ এতে কোনো প্রেমের কাহিনী নেই, বরং আছে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় <strong>উপদেশমালা</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।