<p>কবি শামসুর রাহমানের পৈতৃক নিবাস হলো নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার <strong>পাড়াতলী</strong> গ্রামে। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তার জন্ম ঢাকায় হলেও তার শিকড় বা পৈতৃক ভিটা এই গ্রামেই অবস্থিত।</p>
<ul>
<li>কবি শামসুর রাহমানের জন্ম: ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর, ঢাকায়।</li>
<li>পৈতৃক নিবাস: নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার <strong>পাড়াতলী</strong> গ্রাম।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির জন্মস্থান এবং পৈতৃক নিবাসের পার্থক্যটা মাথায় রাখলেই উত্তর দেওয়া সহজ হয়ে যায়।</p>
<p>কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র <strong>২১ বছর</strong> বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট।</li>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৯৪৭ সালের ১৩ মে।</li>
<li>অর্থাৎ, তার জীবনকাল ছিল মাত্র <strong>২১ বছর</strong> ৯ মাস।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের এই 'কিশোর কবি' খুব অল্প সময়েই তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক অনন্য উচ্চতা তৈরি করে গেছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোপালগঞ্জ</strong>। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় <strong>'কিশোর কবি'</strong>।</li>
<li>তার জন্ম কলকাতায় হলেও, তার আদি নিবাস বা পৈতৃক ভিটা হলো গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই তথ্যটি আসে, তাই কবির নামের সাথে <strong>'গোপালগঞ্জ'</strong> শব্দটিকে একবারে মুখস্থ করে ফেলা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একুশ</strong>। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম: ১৫ আগস্ট, ১৯২৬ সাল।</li>
<li>মৃত্যু: ১৩ মে, ১৯৪৭ সাল।</li>
<li>জন্ম ও মৃত্যুর তারিখের ব্যবধান হিসাব করলে দেখা যায়, তিনি মাত্র <strong>২১</strong> বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।</li>
</ul>
<p>খুব অল্প বয়সে অকালপ্রয়াত এই কবিকে তাই বাংলা সাহিত্যে 'কিশোর কবি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বরিশাল</strong>। কবি সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনেই দ্বিধা থাকে, তবে বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান <strong>বরিশাল</strong>) শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বরিশালে, তাই জন্মস্থান হিসেবে বরিশালই সঠিক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠার সাথে বরিশালের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে।</p>
<p>কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ও বিকাশের সময়কাল হলো <strong>আঠারো শতকের শেষার্ধ থেকে উনিশ শতকের প্রথমার্ধ</strong>। এই সময়টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশেষ পরিবর্তনের যুগ।</p>
<ul>
<li><strong>সামাজিক প্রেক্ষাপট:</strong> এই সময়ে কলকাতা কেন্দ্রিক নতুন নাগরিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল।</li>
<li><strong>সাংস্কৃতিক প্রভাব:</strong> তৎকালীন সমাজে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে কবিগান ও শায়েরি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> মূলত ১৭৬০ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়েই এই ধারার সবচেয়ে বেশি চর্চা ও প্রসার লক্ষ্য করা যায়, যা আমাদের সঠিক উত্তরের সাথে মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>কবিগানের ইতিহাসে <strong>এন্টনি ফিরিঙ্গি</strong> এবং <strong>রামপ্রসাদ রায়</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। এরা দুজনেই কবিগান রচনার পাশাপাশি নিজে গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করতেন।</p>
<ul>
<li><strong>এন্টনি ফিরিঙ্গি:</strong> তিনি একজন পর্তুগিজ হয়েও বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন এবং কবিগানে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন।</li>
<li><strong>রামপ্রসাদ রায়:</strong> তিনি কবিগানের ধারায় একজন দক্ষ কবিয়াল হিসেবে সমসাময়িক সমাজে বেশ পরিচিত ছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবিগানের আসরে যারা একই সাথে গান লিখতেন এবং সুর করে গাইতেন, তাদের মধ্যে এই দুজন ছিলেন অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায়</strong>।</p>
<p>কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ বা থিয়েটার তৈরির সঠিক সময় হলো <strong>১৭৫৩ সাল</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় নাট্যচর্চার প্রসারের শুরুর দিকেই এই রঙ্গমঞ্চটি স্থাপিত হয়।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৭৫৩ সালে লেবেডফ বা অন্যান্য নাট্যব্যক্তিত্বের অনেক আগেই কলকাতায় প্রথম ইউরোপীয় ধাঁচের থিয়েটার তৈরি হয়েছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, পলাশীর যুদ্ধের ঠিক কয়েক বছর আগেই এই রঙ্গমঞ্চটি কলকাতায় তার যাত্রা শুরু করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৭৫৩ সাল</strong>।</p>
৬২৪৯
কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় কোন সালে?
<p>কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরপরই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চার জন্য বাংলা বিভাগ খোলা হয়। সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০১ খ্রি.</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়: <strong>১৮০০ খ্রি.</strong></li>
<li>কলেজ প্রতিষ্ঠার ঠিক পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৮০১ খ্রি.</strong> সালে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।</li>
</ul>
<p>এই বিভাগটি খোলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ কর্মকর্তাদের বাংলা ভাষা শেখানো, যার ফলে বাংলা গদ্যের চর্চা ও বিকাশ দ্রুততর হয়।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>ঈশ্বর গুপ্তকে</strong> ‘যুগ সন্ধিক্ষণের কবি’ বলা হয়। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন।</li>
<li>তার লেখায় একদিকে যেমন মধ্যযুগীয় ধারার প্রভাব দেখা যায়, অন্যদিকে আধুনিক যুগের নাগরিক সচেতনতা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির ছাপও স্পষ্ট।</li>
<li>এই দুই যুগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার কারণেই তাকে এই বিশেষ অভিধায় ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোবিন্দদাস</strong>। এর পেছনের কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>পদাবলী সাহিত্যের ইতিহাসে গোবিন্দদাসকে বিদ্যাপতির কাব্যশৈলী ও ভাবধারার সবচেয়ে বড় অনুসারী বা ভাবশিষ্য মনে করা হয়।</li>
<li>তিনি বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষার প্রভাব নিজের পদাবলীতে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।</li>
<li>বিদ্যাপতির মতো তিনিও রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলাকে অত্যন্ত অলঙ্কারপূর্ণ ও শৈল্পিক ভাষায় উপস্থাপন করেছেন, যার কারণে তাকে বিদ্যাপতির যোগ্য উত্তরসূরি বা ভাবশিষ্য বলা হয়।</li>
</ul>
<p>কাজী ইমদাদুল হকের ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র</strong>। এই উপন্যাসটি পড়ার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আব্দুল্লাহর জীবনের মধ্য দিয়ে লেখক সেই সময়ের রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের নানা কুসংস্কার ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছেন।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপট মূলত তৎকালীন শিক্ষিত ও অর্ধ-শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানসিক দ্বন্দ্ব এবং তাদের জীবনযাত্রার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম মধ্যবিত্তের আত্মপ্রকাশ ও তাদের সামাজিক অবস্থানের এক অনন্য দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আব্দুল্লাহর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন আসলে সেই সময়ের পুরো মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজেরই প্রতিচ্ছবি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একমাত্র প্রকাশিত উপন্যাস।</p>
<ul>
<li><strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> উপন্যাসে নজরুল তৎকালীন মুসলিম সমাজের দারিদ্র্য, কুসংস্কার এবং মানবিক সংগ্রামের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নজরুলের একমাত্র উপন্যাস হিসেবে নামটা মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
৬২৫৪
কাজী নজরুল ইসলাম ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য কাকে উৎসর্গ করেন?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ <strong>‘অগ্নিবীণা’</strong>-এর উৎসর্গপত্রটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি এই কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেছিলেন বিপ্লবী <strong>বারীন্দ্রকুমার ঘোষ</strong>-কে।</p>
<ul>
<li>বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ছিলেন অগ্নিযুগের একজন সাহসী বিপ্লবী এবং অরবিন্দ ঘোষের অনুজ।</li>
<li>নজরুল তাঁর বিদ্রোহী সত্তা ও বিপ্লবের আদর্শকে সম্মান জানাতেই এই উৎসর্গটি করেছিলেন।</li>
<li>মনে রাখার সহজ উপায়: ‘অগ্নিবীণা’ মানেই আগুনের গান, আর সেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়াতে বারীন্দ্রকুমার ঘোষের ভূমিকা ছিল অনন্য।</li>
</ul>
৬২৫৫
কাজী নজরুল ইসলাম এর ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির প্রথম কবিতা হিসেবেই ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি স্থান পেয়েছে। তাই যখনই ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অগ্নিবীণা</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।