<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬৫</strong> সাল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ এই বছরেই প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের শুরু এবং বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপান্তরের সময়কাল হিসেবে <strong>১৮৬৫</strong> সালটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>সহজ কথায়, ১৮৬৫ সাল থেকেই বাংলা উপন্যাসের যাত্রা শুরু হয়।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের কালজয়ী সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রকাশিত হয় <strong>১৮৬১</strong> সালে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই মহাকাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।</li>
<li>এটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা কাব্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়।</li>
<li>সালটি মনে রাখার সহজ কৌশল: মধুসূদনের এই অমর সৃষ্টিটি ১৮৬০-এর দশকের ঠিক শুরুতে, অর্থাৎ <strong>১৮৬১</strong> সালে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
</ul>
৬২১৪
কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ লাভ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪৫</strong> সাল। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই সম্মানজনক পদকটি প্রদান করে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের জীবনের শেষ বড় প্রাপ্তিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।</li>
<li>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ <strong>১৯৪৫</strong> সালেই তিনি এই পদকটি লাভ করেন।</li>
<li>তার সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এটি ছিল তৎকালীন সময়ের অন্যতম সেরা সম্মাননা।</li>
</ul>
৬২১৫
কত সালে শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ১৯২৩ সালে ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদকে ভূষিত করে। এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ প্রকাশের সময়কাল এবং তার সাহিত্যিক খ্যাতির তুঙ্গস্পর্শী সময় ছিল এই ১৯২০-এর দশকের শুরু।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৯২৩ সালটি তার জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯২৩ সালটিই হলো সেই বছর যখন তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পদকটি অর্জন করেন।</p>
৬২১৬
কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত বছর বয়সে তার কালজয়ী উপন্যাস ‘দেবদাস’ রচনা করেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকেই তিনি এই কালজয়ী উপন্যাসটি লিখেছিলেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র ১৮৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তিনি ১৯০১ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী: $1901 - 1876 = 25$</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মাত্র <strong>২৫ বছর</strong> বয়সেই তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন</strong>। মুনীর চৌধুরীর লেখা এই কালজয়ী নাটকটি মূলত ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>নাটকটির মূল বিষয়বস্তু বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li>নাটকটিতে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়নের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রতীকী ভাষা আন্দোলনের নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯৫২ সালের সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রতিবাদী চেতনা এবং বাঙালির আত্মপরিচয় রক্ষার লড়াইই এই নাটকের মূল ভিত্তি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রোসাঙ্গ</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর জীবনের দীর্ঘ একটি সময় আরাকান রাজ্যের রাজদরবারে অতিবাহিত করেন, যা তৎকালীন সময়ে <strong>রোসাঙ্গ</strong> নামে পরিচিত ছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>আলাওল মূলত রোসাঙ্গ রাজদরবারের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>পদ্মাবতী</strong> রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তৎকালীন রোসাঙ্গ রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধেই তিনি সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আলাওলকে রোসাঙ্গ রাজসভার কবি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>কবি আলাওলের জন্মস্থান নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও, অধিকাংশ গবেষক ও ঐতিহাসিকদের মতে সঠিক উত্তর হলো <strong>চট্টগ্রামের জোবরা</strong>। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি, যিনি মূলত চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তার পৈতৃক নিবাস ছিল চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ এলাকার <strong>জোবরা</strong> গ্রামে।</li>
<li>যদিও তিনি কর্মজীবনের বড় একটি সময় আরাকান রাজসভায় কাটিয়েছেন, কিন্তু তার জন্মস্থান হিসেবে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকাটির গুরুত্ব অপরিসীম।</p>
<ul>
<li>১৮৩১ সালে কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এই পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>শুরুতে এটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হলেও, ১৮৩৯ সাল থেকে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>ঈশ্বর গুপ্তের নিজস্ব সাহিত্যিক শৈলী এবং তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরার কারণে এটি সেই সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাংবাদিকতার জগতে ঈশ্বর গুপ্তের নাম শুনলেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>-এর নামটাই আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই পত্রিকার সাথে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li><strong>সংবাদ প্রভাকর</strong> ১৮৩১ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>শুরুতে এটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে বের হলেও, পরবর্তীতে ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পত্রিকা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম শুনলেই মাথায় রাখবে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>-এর কথা, কারণ এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি তৎকালীন সমাজে সাহিত্য ও সমাজ সচেতনতামূলক লেখালেখি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।</p>
৬২২২
কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে ‘খাঁটি বাঙালি কবি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখর সমালোচক ও প্রাবন্ধিক।</p>
<p>তিনি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সাহিত্যকর্ম ও তাঁর রচনার মধ্যে যে অকৃত্রিম বাঙালি সত্তা ও দেশীয় ঐতিহ্যের ছাপ দেখেছিলেন, তা থেকেই তিনি তাঁকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচনার প্রশংসা করতে গিয়েই তাঁকে <strong>‘খাঁটি বাঙালি কবি’</strong> হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।</p>
৬২২৩
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্যিক জীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন এবং তাঁকে নিজের গুরু বা পথপ্রদর্শক মনে করতেন। এই গভীর শ্রদ্ধাবোধ থেকেই তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘সঞ্চিতা’</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> সঞ্চিতা</li>
<li><strong>উৎসর্গপত্র:</strong> বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</li>
<li><strong>মূল কারণ:</strong> কবির প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।</li>
</ul>
৬২২৪
কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারতের নিম্নোক্ত জাতীয় পদক প্রদান করা হয় -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মভূষণ</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত সরকার ১৯৭৬ সালে এই সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯৭৬ সালে ভারত সরকার তাকে এই পদকে ভূষিত করে।</li>
<li><strong>সম্মাননা:</strong> এটি ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> বাংলা সাহিত্যে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করা হয়।</li>
</ul>
<p>কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মসাল হলো <strong>১৮৯৯</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা ১৩০৬ সনের ১১ই জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি সালটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<p>সহজ কথায়, ১৯০০ সালের ঠিক এক বছর আগে তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন। এই সালটি মনে রাখলে তার জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সালগুলোও ক্রমানুসারে মনে রাখা সহজ হয়ে যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।