<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>। এই উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস লিখেছেন, যেখানে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময় এবং তৎকালীন ঢাকার জনজীবনের চিত্র দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> চিলেকোঠার সেপাই।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র 'ওসমান' এবং 'হাড্ডি খিজির'-এর মাধ্যমে লেখক সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের গল্প তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উনসত্তরের আন্দোলনের কথা মনে হলেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>-এর নাম আসা উচিত, কারণ এটিই এই ঘটনার সবচেয়ে শক্তিশালী সাহিত্যিক দলিল।</p>
<p>উনিশ শতকের জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ ‘মহিলা’-এর রচয়িতা হলেন <strong>সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একজন বিশিষ্ট কবি হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার মূলত তার এই কাব্যগ্রন্থটির জন্যই বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</li>
<li>১৮৮০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি তৎকালীন সময়ে বেশ সমাদৃত হয়েছিল।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল ভাষায় নারী হৃদয়ের আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশই এই কাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রমণীপাদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের রচয়িতাদের তালিকায় তাঁর নাম নেই।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের পদকর্তারা মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>কাহ্নপাদ, লুইপাদ এবং শান্তিপাদ—এঁরা সবাই চর্যাপদের বিখ্যাত পদকর্তা এবং প্রাচীন যুগের কবি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>রমণীপাদ</strong> নামে চর্যাপদে বা প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে কোনো কবির অস্তিত্ব পাওয়া যায় না, তাই তিনিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মাবতী</strong> মূলত আলাওলের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের 'আরাকান রাজসভার' কাব্যধারার অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পুঁথি সাহিত্য বলতে সাধারণত সেই সব রচনাকে বোঝায় যা আরবি-ফারসি শব্দবহুল মিশ্র ভাষায় রচিত এবং সাধারণ মানুষের পাঠের উপযোগী করে লেখা।</li>
<li>অন্যদিকে, পদ্মাবতী উচ্চমার্গীয় কাব্যরীতিতে রচিত, তাই এটি পুঁথি সাহিত্যের সাধারণ ঘরানার মধ্যে পড়ে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুঁথি সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো এর সহজ-সরল ভাষা ও লোকজ আবেদন, যা পদ্মাবতীর মতো মহাকাব্যিক রচনার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠাই সেপাই</strong>। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র 'ওসমান' এবং 'হাড্ডি খিজির'-এর জীবনের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ঢাকার উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের সময়কার সাধারণ মানুষের আবেগ, সংগ্রাম এবং অস্থিরতাকে লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে এই উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে গণ-অভ্যুত্থানের দলিল হিসেবে এই উপন্যাসটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong> উপন্যাসটি মূলত ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>এই উপন্যাসে তৎকালীন ঢাকার গণ-আন্দোলন, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার এক জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখার জন্য 'ঊনসত্তর' এবং 'চিলেকোঠার সেপাই' শব্দ দুটিকে একসাথে মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
৬২০২
ঊনসত্তরের গন-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র 'ওসমান' এবং 'হাড্ডি খিজির'-এর জীবনের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ঢাকার উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাধারণ মানুষের আবেগ, ক্ষোভ এবং আন্দোলনের তীব্রতা এই উপন্যাসে দারুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত, যা ওই সময়ের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবেও কাজ করে।</li>
</ul>
৬২০৩
একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের - ‘কখন আসবে কবি’ ‘কখন আসবে কবি’ - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। তার কালজয়ী কবিতা <strong>‘হুলিয়া’</strong>-তে তিনি এই লাইনগুলো ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>‘হুলিয়া’</strong>।</li>
<li>প্রেক্ষাপট: এখানে কবি একজন পলাতক বিপ্লবীর মানসিক অবস্থা এবং সাধারণ মানুষের কবির জন্য ব্যাকুল প্রতীক্ষার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: ‘কখন আসবে কবি’—এই আকুতিটুকু নির্মলেন্দু গুণের কাব্যশৈলীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য, যা তার রাজনৈতিক ও রোমান্টিক কবিতার সংমিশ্রণে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুফিয়া কামাল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আমাদের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও নারী নেত্রী সুফিয়া কামাল ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোতে তার অভিজ্ঞতার আলোকে এই বিখ্যাত দিনলিপিটি লিখেছিলেন। এটি মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের বাস্তব চিত্র এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রামের এক অনন্য দলিল।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সুফিয়া কামাল।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের দিনলিপি বা ডায়েরি।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি তৎকালীন সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির এক জীবন্ত সাক্ষী।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাহানারা ইমাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'একাত্তরের দিনগুলি' মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি দিনলিপি বা ডায়েরি। এই বইটির প্রেক্ষাপট ও রচনার পেছনের কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>জাহানারা ইমাম ছিলেন একজন শহীদ জননী, যার সন্তান রুমী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।</li>
<li>তিনি ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিনের ঘটনাপ্রবাহ নিজের ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে সেই ডায়েরিগুলোই সংকলিত হয়ে <strong>'একাত্তরের দিনগুলি'</strong> নামে প্রকাশিত হয়, যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দলিল।</li>
</ul>
<p>একুশে ফেব্রুয়ারির কালজয়ী গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানটির সুরকার হলেন <strong>আলতাফ মাহমুদ</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হলো <strong>আলতাফ মাহমুদ</strong> (যা এখানে অপশন ডি হিসেবে চিহ্নিত)।</p>
<p>গানটির পেছনের ইতিহাস খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>গানটির প্রথম সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে <strong>আলতাফ মাহমুদ</strong> গানটির বর্তমান সুরটি করেন, যা আমাদের সবার কাছে পরিচিত।</li>
<li>এই সুরটিই গানটিকে অমরত্ব দিয়েছে এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রহসন</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'একেই কি বলে সভ্যতা' মূলত একটি সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রহসন</strong> হলো নাটকেরই একটি বিশেষ ধরণ, যেখানে সমাজের কুসংস্কার বা অসঙ্গতিগুলোকে হাসির ছলে ফুটিয়ে তোলা হয়।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত এই রচনার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের তথাকথিত শিক্ষিত যুবকদের অবক্ষয় এবং মদ্যপানের কুফলকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>যেহেতু এটি সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে লেখা, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি সার্থক <strong>প্রহসন</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিগান</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন বাংলা লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li>এন্টনি ফিরিঙ্গি মূলত পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলা ভাষার প্রতি তার গভীর অনুরাগের কারণে তিনি বাংলা কবিগানে নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিয়েছিলেন।</li>
<li>উনিশ শতকের বাংলায় কবিগান ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধারা, যেখানে কবিয়ালরা পাল্লা দিয়ে তাৎক্ষণিক ছড়া বা গান তৈরি করতেন।</li>
<li>এন্টনি ফিরিঙ্গি তার প্রতিপক্ষ কবিয়ালদের সাথে কবিগানের লড়াইয়ে অংশ নিয়ে দারুণ সব গান ও কবিতা রচনা করেছেন, যা আজও বাংলা সাহিত্যের লোকজ ধারায় অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬২০৯
ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে - কে এই দামাল ছেলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কামাল পাশা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কামাল পাশা' কবিতায় এই দামাল ছেলে বলতে তুরস্কের আধুনিক রাষ্ট্রনায়ক মোস্তফা কামাল পাশাকে বোঝানো হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল তার এই কবিতায় কামাল পাশার বীরত্ব এবং তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাহসিকতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>কবিতার লাইনগুলো পড়লেই বোঝা যায়, এখানে 'পাগলি মা' বলতে পরাধীন তুরস্ককে এবং 'দামাল ছেলে' বলতে সেই দেশের ত্রাণকর্তা কামাল পাশাকেই নির্দেশ করা হয়েছে।</li>
</ul>
৬২১০
ঐতিহাসিক ‘মৈমনসিংহ-গীতিকা’র সংগ্রাহক মূলত কে ছিলেন?
<p>ঐতিহাসিক ‘মৈমনসিংহ-গীতিকা’র সংগ্রাহক হিসেবে <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>-এর নাম সবার আগে আসে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চন্দ্রকুমার দে ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগ্রাহক, যিনি ময়মনসিংহের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে লোকগাথাগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।</li>
<li>যদিও ড. দীনেশ চন্দ্র সেন এই গীতিকাগুলো সম্পাদনা ও প্রকাশের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিলেন, কিন্তু মাঠপর্যায়ে কঠোর পরিশ্রম করে এগুলো সংগ্রহ করার মূল কৃতিত্ব <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>-এর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংগ্রাহক বললে আমরা সরাসরি চন্দ্রকুমার দে-কেই বুঝব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।