<p>বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে বিদায় জানানোর সময় <strong>প্রীতিধন্য</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি বন্ধুত্বের গভীরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>প্রীতিধন্য</strong> শব্দের অর্থ হলো যে প্রীতি বা ভালোবাসার পাত্র।</li>
<li>চিঠির শেষে নিজের নাম বা স্বাক্ষরের আগে এটি ব্যবহার করলে তা বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও আন্তরিক ও মার্জিত করে তোলে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো এই প্রেক্ষাপটে মানানসই নয়, তাই চিঠির শেষে বিদায়সূচক হিসেবে এটিই সেরা পছন্দ।</li>
</ul>
৬৩২
প্রাপক সমবয়সী হলে স্বাক্ষরের আগে শিষ্টাচার জ্ঞাপক কোন শব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন?
<p>প্রাপক যখন সমবয়সী বা বন্ধুস্থানীয় হন, তখন চিঠির শেষে স্বাক্ষরের আগে <strong>প্রীতিমুগ্ধ</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই। এটি সম্পর্কের আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।</p>
<ul>
<li><strong>প্রীতিমুগ্ধ:</strong> সমবয়সী বা বন্ধুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য এটি একটি মার্জিত ও সুন্দর শব্দ।</li>
<li><strong>কেন এটি সঠিক:</strong> সমবয়সীদের সাথে চিঠিপত্রে আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে আন্তরিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আর 'প্রীতিমুগ্ধ' শব্দটি সেই আন্তরিকতাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
৬৩৩
সমবয়স্ক প্রিয়জন ছেলে বাপুরুষের কাছে পত্র লিখতে সম্বোধনে সঠিক কোনটি ব্যবহৃত হয়?
<p>সমবয়স্ক প্রিয়জন বা বন্ধুদের কাছে চিঠি লেখার সময় সম্বোধনে <strong>সুহৃদবরেষু</strong> ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে মানানসই। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সুহৃদ</strong> শব্দের অর্থ হলো ভালো বন্ধু বা প্রিয়জন।</li>
<li><strong>বরেষু</strong> প্রত্যয়টি সাধারণত সমবয়স্ক বা প্রিয় কোনো ব্যক্তিকে সম্মান ও আন্তরিকতা জানিয়ে সম্বোধন করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>চিঠিপত্রের প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী, বন্ধুদের ক্ষেত্রে এই সম্বোধনটি বেশ মার্জিত এবং শুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বন্ধু বা সমবয়স্ক কাউকে পত্র লেখার ক্ষেত্রে অন্য কোনো জটিল শব্দের চেয়ে <strong>সুহৃদবরেষু</strong> ব্যবহার করাই সবচেয়ে সঠিক ও সহজ উপায়।</p>
৬৩৪
পত্র লেখার সম্ভাষণ ক্ষেত্রে 'তসলিমবাদ আরজ' কাদের প্রতি প্রযোজ্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুরুজনের প্রতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চিঠিপত্রে সম্ভাষণ বা সম্বোধন করার সময় আমরা যাকে সম্মান প্রদর্শন করতে চাই, তাদের ক্ষেত্রেই এই ধরনের মার্জিত শব্দ ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'তসলিমবাদ আরজ' কথাটি মূলত বিনীত নিবেদন বা শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি অত্যন্ত বিনয়ী ও আনুষ্ঠানিক সম্ভাষণ, তাই এটি সাধারণত বয়সে বড় বা পদমর্যাদায় উচ্চতর ব্যক্তিদের (গুরুজন) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিনয় প্রকাশের মাধ্যম হিসেবেই এই সম্ভাষণটি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>ব্যক্তিগত পত্রে বন্ধু বা সমবয়সীদের সম্বোধন করার ক্ষেত্রে <strong>প্রিয়</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই। কারণ:</p>
<ul>
<li>ব্যক্তিগত চিঠিতে বন্ধুত্বের সম্পর্কটা থাকে খুব আন্তরিক ও ঘরোয়া।</li>
<li>'প্রিয়' শব্দটি বন্ধুত্বের গভীরতা ও আপন ভাব প্রকাশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, 'পূজনীয়' বা 'শ্রদ্ধেয়' বড়দের ক্ষেত্রে এবং 'জনাব' বা 'মহাশয়' দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক চিঠিতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বন্ধুর নাম বা ডাকনামের আগে <strong>প্রিয়</strong> যোগ করাই হলো সঠিক নিয়ম।</p>
৬৩৬
আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছে আমরা যে পত্র লিখি তাকে কী বলে?
<p>আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের কাছে আমরা যে পত্র লিখি, তাকে <strong>ব্যক্তিগত পত্র</strong> বলা হয়। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই ধরনের চিঠিতে আমরা আমাদের মনের ভাব, ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ বা খবরাখবর খুব আপনজনদের সাথে শেয়ার করি।</p>
<ul>
<li><strong>ব্যক্তিগত পত্রের বৈশিষ্ট্য:</strong> এই চিঠিতে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকে না।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> আপনজনদের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা করা।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি সম্পূর্ণ ঘরোয়া ভাষায় লেখা হয়, তাই একে ব্যক্তিগত পত্র বলা হয়।</li>
</ul>
৬৩৭
অল্প পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি পত্রে সম্ভাষণ কী হবে?
<p>অল্প পরিচিত বা অপরিচিত কাউকে চিঠি লেখার সময় আমরা সরাসরি ব্যক্তিগত সম্বোধন (যেমন: প্রিয় বা পূজনীয়) ব্যবহার করতে পারি না। তাই এক্ষেত্রে ভদ্রতা বজায় রাখতে <strong>সালামবাদ/নমস্কারপূর্বক</strong> ব্যবহার করাই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<ul>
<li>অপরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্পর্কের গভীরতা থাকে না, তাই আনুষ্ঠানিক বা ফরমাল সম্বোধন বেছে নিতে হয়।</li>
<li><strong>সালামবাদ/নমস্কারপূর্বক</strong> শব্দগুচ্ছটি নিরপেক্ষ এবং সব ধরনের মানুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।</li>
<li>এটি চিঠির শুরুতে একটি মার্জিত ও পেশাদার আবহ তৈরি করে, যা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগের জন্য আদর্শ।</li>
</ul>
৬৩৮
মুসলমান রীতিতে ব্যক্তিগত পত্রে গুরুজনকে সম্ভাষণ করতে কী লিখা যুক্তিযুক্ত?
<p>মুসলমান রীতিতে বা সামাজিকভাবে গুরুজনদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য <strong>শ্রদ্ধাস্পদেষু</strong> বা <strong>শ্রদ্ধেয়</strong> সম্বোধনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ব্যক্তিগত পত্রে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিনয় প্রকাশ করতে এই শব্দগুলো বহুল প্রচলিত এবং মার্জিত।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রদ্ধাস্পদেষু:</strong> এর অর্থ হলো 'যিনি শ্রদ্ধার পাত্র'। এটি গুরুজনদের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শনের একটি ধ্রুপদী ও শুদ্ধ মাধ্যম।</li>
<li><strong>শ্রদ্ধেয়:</strong> এটি সরাসরি সম্মানসূচক একটি বিশেষণ, যা চিঠির শুরুতে ব্যবহার করলে প্রাপকের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ফুটে ওঠে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যক্তিগত পত্রে গুরুজনদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে এই শব্দগুলো ব্যবহার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও মার্জিত চর্চা।</p>
৬৩৯
চিঠির মঙ্গলসূচক শব্দটি কিসের ভিত্তিতে ভিন্নতা পায়?
<p>চিঠির শুরুতে বা শেষে ব্যবহৃত মঙ্গলসূচক শব্দটি মূলত <strong>ধর্মের ভিত্তিতে</strong> ভিন্ন হয়। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের সমাজে একেক ধর্মের মানুষের অভিবাদন বা মঙ্গলকামনার রীতি একেক রকম।</p>
<ul>
<li>হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চিঠিতে সাধারণত 'শ্রীশ্রী' বা 'ওঁ' ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা চিঠির শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বা 'আসসালামু আলাইকুম' ব্যবহার করেন।</li>
<li>খ্রিস্টান বা অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রেও তাদের নিজস্ব ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, প্রেরক কোন ধর্মের অনুসারী বা তিনি কাকে উদ্দেশ্য করে লিখছেন, তার ওপর ভিত্তি করেই এই শব্দগুলো নির্ধারিত হয়।</p>
৬৪০
পত্রগর্ভের শিরঃভাগের মাঝখানে যা লেখা হয় তার নাম কী?
<p>চিঠিপত্রের শুরুতে বা পত্রগর্ভের শিরঃভাগের মাঝখানে যে মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য লেখা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>মঙ্গলোচ্চারণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>চিঠি লেখার সময় আমরা সাধারণত ওপরের দিকে 'শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ' বা 'আল্লাহ সর্বশক্তিমান'—এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করি।</li>
<li>এই শুভ বা মঙ্গলসূচক শব্দগুলোই মূলত মঙ্গলোচ্চারণ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>চিঠির গঠনশৈলীতে এটি একটি প্রথাগত নিয়ম, যা পত্রের শুরুতে শ্রদ্ধার সাথে উল্লেখ করা হয়।</li>
</ul>
<p>পুত্রের নিকট মাতার পত্রে সম্বোধন হিসেবে <strong>স্নেহাস্পদ</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্নেহাস্পদ</strong> শব্দের অর্থ হলো যে স্নেহের পাত্র।</li>
<li>মা তার সন্তানকে সবসময় স্নেহ করেন, তাই চিঠিতে সন্তানকে সম্বোধন করার সময় এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি ছোটদের প্রতি বড়দের ভালোবাসা ও স্নেহের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত একটি আদর্শ শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু সন্তান মা-বাবার স্নেহের পাত্র, তাই তাদের চিঠিতে সম্বোধন করার সময় এই শব্দটিই সবচেয়ে বেশি মানানসই।</p>
৬৪২
'পত্রের প্রাপক ছোট হলে স্বাক্ষরের পূর্বে শিষ্টাচার জ্ঞাপক কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়?
<p>পত্রের প্রাপক যদি বয়সে ছোট হয়, তবে চিঠির শেষে স্বাক্ষরের আগে <strong>আশীর্বাদক</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের প্রতি স্নেহ ও আশীর্বাদ প্রকাশের একটি মার্জিত ও প্রচলিত রীতি।</p>
<ul>
<li>চিঠিপত্রে প্রাপকের সাথে সম্পর্কের গভীরতা ও বয়সের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে সম্বোধন ও বিদায়সূচক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রাপক ছোট, তাই এখানে অভিভাবকসুলভ বা বড়দের মতো দায়িত্ববোধ থেকে <strong>আশীর্বাদক</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
<li>এটি চিঠির শেষে একটি আন্তরিক ও স্নেহপূর্ণ সমাপ্তি নিশ্চিত করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বন্ধুকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ইয়ার' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ হলো বন্ধু বা সঙ্গী।</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কথ্য ভাষায় সমবয়সী বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সম্বোধন করার জন্য 'ইয়ার' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি মূলত বন্ধুত্বের গভীরতা এবং ঘরোয়া সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বন্ধুকে সম্বোধন করতেই এই শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৬৪৪
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হবে?
<p>প্রবাসী বন্ধুকে চিঠি পাঠানোর ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong>। এর কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চিঠিটি যখন আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে অন্য দেশে পৌঁছায়, তখন সেই দেশের ডাক বিভাগের কর্মীরা সাধারণত স্থানীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন।</li>
<li>ঠিকানা যদি <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong> লেখা হয়, তবে তা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ডাক বিভাগের কর্মীরা সহজেই বুঝতে পারেন এবং সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারেন।</li>
<li>অন্য কোনো ভাষায় ঠিকানা লিখলে তা গন্তব্য দেশের ডাক বিভাগের কর্মীরা বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে, ফলে চিঠিটি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।</li>
</ul>
<p>তাই নিশ্চিন্তে যোগাযোগের জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঠিকানা সবসময় <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong> লেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
৬৪৫
প্রাপক বয়োজ্যেষ্ঠ হলে প্রেরক স্বাক্ষরের আগে শিষ্ঠাচার জ্ঞাপক কোন শব্দটি ব্যবহার করবে?
<p>চিঠিপত্রে যখন প্রাপক বয়সে বড় বা বয়োজ্যেষ্ঠ হন, তখন প্রেরক নিজের অবস্থান বোঝাতে বিনয়ী শব্দ ব্যবহার করেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্নেহভাজন</strong>, কারণ এর অর্থ হলো যিনি স্নেহের পাত্র।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বড়দের কাছে নিজের বিনয় প্রকাশ করতে <strong>স্নেহভাজন</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
<li>এটি সম্পর্কের গভীরতা এবং বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের একটি মার্জিত বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>চিঠির শেষে এই শব্দটি ব্যবহার করলে তা প্রাপকের প্রতি প্রেরকের নম্রতা ও সম্মান ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।