eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৩১

বন্ধুর কাছে লিখিত পত্রে কোন বিদায়সূচক শব্দটি ব্যবহার করতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রীতিধন্য
ব্যাখ্যা:
<p>বন্ধুর কাছে লেখা চিঠিতে বিদায় জানানোর সময় <strong>প্রীতিধন্য</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি বন্ধুত্বের গভীরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করে।</p>

<ul>
<li><strong>প্রীতিধন্য</strong> শব্দের অর্থ হলো যে প্রীতি বা ভালোবাসার পাত্র।</li>
<li>চিঠির শেষে নিজের নাম বা স্বাক্ষরের আগে এটি ব্যবহার করলে তা বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও আন্তরিক ও মার্জিত করে তোলে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো এই প্রেক্ষাপটে মানানসই নয়, তাই চিঠির শেষে বিদায়সূচক হিসেবে এটিই সেরা পছন্দ।</li>
</ul>
৬৩২

প্রাপক সমবয়সী হলে স্বাক্ষরের আগে শিষ্টাচার জ্ঞাপক কোন শব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রীতিমুগ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>প্রাপক যখন সমবয়সী বা বন্ধুস্থানীয় হন, তখন চিঠির শেষে স্বাক্ষরের আগে <strong>প্রীতিমুগ্ধ</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই। এটি সম্পর্কের আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।</p>

<ul>
<li><strong>প্রীতিমুগ্ধ:</strong> সমবয়সী বা বন্ধুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য এটি একটি মার্জিত ও সুন্দর শব্দ।</li>
<li><strong>কেন এটি সঠিক:</strong> সমবয়সীদের সাথে চিঠিপত্রে আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে আন্তরিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আর 'প্রীতিমুগ্ধ' শব্দটি সেই আন্তরিকতাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
৬৩৩

সমবয়স্ক প্রিয়জন ছেলে বাপুরুষের কাছে পত্র লিখতে সম্বোধনে সঠিক কোনটি ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুহৃদবরেষু
ব্যাখ্যা:
<p>সমবয়স্ক প্রিয়জন বা বন্ধুদের কাছে চিঠি লেখার সময় সম্বোধনে <strong>সুহৃদবরেষু</strong> ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে মানানসই। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>সুহৃদ</strong> শব্দের অর্থ হলো ভালো বন্ধু বা প্রিয়জন।</li>
<li><strong>বরেষু</strong> প্রত্যয়টি সাধারণত সমবয়স্ক বা প্রিয় কোনো ব্যক্তিকে সম্মান ও আন্তরিকতা জানিয়ে সম্বোধন করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>চিঠিপত্রের প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী, বন্ধুদের ক্ষেত্রে এই সম্বোধনটি বেশ মার্জিত এবং শুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই বন্ধু বা সমবয়স্ক কাউকে পত্র লেখার ক্ষেত্রে অন্য কোনো জটিল শব্দের চেয়ে <strong>সুহৃদবরেষু</strong> ব্যবহার করাই সবচেয়ে সঠিক ও সহজ উপায়।</p>
৬৩৪

পত্র লেখার সম্ভাষণ ক্ষেত্রে 'তসলিমবাদ আরজ' কাদের প্রতি প্রযোজ্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গুরুজনের প্রতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুরুজনের প্রতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>চিঠিপত্রে সম্ভাষণ বা সম্বোধন করার সময় আমরা যাকে সম্মান প্রদর্শন করতে চাই, তাদের ক্ষেত্রেই এই ধরনের মার্জিত শব্দ ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'তসলিমবাদ আরজ' কথাটি মূলত বিনীত নিবেদন বা শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি অত্যন্ত বিনয়ী ও আনুষ্ঠানিক সম্ভাষণ, তাই এটি সাধারণত বয়সে বড় বা পদমর্যাদায় উচ্চতর ব্যক্তিদের (গুরুজন) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিনয় প্রকাশের মাধ্যম হিসেবেই এই সম্ভাষণটি ব্যবহৃত হয়।</p>
৬৩৫

ব্যক্তিগত পত্রে বন্ধুকে কী বলে সম্বোধন করতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রিয় 'ক'/মুনির
ব্যাখ্যা:
<p>ব্যক্তিগত পত্রে বন্ধু বা সমবয়সীদের সম্বোধন করার ক্ষেত্রে <strong>প্রিয়</strong> শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই। কারণ:</p>

<ul>
<li>ব্যক্তিগত চিঠিতে বন্ধুত্বের সম্পর্কটা থাকে খুব আন্তরিক ও ঘরোয়া।</li>
<li>'প্রিয়' শব্দটি বন্ধুত্বের গভীরতা ও আপন ভাব প্রকাশ করে।</li>
<li>অন্যদিকে, 'পূজনীয়' বা 'শ্রদ্ধেয়' বড়দের ক্ষেত্রে এবং 'জনাব' বা 'মহাশয়' দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক চিঠিতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই বন্ধুর নাম বা ডাকনামের আগে <strong>প্রিয়</strong> যোগ করাই হলো সঠিক নিয়ম।</p>
৬৩৬

আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছে আমরা যে পত্র লিখি তাকে কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত পত্র
ব্যাখ্যা:
<p>আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের কাছে আমরা যে পত্র লিখি, তাকে <strong>ব্যক্তিগত পত্র</strong> বলা হয়। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই ধরনের চিঠিতে আমরা আমাদের মনের ভাব, ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ বা খবরাখবর খুব আপনজনদের সাথে শেয়ার করি।</p>

<ul>
<li><strong>ব্যক্তিগত পত্রের বৈশিষ্ট্য:</strong> এই চিঠিতে কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকে না।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> আপনজনদের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ রক্ষা করা।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি সম্পূর্ণ ঘরোয়া ভাষায় লেখা হয়, তাই একে ব্যক্তিগত পত্র বলা হয়।</li>
</ul>
৬৩৭

অল্প পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি পত্রে সম্ভাষণ কী হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সালামবাদ/নম্স্কারপূর্বক
ব্যাখ্যা:
<p>অল্প পরিচিত বা অপরিচিত কাউকে চিঠি লেখার সময় আমরা সরাসরি ব্যক্তিগত সম্বোধন (যেমন: প্রিয় বা পূজনীয়) ব্যবহার করতে পারি না। তাই এক্ষেত্রে ভদ্রতা বজায় রাখতে <strong>সালামবাদ/নমস্কারপূর্বক</strong> ব্যবহার করাই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>

<ul>
<li>অপরিচিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্পর্কের গভীরতা থাকে না, তাই আনুষ্ঠানিক বা ফরমাল সম্বোধন বেছে নিতে হয়।</li>
<li><strong>সালামবাদ/নমস্কারপূর্বক</strong> শব্দগুচ্ছটি নিরপেক্ষ এবং সব ধরনের মানুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।</li>
<li>এটি চিঠির শুরুতে একটি মার্জিত ও পেশাদার আবহ তৈরি করে, যা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগের জন্য আদর্শ।</li>
</ul>
৬৩৮

মুসলমান রীতিতে ব্যক্তিগত পত্রে গুরুজনকে সম্ভাষণ করতে কী লিখা যুক্তিযুক্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধাস্পদেষু/শ্রদ্ধেয়
ব্যাখ্যা:
<p>মুসলমান রীতিতে বা সামাজিকভাবে গুরুজনদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য <strong>শ্রদ্ধাস্পদেষু</strong> বা <strong>শ্রদ্ধেয়</strong> সম্বোধনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ব্যক্তিগত পত্রে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিনয় প্রকাশ করতে এই শব্দগুলো বহুল প্রচলিত এবং মার্জিত।</p>

<ul>
<li><strong>শ্রদ্ধাস্পদেষু:</strong> এর অর্থ হলো 'যিনি শ্রদ্ধার পাত্র'। এটি গুরুজনদের প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শনের একটি ধ্রুপদী ও শুদ্ধ মাধ্যম।</li>
<li><strong>শ্রদ্ধেয়:</strong> এটি সরাসরি সম্মানসূচক একটি বিশেষণ, যা চিঠির শুরুতে ব্যবহার করলে প্রাপকের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ফুটে ওঠে।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যক্তিগত পত্রে গুরুজনদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে এই শব্দগুলো ব্যবহার করাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও মার্জিত চর্চা।</p>
৬৩৯

চিঠির মঙ্গলসূচক শব্দটি কিসের ভিত্তিতে ভিন্নতা পায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধর্মের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠির শুরুতে বা শেষে ব্যবহৃত মঙ্গলসূচক শব্দটি মূলত <strong>ধর্মের ভিত্তিতে</strong> ভিন্ন হয়। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের সমাজে একেক ধর্মের মানুষের অভিবাদন বা মঙ্গলকামনার রীতি একেক রকম।</p>

<ul>
<li>হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চিঠিতে সাধারণত 'শ্রীশ্রী' বা 'ওঁ' ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা চিঠির শুরুতে 'বিসমিল্লাহ' বা 'আসসালামু আলাইকুম' ব্যবহার করেন।</li>
<li>খ্রিস্টান বা অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রেও তাদের নিজস্ব ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, প্রেরক কোন ধর্মের অনুসারী বা তিনি কাকে উদ্দেশ্য করে লিখছেন, তার ওপর ভিত্তি করেই এই শব্দগুলো নির্ধারিত হয়।</p>
৬৪০

পত্রগর্ভের শিরঃভাগের মাঝখানে যা লেখা হয় তার নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলোচ্চারণ
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠিপত্রের শুরুতে বা পত্রগর্ভের শিরঃভাগের মাঝখানে যে মঙ্গলসূচক শব্দ বা বাক্য লেখা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>মঙ্গলোচ্চারণ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>চিঠি লেখার সময় আমরা সাধারণত ওপরের দিকে 'শ্রীশ্রী গণেশায় নমঃ' বা 'আল্লাহ সর্বশক্তিমান'—এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করি।</li>
<li>এই শুভ বা মঙ্গলসূচক শব্দগুলোই মূলত মঙ্গলোচ্চারণ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>চিঠির গঠনশৈলীতে এটি একটি প্রথাগত নিয়ম, যা পত্রের শুরুতে শ্রদ্ধার সাথে উল্লেখ করা হয়।</li>
</ul>
৬৪১

পুত্রের নিকট মাতার পত্রে সম্বোধন কোনটি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্নেহাস্পদ
ব্যাখ্যা:
<p>পুত্রের নিকট মাতার পত্রে সম্বোধন হিসেবে <strong>স্নেহাস্পদ</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এর কারণ হলো:</p>

<ul>
<li><strong>স্নেহাস্পদ</strong> শব্দের অর্থ হলো যে স্নেহের পাত্র।</li>
<li>মা তার সন্তানকে সবসময় স্নেহ করেন, তাই চিঠিতে সন্তানকে সম্বোধন করার সময় এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি ছোটদের প্রতি বড়দের ভালোবাসা ও স্নেহের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত একটি আদর্শ শব্দ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেহেতু সন্তান মা-বাবার স্নেহের পাত্র, তাই তাদের চিঠিতে সম্বোধন করার সময় এই শব্দটিই সবচেয়ে বেশি মানানসই।</p>
৬৪২

'পত্রের প্রাপক ছোট হলে স্বাক্ষরের পূর্বে শিষ্টাচার জ্ঞাপক কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আশীর্বাদক
ব্যাখ্যা:
<p>পত্রের প্রাপক যদি বয়সে ছোট হয়, তবে চিঠির শেষে স্বাক্ষরের আগে <strong>আশীর্বাদক</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের প্রতি স্নেহ ও আশীর্বাদ প্রকাশের একটি মার্জিত ও প্রচলিত রীতি।</p>

<ul>
<li>চিঠিপত্রে প্রাপকের সাথে সম্পর্কের গভীরতা ও বয়সের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে সম্বোধন ও বিদায়সূচক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রাপক ছোট, তাই এখানে অভিভাবকসুলভ বা বড়দের মতো দায়িত্ববোধ থেকে <strong>আশীর্বাদক</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
<li>এটি চিঠির শেষে একটি আন্তরিক ও স্নেহপূর্ণ সমাপ্তি নিশ্চিত করে।</li>
</ul>
৬৪৩

ইয়ার সম্বোধন করা হয় কাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বন্ধুকে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বন্ধুকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ইয়ার' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ হলো বন্ধু বা সঙ্গী।</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কথ্য ভাষায় সমবয়সী বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সম্বোধন করার জন্য 'ইয়ার' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি মূলত বন্ধুত্বের গভীরতা এবং ঘরোয়া সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই বন্ধুকে সম্বোধন করতেই এই শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৬৪৪

প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা কোন ভাষায় লিখতে হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি ভাষায়
ব্যাখ্যা:
<p>প্রবাসী বন্ধুকে চিঠি পাঠানোর ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong>। এর কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>চিঠিটি যখন আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে অন্য দেশে পৌঁছায়, তখন সেই দেশের ডাক বিভাগের কর্মীরা সাধারণত স্থানীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেন।</li>
<li>ঠিকানা যদি <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong> লেখা হয়, তবে তা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ডাক বিভাগের কর্মীরা সহজেই বুঝতে পারেন এবং সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারেন।</li>
<li>অন্য কোনো ভাষায় ঠিকানা লিখলে তা গন্তব্য দেশের ডাক বিভাগের কর্মীরা বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে, ফলে চিঠিটি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।</li>
</ul>

<p>তাই নিশ্চিন্তে যোগাযোগের জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঠিকানা সবসময় <strong>ইংরেজি ভাষায়</strong> লেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
৬৪৫

প্রাপক বয়োজ্যেষ্ঠ হলে প্রেরক স্বাক্ষরের আগে শিষ্ঠাচার জ্ঞাপক কোন শব্দটি ব্যবহার করবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্নেহভাজন
ব্যাখ্যা:
<p>চিঠিপত্রে যখন প্রাপক বয়সে বড় বা বয়োজ্যেষ্ঠ হন, তখন প্রেরক নিজের অবস্থান বোঝাতে বিনয়ী শব্দ ব্যবহার করেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্নেহভাজন</strong>, কারণ এর অর্থ হলো যিনি স্নেহের পাত্র।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বড়দের কাছে নিজের বিনয় প্রকাশ করতে <strong>স্নেহভাজন</strong> শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
<li>এটি সম্পর্কের গভীরতা এবং বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের একটি মার্জিত বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>চিঠির শেষে এই শব্দটি ব্যবহার করলে তা প্রাপকের প্রতি প্রেরকের নম্রতা ও সম্মান ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।