<p>পত্র লেখকের স্বাক্ষরে <strong>'আশীর্বাদক'</strong> শব্দটি ব্যবহারের বিষয়টি বেশ সহজ। যখন আপনি আপনার চেয়ে বয়সে ছোট বা কনিষ্ঠ কাউকে চিঠি লেখেন, তখন নিজেকে তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী বা আশীর্বাদকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>আশীর্বাদক</strong> শব্দের অর্থ হলো যিনি আশীর্বাদ করেন।</li>
<li>যেহেতু বড়রা ছোটদের আশীর্বাদ করেন, তাই কনিষ্ঠ জনের কাছে লেখা চিঠির শেষে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি মূলত স্নেহের সম্পর্ক বা অভিভাবকত্বের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
৬৪৭
ব্যক্তিগত পত্রে বর্তমানে কোনটির ব্যবহার অবলুপ্তির পথে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মঙ্গলসূচক বাক্য</strong>। কারণটা বেশ সহজ, আগেকার দিনে চিঠিপত্রের শুরুতে 'শ্রীশ্রী' বা 'ঈশ্বর সহায়' জাতীয় মঙ্গলসূচক বাক্য লেখার চল ছিল, যা এখনকার দ্রুতগতির যোগাযোগের যুগে প্রায় হারিয়েই গেছে।</p>
<ul>
<li><strong>আধুনিকতা:</strong> এখনকার ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বা ইমেইলে আমরা সরাসরি মূল কথায় চলে যাই।</li>
<li><strong>সময় সাশ্রয়:</strong> অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা এড়িয়ে এখনকার মানুষ সরাসরি সম্বোধন ও মূল বার্তার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।</li>
<li><strong>পরিবর্তন:</strong> প্রযুক্তির ছোঁয়ায় চিঠির কাঠামো অনেক বেশি সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর হয়ে উঠেছে, তাই এই ধরনের বাক্য এখন আর তেমন দেখা যায় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মঙ্গলোচ্চারণ</strong>। কারণটা খুব সহজ—আবেদনপত্র বা দরখাস্ত হলো একটি আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম।</p>
<p>কেন এটি থাকে না, তা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মঙ্গলোচ্চারণ</strong> সাধারণত ধর্মীয় বা সাহিত্যিক রচনায় ব্যবহৃত হয়, যা কোনো শুভ কাজের শুরুতে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার বন্দনা হিসেবে থাকে।</li>
<li>আবেদনপত্র যেহেতু একটি নির্দিষ্ট প্রয়োজনে বা কোনো দাপ্তরিক কাজের জন্য লেখা হয়, তাই এতে কোনো প্রকার ধর্মীয় বা অলঙ্কারিক মঙ্গলোচ্চারণের প্রয়োজন নেই।</li>
<li>একটি আদর্শ আবেদনপত্রে মূলত প্রাপকের ঠিকানা, বিষয়, সম্বোধন, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি বাক্য এবং স্থান ও তারিখের মতো প্রয়োজনীয় অংশগুলোই থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আবেদনপত্র হতে হয় সংক্ষিপ্ত, মার্জিত এবং সরাসরি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে—তাই এখানে মঙ্গলোচ্চারণের কোনো স্থান নেই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবেদনপত্রে</strong>। বিষয়টি একদম সহজ, কারণ আবেদনপত্র হলো একটি আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক দলিল।</p>
<ul>
<li>আবেদনপত্র সাধারণত কোনো কর্তৃপক্ষ বা অফিসের কাছে নির্দিষ্ট কোনো প্রয়োজনে জমা দেওয়া হয়।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি আইনি বা দাপ্তরিক নথির মর্যাদা পায়, তাই আবেদনকারী কে, তা নিশ্চিত করার জন্য নাম ও স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক।</li>
<li>স্বাক্ষর ছাড়া কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় না, কারণ এটিই প্রমাণ করে যে আবেদনটি প্রকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে এসেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু পাওয়ার বা করার জন্য যখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করি, তখন আমাদের পরিচয় নিশ্চিত করতেই নাম ও স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়।</p>
৬৫০
শহরের রাস্তাঘাট মেরামত করার উদ্দেশ্যে কার বরাবর দরখাস্ত করতে হবে?
<p>শহরের রাস্তাঘাট মেরামত করার জন্য সঠিক উত্তর হলো <strong>পৌর কর্তৃপক্ষ</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শহরের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা, যেমন—রাস্তাঘাট তৈরি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা বা সড়কবাতি রক্ষণাবেক্ষণের মূল দায়িত্ব থাকে স্থানীয় পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ওপর।</li>
<li>যেহেতু রাস্তাঘাট স্থানীয় এলাকার অবকাঠামোর অংশ, তাই যেকোনো সমস্যা বা মেরামতের জন্য সরাসরি সেই এলাকার পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করাই নিয়ম।</li>
<li>অন্যান্য সংস্থাগুলো (যেমন পুলিশ বা মন্ত্রণালয়) সাধারণত আইন-শৃঙ্খলা বা নীতি নির্ধারণের কাজ করে, রাস্তা মেরামতের মতো সরাসরি উন্নয়নমূলক কাজ তাদের আওতাভুক্ত নয়।</li>
</ul>
৬৫১
তোমার এলাকায় বখাটে মাস্তানদের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কার কাছে আবেদন করতে হবে?
<p>এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধ বা বখাটেদের উপদ্রব হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব মূলত পুলিশের। তাই এ বিষয়ে অভিযোগ বা আবেদন জানাতে হয় সরাসরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>আইনি সুরক্ষা:</strong> যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তার অভাব দেখা দিলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যাওয়াই নিয়ম।</li>
<li><strong>দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি:</strong> প্রতিটি থানার প্রশাসনিক প্রধান হলেন <strong>ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-Charge)</strong>, যিনি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাধ্য।</li>
<li><strong>কার্যকর পদক্ষেপ:</strong> সরাসরি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে, যা অন্য কোনো মাধ্যমে এত দ্রুত সম্ভব নয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে</strong>।</p>
<p>আবেদনপত্রে সাধারণত <strong>দুটি</strong> অনুচ্ছেদ থাকে। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রথম অনুচ্ছেদ:</strong> এখানে আপনি কেন আবেদন করছেন বা আপনার মূল উদ্দেশ্য কী, তা সংক্ষেপে তুলে ধরতে হয়।</li>
<li><strong>দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ:</strong> এখানে আপনার আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানানো হয়।</li>
</ul>
<p>এই দুটি অনুচ্ছেদের মাধ্যমেই একটি আবেদনপত্র সুন্দর ও মার্জিতভাবে শেষ করা সম্ভব। তাই অপ্রয়োজনীয় বড় না করে মূল কথাগুলো এই দুই ভাগে গুছিয়ে লেখাই হলো আদর্শ নিয়ম।</p>
৬৫৩
দরখাস্তে প্রারম্ভে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনটি ব্যবহার হয়?
<p>দরখাস্ত বা আবেদনপত্রের শুরুতে সাধারণত <strong>বরাবর</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি আনুষ্ঠানিক নিয়ম যা প্রাপকের পদবি বা ঠিকানার ঠিক আগেই বসে।</p>
<ul>
<li>দরখাস্তের শুরুতে প্রাপকের ঠিকানা বা পদবি উল্লেখ করার সময় <strong>বরাবর</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি আবেদনপত্রের ফরম্যাট বা কাঠামোকে একটি সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপ দেয়।</li>
<li>যেমন: <strong>বরাবর</strong>, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম]।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রের শুরুতে প্রাপককে সম্বোধন করার জন্য <strong>বরাবর</strong> শব্দটিই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও সঠিক।</p>
৬৫৪
প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির জন্য আবেদন করলে একে কোন ধরনের পত্র বলব?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবেদন পত্র</strong>। কারণ বিষয়টি একদম পরিষ্কার—যখন আমরা কোনো নির্দিষ্ট প্রয়োজনে বা কোনো সুযোগ-সুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অনুরোধ জানাই, তখন তাকে আবেদন পত্র বলা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির আবেদন করা মানেই হলো কোনো কিছুর জন্য অনুমতি চাওয়া।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> প্রাতিষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক প্রয়োজনে যখনই আমরা কোনো আবেদন করি, তা সবসময়ই <strong>আবেদন পত্রের</strong> অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির জন্য যে চিঠি লেখা হয়, তা সরাসরি একটি আবেদন পত্র।</p>
৬৫৫
প্রধান শিক্ষকের নিকট লিখিত আবেদনপত্রের সঠিক সম্বোধন কোনটি?
<p>প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে সঠিক সম্বোধন হলো <strong>জনাব</strong>। দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রে সম্বোধন হিসেবে এটিই সবচেয়ে মার্জিত এবং প্রচলিত নিয়ম।</p>
<ul>
<li><strong>জনাব</strong> শব্দটি যেকোনো উচ্চপদস্থ বা সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্বোধন করার জন্য আদর্শ।</li>
<li>আবেদনপত্রের শুরুতে প্রাপকের পদবি উল্লেখ করার পর এই সম্বোধনটি ব্যবহার করলে তা পেশাদার ও মার্জিত শোনায়।</li>
<li>অন্যান্য সম্বোধনগুলো ব্যক্তিগত বা ঘরোয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়, তাই প্রাতিষ্ঠানিক আবেদনের জন্য <strong>জনাব</strong>-ই সেরা পছন্দ।</li>
</ul>
৬৫৬
প্রধান শিক্ষকের নিকট বেতন মওকুফের আবেদন করতে গেলে সম্বোধন করতে কি লিখতে হয়?
<p>প্রধান শিক্ষকের নিকট বেতন মওকুফের আবেদন বা যেকোনো আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্রে সম্বোধন হিসেবে <strong>স্যার</strong> বা <strong>জনাব</strong> ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রচলিত নিয়ম।</p>
<ul>
<li><strong>কেন এটি সঠিক:</strong> দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি মার্জিত এবং সর্বজনস্বীকৃত সম্বোধন।</li>
<li><strong>ব্যবহারের নিয়ম:</strong> আবেদনের শুরুতে 'বরাবর, প্রধান শিক্ষক' লেখার পর সম্বোধন হিসেবে 'জনাব' বা 'স্যার' লিখে কমা (,) ব্যবহার করতে হয়।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য সম্বোধনগুলো সাধারণত ব্যক্তিগত বা ঘরোয়া চিঠিপত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই প্রাতিষ্ঠানিক আবেদনের জন্য <strong>স্যার/জনাব</strong>-ই হলো সবচেয়ে সঠিক ও স্মার্ট পছন্দ।</p>
<p>মাতার নিকট পত্র লেখার ক্ষেত্রে সঠিক সম্বোধন হলো <strong>প্রিয় আম্মাজান</strong>। এটি একটি অত্যন্ত মার্জিত এবং স্নেহপূর্ণ সম্বোধন, যা মা ও সন্তানের মধ্যকার গভীর আবেগের সম্পর্ককে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।</p>
<ul>
<li>চিঠিপত্রে মা বা বড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত 'প্রিয়' বা 'শ্রদ্ধেয়' শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'আম্মাজান' শব্দটি মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুন্দর রূপ।</li>
<li>তাই ব্যক্তিগত বা পারিবারিক চিঠিতে মায়ের কাছে লেখার সময় <strong>প্রিয় আম্মাজান</strong> সম্বোধনটিই সবচেয়ে বেশি মানানসই ও প্রচলিত।</li>
</ul>
<p>পত্রের সম্বোধন কেমন হবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করে <strong>প্রাপক ও প্রেরকের সম্পর্কের</strong> ওপর। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li>আপনি কাকে চিঠি লিখছেন এবং তার সাথে আপনার ব্যক্তিগত বা পেশাগত সম্পর্ক কেমন, তার ওপর ভিত্তি করেই সম্বোধন ঠিক করতে হয়।</li>
<li>বড়দের ক্ষেত্রে একরকম, ছোটদের ক্ষেত্রে অন্যরকম, আবার অফিসের বসের ক্ষেত্রে সম্বোধন হয় সম্পূর্ণ আলাদা।</li>
<li>তাই সঠিক সম্বোধন বাছাইয়ের মূল চাবিকাঠি হলো প্রাপক ও প্রেরকের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক।</li>
</ul>
৬৫৯
প্রাপকের উদ্দেশ্যে সম্বোধনসূচক শব্দ ব্যবহারে পার্থক্য দেখা যায় কখন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>। কারণ চিঠিপত্র বা যোগাযোগের ক্ষেত্রে সম্বোধন করার সময় আমরা সবসময় পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে শব্দ নির্বাচন করি। বিষয়টি নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বয়সভেদ:</strong> ছোটদের ক্ষেত্রে একরকম সম্বোধন হয়, আবার বড়দের ক্ষেত্রে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করতে হয়।</li>
<li><strong>ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক রীতি:</strong> হিন্দু ও মুসলিম রীতিতে সম্বোধনের ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু ঐতিহ্য ও শব্দচয়ন থাকে, যা একে অপরের থেকে আলাদা।</li>
<li><strong>সম্পর্কভেদ:</strong> প্রাপক আপনার বন্ধু, শিক্ষক নাকি অফিসের বস—এই সম্পর্কের গভীরতা অনুযায়ী সম্বোধন সম্পূর্ণ বদলে যায়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই প্রতিটি বিষয়ই সম্বোধনসূচক শব্দ নির্ধারণে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>।</p>
<p>দরখাস্ত বা আবেদনপত্রের নিয়ম অনুযায়ী তারিখ সবসময় <strong>উপরে বাম পাশে</strong> লিখতে হয়। এটি দাপ্তরিক চিঠিপত্র বা দরখাস্তের একটি আদর্শ ফরম্যাট।</p>
<ul>
<li>চিঠির শুরুতে প্রাপকের ঠিকানার ঠিক নিচেই বা তার কাছাকাছি তারিখ বসানো হয়।</li>
<li>এই নিয়মটি অনুসরণ করলে দরখাস্তটি দেখতে গোছানো এবং পেশাদার মনে হয়।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরে বাম পাশে</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।