<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিনন্দন পত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মানপত্র মূলত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানানোর জন্য লেখা হয়।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো গুণী ব্যক্তি বা বিশেষ কোনো অতিথিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, তখন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে যে বিশেষ পত্রটি পাঠ করা হয়, সেটিই হলো <strong>মানপত্র</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, মানপত্র মানেই হলো একটি আনুষ্ঠানিক <strong>অভিনন্দন পত্র</strong>, যেখানে ওই ব্যক্তির গুণাবলি ও অবদানের কথা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।</li>
</ul>
৬৯২
জমি বিক্রয় করতে গেলে অগ্রিম কিছু টাকা গ্রহণ করে যে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয় তার নাম কী?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বায়নানামা</strong>। বিষয়টি একদম সহজ, জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে এটি একটি প্রাথমিক আইনি ধাপ।</p>
<ul>
<li>জমি বিক্রির চূড়ান্ত দলিল করার আগে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়, তাকেই বায়নানামা বলা হয়।</li>
<li>এই চুক্তির মাধ্যমে ক্রেতা বিক্রেতাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ <strong>অগ্রিম টাকা</strong> প্রদান করেন এবং বিক্রির শর্তাবলী লিখিত আকারে ঠিক করে নেন।</li>
<li>আইন অনুযায়ী, বায়নানামা রেজিস্ট্রি করা থাকলে জমিটি অন্য কারো কাছে বিক্রির সুযোগ থাকে না, যা ক্রেতার বিনিয়োগকে সুরক্ষিত রাখে।</li>
</ul>
৬৯৩
সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য যে পত্র লেখা হয় তার কয়টি অংশ থাকে?
<p>সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য লেখা চিঠির সঠিক উত্তর হলো <strong>২ টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই ধরনের পত্রের কাঠামো সাধারণত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত থাকে:</p>
<ul>
<li><strong>শিরোনাম বা বিষয়:</strong> চিঠির শুরুতে কী বিষয়ে লেখা হচ্ছে তা সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়।</li>
<li><strong>মূল বক্তব্য:</strong> এখানে সমস্যার বিবরণ এবং সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় মতামত বা আবেদন তুলে ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটি আনুষ্ঠানিক পত্রের মূল কাঠামো বা বডি এবং বিষয়বস্তুর উপস্থাপনা মিলিয়েই এই দুটি অংশ গঠিত হয়।</p>
<p>স্মারকলিপি বা মেমোরেন্ডাম হলো একটি আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক যোগাযোগ মাধ্যম। তাই এখানে সবসময় <strong>আপনি</strong> ব্যবহার করা সংগত। এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>পেশাদারিত্ব:</strong> দাপ্তরিক কাজে সবসময় মার্জিত ও সম্মানসূচক ভাষা ব্যবহার করা হয়, যা পেশাদার পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে।</li>
<li><strong>মর্যাদা রক্ষা:</strong> 'আপনি' সম্বোধনটি প্রাপকের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে, যা যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li><strong>স্পষ্টতা:</strong> দাপ্তরিক নথিতে ব্যক্তিগত বা অনানুষ্ঠানিক ভাষার চেয়ে মার্জিত ভাষা ব্যবহার করলে তথ্যের গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।</li>
</ul>
তাই যেকোনো দাপ্তরিক স্মারকলিপিতে সবসময় <strong>আপনি</strong> ব্যবহার করাই হলো সঠিক নিয়ম।
৬৯৫
সংবাদপত্রে কোন জনগুরত্বপূর্ণ বিষয়ে পত্র/প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সম্পাদকের কাছে লিখিত পত্রে তার পত্রিকা সম্পর্কে নিচে কোনটি লেখা যুক্তিযুক্ত?
<p>সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাছে চিঠি লেখার সময় পত্রিকাটির গ্রহণযোগ্যতা বোঝাতে <strong>আপনার বহুল প্রচারিত</strong> কথাটি ব্যবহার করা সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>প্রচার সংখ্যা:</strong> একটি পত্রিকার জনপ্রিয়তা বা গ্রহণযোগ্যতা মূলত তার 'প্রচার সংখ্যা' বা সার্কুলেশনের ওপর নির্ভর করে।</li>
<li><strong>যৌক্তিকতা:</strong> 'বহুল প্রচারিত' শব্দগুচ্ছটি দিয়ে বোঝানো হয় যে, পত্রিকাটির পাঠকসংখ্যা অনেক বেশি এবং এটি মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে পৌঁছায়।</li>
<li><strong>প্রভাব:</strong> কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় যখন অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানো পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তখন সেই বিষয়ের গুরুত্ব ও প্রভাব অনেক বেড়ে যায়।</li>
</ul>
<p>তাই দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্রে পত্রিকার মান ও ব্যাপ্তি বোঝাতে <strong>আপনার বহুল প্রচারিত</strong> শব্দবন্ধটিই সবচেয়ে মানানসই ও শুদ্ধ প্রয়োগ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রের প্রকাশভঙ্গী হবে গুরুগম্ভীর</strong>। এটি পত্রের জন্য প্রযোজ্য নয় কারণ:</p>
<ul>
<li>চিঠি বা পত্র হলো মনের ভাব প্রকাশের একটি মাধ্যম, তাই এর ভাষা হওয়া উচিত প্রাণবন্ত ও সাবলীল।</li>
<li>গুরুগম্ভীর ভাষা চিঠির স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এবং পাঠক ও লেখকের মধ্যে যে আন্তরিকতার সম্পর্ক থাকে, তা বাধাগ্রস্ত করে।</li>
<li>একটি ভালো চিঠির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ভাষা হবে সহজ, সরল এবং বিষয়ভিত্তিক, যাতে প্রাপক খুব সহজেই মূল বক্তব্যটি বুঝতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিঠি মানেই হলো সহজ ভাষায় মনের কথা বলা, তাই এখানে গুরুগম্ভীর বা জটিল ভাষার কোনো স্থান নেই।</p>
৬৯৭
পত্রের কোন অংশ ব্যতীরেকে পত্র লেখার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রগর্ভ</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি চিঠির মূল প্রাণ বা আসল কথা থাকে এই অংশেই।</p>
<ul>
<li><strong>পত্রগর্ভ</strong> হলো চিঠির সেই অংশ যেখানে আপনি আপনার মনের ভাব, তথ্য বা মূল বক্তব্য তুলে ধরেন।</li>
<li>চিঠির অন্যান্য অংশ যেমন সম্বোধন বা স্বাক্ষর কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র, কিন্তু মূল বার্তাটি যদি পত্রগর্ভে না থাকে, তবে চিঠিটি লেখার আসল উদ্দেশ্যই পূরণ হয় না।</li>
<li>সহজ কথায়, পত্রগর্ভ ছাড়া চিঠি মানেই হলো উদ্দেশ্যহীন একটি কাগজ। তাই যোগাযোগের স্বার্থে এই অংশটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>পত্র রচনার সময় <strong>সর্বপ্রকার বাহুল্য</strong> বর্জন করা একান্ত প্রয়োজন। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>চিঠিপত্র বা পত্র যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের বক্তব্য খুব দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া।</li>
<li>অপ্রয়োজনীয় কথা বা বাহুল্য থাকলে মূল বিষয়টি আড়ালে পড়ে যায়, যা পাঠকের বিরক্তির কারণ হতে পারে।</li>
<li>পত্র হতে হয় মার্জিত, সংক্ষিপ্ত এবং অর্থবহ। তাই অপ্রাসঙ্গিক বর্ণনা বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে পত্রের মান ও কার্যকারিতা নষ্ট হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটি আদর্শ পত্রে যত কম কথায় মূল ভাব প্রকাশ করা যায়, ততই তা সার্থক ও সুন্দর হয়।</p>
৬৯৯
কোন বিষয়টি চিঠির ক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ?
<p>চিঠির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো <strong>বক্তব্যের স্পষ্টতা</strong>। কারণ, একটি চিঠির মূল উদ্দেশ্যই হলো নিজের মনের ভাব বা তথ্য অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তির কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া।</p>
<p>কেন এটি সবচেয়ে জরুরি, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সহজবোধ্যতা:</strong> ভাষা যতই অলংকারপূর্ণ হোক না কেন, মূল বক্তব্য যদি অস্পষ্ট থাকে তবে চিঠির উদ্দেশ্য সফল হয় না।</li>
<li><strong>সময় সাশ্রয়:</strong> বক্তব্য স্পষ্ট হলে পাঠক দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পারেন, ফলে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ থাকে না।</li>
<li><strong>কার্যকারিতা:</strong> চিঠির মূল কাজ হলো যোগাযোগ স্থাপন করা, আর সেই যোগাযোগ তখনই কার্যকর হয় যখন পাঠক সহজেই মূল বার্তাটি ধরতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি কী বলতে চাচ্ছেন তা যদি গুছিয়ে এবং পরিষ্কারভাবে লিখতে পারেন, তবেই চিঠিটি সার্থক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঠিকানাবিহীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ডাক বিভাগের ভাষায় যে চিঠির প্রাপকের কোনো সঠিক ঠিকানা থাকে না বা ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায় না, সেই চিঠিগুলোকেই মূলত <strong>'ডেড লেটার'</strong> বলা হয়।</p>
<ul>
<li>চিঠিতে ঠিকানা অস্পষ্ট বা ভুল থাকলে তা প্রাপকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।</li>
<li>ডাক বিভাগ তখন সেই চিঠিগুলোকে তাদের ডেড লেটার অফিসে পাঠিয়ে দেয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে চিঠির কোনো গন্তব্য নেই, সেটিই ডেড লেটার।</li>
</ul>
৭০১
বাংলা চিঠিপত্র রচনার পেছনে কোন ভাষার প্রভাব বিদ্যমান?
<p>বাংলা চিঠিপত্র রচনার বর্তমান কাঠামো ও শৈলীর পেছনে মূলত <strong>ইংরেজি</strong> ভাষার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ব্রিটিশ শাসনামলে দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি চিঠিপত্রের যে ফরম্যাট বা কাঠামো তৈরি হয়েছিল, কালক্রমে তা বাংলা ভাষায় মিশে যায়।</p>
<ul>
<li>চিঠির শুরুতে সম্বোধন, মূল বক্তব্য এবং শেষে বিদায়সূচক সম্ভাষণ জানানোর যে আধুনিক রীতি আমরা এখন অনুসরণ করি, তা মূলত ইংরেজি <strong>Letter Writing</strong> বা চিঠিপত্র রচনার আদলে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>ঐতিহাসিক বিবর্তনের ধারায় ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের ফলে আমাদের চিঠিপত্রের ভাষা ও বিন্যাসে এই পরিবর্তনটি স্থায়ী রূপ পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>পত্র শিরোনামের সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটি চিঠির শিরোনাম বা খাম সাধারণত দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>প্রাপকের ঠিকানা:</strong> যার কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে, তার নাম ও ঠিকানা।</li>
<li><strong>প্রেরকের ঠিকানা:</strong> যিনি চিঠি পাঠাচ্ছেন, তার নাম ও ঠিকানা।</li>
</ul>
<p>চিঠির খামের ডান দিকে প্রাপকের ঠিকানা এবং বাম দিকে প্রেরকের ঠিকানা বসাতে হয়। এই দুটি অংশই একটি চিঠির শিরোনামের মূল কাঠামো তৈরি করে।</p>
<p>খামের ওপর <strong>BY AIR MAIL</strong> কথাটি লেখার মূল কারণ হলো চিঠির গন্তব্যস্থল। যখন আমরা দেশের সীমানা পেরিয়ে অন্য কোনো দেশে চিঠি পাঠাই, তখন সেটি দ্রুত পৌঁছানোর জন্য আকাশপথ বা বিমান ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে কাজ করে:</p>
<ul>
<li>চিঠিটি যখন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যায়, তখন ডাক বিভাগ সেটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিমানে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।</li>
<li>খামের ওপর এই নির্দেশিকাটি থাকলে ডাককর্মীরা সহজেই বুঝতে পারেন যে, চিঠিটি সাধারণ ডাকের বদলে আকাশপথে পাঠাতে হবে।</li>
<li>তাই বিদেশে চিঠি পাঠানোর সময় এটি লেখা বাধ্যতামূলক, যাতে চিঠিটি দ্রুত এবং সঠিক উপায়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রচলিত ডাকমাসুলের দ্বিগুণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ডাক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো চিঠির ডাকমাসুল আগে পরিশোধ করা না থাকে বা অপর্যাপ্ত থাকে, তবে প্রাপককে সেই চিঠির জন্য জরিমানা দিতে হয়।</li>
<li>এই জরিমানার পরিমাণ হলো বকেয়া ডাকমাসুলের সমপরিমাণ।</li>
<li>অর্থাৎ, প্রাপককে চিঠির মূল মাসুল এবং সমপরিমাণ জরিমানা মিলিয়ে মোট <strong>২ \times \text{প্রচলিত মাসুল}</strong> বা দ্বিগুণ টাকা পরিশোধ করতে হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বেয়ারিং চিঠির ক্ষেত্রে প্রাপককে স্বাভাবিক খরচের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা গুনতে হয়।</p>
৭০৫
কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য দেওয়া হয় কোন পত্রে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাকরির আবেদনপত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যখন আমরা কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করি, তখন কর্তৃপক্ষ তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের বিস্তারিত বিবরণ চেয়ে থাকেন।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চাকরির আবেদনপত্র:</strong> এটি মূলত একটি ফরমাল ডকুমেন্ট, যেখানে নিয়োগকর্তার দেওয়া শর্ত বা চাহিদা অনুযায়ী প্রার্থীকে নিজের সব তথ্য গুছিয়ে দিতে হয়।</li>
<li>অন্যান্য পত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো ফরম্যাট বা কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এভাবে থাকে না।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো নির্দিষ্ট পদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি উপস্থাপনের জন্য <strong>চাকরির আবেদনপত্রই</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।