<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: হ্+ঋ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>'জ্ব' যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথমে হসন্তযুক্ত 'হ্' পাওয়া যায়।</li>
<li>এর সাথে 'ঋ' কার যুক্ত হয়ে এই বিশেষ রূপটি তৈরি হয়।</li>
<li>তাই এটি মূলত <strong>হ্ + ঋ</strong> এর একটি সুন্দর রূপ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সে ঘুমায়।</strong></p>
<p>খুব সহজে অকর্মক ক্রিয়া চেনার উপায় হলো— বাক্যের ক্রিয়াপদকে "কাকে" বা "কী" দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি অকর্মক ক্রিয়া।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে "সে ঘুমায়" — এখানে "কী ঘুমায়" বা "কাকে ঘুমায়" প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর আসে না।</li>
<li>যেহেতু এর কোনো কর্ম বা অবজেক্ট নেই, তাই এটি একটি নিখুঁত অকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় বা অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। তবে এগুলো কোনো শব্দের আগে বসে শব্দটির অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন—'হার' একটি শব্দ, এর আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার' (মারা)। এভাবে উপসর্গ সবসময় নতুন শব্দ তৈরিতে জাদুর মতো কাজ করে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার একটা চমৎকার টেকনিক আছে। 'শশ' মানে হলো খরগোশ, আর যার মাঝে খরগোশের আকৃতির দাগ বা অবয়ব কল্পনা করা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>শশাঙ্ক</strong>। পৌরাণিক ও কাব্যিক অর্থে চাঁদের গায়ে খরগোশের দাগ রয়েছে বলে একে শশাঙ্ক বলা হয়। তাই পরীক্ষার হলে 'শশাঙ্ক' দেখলেই চট করে মাথায় আনবেন এটি চাঁদের একটি সুন্দর প্রতিশব্দ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোকান</strong>।</p>
<p>'আপণ' (ণ-ত্ব বিধানযুক্ত) শব্দের অর্থ হলো দোকান। আর যদি বানানটি 'আপন' (ন-ত্ব বিধানযুক্ত) হতো, তবে তার অর্থ হতো 'নিজ'। বানান ও অর্থের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটুকু মাথায় রাখলেই পরীক্ষার হলে আর ভুল হবে না!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>।</p>
<p>'অমৃত' শব্দের অর্থ হলো সুধা বা যা মৃত্যুর নিবারণ করে। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'গরল', যার অর্থ হলো বিষ। খুব সহজেই তাই বলা যায়, অমৃতের বিপরীত শব্দ হলো গরল।</p>
৬৫৯৩
হাত গুটিয়ে বসে আছো কেন? বাক্যে 'হাত' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কার্যে বিরতি</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় 'হাত গুটিয়ে বসে থাকা' একটি জনপ্রিয় বাগধারা। এর সহজ অর্থ হলো কোনো কাজ না করে অলসভাবে সময় কাটানো বা কাজ বন্ধ রাখা। অর্থাৎ, এখানে 'হাত' শব্দটি কোনো অঙ্গকে বোঝায়নি, বরং সামগ্রিকভাবে কাজের সমাপ্তি বা <strong>কার্যে বিরতি</strong> নির্দেশ করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অদৃষ্টের পরিহাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'বিধির বিড়ম্বনা' কথাটির অর্থ হলো বিধাতা বা ভাগ্যের নিষ্ঠুর বা কৌতুকপূর্ণ আচরণ। আর ঠিক একই ভাবার্থ প্রকাশ করে <strong>'অদৃষ্টের পরিহাস'</strong> বাগধারাটি। তাই পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক বাগধারা আসলে একটু খেয়াল করলেই খুব সহজে উত্তরটি বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! কোনো কিছু পাওয়ার আগেই বা নিশ্চিত না হতেই আনন্দিত হয়ে প্রস্তুতি নেওয়া বা ফায়দা লোটার চেষ্টা করা বোঝাতেই <strong>"গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল"</strong> প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ঠিক যেমন কাঁঠাল গাছে আছে কিন্তু তা পাওয়া বা খাওয়ার নিশ্চয়তা এখনও নেই, তার আগেই গোঁফে তেল লাগিয়ে বসে থাকা!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সব্যসাচী</strong>। কথাটির সহজ অর্থ হলো—যিনি বা যাঁর দুই হাত সমান চলে বা সমান দক্ষতায় কাজ করতে পারে। বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি খুবই পরিচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো—দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত 'নীলদর্পণ' নাটকটি প্রকাশের পর এর ইংরেজি অনুবাদ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল যাতে ব্রিটিশরা এর আসল রূপটা বুঝতে পারে। এই গুরুদায়িত্বটি অত্যন্ত নিপুণভাবে পালন করেছিলেন আমাদের মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: যতীন্দ্রমোহন বাগচী</strong>।</p>
<p>'কাজলা দিদি' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মর্মান্তিক কবিতা, যা বিখ্যাত কবি <strong>যতীন্দ্রমোহন বাগচী</strong> রচনা করেছেন। এই কবিতায় এক ছোট শিশুর আকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যে বুঝতে পারে না তার প্রিয় দিদি কোথায় হারিয়ে গেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আলুনি</strong>। কারণ 'ন' তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত না-বোধক অব্যয় (না, নাই, অ, অন্ ইত্যাদি) পূর্বপদে বসে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ the পদের সাথে যে সমাস গঠন করে, তাকে 'ন' তৎপুরুষ সমাস বলে।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>'আলুনি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>ন (নেই) লুনি (লবণ) যার</strong> বা নাই লবণ যাতে।</li>
<li>এখানে 'আ-' উপসর্গটি না-বোধক বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা 'ন' তৎপুরুষ সমাসের স্পষ্ট নিদর্শন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।